১২:২৪ এম
সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬ : দেশে বার্ষিক তরল দুধ উৎপাদনের সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন। এছাড়া, বার্ষিক তরল দুধের চাহিদা ১ কোটি ৬২ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন (২০২৪-২৫ অর্থবছর) বলেও জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
আজ জাতীয় সংসদে, সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালাম (কুমিল্লা-৯)-এর তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের জনগণকে চাহিদা অনুযায়ী খাঁটি, নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
তিনি জানান, প্রাণিজাত পণের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্বীকৃত (আইএসও সনদপ্রাপ্ত) একটি অ্যাক্রেডিটেড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভেজালমুক্ত, নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুধ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করতে ৪০টি চিলিং প্লান্ট এবং দেশের ৪৬৬টি উপজেলায় একটি করে মোট ৪৬৬টি মিল্ক অ্যানালাইজার সরবরাহ করা হয়েছে। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে তরল দুধের বিশুদ্ধতা ও গুণগত মান দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ম্যাচিং গ্রান্ট কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ১৫টি ডেইরি হাব, ৩০০টি ভিলেজ মিল্ক কালেকশন সেন্টার এবং ১৮৬টি ক্ষুদ্রাকারের মিল্ক প্রসেসিং প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এসব উদ্যোগের ফলে নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের জনগণের দুধের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন