ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে বিশাল সোনার খনির সন্ধান চীনা বিজ্ঞানীদের


পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে বিশাল সোনার খনির সন্ধান চীনা বিজ্ঞানীদের

চীনের একটি বিজ্ঞানী দলের দ্বারা পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের গভীর সমুদ্রে বিশাল এক খনিজ ভান্ডারের সন্ধান পাওয়া গেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, নতুন আবিষ্কৃত এই অঞ্চলে স্বর্ণ ও রূপার উপস্থিতি স্থলভাগের অনেক খনির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

‘সিয়াংইয়াংহং ১০’ গবেষণা জাহাজ থেকে ১৮ দিনের অভিযানে এই খনিজ ক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়, যা চীনের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিটার গভীরে অনুসন্ধান চালানোর জন্য ডুবোযানের সাহায্য নেওয়া হয়।

অভিযানের সময় হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট বা উত্তপ্ত সামুদ্রিক জলউৎসের আশপাশ থেকে আকরিকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা যায়, কিছু নমুনায় প্রতি টন আকরিকে সর্বোচ্চ ১৫ দশমিক ৪ গ্রাম স্বর্ণ এবং ১ হাজার ২৭১ গ্রাম রূপার উপস্থিতি রয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

গবেষকদের মতে, এই খনিজ ভান্ডারে স্বর্ণ ও রূপার পাশাপাশি তামা, দস্তা এবং বিপুল পরিমাণ পলিমেটালিক সালফাইডও রয়েছে। এসব খনিজের ঘনত্ব ও বৈশিষ্ট্য বিশ্বমানের সমুদ্রগর্ভস্থ খনিজ আমানতের সঙ্গে তুলনীয় বলে মনে করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালে গভীর সমুদ্রের এই চরম পরিবেশের আশপাশে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক প্রাণীর উপস্থিতিও লক্ষ্য করেন গবেষকরা। এর ফলে খনিজ সম্পদের পাশাপাশি গভীর সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য নিয়ে নতুন তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এখনই এসব খনিজ উত্তোলন সম্ভব নয়। সমুদ্রের তলদেশে প্রচণ্ড চাপ, অন্ধকার এবং জটিল পরিবেশের কারণে গভীর সমুদ্র থেকে খনিজ উত্তোলন এখনও বড় ধরনের প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

বিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে গভীর সমুদ্রের এই খনিজ সম্পদ নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে কাজে লাগানোর পথ তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

সূত্র: গ্লোবাল টাইমস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাটিতে খেললে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে: ফিনল্যান্ডের গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


মাটিতে খেললে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে: ফিনল্যান্ডের গবেষণা

শহরের ব্যস্ত জীবনে শিশুদের প্রকৃতির সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দিন দিন কমে যাচ্ছে। কংক্রিটের ভবন, ব্যস্ত রাস্তা এবং চার দেয়ালের মধ্যে অনেক শিশু বড় হচ্ছে। এর ফলে মাটি, ঘাস, গাছপালা ও বনভূমির মতো প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে তাদের নিয়মিত সংযোগও হ্রাস পাচ্ছে।

তবে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রকৃতির সঙ্গে শিশুর যোগাযোগ শুধুমাত্র মন ভালো রাখা কিংবা শরীরচর্চার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়। মাটি, ঘাস এবং গাছপালার সংস্পর্শে আসলে ত্বকে থাকা অণুজীবের বৈচিত্র্যও বৃদ্ধি পেতে পারে। এই ত্বকের অণুজীব শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।

মাত্র ২০ সেকেন্ড মাটির সংস্পর্শে

ফিনল্যান্ডের গবেষকদের একটি গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের ২০ সেকেন্ড ধরে মাটি, পিট এবং শ্যাওলা ঘষতে বলা হয়। পরে তাদের ত্বক পরীক্ষা করে অণুজীবের সংখ্যা ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধির বিষয়টি লক্ষ্য করা হয়।

কলের পানি দিয়ে হাত ধোয়ার পরও এই পরিবর্তনের কিছুটা প্রভাব দেখা যায়। তবে গবেষকদের মতে, এই পরিবর্তন স্থায়ী ছিল না। মাত্র ২০ সেকেন্ড প্রকৃতির সংস্পর্শে থাকার ফলে ত্বকের অণুজীবের মধ্যে স্থায়ী পরিবর্তন তৈরি হয়নি।

তাহলে গবেষকদের ধারণা, একবার অল্প সময়ের জন্য মাটির সংস্পর্শে আসার চেয়ে নিয়মিতভাবে দীর্ঘ সময় প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা অধিক গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

সব জীবাণুই ক্ষতিকর নয়

ত্বকে ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য অণুজীব থাকলেই সেগুলো ক্ষতিকর—এমনটি নয়। মানুষের ত্বকে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন ধরনের অণুজীব বসবাস করে।

ত্বকে এসব অণুজীবের বৈচিত্র্য থাকলে একটি স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। এতে সম্ভাব্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ কমে যেতে পারে।

শিশুদের জন্য তৈরি হয়েছিল বনভূমির মতো পরিবেশ।

শিশুদের ওপর প্রকৃতির প্রভাব বোঝার জন্য ফিনল্যান্ডে একটি নতুন গবেষণা পরিচালিত হয়। মধ্য ফিনল্যান্ডের একটি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে শিশুদের জন্য বনভূমির মতো পরিবেশ তৈরি করা হয়।

সেখানে শিশুদের গাছে চড়া, মাটি ও কাঠ নিয়ে খেলা, বালির দুর্গ তৈরি এবং বিভিন্ন গাছপালার সংস্পর্শে আসার সুযোগ দেওয়া হয়। তারা দিনের বেশ কয়েক ঘণ্টা এই পরিবেশে সময় কাটায়।

গবেষকরা শিশুদের ত্বক, লালা ও মলের পাশাপাশি রক্ত ও চুলের নমুনা সংগ্রহ করেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ সময় প্রকৃতির সংস্পর্শে থাকার ফলে শরীরের অণুজীব সমষ্টি এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন ঘটে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

২৮ দিন খেলায় দেখা গেল যে পরিবর্তন।

২০১৬ ও ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় শিশুদের খেলার মাঠে পিট এবং গাছ লাগানোর বাক্সসহ বনভূমির মতো বিভিন্ন উপাদান যুক্ত করা হয়েছিল।

শিশুরা সেখানে ২৮ দিন নিয়মিত খেলাধুলা করার পর দেখা যায়, তাদের ত্বক, লালা ও অন্ত্রে অণুজীবের বৈচিত্র্য তুলনামূলকভাবে বেশি। পাকা বা নুড়িপাথর বিছানো খেলার মাঠে খেলা করা শিশুদের সঙ্গে তুলনা করে এই পার্থক্য পাওয়া যায়।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এক বছর পর আবার পরীক্ষা করেও ত্বকের অণুজীবের বৈচিত্র্যের কিছু পার্থক্য বজায় থাকতে দেখা যায়। একই সঙ্গে বনভূমির মাটিতে খেলাধুলা করা শিশুদের ত্বকে সম্ভাব্য রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের উপস্থিতিও কম পাওয়া যায়।

তাহলে কি মাটিতে খেললেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে?

এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা রয়েছে। গবেষণায় প্রকৃতির সংস্পর্শে আসার সঙ্গে ত্বকের অণুজীবের বৈচিত্র্যের পরিবর্তনের সম্পর্ক পাওয়া গেলেও, শুধুমাত্র মাটিতে খেললেই শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

গবেষকদের মতে, ত্বকে অণুজীবের বৈচিত্র্য বেশি থাকলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ কমতে পারে। তবে প্রকৃতির সংস্পর্শে থাকার ফলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কতটা শক্তিশালী হয়, তা নিশ্চিতভাবে জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

তাহলে শিশুদের নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে মাটি, ঘাস, গাছপালা ও কাঠের সঙ্গে খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে তারা প্রকৃতির কাছাকাছি আসার পাশাপাশি শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকবে। তবে পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার বিষয়টিও অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার ইমরান খানের পাশে অস্ট্রেলিয়ার ৭ সাবেক অধিনায়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


এবার ইমরান খানের পাশে অস্ট্রেলিয়ার ৭ সাবেক অধিনায়ক

দীর্ঘ সময় ধরে পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগারে বন্দী রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খান। তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে তার পরিবার। এবার অস্ট্রেলিয়ার সাত সাবেক অধিনায়ক ইমরানের মানবিক ও স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়করা ইমরানের বন্দীজীবন এবং চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়াহ।

চিঠিতে সাবেক অধিনায়করা উল্লেখ করেছেন, তারা কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নয়, বরং সাবেক অধিনায়ক হিসেবে মানবিক উদ্বেগ থেকেই এই চিঠি লিখেছেন। তারা স্পষ্ট করেছেন যে, ইমরান খানের বিরুদ্ধে চলমান আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে তারা কোনো পক্ষ নিচ্ছেন না।

তাদের বক্তব্য, রাজনীতি বা আইনগত বিষয় যাই হোক, ইমরানের বর্তমান পরিস্থিতি মানবিকতার মৌলিক প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই কারণে তারা তার স্বাস্থ্য ও কল্যাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২৩ আগস্ট, ইমরান খানের উন্নত চিকিৎসার দাবিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে চিঠি লিখেছিলেন বিশ্বের সাবেক ২২ আন্তর্জাতিক অধিনায়ক। সেই তালিকায় ছিলেন মাইকেল আথারটন, অ্যালান বোর্ডার, মাইক ব্রিয়ারলি, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, অ্যালিস্টার কুক, মাইক গ্যাটিং, সুনীল গাভাস্কার, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ডেভিড গাওয়ার, নাসের হুসেইন, ক্লাইভ লয়েড, কপিল দেব, অর্জুনা রানাতুঙ্গা, অ্যান্ড্রু স্ট্রস, দিলীপ ভেংসরকার, স্টিভ ওয়াহ ও জন রাইট। নারী ক্রিকেটের কিংবদন্তি বেলিন্ডা ক্লার্ক ও অ্যালেক্স ব্ল্যাকওয়েলও ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।

এছাড়া, ইমরানের পাশে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, পাকিস্তানের সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও মঈন খানসহ আরও অনেকে। ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা ও মাইকেল হোল্ডিংও ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খানের পক্ষে কথা বলেছেন।

ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ করার পর রাজনীতিতে যোগ দেন ইমরান খান। ২০১৮ সালে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) এই নেতা ২০২২ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দুর্নীতিসহ বিভিন্ন মামলায় কারাবন্দী রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাথরুমের পাশে সন্দেহজনক শব্দ, ‘টর্চ জ্বালাতেই’ দৌড় দেন ইউপি সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


বাথরুমের পাশে সন্দেহজনক শব্দ, ‘টর্চ জ্বালাতেই’ দৌড় দেন ইউপি সদস্য

পটুয়াখালীতে এক তরুণীকে দীর্ঘ সময় ধরে উত্ত্যক্ত করার এবং রাতে তার বসতঘরের পেছনে অনুপ্রবেশের অভিযোগে স্থানীয়রা এক ইউপি সদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

এ ঘটনা ঘটে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে দুমকী উপজেলার দক্ষিণ পাঙ্গাশিয়া গ্রামের মানিক বয়াতির বাড়িতে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. আমিনুল ইসলাম বারেক, পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বারেক দীর্ঘদিন ধরে মানিক বয়াতির মেয়ে আয়েশাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। ঘটনার রাতে তিনি তরুণীকে বাড়ির পেছনের বাথরুমের কাছে আসতে বলেন।

এ সময় বাথরুমের পাশে সন্দেহজনক শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যরা টর্চলাইট জ্বালালে বারেক পালানোর চেষ্টা করেন। দৌড়াতে গিয়ে তিনি পাশের টিনের বেড়া ও সার রাখা গর্তে পড়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাকে আটক করেন।

আটকের পর বিক্ষুব্ধ জনতা বারেককে মানিক বয়াতির বসতঘরে নিয়ে পায়ে শিকল দিয়ে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে তার স্বজন ও স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়রা দুমকী থানায় খবর দেন।

পুলিশ পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতার কাছ থেকে বারেককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন নিজেও ঘটনাস্থলে যান।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, বারেক নিয়মিত ওই তরুণীকে মোবাইলে কুপ্রস্তাব ও হুমকি দিতেন। এ সংক্রান্ত একটি অডিও রেকর্ডও তাদের কাছে রয়েছে।

এদিকে, আটকের পর শিকল পরা অবস্থায় ইউপি সদস্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। লিখিত অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জে-ক্রিয়েশনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


জে-ক্রিয়েশনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পশ্চিম) অনলাইনভিত্তিক তৈরি পোশাক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কমিশনারের নির্দেশে গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুরের সেকশন-১২ এলাকায় জে-ক্রিয়েশনের কার্যালয়ে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে পাঞ্জাবি, শেরওয়ানি এবং বিভিন্ন ধরনের তৈরি পোশাক বিক্রি করে থাকে।

অভিযানের সময় মূসক ফাঁকির আলামত পাওয়ার পর, অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মূসক-১২.৩ ফরমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সিপিইউসহ বিভিন্ন দলিলপত্র জব্দ করা হয়।

পরে জব্দকৃত নথি এবং প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি শনাক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সংগৃহীত দলিলপত্রের আরও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রাজস্ব ফাঁকির ঘটনায় মামলা দায়ের এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%