ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুমিল্লায় ৮ প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স সাময়িক স্থগিত


কুমিল্লায় ৮ প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স সাময়িক স্থগিত

কুমিল্লা নগরীতে ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকান বসিয়ে ভাড়া দেওয়ার অভিযোগের কারণে আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক)। এই পদক্ষেপ নগরীর যানজট নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত কয়েকদিন ধরে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানজট কমানোর এবং ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার জন্য ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ওই সময় ব্যবসায়ীদের সচেতন করার জন্য মাইকিং, লিখিত নোটিশ এবং গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বারবার সতর্ক করার পরও কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দোকানের সামনের ফুটপাত দখল করে অবৈধ হকার ও অস্থায়ী দোকান বসিয়ে ভাড়া দিয়ে আসছিল। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর রানীরবাজার এলাকার আটটি প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

স্থগিত হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সারা ব্রয়লার হাউস, আরব সুইট অ্যান্ড বেকারি, ট্রাই বেকারি, কাজী ফজলুল হক স্টোর, জেলিকা বেকারি, আল বারাকা হোটেল, মেসার্স হাজী অ্যান্ড সন্স এবং আবেদন স্টোর।

সোমবার (৬ জুলাই) কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উপপ্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মুস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক স্মারকে জানানো হয়, একাধিকবার নোটিশ প্রদান, মাইকিং, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ, উচ্ছেদ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পরও কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দোকানের সামনে অবৈধ হকার ও ভ্যানগাড়ি বসাতে সহযোগিতা করে আসছিল। তদন্তে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরই তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন বলেছে, প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করে নগরীতে যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করায় সংশ্লিষ্ট আটটি প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে ৯৫ শতাংশ হিজড়া ও মান্তা জনগোষ্ঠী মূলধারার বাইরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


বরিশালে ৯৫ শতাংশ হিজড়া ও মান্তা জনগোষ্ঠী মূলধারার বাইরে

সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ এবং পুনর্বাসন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, তবুও ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন আসেনি হিজড়া ও মান্তা সম্প্রদায়ের। প্রশিক্ষণ পাওয়ার পরেও সামাজিক বৈষম্য, মূলধনের অভাব এবং নানামুখী অনীহার কারণে এই প্রান্তিক জনগণের প্রায় ৯৫ শতাংশ সদস্য মূলধারার অর্থনীতিতে যুক্ত হতে পারছেন না।

বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগে বর্তমানে এই পিছিয়ে পড়া জনগণের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। এর মধ্যে, যাদের জীবন ধারার অঙ্গ হিসেবে ঢোলের তাল এবং তালি দিয়ে আনন্দ বিলানো সেই হিজড়া জনগোষ্ঠী যেমন রয়েছে, তেমনি আছেন জাল-নৌকা নিয়ে জীবিকা নির্বাহকারী যাযাবর মান্তা সম্প্রদায়ও।

জেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগে মোট ১ হাজার ৩০ জন হিজড়া মানুষ রয়েছেন। এর মধ্যে বরিশালে ৩৫০, পটুয়াখালীতে ২০০, ভোলায় ১৮০, বরগুনায় ১২০, পিরোজপুরে ১০০ এবং ঝালকাঠিতে ৮০ জন বসবাস করছেন।

প্রশিক্ষণ পাওয়ার পরও কেন তারা মূলধারায় ফিরে আসতে পারছেন না, তা তুলে ধরেছেন তৃতীয় লিঙ্গের সদস্য নুপুর। তিনি জানান, 'সরকার আমাদের সেলাই ও বিউটি পার্লারের কাজ শিখিয়েছে। আমি ভাবছিলাম এবার হয়তো মানুষের দুয়ারে দুয়ারে হাত পাতার অভ্যাস কমে যাবে। কিন্তু দোকানে যেতে হলে কেউ ঘর ভাড়া দিতে চায় না। মানুষ আমাদের দিকে তাকায় এমনভাবে, যেন আমরা এই সমাজেরই নই। বাধ্য হয়ে আবার পুরোনো পেশায় ফিরে যেতে হয়েছে।'

একইভাবে হতাশা প্রকাশ করেছেন তৃতীয় লিঙ্গের আরেক সদস্য সোহাগী। তিনি বলেন, 'আমাদের যোগ্যতা থাকলেও সমাজ তা মানতে পারেনি। আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য গিয়েছিলাম, কিন্তু আমার পরিচয় জানার পর তারা আমাকে আর রেখেনি। সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে শুধু প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে আমাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না।'

বরিশাল বিভাগের মান্তা সম্প্রদায়ের সংকটও একীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। যাযাবর এই জলমানবদের জীবনমান উন্নয়ন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে বেসরকারি সংস্থাগুলি কাজ করেছে, যদিও বাস্তবে তাদের জীবন এখনও নৌকা ও জালেই সীমাবদ্ধ।

একটি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগে মান্তা জনগণের মোট ২ হাজার ৯৪৮টি পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোলায় ১ হাজার ৫৭০, পটুয়াখালীতে ৮৩০, বরিশালে ৩২০ এবং বরগুনায় ২২৮টি পরিবার বসবাস করে।

বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ভাঙার পাড়ে বসবাসকারী মান্তা সম্প্রদায়ের সদস্য ইকবাল মিয়া বলেন, 'আমরা তো জন্ম থেকেই জলেই ভাসছি। এনজিও থেকে আমাদের অন্য কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই কাজ করতে কোথায় যাব? আমাদের ডাঙায় কিছু জমি বা ঘর নেই। দিনশেষে সেই জাল এবং নৌকাই আমাদের শেষ ভরসা।'

অপর সদস্য জরিনা বেগম বলেন, 'আমি চেয়েছিলাম পোলাপানদের একটু লেখা পড়া শিখিয়ে ভালো পথে তৈরি করতে। কিন্তু পেটের তাগিদে বাধ্য হয়ে তাদের নিয়ে নদীতে নামতে হয়।'

এই পিছিয়ে পড়া জনগণের সমস্যা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাগুলি তাদের সীমাবদ্ধতার কথা জানান। তবে সমাজসেবা অধিদফতরের কর্মকর্তারা ভিন্ন কথা বলেছেন। তাদের মতে, শুধু সুযোগের অভাবই নয়; সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং এই জনগণের নিজেদের অনীহা একটি বড় কারণ।

এ বিষয়ে বেসরকারি সংস্থা 'আভাস'-এর মনিটরিং কো-অর্ডিনেটর মো. আলী আহসান বলেন, 'আমরা মাঠ পর্যায়ে তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছি এবং বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। কিন্তু আমাদের একার পক্ষে এত বড় জনগণের পুনর্বাসন সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এখানে কিছু প্রাতিষ্ঠানিক এবং কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান।'

বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক এ কে এম আখতারুজ্জামান তালুকদার বলেন, 'সরকার এই প্রান্তিক জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের জন্য ভাতা, আবাসন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাদের নিজেদের মধ্যেও মূলধারার কাজে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা অনীহা কাজ করে। তবে আমরা হতাশ নই। এই পিছিয়ে পড়া জনগণকে পুরোপুরি মূল অর্থনীতিতে যুক্ত করতে সরকার কিছু নতুন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমরা বিশ্বকাপ জেতা প্রজন্ম নই’ কাসেমিরোর মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


আমরা বিশ্বকাপ জেতা প্রজন্ম নই’ কাসেমিরোর মন্তব্য

চলতি ফিফা বিশ্বকাপে বড়সড় এক অঘটনের সাক্ষী হলো ফুটবলবিশ্ব। হেক্সা বা ষষ্ঠ শিরোপার মিশন নিয়ে আসা শক্তিশালী ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে নরওয়ে। শেষ ষোলোর এই ম্যাচে নরওয়েজিয়ান তারকা আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যদের। 

নেইমারের পূর্ণ ফিটনেস আর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চেনা ছন্দ সত্ত্বেও শেষ ষোলোতেই স্তব্ধ হয়ে গেছে সেলেসাওদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন। আর এই চরম বিপর্যয়ের পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরো।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ৩৪ বছর বয়সী কাসেমিরো। নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে আসা এই তারকা মিডফিল্ডার অশ্রুসিক্ত চোখে ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুর স্বপ্ন থাকে ব্রাজিলের জার্সিতে বিশ্বকাপ জেতা। তিনি তিনবার সেই সুযোগ পেয়েছিলেন এবং নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই পরম আরাধ্য স্বপ্নটা অধরাই থেকে গেল। মাঠের লড়াইয়ে সতীর্থদের চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না উল্লেখ করে তিনি অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে যোগ করেন, তারা হয়তো এমন এক প্রজন্ম হিসেবে ফুটবল ইতিহাসে থেকে যাবেন, যারা দেশের হয়ে কখনো বিশ্বকাপ ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখতে পারল না।

পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ব্রাজিলের মাঝমাঠ আগলে রাখা এই অভিজ্ঞ ফুটবলার জানান, এই মুহূর্তে কোটি ভক্তকে হতাশ করার বেদনা তাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। জীবন তার নিয়মে চলবে ঠিকই, তবে এই কঠিন সময়ে তিনি কেবল নিজের পরিবার ও সন্তানদের পাশে চান। 

নরওয়ের বিপক্ষে এই হারের ফলে ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে নকআউট পর্বে ব্রাজিলের টানা সাত ম্যাচ হারের লজ্জাজনক রেকর্ড আরও দীর্ঘ হলো। সব মিলিয়ে ফেবারিট হিসেবে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও ফুটবলবিশ্বের অন্যতম সফল এই দলটিকে আরও একবার অত্যন্ত করুণ ও বেদনাদায়কভাবে বিদায় নিতে হলো ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ থেকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকল করতে গিয়ে ধরা, জামালপুরে ৫ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


নকল করতে গিয়ে ধরা, জামালপুরে ৫ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষার সময় দেওয়ানগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহুরুল হোসেন তাদের বহিষ্কার করেন।

জানা গেছে, 'বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীরা সরকারি আব্দুল খালেক মেমোরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী। তারা কেন্দ্রের ৪০১, ৪০২, ৪০৩ ও ৫০২ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। কেন্দ্রে প্রবেশের সময় বাইরে থেকে আনা লিখিত নকল সঙ্গে নিয়ে আসেন তারা। পরিদর্শনের সময় তাদের কাছে নকল পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ জহুরুল হোসেন বলেন, 'কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় হাতে-নাতে নকল পাওয়ায় পাঁচ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনায় পানি বৃদ্ধির সঙ্গে তীব্র ভাঙন, আতঙ্কে চরাঞ্চলবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ পি.এম


যমুনায় পানি বৃদ্ধির সঙ্গে তীব্র ভাঙন, আতঙ্কে চরাঞ্চলবাসী

পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের কারণে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন চরাঞ্চলে ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা ও বিস্তীর্ণ জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক সপ্তাহ ধরে যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। কয়েকদিন আগে পানি কিছুটা কমলেও শনিবার সকাল থেকে আবারও বাড়তে শুরু করে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।

সবচেয়ে বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে চৌহালী, কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কয়েকটি এলাকায়। ইতোমধ্যে কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ি ও চরগিরিশ, চৌহালীর চর সলিমাবাদ, সিরাজগঞ্জ সদরের পূর্ব বাহুকা ও কাওয়াকোলা চর এবং শাহজাদপুর উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে ভাঙনে বহু ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

ভাঙনের মুখে অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকেই এখন চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

যদিও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব বাহুকা এলাকায় ভাঙন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে চৌহালী ও কাজিপুরের চরাঞ্চলে ভাঙন এখনও অব্যাহত রয়েছে। ভাঙন রোধে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মাসে দুই দফায় চৌহালী ও কাজিপুরে প্রায় ২০০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। তাদের দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ড সময়মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করতে না পারায় পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এছাড়া ভাঙন শুরু হওয়ার পরই শুধু জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যা স্থায়ী সমাধান নয়। ফলে প্রতি বছরই একই ধরনের ভাঙনে বহু পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, পাহাড়ি ঢলের কারণে যমুনা নদীর পানি ক্রমাগত বাড়ছে। স্রোতের তীব্রতা এবং নদীর তলদেশে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

ভাঙন অব্যাহত থাকলেও আপাতত বন্যার আশঙ্কা নেই জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%