শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৫ পি.এম
মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজার নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
নিষিদ্ধ যুবলীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার সময় ভিডিওটি আপলোড করা হয়। কিন্তু মিছিলটি মানিকগঞ্জের কোন স্থানে এবং কখন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভিডিওতে দেখা যায়, নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। স্লোগানগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘শেখ হাসিনার কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, ‘পরশ ভাইয়ের কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’ এবং ‘নিখিল ভাইয়ের কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’। এছাড়াও ‘মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগ, নেতা মোদের শেখ মুজিব’ স্লোগানটিও শোনা যায়।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন জানান, এ ধরনের কোনো মিছিলের বিষয়ে তাদের কাছে তথ্য নেই। তিনি বলেন, "সারারাত আমি, সার্কেল এসপিসহ পুলিশের আটটি টহল দল দায়িত্বে ছিল। সদর থানা এলাকায় এমন মিছিল হওয়ার তথ্য আমাদের কাছে নেই।"
যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ফেসবুকের মেসেঞ্জারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তার কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মিছিলের ভিডিওটি কবে এবং কোথায় ধারণ করা হয়েছে, সেটি যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরে একটি যাত্রীবাহী বাস চলন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়ে গেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে মিরপুর-১১ নম্বরের জমজম টাওয়ারের নিকট শিকড় পরিবহনের বাসটিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের কাছে এই তথ্য পৌঁছায়।
ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
এটি ধারণা করা হচ্ছে যে, বাসটির চলন্ত অবস্থায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ট্রান্সফরমার চুরি রোধে চরম ব্যর্থতা এবং চুরির ঘটনায় মামলা গ্রহণ না করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে অপসারণ করা হয়েছে। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কঠোর নজরদারি ও আদেশের পর তাঁকে চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশে বদলি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন) নাজিমুল হক। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশনার পাশাপাশি এটি রুটিন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেও সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে, ৯ সেপ্টেম্বর চাঁদপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নসরুল্লাহ আদালতে ওসি কামরুল হাসানকে ট্রান্সফরমার চুরির মতো গুরুতর অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ‘অযোগ্য ও অদক্ষ’ হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি নির্দেশ দেন, বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা তাঁর সার্ভিস বুকে সংরক্ষণ করতে হবে এবং আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতকে অবহিত করতে হবে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও চাঁদপুরের পুলিশ সুপারকে (এসপি)। আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলা হিসেবে নথিভুক্ত না হওয়া পল্লী বিদ্যুতের ২৩টি চুরির আবেদনের পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সরাসরি এজাহার (এফআইআর) হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুরের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জেনারেল ম্যানেজার গত সাড়ে তিন মাসে এলাকায় ২৫টি বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় পৃথক পৃথক এজাহারের আবেদন করেন। কিন্তু ওসি মাত্র দুটি মামলা গ্রহণ করে বাকি ২৩টি আবেদন ঝুলিয়ে রাখেন। আদালত কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠালে ওসি দাবি করেন, আবেদনের মধ্যে বাদীর পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকায় মামলা করা সম্ভব হয়নি। তবে নথি পর্যালোচনা করে আদালত দেখতে পান, ওসির দেওয়া জবাব ভিত্তিহীন। পল্লী বিদ্যুতের দেওয়া প্রতিটি আবেদনেই চুরির সঠিক স্থান, তারিখ এবং খোয়া যাওয়া ট্রান্সফরমারগুলোর সুনির্দিষ্ট পিন বা সিরিয়াল নম্বর স্পষ্ট ছিল।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, গত ১ মে থেকে ১৮ আগস্টের মধ্যে সাড়ে তিন মাসে ২৫টি চুরির আবেদন করা হলেও আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে প্রতিবেদন চাওয়ার আগে কোনো পদক্ষেপই নেননি ওসি কামরুল। এমনকি পরবর্তীতে কারণ দর্শানো ছাড়া অবশিষ্ট ২৩টি জিডি বা এজাহার আমলে নেওয়ার ন্যূনতম সদিচ্ছা দেখাননি তিনি।
আদালতের মতে, বিদ্যুতের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি সম্পত্তি চুরির তথ্য পাওয়ার পরও এফআইআর না করা দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলার শামিল। ওসির এমন নির্লিপ্ততা ও নিষ্ক্রিয়তা মূলত অপরাধীদের উৎসাহিত করেছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত করে জনরোষ সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করেছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা উল্লেখ করে রায়ে বলা হয়, পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ওসি কামরুল হাসান ‘পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল’-এর ২৪৩ ও ২৪৪ বিধি এবং ফৌজদারি কার্যবিধির (১৮৯৮) ১৫৪ নম্বর ধারা স্পষ্ট লঙ্ঘন করেছেন। তাঁর এ ধরনের বেআইনি নিষ্ক্রিয়তা দণ্ডবিধির ১৬৬ ও ২১৭ ধারা এবং দ্য পুলিশ অ্যাক্টের (১৮৬১) ২৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ।
আদালতের সুনির্দিষ্ট বার্তার পরপরই পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে তোলপাড় শুরু হয় এবং দ্রুততম সময়ে তাঁকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার বার্নসভিলে তিন বছর বয়সী ছেলে আদনান আবদুল্লাহির মৃত্যুর ঘটনায় তার মা সায়নাব আবদুল্লাহি দাহিরের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মাত্রার ম্যান স্লটার, চারটি শিশু নির্যাতন বা বিপন্ন করার অভিযোগ এবং হয়রানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগপত্রের তথ্য অনুযায়ী, গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পরও শিশুটিকে চিকিৎসকের কাছে না নিয়ে তার মা পার্কের একটি সৈকত এলাকায় নিয়ে যান, যেখানে রোদে থাকার মাধ্যমে শিশুটি অসুস্থতা ‘ঘামিয়ে বের করে’ দিতে পারবে বলে ধারণা করা হয়। পরবর্তীতে শিশুটির মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার পর জরুরি সেবাকর্মীরা শিশুটিকে গুরুতর অপুষ্টিতে ভুগতে দেখতে পান। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তার বয়সের তুলনায় মারাত্মক কম ওজন এবং গুরুতর অপুষ্টি শনাক্ত করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি আর জ্ঞান ফিরে পায়নি এবং ১৩ জুলাই ২০২৩ সালে তার মৃত্যু ঘটে।
ময়নাতদন্তে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতিজনিত আঘাতকে মৃত্যুর তাৎক্ষণিক কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অপুষ্টি ও মূত্রনালির সংক্রমণকে সহায়ক কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তের সময় দাহিরের অন্য চার সন্তানের অবস্থাও সামনে আসে। আদালতের নথি অনুযায়ী, তারাও গুরুতরভাবে কম ওজনের ছিল। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিশুদের বাবার কাছে যাওয়ার পর তাদের ওজন বাড়তে শুরু করে। সন্তানদের নিয়মিত চিকিৎসা না করানোর অভিযোগও রয়েছে।
দাহিরকে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তিনি আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত। মামলাটি মিনেসোটার ডাকোটা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মনে আজও উজ্জ্বল হয়ে আছে নায়ক সালমান শাহ। বিশেষ করে যখন ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৯ সেপ্টেম্বর আসে, তখন বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকরা এক তরুণ নায়কের মুখ মনে করেন। অল্প সময়ের উপস্থিতিতে যিনি ঢালিউডের ইতিহাসে নিজের জন্য একটি আলাদা অধ্যায় তৈরি করেছিলেন, তিনি হলেন সালমান শাহ। আজ তার জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে জন্ম নেওয়া স্বপ্নের এই নায়ক ১৯৯৩ সালে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তিন দশক পরেও তা ম্লান হয়নি।
সালমান শাহর জন্মদিন উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে শাবনূর তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
পোস্টে সালমান শাহকে স্মরণ করে শাবনূর লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন, প্রিয় সালমান শাহ!’ নব্বইয়ের দশকের দিনগুলোর কথা মনে করে তিনি জানান, সময় অনেক পেরিয়ে গেলেও শুটিংয়ের স্মৃতিগুলো এখনও তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। শাবনূরের কাছে সালমান শুধুমাত্র একজন জনপ্রিয় নায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন অসাধারণ হৃদয়ের একজন ব্যক্তি।
শুটিং সেটে সালমানের আচরণ কেমন ছিল, সেই স্মৃতিও তুলে ধরেছেন শাবনূর। তার ভাষ্য, ইউনিটের কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ অভিনয়শিল্পী—কাউকেই ছোট করে দেখতেন না সালমান। বরং সবার খোঁজখবর নেওয়া, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো এবং আপন করে নেওয়ার মধ্য দিয়েই তিনি নিজের আলাদা মানবিক পরিচয় তৈরি করেছিলেন।
শাবনূর লিখেছেন, ‘শুটিং ইউনিটের কর্মী হোক কিংবা সাধারণ অভিনয়শিল্পী কাউকেই কখনো ছোট করে দেখতে না। সবার খোঁজ নিতে, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়াতে এবং আপন করে যত্ন নিতে।’
সালমানের সেই মানবিকতাকেই তার দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হিসেবে শাবনূর স্মরণ করেছেন। তার মতে, সুন্দর মনের এই মানুষটির কারণেই এত বছর পরও মানুষের হৃদয়ে একইভাবে জায়গা করে আছেন তিনি।
সময়ের দূরত্ব পেরিয়ে সালমান কীভাবে এখনো তার স্মৃতিতে ফিরে আসেন, সেটিও জানিয়েছেন শাবনূর। পুরনো কোনো গান কিংবা সালমান অভিনীত সিনেমার দৃশ্য চোখে পড়লেই নব্বইয়ের দশকের সেই দিনগুলো যেন আবার ফিরে আসে বলে জানান তিনি। শাবনূরের কথায়, ‘পুরনো কোনো গান শুনলে কিংবা তোমার কোনো সিনেমার দৃশ্য চোখে পড়লে মনে হয়, তুমি যেন আবার ফিরে এসেছ সেই সোনালী দিনগুলোতে।’
প্রিয় সহকর্মীর আত্মার শান্তি কামনা করে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা ও জান্নাত প্রার্থনা করেছেন শাবনূর। একই সঙ্গে সালমান শাহকে নিয়ে কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য কিংবা অসম্মানজনক মন্তব্য না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শাবনূর বলেন, ‘প্রিয় সালমান শাহকে নিয়ে আমরা কেউ যেন কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা অসম্মানজনক মন্তব্য না করি। একজন প্রয়াত মহান শিল্পীর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান সব সময় অটুট থাকুক। তার অমর স্মৃতিকে ভালোবাসা ও মর্যাদার সঙ্গেই হৃদয়ে ধরে রাখি।’
উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে মৌসুমীর বিপরীতে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে সালমান শাহর। পর্দায় তার স্মার্ট উপস্থিতি, অভিনয়শৈলী ও আলাদা ব্যক্তিত্ব খুব দ্রুতই দর্শকের নজর কাড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন।
মাত্র সাড়ে তিন বছরের চলচ্চিত্রজীবনে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেন সালমান শাহ। এর বেশির ভাগ সিনেমাই দর্শকপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করে। তবে তার নায়িকাদের মধ্যে শাবনূরের সঙ্গে জুটিই ছিল সবচেয়ে বেশি। তাদের পর্দার রসায়ন নব্বইয়ের দশকের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সালমান-শাবনূর জুটি পরিণত হয়েছিল ঢালিউডের অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় জুটিতে। সালমান শাহ বহু বছর আগে চলে গেছেন। কিন্তু তার সিনেমা, গান, অভিনয় ও ব্যক্তিত্বের স্মৃতি এখনো দর্শকের কাছে জীবন্ত।
তাহলে জন্মদিন এলেই নতুন করে উচ্চারিত হয় সেই নাম—সালমান শাহ। সহকর্মীদের স্মৃতিচারণা এবং ভক্তদের ভালোবাসায় আজও তিনি ফিরে আসেন বাংলা চলচ্চিত্রের সেই সোনালি সময়ের প্রতিনিধি হয়ে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ