রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২০ পি.এম
আগামী ১ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সফর, যা পূর্বে ১৭ সেপ্টেম্বরের জন্য নির্ধারিত ছিল।
ফেনী জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুল করিম রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা, অবকাঠামো, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনসহ সকল বিষয় নিশ্চিত করার জন্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তর সমন্বিতভাবে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ১ অক্টোবরের নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই সমস্ত প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হবে।
অন্যদিকে, সফরটি পিছিয়ে গেলেও ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে। সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী পরশুরামে সম্প্রতি একনেকে অনুমোদিত ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প’-এর শুভ উদ্বোধন করবেন।
এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি খাদ্য গুদামের (এলএসডি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেহেদী ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাদ্য অধিদপ্তর।
কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন ও ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে এবং একই ব্যক্তির কাছ থেকে একাধিকবার ধান সংগ্রহ করে বিল দেওয়ার কারণে এই বরখাস্তের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
খাদ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (সংস্থাপন) অনির্বাণ ভদ্রের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে গত ৩১ আগস্ট তার বরখাস্তের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, গত ৯ সেপ্টেম্বর খাদ্য অধিদপ্তরের উপসচিব মো. মাহাবুর রহমান শেখের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। তাকে ঢাকা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত সহকারী আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সদ্য বদলিকৃত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের টেলিফোনিক নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে নেত্রকোনার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিরিশিরি খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় ধান সংগ্রহে বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য উঠে আসে।
তদন্তে দেখা যায়, কৃষি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত আগ্রহী কৃষকদের তালিকা সঠিকভাবে প্রণয়ন করা হয়নি। তালিকায় কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য না থাকার কারণে যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং একই নাম একাধিকবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, কৃষি বিভাগের প্রত্যয়ন নিয়ে কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও তা অনুসরণ করা হয়নি। শুধু জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে এবং কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষক শনাক্ত না করেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। ফলে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী ইসলাম একটি সিন্ডিকেটের সহায়তায় ধান সংগ্রহ করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়।
রেজিস্টার ও কৃষি বিভাগের তালিকা পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ নীতিমালা-২০১৭ লঙ্ঘন করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একই ব্যক্তির কাছ থেকে একাধিকবার ধান সংগ্রহ ও বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দুর্গাপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের যথাযথ তদারকি ছিল না বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, মেহেদী ইসলামকে বরিশালের উজিরপুরে বদলির আদেশ দেওয়া হলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত ও বিভাগীয় কার্যক্রম চলমান থাকায় কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরিতে বহাল রাখা সমীচীন মনে করেনি। ফলে প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছ তদন্তের স্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন বলেও জানানো হয়েছে।
চলতি বছর নেত্রকোনায় চাল কেলেঙ্কারির একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে জেলার মদন উপজেলায় গত ১৪ মে রাতে পাচারের সময় ২০ টন চাল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও গুদাম কর্মকর্তাকে বরিশালে বদলি করা হয়। একই উপজেলায় গত ৪ সেপ্টেম্বর পাচারের সময় ৫ টন সরকারি চাল জব্দ হয়। দুটি ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এ ছাড়া গত বছরের ২১ জুন জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় ১৩ হাজার ৫১৫ কেজি সরকারি চাল জব্দ করে সেনাবাহিনী।
এ বিষয়ে জানতে বরখাস্ত হওয়া গুদাম কর্মকর্তা মেহেদী ইসলামের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
বদলিকৃত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমান বলেন, "ধান সংগ্রহে অনিয়মের কারণেই গুদাম কর্মকর্তা মেহেদী ইসলামকে বরখাস্ত করা হয়েছে।"
তবে তিনি নিজের বদলিকে স্বাভাবিক উল্লেখ করে বলেন, "এটা নিয়মিত বদলিই মনে হচ্ছে। ওই ঘটনার সঙ্গে এই বদলির কোনো সম্পর্ক নেই।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ/সেলস অ্যাসোসিয়েট
পদসংখ্যা: ১০ জন
চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি অথবা সমমান
অভিজ্ঞতা: ১-২ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
বয়সসীমা: ১৮-৩০ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো জেলায়।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটটি, যা কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ ছিল, পুনরায় চালু করা হয়েছে। মেরামতের কাজ নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই সম্পন্ন হওয়ায় রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
আদানি পাওয়ারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টা ১৭ মিনিটে গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটটি সফলভাবে চালু করা হয় এবং সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে এর সমন্বয় (সিঙ্ক্রোনাইজেশন) সম্পন্ন হয়। এর ফলে দুপুরের পর থেকেই বাংলাদেশে গোড্ডা কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় বৃদ্ধি পাবে।
এর আগে, ১১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটির বয়লারে হঠাৎ করে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়, যার ফলে এটি বন্ধ হয়ে যায়। এই কারণে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে যায়।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ত্রুটি দেখা দেওয়ার আগে কেন্দ্রটি থেকে বাংলাদেশে ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ আসছিল। কিন্তু একটি ইউনিট বিকল হয়ে যাওয়ার ফলে সরবরাহ কমে ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে, যা দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়ে যায়।
বিপিডিবির কর্মকর্তাদের মতে, বয়লারের ত্রুটি মেরামতের জন্য শুরুতে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে কারিগরি দলের দ্রুত কাজের ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই ইউনিটটিকে উৎপাদনে ফেরানো সম্ভব হয়েছে।
উল্লেখ্য, ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট, যা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আমদানির অন্যতম প্রধান উৎস। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে কয়লা পরিবহন জটিলতার কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন কিছুটা কমলেও পরবর্তীতে তা স্বাভাবিক করা হয়েছিল। বিকল ইউনিটটি পুনরায় চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং চলমান লোডশেডিং পরিস্থিতি থেকে স্বস্তি মিলবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা প্রকাশ করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের তল্লাশি অভিযানে ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক ব্যাটারি চালিত রিকশাচালককে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তির নাম জসিম উদ্দিন (৪২) এবং তিনি কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের মৌলভীকাটা এলাকার আবদু জব্বারের পুত্র।
পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় জসিম উদ্দিনকে আটক করা হয় এবং তার অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে শসার বস্তা থেকে আনুমানিক ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের শহীদ মিনারের পূর্ব পাশে রাসেল কম্পিউটার দোকানের সামনে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়।
ওসি মো. মোজাম্মেল হক বলেন, "গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়েছে।" তিনি আরো জানান, এ সময় জসিমের অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি জানান, মাদকদ্রব্যের অবৈধ সরবরাহ, পরিবহন ও বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পুলিশের দাবি, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করার ফলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ