বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৪ পি.এম
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকাসহ দেশের ৫টি বিভাগের বেশ কিছু জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ প্রবল বৃষ্টি হানা দিতে পারে। ভারী বর্ষণের কারণে এসব অঞ্চলের অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে ভারী বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে বেসরকারি আবহাওয়া গবেষণা সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম লিমিটেড (বিডব্লিউওটি)।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি। বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতায় খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাসের বিবরণ তুলে ধরে বিডব্লিউওটি জানায়, বরিশাল বিভাগের ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু জেলায় সাময়িক মুষলধারে বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে, যা কিছু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা তৈরি করতে পারে।
খুলনা বিভাগের বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলায় একইভাবে দফায় দফায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এখানেও কয়েকটি জেলায় সাময়িক ভারী বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কথা জানানো হয়েছে।
রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েকটি স্থানে সাময়িক ভারী বৃষ্টির প্রভাবে নিচু এলাকায় পানি জমে যেতে পারে।
রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও রংপুর জেলার বহু স্থানে থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানেও বিচ্ছিন্নভাবে সাময়িক জলাবদ্ধতার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলায় দফায় দফায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর মধ্যে কিছু এলাকায় স্বল্প সময়ের জন্য প্রবল বর্ষণ দেখা যেতে পারে।
এছাড়া আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বাকি জেলাগুলোতেও ১ থেকে ২ দফা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে এবং দু-এক জায়গায় সাময়িক ভারী বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টির বিস্তার বিক্ষিপ্ত হতে পারে। ফলে উল্লিখিত জেলাগুলোর সব অঞ্চলে সমানভাবে বৃষ্টিপাত নাও হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবলার কে, এই প্রশ্ন উঠলে স্বাভাবিকভাবেই রোনালদো এবং মেসির নাম উঠে আসে। কিন্তু সম্প্রতি একটি ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই দুই ফুটবল কিংবদন্তির পাশাপাশি ধনী ফুটবলারের তালিকায় ফাইক বলকিয়াহের নামও এসেছে।
১৯৯৮ সালে জন্মগ্রহণকারী এই ফুটবলার ব্রুনাই রাজপরিবারের সদস্য এবং পেশাদার ফুটবলে উইঙ্গার হিসেবে তার খেলার পরিচিতি রয়েছে। তিনি ব্রুনাই জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও এএস-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তার সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বিশাল পারিবারিক সম্পদের কারণেই তাকে ফুটবল জগতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সবচেয়ে ধনী ফুটবলার’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
রাজপরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক তিনি। সম্প্রতি তার নাম নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হওয়ার পেছনে একটি বিশেষ ঘটনা রয়েছে।
থাইল্যান্ডের শীর্ষ লিগের ক্লাব রাতচাবুরির সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি তা নবায়ন করেননি। ফলে বর্তমানে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে রয়েছেন ফাইক বলকিয়াহ। এই পরিস্থিতি ফুটবল অঙ্গনে তার অঢেল সম্পত্তি নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচরের দক্ষিণে রূপারচর সংলগ্ন সাগরে চারদিন ধরে একটি মাছ ধরার ট্রলার, এফবি তাওসীন, বিকল অবস্থায় ভাসমান রয়েছে।
এ ট্রলারে মালিকসহ মোট ১৮ জন জেলে রয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তিন নম্বর সতর্ক সংকেতের মধ্যে উত্তাল সাগরে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
রোববার ট্রলারের পাখা ভেঙে যাওয়ার পর থেকে এই ১৮ জেলে সাগরে আটকে আছেন। ট্রলারটির মালিক হচ্ছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হানিফ মাঝি।
মঙ্গলবার নেটওয়ার্ক পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি নিজ এলাকার মৎস্য আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারীকে জানান। এরপর ফরহাদ হোসেনের ছেলে জোনায়েদ আল সাকি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে উদ্ধারের জন্য সহায়তা চান।
ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারী জানান, ৯৯৯-এ কল করার পর নৌপুলিশ যোগাযোগ করে। কিন্তু বড় বোট না থাকার কারণে তারা উদ্ধার অভিযানে যেতে পারেনি। জেলেদের উদ্ধার করতে নিজেদের একটি ট্রলার পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
তবে তিন নম্বর সতর্ক সংকেতের কারণে উত্তাল সাগরে উদ্ধার অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেলেদের দ্রুত উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পরিবহন, শিল্প ও কৃষিতে বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি করে আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা রাখে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে খরচ কমানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকটের ঝুঁকিও এড়ানো সম্ভব হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রকাশিত নতুন ‘স্পেশাল রিপোর্ট অন ইলেকট্রিফিকেশন’ প্রতিবেদনে এই সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানাচ্ছে, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিকারক উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বিদ্যুতায়নের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার সুবিধা ব্যাপক।
বাংলাদেশ কত অর্থ সাশ্রয় করতে পারে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো নির্দিষ্ট হিসাব নেই। তবে আইইএর হিসাব অনুযায়ী, দ্রুত বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে চীন ছাড়া অন্যান্য উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে সম্মিলিতভাবে বছরে ১০০ বিলিয়ন বা ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমাতে সক্ষম হতে পারে। এটি ২০২৫ সালে এসব দেশের মোট জ্বালানি আমদানি ব্যয়ের এক-চতুর্থাংশের বেশি।
বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দেশে বর্তমানে বড় আকারে জ্বালানি তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও কয়লা আমদানি করা হচ্ছে। ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেলে কিংবা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে দেশের জ্বালানি খাতেও চাপ সৃষ্টি হয়।
আইইএর প্রতিবেদনে পরিবহন, বস্ত্র ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প এবং কৃষিকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বিদ্যুতায়নের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আইইএ বলছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর শহরগুলো সাধারণত ঘনবসতিপূর্ণ এবং মানুষের দৈনিক যাতায়াতের দূরত্ব তুলনামূলকভাবে কম। তাই এসব দেশে বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল ও তিন চাকার যান ব্যবহারের বড় সুযোগ রয়েছে।
বর্তমানে জনপ্রিয় বৈদ্যুতিক দুই ও তিন চাকার যানের ব্যাটারির সক্ষমতা উন্নয়নশীল দেশের মানুষের গড় দৈনিক যাতায়াতের প্রায় ১০ গুণ দূরত্ব অতিক্রমের জন্য যথেষ্ট। আবার তেলচালিত যানের তুলনায় পরিচালন ব্যয় কম হওয়ায় বৈদ্যুতিক যান কেনার বাড়তি খরচ সাধারণত তিন থেকে ছয় বছরের মধ্যে উঠে আসতে পারে।
দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এ অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশ তেল আমদানিনির্ভর। তাই পরিবহনে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়লে তেল আমদানি ও বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
আইইএর হিসাবে, দ্রুত বিদ্যুতায়ন হলে ২০৩৫ সাল নাগাদ বিশ্বে দৈনিক ১ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল তেলের ব্যবহার এড়ানো সম্ভব হতে পারে। এর প্রায় ৮০ শতাংশই হবে জ্বালানি আমদানিকারক অঞ্চলে।
বস্ত্র ও খাদ্য শিল্পে সম্ভাবনা
বাংলাদেশের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে বস্ত্র ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প। ইস্পাত ও সিমেন্টের মতো ভারী শিল্পে অনেক বেশি তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়। কিন্তু বস্ত্র, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, দুগ্ধ, ওষুধ ও পানীয় শিল্পে তুলনামূলক কম তাপমাত্রায় গরম পানি, বাষ্প ও শুকানোর প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়।
এসব কাজে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে বৈদ্যুতিক বয়লার ও শিল্পে ব্যবহৃত হিট পাম্প কাজে লাগানো তুলনামূলকভাবে সহজ।
আইইএর হিসাবে, বিশ্বে শিল্প খাতে নিম্ন ও মাঝারি তাপমাত্রার কাজে ব্যবহৃত জ্বালানির প্রায় ৪০ শতাংশ বর্তমান প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ীভাবে বিদ্যুৎ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব। বস্ত্র ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকে এক্ষেত্রে বিশেষ সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্প বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়ায় এ সুযোগ দেশের জন্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।
আইইএ বলছে, আরেকটি সুবিধা আসতে পারে রপ্তানি বাণিজ্যে। আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো সরবরাহব্যবস্থায় কার্বন নিঃসরণ কমানোর দিকে গুরুত্ব বাড়াচ্ছে। ফলে শিল্পে কম কার্বন নিঃসরণকারী বিদ্যুতের ব্যবহার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতেও সহায়তা করতে পারে।
কৃষিতে সৌরচালিত সেচ
কৃষিতেও বিদ্যুতায়নের বড় সুযোগ দেখছে আইইএ। সংস্থাটির হিসাবে, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষির অবদান ১ থেকে ২ শতাংশ হলেও দক্ষিণ এশিয়া ও সাব-সাহারান আফ্রিকায় তা ১৭ থেকে ১৯ শতাংশ। ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষির বিদ্যুতায়নের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে।
বিশেষভাবে সেচের কথা বলেছে আইইএ। যেসব এলাকায় গ্রিডের বিদ্যুৎ নেই বা নির্ভরযোগ্য নয়, সেখানে ডিজেলচালিত পাম্পের বিকল্প হতে পারে সৌরচালিত সেচপাম্প। কৃষিপণ্য সংরক্ষণে হিমাগার ও রেফ্রিজারেশনেও বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
বড় বাধা দুর্বল গ্রিড
সংস্থাটি বলছে, পরিবহন, শিল্প ও কৃষিতে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদাও বৃদ্ধি পাবে। তাই পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।
আইইএ বলছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিদ্যুতায়নের অন্যতম বড় বাধা অনির্ভরযোগ্য ও ব্যয়বহুল গ্রিড বিদ্যুৎ। নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের নিশ্চয়তা না থাকলে বৈদ্যুতিক প্রযুক্তি বেশি দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও শিল্পকারখানা ডিজেল বা গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারে।
তাহলে বিদ্যুতায়নের পাশাপাশি উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। প্রয়োজন হবে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ব্যবস্থা বা ব্যাটারি, আধুনিক গ্রিড ও চাহিদা ব্যবস্থাপনারও।
আইইএর হিসাবে, দ্রুত বিদ্যুতায়নের জন্য ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে বিদ্যুৎ গ্রিড সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের গতি গত এক দশকের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়াতে হবে।
আমদানি কমাতে বিদ্যুতের উৎসও গুরুত্বপূর্ণ
তবে শুধু বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ালেই জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমবে না। সেই বিদ্যুৎ কোথা থেকে আসছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
আইইএ বলছে, বিদ্যুতায়নের সুফল সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাবে যদি বাড়তি বিদ্যুৎ দেশীয় ও কম কার্বন নিঃসরণকারী উৎস থেকে আসে। নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের পাশাপাশি গ্রিড ও বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করলে জ্বালানি নিরাপত্তার সুবিধা আরও বাড়বে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তাই পরিবহন বা শিল্পে পেট্রোল, ডিজেল ও গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে সেই জায়গায় যদি আমদানি করা এলএনজি বা তেল দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়, তাহলে আমদানিনির্ভরতার একটি অংশ মূলত এক খাত থেকে অন্য খাতে চলে যেতে পারে।
বিশ্বের মোট চূড়ান্ত জ্বালানি ব্যবহারে এখন বিদ্যুতের অংশ প্রায় ২৩ শতাংশ। আইইএ বলছে, বর্তমানে থাকা প্রযুক্তি সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করেই এ হার প্রায় ৩৩ শতাংশে নেওয়া সম্ভব। আর ২০৩৫ সালের মধ্যে তা ৩৫ শতাংশে নেওয়ার একটি বৈশ্বিক লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।
তবে সব দেশের জন্য একই পথ প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছে আইইএ। একটি দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো, জ্বালানির দাম, বিদ্যুৎ অবকাঠামো ও অর্থায়নের সুযোগের ওপর বিদ্যুতায়নের গতি নির্ভর করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পুকুরে ডুবে মৃত্যু ঘটেছে দেড় বছরের আবু সাঈদ নামে এক শিশুর।
এই ঘটনা ঘটে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে, উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বেলকার তেলিপাড়া এলাকায়। আবু সাঈদ ওই এলাকার মো. রেজাউল ইসলামের সন্তান।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি সকালে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির পাশে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে তাকে উদ্ধার করেন। কিন্তু ততক্ষণে শিশুটির মৃত্যু ঘটে।
বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহীম খলিলুল্ল্যাহ শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ