শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩৯ পি.এম
মালয়েশিয়ার প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও কালিমান্তান (বোর্নিও) দ্বীপে সৃষ্ট মারাত্মক দাবানল এবং কৃষি জমি পরিষ্কার করার জন্য বন পোড়ানোর বিষাক্ত ধোঁয়া পুরো মালয়েশিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
জনজীবনে স্বস্তি প্রদান করতে ধোঁয়ার প্রভাব কমানোর উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বৃষ্টি নামানোর কার্যক্রম শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এবং আগামীকাল শুরু হবে। এই অভিযানটি জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (নাদমা), মালয়েশীয় আবহাওয়া বিভাগ (মেটমালয়েশিয়া), মালয়েশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএএম) এবং রয়্যাল মালয়েশিয়ান এয়ার ফোর্স (আরএমএএফ)-এর সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।
নাদমার মহাপরিচালক দাতুক মেওর ইসমাইল মেওর আকিম জানিয়েছেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের (ডিওই) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পিএম২.৫-এর মাত্রা ১৫০ ছাড়িয়ে যাওয়ায় এই ক্লাউড সিডিং কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে।
এই অভিযানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সক্রিয় থাকবে এবং মেঘ বপন কার্যক্রমের প্রধান উপকরণ হিসেবে আরএমএএফ-এর একটি সি-১৩০ হারকিউলিস বিমান ব্যবহার করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, তবে, এই কার্যক্রমটি আবহাওয়ার পরিস্থিতি এবং ক্লাউড সিডিং প্রক্রিয়ার জন্য উপযুক্ত মেঘের উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল।
তিনি আরও বলেন, ধোঁয়ার প্রভাব কমাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর বায়ুর মান উন্নত করার জন্য সরকারের গৃহীত উদ্যোগগুলোর মধ্যে এই অভিযানটি অন্যতম।
পরিবেশ দপ্তরের বায়ু দূষণ সূচক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (এপিআইএমএস) অনুযায়ী, আজ দুপুর ১টা পর্যন্ত পুত্রজায়া, কুয়ালালামপুর এবং সেলাঙ্গরের বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলোসহ মোট ১৭টি কেন্দ্রে অস্বাস্থ্যকর এপিআই মাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
পুত্রজায়ার এপিআই রিডিং ছিল ১১১, অন্যদিকে চেরাস এবং বাতু মুদার রিডিং ছিল যথাক্রমে ১৩৯ এবং ১২৪। সেলাঙ্গরের শাহ আলমের এপিআই রিডিং ছিল ১৫৪।
যেসব বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে অস্বাস্থ্যকর এপিআই (API) রিডিং রেকর্ড করা হয়েছে, তার মধ্যে সাতটিই সারাওয়াকে অবস্থিত। সেরিয়ানে সর্বোচ্চ রিডিং ১৭৬ রেকর্ড করা হয়েছে, এরপর কুচিং-এ ১৭২, শ্রী আমানে ১৬৬, সামারাহানে ১৬৫, সিবুতে ১৫৮, সারিকাই-এ ১৫০ এবং বিন্টুলুতে ১০৩।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গবেষকরা সতর্ক করেছেন যে, বাংলাদেশসহ আটটি দেশের সামনে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় অপেক্ষা করছে। তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, চীন, আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের নাম রয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর শুক্রবারের (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিবেদনকে।
গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে নেপাল ও চীনের তিব্বতে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সমন্বিত পর্বত উন্নয়ন কেন্দ্রের (আইসিআইএমওডি) তথ্য অনুযায়ী, হিমবাহ ধসের ফলে শুধু পাহাড়ি দেশগুলো নয়, পশ্চিমে আফগানিস্তান থেকে পূর্বে মিয়ানমার পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার এলাকায় এর প্রভাব পড়ে।
গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক জলবায়ু গবেষণা নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশনের (ডব্লিউডব্লিউএ) প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের পরিবেশবিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সিস্টেমিকের প্রতিবেদন ও আইসিআইএমওডির ২০২৩ সালের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, হিমালয়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে হিমবাহ গলে যাচ্ছে এবং পারমাফ্রস্ট বা দীর্ঘদিন ধরে জমাট থাকা মাটিও নরম হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ভূমিধস, হঠাৎ হিমবাহ হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়া এবং হিমালয় থেকে সৃষ্ট নদীগুলোর পানি বেড়ে গিয়ে পুরো জনপদ ভাসিয়ে নেয়ার মতো ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতমালা ঘিরে থাকা দেশগুলোতে বসবাসকারী কোটি কোটি মানুষের জন্য একের পর এক দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
সিস্টেমিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলের প্রায় ৪০ হাজার হিমবাহের মধ্যে মাত্র ২১টি সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এই অঞ্চল থেকেই এশিয়ার ১০টি প্রধান নদী ব্যবস্থার উৎপত্তি হয়েছে। নদীগুলো হলো—আমু দরিয়া, সিন্ধু, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, ইরাবতী, সালউইন, মেকং, ইয়াংসি, হলুদ নদী ও তারিম।
এসব নদী অববাহিকা ভাটি অঞ্চলের প্রায় ২০০ কোটি মানুষকে সুপেয় পানি সরবরাহের পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহ ও অর্থনীতি চালু রাখতে বড় অবদান রাখছে। গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র এই দুই নদী ব্যবস্থা হিন্দুকুশ-হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। গঙ্গা নদী ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের পর পদ্মা নামে পরিচিতি পেয়েছে। অন্যদিকে, তিব্বতে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্র নদ চীন ও ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে, যেখানে এর প্রধান ধারা যমুনা নামে পরিচিত।
গবেষকরা উদ্বিগ্ন, কারণ জলবায়ুর সঙ্গে হিমালয়ের দ্রুত পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশসহ ভাটি অঞ্চলের প্রায় দুইশ কোটি মানুষ বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে।
সিস্টেমিকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অংশেই প্রায় দুইশটি হিমবাহ হ্রদ যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে ৫৬টি অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। সিস্টেমিকের সিনিয়র ডিরেক্টর ও প্রতিবেদনের প্রধান লেখক অরুশি চোপড়া বলেছেন, ‘প্রশ্ন এখন এটা নয় যে, এমন ঘটনা আরও ঘটবে কি না? বরং কখন ঘটবে সেটাই দেখার বিষয়।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্বত ও নদীগুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে, দেশগুলোকে তথ্য বিনিময় করতে হবে, আগাম সতর্কবার্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কেবলমাত্র এসব পদক্ষেপ নিলে বন্যা-ভূমিধসের মতো ঘটনায় প্রাণহানি কিছুটা কমানো সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পাটলাই নদীতে কয়লা ও চুনাপাথরবাহী বাল্কহেড নৌকা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে তালহা আহমেদ অভি (২৫) নামে এক যুবককে এলাকাবাসী পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সুলেমানপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আটক তালহা আহমেদ অভি দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তালহা আহমেদ অভির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পাটলাই নদীতে কয়লা ও চুনাপাথরবাহী বাল্কহেড নৌকা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। শনিবার দুপুরে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার নৌকা আটকে চাঁদা দাবি করার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বিকেলে সুলেমানপুর এলাকায় স্থানীয়রা তাকে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমদ বলেন, "তালহা দীর্ঘদিন ধরে পাটলাই নদীতে চাঁদাবাজি করে আসছে, এমন অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে আরও বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আজ এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়েছে।"
তাহিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসনাত চৌধুরী জানিয়েছেন, "চাঁদাবাজির অভিযোগে স্থানীয় এলাকাবাসী তালহা আহমেদ অভিকে আটক করে পুলিশে দেয়। পরে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি দেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত সকল মানুষের পাশে রয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি ঢাকা জেলা শাখার ৭ দফা দাবি আদায়ের সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
আবদুস সালাম উল্লেখ করেন, "এই দেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত সকল মানুষের সঙ্গে বিএনপিও আছে, আমিও আছি। আপনাদের এই সেক্টরে দীর্ঘদিনের সংগ্রামের কথা আমরা জানি। আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি মানুষের কথা বোঝার চেষ্টা করেন এবং সমস্যার সমাধানেও উদ্যোগ নেন।"
তিনি আরও বলেন, "আপনাদের সমস্যাগুলো আমরা মন্ত্রণালয়কে বলেছি। আমিও মন্ত্রণালয়কে বলার চেষ্টা করব এবং সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রীকে বলব। আমরা চাই দেশটা এগিয়ে যাক।"
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে আবদুস সালাম বলেন, "দীর্ঘ ১৭ বছরে দেশকে ধ্বংসের প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ব্যাংকগুলোতে লুটপাট হয়েছে। অনেক ব্যাংক এমন অবস্থায় পড়েছে যে, মানুষ টাকা জমা রাখলেও তা ফেরত দেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ বিভিন্ন খাতে সমস্যা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জনগণ তারেক রহমানকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।"
কর্মসূচিতে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান এম এ রশিদ, মহাসচিব কে এস হোসেন টমাস, সভাপতি মো. ওয়াজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন খানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর খিলক্ষেতের কুড়িটোলা স্কুলরোড এলাকা থেকে ১২ বছরের মো. হাবিবুল্লাহ নাঈম নিখোঁজ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। শিশুটির মা মোছা. শরীফা খাতুন খিলক্ষেত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
নাঈমের পরিবারের সদস্যরা জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়িটোলা স্কুলরোডের ভাড়া বাসা থেকে রাগ করে বেরিয়ে যায় নাঈম। এর আগে তার ছোট ভাই আদিলের সঙ্গে ঝগড়া হয়। মা তাকে বকাঝকা করার পর অভিমান করে বাসা থেকে বেরিয়ে যায় সে।
পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা আশপাশের এলাকা, আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও নাঈমের সন্ধান পাননি। তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
নাঈমের চাচা গোলাম হুসাইন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়ার পর নাঈমকে তার মা বকাঝকা করেন। এরপর সে রাগ করে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে থানায় জিডি করা হয়েছে।’
শিশুটিকে উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে।
এদিকে পরিবারের করা আবেদনের তথ্যমতে, শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদের কাছে ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে দাবি করা হয়, নাঈম তাদের হেফাজতে রয়েছে। ওই সময় ফোনে শিশুটির কান্নার শব্দও শোনা যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
অজ্ঞাত ব্যক্তি ফোনে নাঈমকে শারীরিক নির্যাতন করে একটি বাথরুমে আটকে রাখার কথা বলে। পরে ‘হাজী বাড়ি ক্যাম্প এলাকায়’ অবস্থানের কথা জানিয়ে ফোনটি কেটে দেওয়া হয়। এরপর ওই নম্বরে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে পরিবার জানিয়েছে।
খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাব আল হোসাইন বলেন, ‘থানায় জিডি হয়েছে। শিশুটিকে খুঁজে বের করতে আমরা কাজ করছি।’
নাঈমের বাবা মো. বাবুল ইসলাম ও মা মোছা. শরীফা খাতুন। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার হাজনা নাটোর গ্রামে। বর্তমানে তারা খিলক্ষেতের কুড়িটোলা স্কুলরোড এলাকায় বসবাস করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ