ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুইন্সল্যান্ড ফায়ারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ৭০ রানে পরাজিত


কুইন্সল্যান্ড ফায়ারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ৭০ রানে পরাজিত

আগামী ৯ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া নারী দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ নারী দলের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হতে যাচ্ছে। এর আগে, প্রস্তুতি ম্যাচে কুইন্সল্যান্ড ফায়ারের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই ম্যাচে কুইন্সল্যান্ড ফায়ারের কাছে বাংলাদেশ ৭০ রানে পরাজিত হয়েছে, নাহিদা ও জ্যোতিরা দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ৩৬ ওভারের প্রস্তুতি ম্যাচে কুইন্সল্যান্ড শুরুতে ৯ উইকেটে ২৬৬ রান সংগ্রহ করে। পরে, বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১৯৬ রান করে।

বাংলাদেশের বোলারদের ওপর শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন স্বাগতিক ব্যাটাররা। সর্বোচ্চ ৯৪ রান করেন নট। হ্যারিস ৫০ বলে ৭৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এছাড়া উইনফিল্ড-হিল ৪৮ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে পিংকি চারটি এবং মারুফা আক্তার দুটি উইকেট নেন।

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি। ফারজানা হক ১৬ এবং শারমিন সুলতানা ২৮ রান করে ফিরে যাওয়ার পর দলের বিপদ বাড়তে থাকে। এরপর সোবহানা মোস্তারি ও সুলতানা আক্তারের ব্যাটে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। শারমিন সুপ্তা ৬৭ বলে ৬৮ রান করেন। সোবহানা ৫৪ বলে ৪৯ রান করেন।

অবশেষে, বাংলাদেশ বড় লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হয়। ৩৬ ওভারে ৭ উইকেটে দুশ রানের আগেই তাদের ইনিংস থেমে যায়। কুইন্সল্যান্ডের হয়ে হ্যানকক তিনটি এবং বাসিংথওয়াইট, সুসি ও হ্যারিস একটি করে উইকেট নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিসিবির ছাড়পত্রের অভাবে লিজেন্ডস লিগ থেকে সরে দাঁড়াল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


পিসিবির ছাড়পত্রের অভাবে লিজেন্ডস লিগ থেকে সরে দাঁড়াল পাকিস্তান

গত বছর ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস (ডব্লিউসিএল) লিগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্ব ও সেমিফাইনালের ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল ভারত। এর পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সাবেক ক্রিকেটারদের এই টুর্নামেন্টকে ‘ভণ্ডামি ও পক্ষপাতমূলক’ বলে অভিহিত করেছিল।

এ কারণে এবারের আসরে পাকিস্তান দলের জন্য খেলার ছাড়পত্র (এনওসি) প্রদান করেনি পিসিবি। ফলে পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নস এই টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

গত বছর রানার্সআপ হওয়া পাকিস্তান দলকে এবারের জন্য খেলানোর লক্ষ্যে ডব্লিউসিএল কর্তৃপক্ষ পিসিবির কাছ থেকে ছাড়পত্র আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিল। আয়োজকরা এমনকি দলের ম্যাচের সময়সূচি পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুতিও নিয়েছিল। তবে পিসিবি নিজেদের অবস্থান থেকে সরে না আসায় শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা হয়নি।

পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, "পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র বা এনওসি না দেয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখায় পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নস দুঃখের সঙ্গে নিশ্চিত করছে যে দলটি চলমান ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লেজেন্ডসে অংশ নিতে পারছে না।"

গত ৩ অক্টোবর আরব আমিরাতে ভারত–অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ দিয়ে ডব্লিউসিএল শুরু হয়েছে। পিসিবির সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা চলায় সেদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটি স্থগিত করা হয়েছিল।

তবে গত সোমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচও বাতিল হওয়ায় টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা স্পষ্ট হয়ে যায়।

পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নসের অধিনায়ক হিসেবে শহীদ আফ্রিদির নাম ছিল। দলে শোয়েব মালিক, মোহাম্মদ হাফিজ, সরফরাজ আহমেদ ও ওয়াহাব রিয়াজের মতো সাবেক ক্রিকেটাররাও ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুয়াজ্জিন শাহজাহান মিস্ত্রীর মৃত্যু ফজরের আজানের অপেক্ষায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


মুয়াজ্জিন শাহজাহান মিস্ত্রীর মৃত্যু ফজরের আজানের অপেক্ষায়

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ফজরের আজান দেওয়ার অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মো. শাহজাহান মিস্ত্রি নামে এক মুয়াজ্জিনের মৃত্যু ঘটে।

এটি ঘটে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাগৈগ্রাম পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে।

শাহজাহান মিস্ত্রি ওই গ্রামের আর্মি বাড়ির মৃত সুজত আলীর পুত্র ছিলেন।

মসজিদের ইমাম মাওলানা নুরুল ইসলাম বিকেলে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে মুয়াজ্জিন শাহাজাহান মিস্ত্রি প্রতিদিনের মতো ফজরের নামাজের আজান দেওয়ার জন্য মসজিদের সামনে যান। সেখানে তিনি ইমাম মাওলানা নুরুল ইসলামকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। পরে নির্দিষ্ট সময়ে আজান দেওয়ার জন্য মসজিদে প্রবেশ করে অপেক্ষা করতে থাকেন। হঠাৎ করে মাথা ঘুরে নিচে পড়ে যান শাহাজাহান। তার পড়ে যাওয়ার আওয়াজ শুনে ইমাম নুরুল ইসলাম দৌড়ে মসজিদে প্রবেশ করেন। তিনি মসজিদের মুসল্লিদের খবর দেন। মুসল্লিরা মসজিদে প্রবেশ করে মুয়াজ্জিনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় আবদুল ওয়াদুদ ফজরের নামাজের আজান দেন।

নামাজ শেষে মুসল্লিরা মুয়াজ্জিন শাহাজাহান মিস্ত্রীর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান। জানাজার নামাজ শেষে একইদিন দুপুরে তাকে গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ইমাম নুরুল ইসলাম বলেন, "মুয়াজ্জিন প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার ভোরে আজান দেওয়ার উদ্দেশ্যে মসজিদে আসেন। আমাকে সজাগ করার পর তিনি আজান দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ তার মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার আওয়াজ শুনে মসজিদে গিয়ে দেখি- তিনি মারা গেছেন।"

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হারিছ মাস্টার বলেন, "ইমামের মাধ্যমে জানতে পেরে মুয়াজ্জিন শাহাজাহান মিস্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়েছি।"

শ্রীপুর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ আলম জানান, "বিষয়টি লোক মারফত জানতে পেরেছি।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলার বোরহানউদ্দিনে যুবককে দুই চোখ উপড়ে নিয়ে বিবস্ত্র করে রাস্তায় নিক্ষেপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


ভোলার বোরহানউদ্দিনে যুবককে দুই চোখ উপড়ে নিয়ে বিবস্ত্র করে রাস্তায় নিক্ষেপ

ভোলার বোরহানউদ্দিনে মো. রাজিব (২৮) নামে এক যুবককে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে দুই চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তরা পরে হাত-পা বেঁধে ও উলঙ্গ অবস্থায় তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজিবের পরিবার পুলিশের সহায়তায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছে। গুরুতর আহত রাজিব বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত ফারুক খানের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ ইমন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

স্থানীয়দের মতে, সোমবার রাতে উপজেলার দেউলা এলাকা থেকে কয়েকজন ব্যক্তি রাজিবকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে ভোলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে নিয়ে দুই চোখ উপড়ে ফেলে হাত-পা বেঁধে রেখে যায় তারা।

পথচারীরা রাজিবকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ২টার দিকে পুলিশ তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকদের পরামর্শে রাজিবের পরিবার পুলিশের সহায়তায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠায়।

বোরহানউদ্দিন থানার ওসি আস্রাব আলী বলেন, "রাজিব নামে এক যুবককে আহত অবস্থায় পাওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ইমন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তবে রাজিবের ওপর এ হামলার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের অনুমোদনে গুলি করে সেনাবাহিনীর মেজরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে অনুমতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


ট্রাম্পের অনুমোদনে গুলি করে সেনাবাহিনীর মেজরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে অনুমতি

ফোর্ট হুডে ১৩ সেনাকে হত্যার জন্য অভিযুক্ত সাবেক মার্কিন সেনা কর্মকর্তা নিদাল হাসানকে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমোদন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য প্রথম ঘটনা হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এই তথ্যটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি প্রকাশ করেছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন দিয়েছেন। মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব এখন মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন।

২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটির চিকিৎসাকেন্দ্রে গুলি চালিয়ে তৎকালীন সেনা মেজর নিদাল হাসান ১৩ জন নিরস্ত্র সেনাকে হত্যা করেন এবং ৩২ জনকে আহত করেন। এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক ঘাঁটিতে যুদ্ধের বাইরে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘটনা ছিল।

ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা ও সাবেক মনোরোগ চিকিৎসক হাসান ২০১৩ সালের সামরিক আদালতে হামলাকারী হিসেবে নিজের দোষ স্বীকার করেন। আদালতে তিনি দাবি করেন, আফগানিস্তানে মুসলিম ও তালেবানদের রক্ষার জন্য তিনি এই হামলা চালিয়েছিলেন এবং একই সঙ্গে নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমাও চান।

বর্তমানে হাসান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার বন্দির একজন। সামরিক আইনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন। পাশাপাশি, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বৈধতা ও আপিল প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত বিচারিক সিদ্ধান্তও প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক মৃত্যুদণ্ডের ইতিহাস দীর্ঘ হলেও ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনা বিরল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই পদ্ধতিতে আর কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি।

রাজ্য পর্যায়ে কিছু অঙ্গরাজ্যে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সুযোগ রয়েছে, যেমন আইডাহো, মিসিসিপি, ওকলাহোমা ও ইউটা। গত বছর সাউথ ক্যারোলাইনায় ফায়ারিং স্কোয়াডে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, যা ১৫ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে এই পদ্ধতির প্রথম প্রয়োগ ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রে অধিকাংশ মৃত্যুদণ্ড রাজ্য পর্যায়ে কার্যকর হলেও কেন্দ্রীয় সরকার ও সামরিক বাহিনীরও মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। বর্তমানে দেশটির ২৭টি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড আইনগতভাবে কার্যকর রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার প্রথম দিনেই তিনি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল করেন। এর আগে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন কেন্দ্রীয়ভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।

ট্রাম্পের ওই নির্বাহী আদেশে মৃত্যুদণ্ডকে ‘সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ ও প্রাণঘাতী সহিংসতার’ জন্য শাস্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এটি প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%