মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২২ পি.এম
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীরা গাজীপুরের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ এ অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবারের দাবার টিমটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবা খেলোয়াড়দের সংগঠন ‘রুয়েট চেস ক্লাব’ এর উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে।
এ প্রতিযোগিতা বুধবার (১৪ অক্টোবর) থেকে শুরু হবে, যেখানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবাড়ুরা অংশ নেবেন। রুয়েটের প্রতিনিধিত্ব করতে ছয় সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে। দলের নেতৃত্ব দেবেন তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল (ইসিই) বিভাগের ২০২১–২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিব্বি মোহাম্মদ ওমর।
দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের পুরকৌশল বিভাগের মো. কাওসার আলী, যন্ত্রকৌশল বিভাগের মো. নাজমুস শাহাদাত, ইসিই বিভাগের ২০২২–২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. সামিউল আলম, এস এম সাদমান আজিজ সিফাত এবং একই বিভাগের ২০২৪–২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈমুর রহমান।
রুয়েটের দাবারু দল দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণকারী দলের সঙ্গে নিজেদের কৌশল, মেধা ও দক্ষতার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবে। টুর্নামেন্টটি স্ট্যান্ডার্ড সুইস পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে এবং দিনব্যাপী মোট ৭ রাউন্ড ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী সময়ে অর্জিত পয়েন্টের ভিত্তিতে চ্যাম্পিয়ন, রানারআপ ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণ করা হবে।
রুয়েট চেস ক্লাবের সভাপতি রিব্বি মোহাম্মদ ওমর জানান, "আমরা আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবায় রুয়েটের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছি। টিম মেম্বারদের দক্ষ কৌশলে ভালো ফলাফল অর্জন এবং রুয়েটের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে পারবো বলে বিশ্বাস করি। সর্বোপরি, খেলাধুলার প্রকৃত উদ্দেশ্য চিত্ত বিনোদন এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বজায় রাখা; আমাদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম অন্যদেরও উৎসাহিত করবে বলে প্রত্যাশা করি।"
প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই রুয়েট চেস টিমের আনুষ্ঠানিক জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। দাবাপ্রেমী শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার এই আসরে দক্ষতা ও কৌশলনির্ভর খেলায় সফলতার মাধ্যমে রুয়েটের প্রতিনিধিত্ব করবে দলটি। একই সঙ্গে, প্রতিযোগিতার উপলক্ষ্যে রুয়েট চেস ক্লাবের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রস্তুতি ও উৎসাহের আমেজ বিরাজ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অসীমা চৌধুরী, যিনি প্রবাসী প্রকৌশলী স্বরূপ কান্তি বিশ্বাসের স্ত্রী এবং তাদের ১৫ বছর বয়সী ছেলে অরিত্র বিশ্বাস। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত স্বরূপ বিশ্বাসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।
দুর্ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে আবুধাবির আল আইন রোডের আল ওয়াতবা ব্রিজ এলাকায়। একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাদের বহনকারী গাড়িটিকে পেছন থেকে দ্রুতগতির একটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের রেলিংয়ে আঘাত করে, ফলে গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই অসীমা চৌধুরী ও তার ছেলে অরিত্রের মৃত্যু ঘটে। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন স্বরূপ কান্তি বিশ্বাস। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত।
নিহত অসীমা চৌধুরীর পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত। স্বরূপ কান্তি বিশ্বাস ও অসীমা চৌধুরী দম্পতির একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।
এদিকে, মা ও ছেলের মরদেহ আবুধাবির বানিয়াস এলাকার কেন্দ্রীয় মর্গে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এই প্রক্রিয়ায় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি প্রবাসী কমিউনিটির নেতারাও সহযোগিতা করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ধারণা অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে, ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে সচিবালয়ে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের দ্বিতীয় তলার বাথরুমের ওপরের সিলিংয়ে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে, ইউনিটটি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
আগুনের কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিটকে সন্দেহ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে, ২০২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর রাত ১টা ৫২ মিনিটে সচিবালয়ের একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের নথিপত্র, কম্পিউটার এবং আসবাবপত্র পুড়ে যায়। নয়তলা ভবনটিতে লাগা আগুন ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের প্রায় ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে।
ভবনটির চারটি তলায় অবস্থিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ; যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন নথিপত্র ও সরঞ্জাম আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ওই অগ্নিকাণ্ডের সময় আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিতে গিয়ে ট্রাকচাপায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্য মো. সোহানুর জামান নিহত হন।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর (কেপিআই) অন্যতম বাংলাদেশ সচিবালয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হয়ে ওঠা ‘সুপার এল নিনো’র প্রভাবে ২০২৬ সাল ইতিহাসের উষ্ণতম বছরে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পরিচালক কার্লো বুয়োনতেম্পো এ বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, ২০২৭ সালেও তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড গড়ার আশঙ্কা বিদ্যমান।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বুয়োনতেম্পো এই আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, অতীতের এল নিনো ঘটনাগুলোর ধরন অনুসরণ করলে ২০২৬ সালে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হতে পারে। এমনকি ২০২৭ সালেও নতুন রেকর্ড হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ডনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে আবহাওয়াবিদরা কয়েক মাস ধরে সতর্ক করে আসছেন যে, এবারের এল নিনো সম্ভবত এযাবৎকালের অন্যতম শক্তিশালী ঘটনা হতে পারে। বছরের শেষ দিকে এটির সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকলেও এরই মধ্যে তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ডের তথ্য পাওয়া গেছে।
কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘নিনো ৩.৪’ অঞ্চলে গত মাসে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা ওই অঞ্চলের জন্য সর্বোচ্চ বলে জানানো হয়েছে। এল নিনো পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সংস্থাটির তথ্যমতে, এ তাপমাত্রা ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনো ঘটনাগুলোর সর্বোচ্চ তাপমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
তবে এবারের এল নিনো এযাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী কি না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনো আসেনি বলে জানিয়েছেন বুয়োনতেম্পো। তাঁর ভাষায়, জুনে শুরু হওয়া এবারের ঘটনাটি ‘অত্যন্ত ব্যতিক্রমী’। সামগ্রিক জলবায়ু আগের তুলনায় অনেক বেশি উষ্ণ থাকায় এর প্রভাবও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, প্রশান্ত মহাসাগরে সঞ্চিত তাপ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি মানুষের কর্মকাণ্ডজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এর ফলে ২০২৭ সালও ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হয়ে ওঠার ঝুঁকিতে রয়েছে।
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা, যার ফলে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, খরা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঘটনা তীব্র হতে পারে। তবে এল নিনোর প্রকৃত শক্তি ও বৈশ্বিক তাপমাত্রার ওপর এর প্রভাব নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তার ওপর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের পুত্র, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
সোহেল তাজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘নিউজে প্রফেসর ইউনূসকে নিউ ইয়র্কের জেএফকে এয়ারপোর্টে হেনস্তা করার ভিডিও দেখে হতবাক হয়ে গেলাম। কতটুক নির্লজ্জ বেহায়া হলে নিজেরাই যেই গণহত্যা, গুম, খুন, দুর্নীতি করেছে, গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল; তারাই এখন সেই দায় আরেকজনের উপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এটাই হচ্ছে সাবেক স্বৈরাচার পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাদুর ট্যাবলেট, এই ট্যাবলেট খেয়ে এদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।’
এ ধরনের আচরণকে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা দুটি শ্রেণিতে ফেলেন বলেও উল্লেখ করেন সোহেল তাজ। তিনি জানান, এর একটি গ্যাসলাইটিং, অন্যটি প্রজেকশন। গ্যাসলাইটিং হলো এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক কৌশল ও মানসিক নির্যাতন। এতে একজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে অন্য কাউকে মিথ্যা তথ্য দেন বা ঘটে যাওয়া ঘটনা অস্বীকার করেন। ফলে ভুক্তভোগী নিজের স্মৃতি, উপলব্ধি, বিচারবুদ্ধি কিংবা মানসিক সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ করতে শুরু করেন।
অন্যদিকে, মনস্তাত্ত্বিক প্রজেকশন হলো আত্মরক্ষার একটি মানসিক প্রক্রিয়া। এতে একজন ব্যক্তি নিজের অবাঞ্ছিত, কষ্টদায়ক বা অগ্রহণযোগ্য চিন্তা, অনুভূতি, উদ্দেশ্য কিংবা অনিরাপত্তা অন্যের ওপর আরোপ করেন।
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, স্থানীয় সময় সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকাল পৌনে ৪টায় নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে হুইল চেয়ারে বের হওয়ার সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস তোপের মুখে পড়েন। এ সময় তার পাশে লাগেজ হাতে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোরশেদ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিমানবন্দর চত্বরে হুইলচেয়ারে বসা অবস্থায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দিকে এগিয়ে এসে কিছু ব্যক্তি উচ্চস্বরে স্লোগান দিচ্ছেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এ সময় তাকে উদ্দেশ করে ‘ইউ আর আ টেররিস্ট’ এবং ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায়। বিক্ষোভকারীরা আরও অভিযোগ করেন, তিনি দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন এবং তারা দেশ ও দেশের পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান তোলেন।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, কঠোর নিরাপত্তা ও সহযোগীদের বেষ্টনীতে ড. ইউনূস শান্তভাবে পরিস্থিতি অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, যখন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা তাকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের তির্যক মন্তব্য ও প্রতিবাদ করছেন। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ