সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৮ পি.এম
ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালকে শিগগিরই জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে, এমনটি জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ববি হাজ্জাজ।
প্রতিমন্ত্রী সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) শ্যামলীর টিবি হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য তুলে ধরেন।
হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন ও কার্যক্রম আরও গতিশীল করার জন্য জনবল সংকট দূর করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রোগীদের মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
হাসপাতালের সেবার পরিধি ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান ববি হাজ্জাজ। একইসঙ্গে হাসপাতালের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করে রোগী ও সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন তিনি।
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন এবং তা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন প্রতিমন্ত্রী। চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত করতে তাদেরকে দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
একইসঙ্গে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা, ওষুধ সরবরাহ এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কেও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন তিনি।
ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা প্রতিটি রোগীর প্রতি মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। রোগীদের যেন কোনও ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
এ সময় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও উপপরিচালক ডা. আয়শা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর, সমাজসেবা অধিদফতর এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় স্বাস্থ্য বিটের সাংবাদিক, হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, ডাকসু, এর সংগ্রহশালায় যুক্ত হওয়া পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ভেঙে ফেলা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে এই ঘটনাটি ঘটে।
ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি "ছি ছি জিন্নাহ" বলে ছবি ভেঙে ফেলছেন। তবে, ওই ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
সংস্কার শেষে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ডাকসু সংগ্রহশালাটি চালু করে। সেখানে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আলোচিত ছবি যুক্ত করা হয়।
এর আগে, শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে ইনকিলাব মঞ্চের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে জিন্নাহর একটি সাদাকালো প্রতিকৃতি প্রকাশ করে তাকে স্মরণ করা হয়। পোস্টে তার জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয় ২৫ ডিসেম্বর ১৮৭৬ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮।
আনুষ্ঠানিক বার্তায় লেখা হয়, "উপমহাদেশের অন্যতম রাজনীতিবিদ, দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রবক্তা, পাকিস্তান রাষ্ট্রের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা ও পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ।" তাকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রভাবশালী নেতা হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন, "বিএনপি সবসময় অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।"
এই মন্তব্যটি তিনি রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মাসকরা গ্রামে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি নেতা মিলনের পরিবারের জন্য নির্মিত নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে করেছেন।
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, "ধর্মের নামে রাজনীতি করে একটি দল মানুষের কাছে জান্নাতের টিকিট বিক্রির চেষ্টা করছে। অথচ তারাই এলাকায় দোজখের আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে।"
তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামের মূল শিক্ষা মানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা। কিন্তু একটি পক্ষ ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। তারা মানুষের কল্যাণের পরিবর্তে রাজনৈতিক লাভের পেছনে ছুটছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, জামায়াতে ইসলামী বারবার মানুষের সঙ্গে মোনাফেকি করছে। বর্তমানে তারা ত্রাসের রাজনীতি ও সন্ত্রাসের রাজনীতি করছে।
তিনি জানান, "আমরা বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির জন্য এই ঘরটি উপহার দিয়েছি। বিএনপি সবসময় অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।"
অনুষ্ঠানে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মিলনের পরিবারের পাঁচ সদস্যের হাতে নবনির্মিত ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। এই সময় পরিবারটিকে একটি ছাগলও উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সংসদ সদস্য আলহাজ রাশেদা বেগম হিরা, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুল হুদাসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের জয়দেবপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশের খালের জল থেকে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করার ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রেমিকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পিবিআই জানায়, নিহত ডলি আক্তার (৩০) হত্যার পর মরদেহ সুটকেসে না ধরায় কোমর থেকে দুই টুকরো করা হয়।
এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হত্যায় ব্যবহৃত বটি, দা, ব্লেড, নিহতের মোবাইল ফোন ও জুতা এবং মরদেহ প্যাকেটজাত করতে ব্যবহৃত স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
গাজীপুর পিবিআই কার্যালয়ে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেন গাজীপুর জেলার পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার সৈয়দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মাসকুর আলমের ছেলে মো. মিশন ইসলাম (২২), তার মা বানু আক্তার (৪৩) এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার বুড়াবুড়ি গ্রামের মিজানুর রহমান মিল্টন (২৪)। মিশন ইসলাম তার মায়ের সঙ্গে গাজীপুর মহানগরের বাহাদুরপুর তুলসীভিটা সাগর মার্কেট এলাকায় আনোয়ারের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
নিহত ডলি আক্তার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার পাহাড় পাবিজান গ্রামের বাদশা মিয়ার কন্যা। তিনি স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর গাজীপুরের বানিয়ারচালার একটি কারখানায় কাজ করতেন এবং ওই এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
পিবিআই জানায়, শুক্রবার বিকেলে জয়দেবপুর থানার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশের খালের পানিতে একটি সুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পায় পুলিশ। পরবর্তীতে সুটকেস ও বস্তা থেকে এক নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বড় ভাই সোহেল বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর নিহতের পরিচয় শনাক্তসহ ছায়া তদন্ত শুরু করে গাজীপুর পিবিআই।
তদন্তের এক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যায় জড়িত সন্দেহে মিশন ইসলাম, তার মা বানু আক্তার ও মিজানুর রহমান মিল্টনকে শনাক্ত করা হয়। পরে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর মহানগরের বাহাদুরপুর তুলসীভিটা এলাকার পৃথক ভাড়া বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে পিবিআই জানতে পারে, ডলি আক্তার ও মিশন ইসলাম একই কারখানায় কাজ করার সুবাদে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ডলি মিশনের ভাড়া বাসায় গেলে সেখানে মিশন, তার মা বানু আক্তার ও ডলি একসঙ্গে রাতের খাবার খান। পরে মিশন ও ডলি একই কক্ষে এবং বানু পাশের কক্ষে ঘুমাতে যান।
পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতে বিয়ে ও পূর্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিশন ও ডলির মধ্যে কথা কাটাকাটি ও বিরোধ হয়। এক পর্যায়ে ডলিকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন মিশন। তিনি ডলিকে ঘুমের ও অ্যালার্জির ওষুধ খাওয়ান। ডলি ঘুমিয়ে পড়লে রাত ২টার দিকে লুঙ্গি পেঁচিয়ে ও বালিশচাপা দিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মিশন। পরে মরদেহ চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখেন।
পরদিন সকালে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার সময় বানু আক্তার চৌকির নিচে ডলির মরদেহ দেখতে পান। এরপর মা-ছেলে মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করেন। তারা বাজার থেকে একটি সুটকেস কিনে আনেন। কিন্তু মরদেহ সুটকেসে না ধরায় ব্লেড সংগ্রহ করেন। পরে বটি, দা ও ব্লেড দিয়ে মরদেহটি কোমর থেকে দুই খণ্ড করা হয়। এক খণ্ড সুটকেসে এবং অপর খণ্ড পলিথিনে মুড়িয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা হয়।
মরদেহ গুম করতে মিশন তার বন্ধু মিজানুর রহমান মিল্টনকে বাসা পরিবর্তনে সহযোগিতার কথা বলে ডেকে আনেন। মিল্টন বাসায় এসে সুটকেস ও বস্তা অটোরিকশায় তুলে দেন। পরে মিশন, বানু ও মিল্টন অটোরিকশায় রাজেন্দ্রপুর যান। সেখান থেকে সিএনজি অটোরিকশায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ভবানীপুর ব্রিজ এলাকায় গিয়ে সুটকেস ও বস্তাটি খালের পানিতে ফেলে দেন।
পিবিআই জানায়, এ সময় মিল্টনের হাতে রক্ত লাগলে তিনি সুটকেস ও বস্তার ভেতরে কী আছে তা মিশনের কাছে জানতে চান। তখন মিশন সেখানে ডলির মরদেহ থাকার কথা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসায় চলে যান।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিশনের ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে হত্যায় ব্যবহৃত বটি ও দা, মরদেহ প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ, নিহত ডলির জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করা হয়।
গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার বলেন, মরদেহ পচে যাওয়ায় প্রথমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন ছিল। পরে ক্রাইমসিন বিশ্লেষণ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্বস্ত সোর্সের সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এরপর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার তিন আসামিই হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর রাজস্ব খাতভুক্ত বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৫৩৮ জনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নিয়োগের জন্য নির্ধারিত পদ দুটি হলো সিমেন ক্যারিয়ার এবং অফিস সহায়ক। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এবং চলবে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত।
একনজরে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি:
প্রতিষ্ঠানের নাম: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর
চাকরির ধরন: সরকারি
পদসংখ্যা: ২টি
লোকবল নিয়োগ: ৫৩৮ জন
আবেদনের মাধ্যম: অনলাইন
আবেদন শুরুর তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ অক্টোবর ২০২৬
চাকরির ধরন: স্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
চাকরির বিবরণ:
১. পদের নাম: সিমেন ক্যারিয়ার
পদসংখ্যা: ৩২টি (গ্রেড: ১৯তম, বেতন স্কেল: ৮৫০০-২০৫৭০ টাকা)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রার্থীদের জন্য কোনো স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
২. পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৫০৬টি (গ্রেড: ২০তম, বেতন স্কেল: ৮২৫০-২০০১০ টাকা)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রার্থীকে অবশ্যই কোনো স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
আবেদনের বয়সসীমা: প্রার্থীদের জন্য বয়সসীমা ১৮-৩২ বছর হতে হবে, যা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত প্রযোজ্য। বয়স প্রমাণের জন্য এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।
বিস্তারিত জানতে ও আবেদনের জন্য এখানে ক্লিক করুন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ