বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:০৪ পি.এম
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নরওয়ের বিপক্ষে বেঞ্চে বসে থাকতে হয়েছে। এরপর তিনি নাটকীয়ভাবে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান, যা পাঁচবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী এই ফুটবলারের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
এই পরিস্থিতির কারণে উয়েফা নেসনস লিগে ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের আগে পর্তুগাল দলের ফুটবলারদের জার্সি নম্বরে একটি বড় পরিবর্তন এসেছে। রোনালদোর আইকনিক ‘৭’ নম্বর জার্সি এখন মাঠে পরে খেলবেন রাফায়েল লিয়াও।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) কোপেনহেগেনে নেসনস লিগের ‘এ৪’ গ্রুপের ম্যাচে পর্তুগাল স্বাগতিক ডেনমার্কের মুখোমুখি হবে।
ম্যাচের জন্য উয়েফার ঘোষিত ২৩ সদস্যের স্কোয়াডে রোনালদো অনুপস্থিত থাকবেন, যা প্রত্যাশিত ছিল। উয়েফার দেওয়া পর্তুগালের স্কোয়াড লিস্টে নতুন করে জার্সি নম্বরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এতে দেখা যাচ্ছে, লিয়াও এখন পর্তুগালের হয়ে ‘৭’ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামবেন। সাধারণত তিনি ১৭ নম্বর জার্সি পরে খেলতেন। তবে ৭ নম্বর পাওয়ার ফলে তার সাবেক ১৭ নম্বর জার্সিটি দেওয়া হয়েছে প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পাওয়া ফাবিও সিভাকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, বিগত সরকারের সময়ে শিল্প-কারখানার নামে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
মন্ত্রী বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের সময়ে অনেকেই কলকারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ গ্রহণ করেছেন। এরপর সেই অর্থ বিদেশে পাচার করে তারা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। এই পরিস্থিতির প্রভাব দেশের শিল্পখাতে পড়ছে। অর্থসংকটসহ বিভিন্ন কারণে বেশ কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।
মন্ত্রী জানান, সরকার বন্ধ থাকা এসব শিল্প-কারখানা পুনরায় চালু করার জন্য কাজ করছে। তিনি বলেন, কারখানাগুলো সচল হলে উৎপাদন বাড়বে এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থানও নিশ্চিত হবে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরও জানান, বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রামের তিনটি সংসদীয় আসনের এমপিরা এবং পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) একাডেমিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার, নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা গ্রহণ এবং ফল প্রকাশের পাশাপাশি সেশনজট নিরসনের উদ্দেশ্যে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ১৯টি বিভাগের প্রথম বর্ষের পরীক্ষা ১৫ দিনের মধ্যে শুরু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ১ থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সব বিভাগের পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার প্রকাশ করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, নৃবিজ্ঞান, ইংরেজি, ফার্মেসি, মার্কেটিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই), ব্যবস্থাপনা শিক্ষা এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করেছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর জানায়, বাকি বিভাগগুলোও ১৫ অক্টোবরের মধ্যে পরীক্ষা শুরু করবে।
জানা গেছে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শ্রেণি কার্যক্রম গত ১২ এপ্রিল শুরু হয়। শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর ছয় মাসের মধ্যে প্রথম বর্ষের পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে মাইগ্রেশনের কারণে কিছু বিভাগের শিক্ষার্থীরা এক মাস পর ভর্তি হওয়ায় তাদের ক্লাস কার্যক্রম শেষ করতে দেরি হয়েছে। তাই নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, "একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আমরা নভেম্বরের শুরুর দিকে ক্লাস শেষ করি। পরে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ১ অক্টোবর থেকে পরীক্ষা শুরু করি। মাইগ্রেশনের কারণে কয়েকটি বিভাগের পরীক্ষা শুরু করতে দেরি হয়েছে। আমাদের বিভাগে মাইগ্রেশনের মাধ্যমে কেউ আসেনি, তাই আমরা কার্যক্রম ঠিকভাবে চালিয়ে যেতে পেরেছি এবং নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পেরেছি। প্রশাসন পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশে ধারাবাহিকতা আনতে একসঙ্গে কার্যক্রমগুলো এগিয়ে নিচ্ছে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, "একাডেমিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ থেকেই কঠোরভাবে মনিটরিং শুরু করা হচ্ছে। ১৯টি বিভাগের প্রথম বর্ষের পরীক্ষা ১ থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময়সূচি প্রণয়ন, পরীক্ষা শুরু, খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশসহ পুরো প্রক্রিয়া উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের কাছে রিপোর্টের মাধ্যমে মনিটরিং করা হবে।"
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে, সম্ভব হলে পরীক্ষার খাতা ১০ দিনের মধ্যে বিভাগে জমা দিতে এবং আট সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে। নির্ধারিত সময়ে যৌক্তিক কারণ ছাড়া ফলাফল জমা দিতে না পারলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বেতন কর্তনের একটি পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নিয়ে কোথায় সেশনজট তৈরি হচ্ছে এবং কোথায় তা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদে সেশনজট নিরসনের পথ বের করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, "১৯টি বিভাগের ২০তম ব্যাচের প্রথম বর্ষের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত আটটি বিভাগের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বাকি বিভাগগুলোর পরীক্ষা ১৫ অক্টোবরের মধ্যে শুরু হবে।"
তিনি আরও বলেন, "বর্তমানে কয়েকটি বিভাগ ফলাফল প্রকাশে পিছিয়ে রয়েছে। এসব বিভাগে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার মাধ্যমে দ্রুত একাডেমিক কার্যক্রম শেষ করে ফল প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এখন ২০২৫–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হলেও ধাপে ধাপে অন্যান্য শিক্ষাবর্ষেও এ নীতি কার্যকর করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের জন্য ফিফা আসিয়ান কাপ থেকে বিদায়ের ঘণ্টা বেজে গেছে, টানা দুই হারের পর। এবার স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে টমাস ডুলির শিষ্যরা। বাংলাদেশ কোচ একাদশে একটি পরিবর্তন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্ট্রাইকিং পজিশনে শেখ মোরসালিনের পরিবর্তে আজ শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছেন শাহরিয়ার ইমন।
ইমনের দুই পাশে আক্রমণের গতি বাড়াতে থাকবেন শুকি ইতোফুসা (বাঁয়ে) এবং রাকিব হোসেন (ডানে)। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করবেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া; তার সঙ্গে থাকবেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অভিজ্ঞ হামজা চৌধুরী ও শমিত সোম।
এছাড়া রক্ষণভাগের দায়িত্বে থাকবেন সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী, জিদান ইউসুফ ও জায়ান আহমেদ। গোলপোস্টের নিচে যথারীতি দায়িত্ব পালন করবেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
বাংলাদেশ একাদশ
গোলরক্ষক: মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
রক্ষণভাগ: সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী, জিদান ইউসুফ ও জায়ান আহমেদ।
মাঝমাঠ: হামজা চৌধুরী, শমিত সোম ও জামাল ভূঁইয়া (অধিনায়ক)।
আক্রমণভাগ: শুকি ইতোফুসা, শাহরিয়ার ইমন ও রাকিব হোসেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছর থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে, যা কারিগরি সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা প্রশাসনিক ভবন ও হলরুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, "তিস্তা আমার জীবনসংগ্রামের একটি অংশ। তিস্তা পাড়ের সন্তান আমি। আমি চাই, তিস্তা পাড়ের এই অঞ্চলকে মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করে কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নদীর দুই পাড়ের প্রায় দুই কোটি মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন ঘটবে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিস্তা নদীকেন্দ্রিক দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে।"
মন্ত্রী তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে বলেন, "এর সমীক্ষা ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে। কারিগরি ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ চলছে। আশা করছি, কারিগরি সমীক্ষা শেষ হলে আগামী অর্থবছর থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। তবে সরকারের কোনো প্রকল্প একদিনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এর আগে ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে হয়, এরপর ডিপিডি তৈরি হয়। পরে বিভিন্ন পর্যায়ে তা অনুমোদনের জন্য যায়। এভাবে কয়েকটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হয়।"
মন্ত্রী কুড়িগ্রামকে সরকারের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, "কুড়িগ্রাম জেলাকে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। গতকালও আমাদের এই কুড়িগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এ বিষয়ে এসেছিলেন। আজকে আমি নিজে আসলাম।"
তিনি বলেন, "কুড়িগ্রাম থেকে সরকার কোনো আসন পায়নি বলে এ জেলা অবহেলিত থাকবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। কুড়িগ্রাম একটি পশ্চাৎপদ জেলা। এখানে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা অনেক। এ কারণে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করছে। এর মাধ্যমে মানুষ যাতে সরকারের ওপর আস্থা রাখতে পারে, সে বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।"
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, "১৭ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রযন্ত্রকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিই নয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রেও অনিয়ম ও দুর্নীতি এখনো রয়ে গেছে। আমরা এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছি। সরকার আইনশৃঙ্খলার বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। কেউ যেন নিজের হাতে আইন তুলে না নেয়। জনগণ ও প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।"
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, সদস্য সচিব ও কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ