ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার কোটি টাকা


কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার কোটি টাকা

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে। গত অর্থবছরে এই খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা। সে অনুযায়ী, এবার লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে ৫৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, গ্রামীণ মানুষের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি এ খাতে পর্যাপ্ত ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লি ঋণনীতি ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

নতুন নীতিমালার আওতায় রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর জন্য ২০ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা এবং বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

অনুষ্ঠানে নতুন নীতিমালার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক, উপ-নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

কৃষি ঋণকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কৃষকবান্ধব করতে নতুন নীতিমালায় বেশ কিছু উদ্যোগ যুক্ত করা হয়েছে। প্রকৃত কৃষক শনাক্ত করতে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের নথি অথবা সরকার প্রদত্ত কৃষক কার্ডের তথ্য ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

নীতিমালার আওতায় ফসল ও ফসলসংশ্লিষ্ট খাতে কৃষি ঋণের পাশাপাশি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতেও ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। সেই সঙ্গে এসব ঋণের আওতায় কৃষক দলের সদস্যসংখ্যার সীমাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জামানত ছাড়াই সর্বাধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নারীদের এবং প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ঋণপ্রাপ্তি সহজ করতে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও দলগত গ্যারান্টির মতো বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিবেচনার জন্য ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

কৃষি ঋণগ্রহীতাদের পাসবই বা অনুরূপ নথি সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে। চুক্তিভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থার আওতায় ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন নেওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি উন্নয়ন সাধারণ তহবিলের (বিবিএডিসিএফ) পরিচালনাগত নির্দেশিকাও সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে কৃষি অর্থায়নে আরও নমনীয়তা আসবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে।

নতুন নীতিমালায় ব্যক্তি বা দলগতভাবে মাছ চাষ ও প্রাণিসম্পদ খাতে যুক্ত কৃষক ও উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে মধু উৎপাদন, মাশরুম চাষ, লবণসহিষ্ণু ফসল উৎপাদন এবং কৃষির নতুন ও সম্ভাবনাময় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সহায়তার জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

নীতিমালায় ১০ হাজার কোটি টাকা ও ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়গুলোও নীতিমালার সারসংক্ষেপে যুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদার সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রধান লক্ষ্য: ড. তিতুমীর

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষিঋণগ্রহীতাদের জন্য বীমা সুবিধা চালুর বিষয়টিও নতুন নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ব্যাংক এবং গ্রাহকের সম্পর্ক ও ঋণের শর্তের ভিত্তিতে এ সুবিধা প্রদান করা হবে।

এছাড়া নিমপাতা, ছাই, মিশ্র শস্য, ধানের কুড়া, পাটকাঠি, গাছের পাতা, কলার খোসা ও ডিমের খোসার মতো উপকরণ থেকে উৎপাদিত জৈব সারের জন্য অর্থায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ফসল উৎপাদন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও ঋণ পরিশোধের বিষয়েও নির্দেশনা যুক্ত করা হয়েছে।

মরিচ, বিভিন্ন ধরনের সবজি, কলা, পেঁপে, আম, লেবু, পেয়ারা ও লিচুর মতো ফসলের জন্য ঋণ বিতরণ, ফসল কাটার সময় নির্ধারণ এবং ফসল সংগ্রহের সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঋণ পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে কৃষি ও পল্লি ঋণ কর্মসূচির তদারকি জোরদার এবং নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে ওয়েবভিত্তিক কৃষিঋণ ব্যবস্থাপনা তথ্যব্যবস্থা (এগ্রি-ক্রেডিট এমআইএস) সফটওয়্যারও আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুর

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, গ্রামীণ এলাকার টেকসই উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষের আয় বাড়ানোর সরকারি লক্ষ্য সামনে রেখে নতুন এ নীতিমালার প্রণয়ন করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশা, কৃষি ও পল্লি খাতে সময়মতো এবং পর্যাপ্ত ঋণ সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে দেশের কৃষি উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়বে, মূল্যস্ফীতির চাপ কমবে এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয় : ববি হাজ্জাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয় : ববি হাজ্জাজ

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মন্তব্য করেছেন যে, এটি কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয়।

তিনি সোমবার রাজধানীর কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জুলাইয়ের কন্ঠস্বর : তারুণ্য, প্রত্যয়, প্রতিরোধ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে, প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয়; বরং এটি ছিল বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও মতের মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা ও অংশগ্রহণের ফসল। এর ফলে, তিনি বলেন, কোনো পক্ষকে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের একক মালিকানা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যাবে না। গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে একটি গণতান্ত্রিক, সাংবিধানিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে যদি শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট আন্দোলনের আকারে দেখা হয়, তাহলে এর প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করা সম্ভব হবে না। এই আন্দোলন বিভিন্ন দাবি, প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে শুরু হয়েছিল এবং একাধিক আন্দোলন একসময়ে বৃহত্তর গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছিল। কেউ চাকরির দাবিতে, কেউ গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে, আবার কেউ অন্যায়ের প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছিল। যদিও ভিন্ন ভিন্ন দাবি ও অবস্থান ছিল, তবে শেষ পর্যন্ত জনগণের আকাঙ্ক্ষার একটি অভিন্ন জায়গা তৈরি হয়েছিল... যাতে রাষ্ট্র ও সরকারব্যবস্থার পরিচালনা জনগণের জন্য হয়ে থাকে এবং নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মতো ঐতিহাসিক অর্জনের চেতনা একটি সময় রাজনৈতিক মালিকানার মধ্যে চলে গিয়েছিল। এবং এর ফলস্বরূপ, একটি মহান জাতীয় অর্জনের চেতনায় কোনো একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর একক সম্পত্তি হিসেবে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। তাই জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তরুণদের দায়িত্বের দিকে নির্দেশ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমে নাগরিকের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বরং সরকার গঠনের পরে, ওই সরকারকে জবাবদিহির মধ্যে রাখার দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের শুধু দাবি জানাতে হবে না, বরং সরকারের ও জনপ্রতিনিধিদের তাঁদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কি না সেটিও দেখতে হবে। কোনো মন্ত্রী, এমপি বা জনপ্রতিনিধি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছেন কি না, সেটি প্রশ্ন করা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা নাগরিকের দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুখ্যমন্ত্রী বিজয় ১৪ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফের ঘোষণা দিয়েছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


মুখ্যমন্ত্রী বিজয় ১৪ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফের ঘোষণা দিয়েছেন

ভারতের তামিলনাড়ুতে কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ঋণ মওকুফের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়। তিনি বলেছেন, ৭৫ হাজার রুপি পর্যন্ত কৃষিঋণ পুরোপুরি মওকুফ করা হবে। আর ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ রুপি পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার রুপি পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খবর: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

সি জোসেফ বিজয়ের নির্বাচনের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে তিনি কৃষকদের ঋণ মওকুফের ঘোষণা দেন। এই ঘোষণা রাজ্যটির ইতিহাসে তাৎপর্যপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিধানসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সরকার কৃষকদের জন্য অতিরিক্ত ৯৫৩ কোটি ৬ লাখ রুপি সহায়তা দেবে।

বিজয় জানিয়েছেন, মে মাসে দায়িত্ব নেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তামিলনাড়ু সরকার ৫০ হাজার রুপি পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছিল। পরে এই সুবিধা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার রুপি পর্যন্ত ঋণ পুরোপুরি মওকুফ এবং ৭৫ হাজার রুপির বেশি ঋণের ক্ষেত্রে ৩৫ হাজার রুপি পর্যন্ত মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, এতে ১৪ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি কৃষক উপকৃত হয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুসারে, এখন থেকে সমবায় ব্যাংক থেকে নেওয়া ৭৫ হাজার রুপি পর্যন্ত কৃষিঋণের ১০০ শতাংশ মওকুফ করা হবে। এছাড়া ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ রুপি পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার রুপি এবং ১ লাখ রুপির বেশি ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার রুপি মওকুফ দেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুরুষের যে পাঁচ শখ নারীদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বইপড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


পুরুষের যে পাঁচ শখ নারীদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বইপড়া

নারীদের কাছে পুরুষের কোন শখ সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় হতে পারে? একটি নতুন সমীক্ষা বলছে, উত্তরটি সম্ভবত বেশ সহজেই দেয়া যেতে পারে। দামি গ্যাজেট বা রাতভর অনলাইন বিনোদনের চাইতে, হাতে একটি বই থাকা পুরুষদের প্রতি নারীদের আগ্রহকে বৃদ্ধি করতে বেশি কার্যকর।

‘ডেট সাইকোলজি’র একটি সমীক্ষায় ৭৪ ধরনের শখ ও অভ্যাস নিয়ে নারীদের মতামত নেওয়া হয়। এতে প্রতিটি শখের মধ্যে দেখা যায়, বই পড়ার অভ্যাস থাকা পুরুষদের প্রতি নারীদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি। অংশগ্রহণকারী নারীদের ৯৮ দশমিক ২ শতাংশই বলেছেন, কোনো পুরুষকে বই পড়তে দেখলে তাদের কাছে তা ইতিবাচক ও আকর্ষণীয় মনে হয়।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় শীর্ষে থাকা শখগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই সৃজনশীলতা, দক্ষতা অর্জন কিংবা আত্মোন্নয়ন সম্পর্কিত।

নারীদের পছন্দের শীর্ষ পাঁচ শখের তালিকা হলো—

১. বই পড়া (প্রায় ৯৮.২ শতাংশ)

২. বিদেশি ভাষা শেখা

৩. বাদ্যযন্ত্র বাজানো

৪. রান্না করা

৫. কাঠের কাজ বা উডওয়ার্কিং

এই ছাড়া, চিত্রাঙ্কন, লেখালেখি, ফটোগ্রাফি, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হাইকিং, ব্ল্যাকস্মিথিং ও তিরন্দাজির মতো বেশ কিছু শখও অংশগ্রহণকারীদের কাছে তুলনামূলকভাবে বেশি পছন্দনীয় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সমীক্ষার ফলাফল থেকে বোঝা যাচ্ছে, নতুন কিছু শেখা, সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকার মাধ্যমে কিংবা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার অভ্যাসগুলো পুরুষদের প্রতি নারীদের ইতিবাচক ধারণা গঠনে কাজ করতে পারে।

যে অভ্যাসগুলো নারীদের কাছে সবচেয়ে কম আকর্ষণীয়

সমীক্ষার বিপরীত প্রান্তে রয়েছে কিছু অভ্যাস, যেগুলো নারীদের কাছে তুলনামূলকভাবে বেশি অপছন্দনীয়। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নারীবিদ্বেষী অনলাইন সংস্কৃতি বা ‘ম্যানোস্ফিয়ার’ এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া, পর্নোগ্রাফি দেখা, জুয়া খেলা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কমেন্টে অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়ানো।

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন, কসপ্লে ও কমিক বই সংগ্রহের মতো শখও অংশগ্রহণকারীদের কাছে খুব একটা আকর্ষণীয় হিসেবে মনে হয়নি। ফাঙ্কো পপ ফিগার সংগ্রহ, অতিরিক্ত মদ্যপান ও নিয়মিত নাইটক্লাবকেন্দ্রিক জীবনযাপনও তালিকার নিচের দিকে রয়েছে।

ডেটিং কোচ কোর্টনি রায়ানের মতে, মদ্যপান বা নাইটক্লাবিংকে জীবনের প্রধান বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করা অনেক নারীর কাছে অপরিণত আচরণ হিসেবেও গণ্য হয়।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কাউকে আকৃষ্ট করার জন্য কৃত্রিমভাবে কোনো শখ তৈরি করার চেয়ে নিজের পছন্দের কাজে সত্যিকারের আগ্রহ থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দীর্ঘমেয়াদে একজন মানুষের নিজস্ব আগ্রহ ও ব্যক্তিত্বই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশি প্রভাব ফেলে।

তবে এই ফলাফলকে ব্যক্তিগত পছন্দের চূড়ান্ত মাপকাঠি হিসেবে না ধরে, সমীক্ষাটির পদ্ধতি ও নমুনার সীমাবদ্ধতা যাচাই করলেই এর দাবির নির্ভরযোগ্যতা স্পষ্ট হবে।

সূত্র: ডেইলি মেইল রিপোর্ট

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সভা

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সড়ক ও বাঁধ ভাঙন রোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাসের ব্যবহার বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই বৈঠকটি সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। এতে বিন্না ঘাসের উপকারিতা এবং দেশের সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার সম্পর্কে একমত পোষণ করা হয়।

আলোচনার সময় ঠিক কোন প্রকল্পগুলোতে এই ঘাসের ব্যবহার করা যেতে পারে, সেটি আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে প্রস্তাবক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামসহ একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ঘাসের ব্যবহার বিষয়ে একটি গাইডলাইন তৈরি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এটি উল্লেখ্য যে, এই ঘাসকে ভেটিভার ঘাসও বলা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঁধ ভাঙন মোকাবিলায় এই বিন্না ঘাসের ব্যবহার ব্যাপকভাবে হচ্ছে। বিন্না ঘাসের লম্বা মূল বা শিকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তীব্র গরমসহ প্রতিকূল পরিবেশে এই ঘাস টিকে থাকতে সক্ষম। পানিতে ডুবে থাকলেও বিন্না ঘাস পচে না এবং লবণাক্ত পানিতেও টিকে যায়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ ম minister শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%