০৩:০২ এম
সড়ক পরিবহন ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচের মাটিকাটার কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই। বরং এর ফলস্বরূপ ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাবে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল বেলা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেলব্রিজের ভায়াডাক্টের নিচে চলমান ডিমোবিলাইজেশন কার্যক্রমের পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মন্তব্য করেন, পদ্মা রেলসেতুর ভায়াডাক্টের নিচে মাটি অপসারণের প্রক্রিয়া রেললাইন বা কাঠামোর জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরির সম্ভাবনা নেই। বরং প্রকল্পের নিরাপত্তা, পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থার পুনরুদ্ধার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য কাজটি করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে এমন একটি ধারণা তৈরি করা হয়েছে যে, ভায়াডাক্টের নিচ থেকে মাটি কাটা হচ্ছে অপরিকল্পিতভাবে এবং এতে রেললাইনের নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এরকম আশঙ্কার কোনো ভিত্তি নেই। যে মাটি অপসারণ করা হচ্ছে, সেটা সম্পূর্ণ প্রকল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী এবং প্রকল্পের নকশা অনুসারে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
তিনি আরো জানান, ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত নির্মিত ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভায়াডাক্টের নির্মাণকাজের জন্য ভারী যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সুবিধার্থে বরং অস্থায়ীভাবে মাটি ভরাট করা হয়েছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এভাবে ভায়াডাক্ট নির্মাণে একই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ওই অস্থায়ী ভরাট অপসারণ করে জায়গাটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে। বর্তমানে এই প্রক্রিয়া চলছে।
মন্ত্রী আরও জানান, ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটারের মধ্যে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার এলাকায় ইতোমধ্যে অস্থায়ী ভরাট অপসারণ করা হয়েছে আর এখনও প্রায় ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার অংশের কাজ বাকি রয়েছে। ঠিক এই সময়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, যা জনমনে অযথা উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
রেলমন্ত্রী বলেন, গড়ে প্রায় সাড়ে ৩ ফুট মাটি অপসারণ করা হবে। এরপর ভূমি তার স্বাভাবিক স্তরে ফিরে যাবে। মূল মাটির স্তরের নিচে পাইল ক্যাপ রয়েছে যা প্রায় ৭ থেকে ৮ ফুট নিচে এবং পাইলের গভীরতা প্রায় ২০০ ফুট। অর্থাৎ সম্পূর্ণ কাঠামো প্রকৌশলগতভাবে খুবই নিরাপদ এবং এগুলো বিবেচনায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছে। তাই মাটি অপসারণের প্রক্রিয়ায় ভায়াডাক্টের নিরাপত্তার মধ্যে কোনো নেতিবাচক সম্পর্ক নেই, বরং ইতিবাচক সম্পর্ক বিদ্যমান।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন