মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের পুত্র, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
সোহেল তাজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘নিউজে প্রফেসর ইউনূসকে নিউ ইয়র্কের জেএফকে এয়ারপোর্টে হেনস্তা করার ভিডিও দেখে হতবাক হয়ে গেলাম। কতটুক নির্লজ্জ বেহায়া হলে নিজেরাই যেই গণহত্যা, গুম, খুন, দুর্নীতি করেছে, গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল; তারাই এখন সেই দায় আরেকজনের উপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এটাই হচ্ছে সাবেক স্বৈরাচার পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাদুর ট্যাবলেট, এই ট্যাবলেট খেয়ে এদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।’
এ ধরনের আচরণকে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা দুটি শ্রেণিতে ফেলেন বলেও উল্লেখ করেন সোহেল তাজ। তিনি জানান, এর একটি গ্যাসলাইটিং, অন্যটি প্রজেকশন। গ্যাসলাইটিং হলো এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক কৌশল ও মানসিক নির্যাতন। এতে একজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে অন্য কাউকে মিথ্যা তথ্য দেন বা ঘটে যাওয়া ঘটনা অস্বীকার করেন। ফলে ভুক্তভোগী নিজের স্মৃতি, উপলব্ধি, বিচারবুদ্ধি কিংবা মানসিক সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ করতে শুরু করেন।
অন্যদিকে, মনস্তাত্ত্বিক প্রজেকশন হলো আত্মরক্ষার একটি মানসিক প্রক্রিয়া। এতে একজন ব্যক্তি নিজের অবাঞ্ছিত, কষ্টদায়ক বা অগ্রহণযোগ্য চিন্তা, অনুভূতি, উদ্দেশ্য কিংবা অনিরাপত্তা অন্যের ওপর আরোপ করেন।
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, স্থানীয় সময় সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকাল পৌনে ৪টায় নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে হুইল চেয়ারে বের হওয়ার সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস তোপের মুখে পড়েন। এ সময় তার পাশে লাগেজ হাতে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোরশেদ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিমানবন্দর চত্বরে হুইলচেয়ারে বসা অবস্থায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দিকে এগিয়ে এসে কিছু ব্যক্তি উচ্চস্বরে স্লোগান দিচ্ছেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এ সময় তাকে উদ্দেশ করে ‘ইউ আর আ টেররিস্ট’ এবং ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায়। বিক্ষোভকারীরা আরও অভিযোগ করেন, তিনি দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন এবং তারা দেশ ও দেশের পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান তোলেন।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, কঠোর নিরাপত্তা ও সহযোগীদের বেষ্টনীতে ড. ইউনূস শান্তভাবে পরিস্থিতি অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, যখন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা তাকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের তির্যক মন্তব্য ও প্রতিবাদ করছেন। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন জানান, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নেই।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে, রমনা কালীমন্দিরে সোনা চুরি মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার ও আলামত উদ্ধার সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. ফারুক হোসেন উল্লেখ করেন, দুর্গাপূজা আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। এ উপলক্ষে যথেষ্ট পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি এবং কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়নি। সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পূজা সুন্দরভাবে উদযাপিত হবে এবং দুর্ঘটনার কোনো আশঙ্কা নেই।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ মোতায়েন ও নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও বাড়ানো হবে কি না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আগামী ১৫ অক্টোবর ডিএমপি কমিশনার দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং করবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) প্রাইভেটকারের ধাক্কায় সাত শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের (এফবিএস) গেটসংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব। তিনি জানিয়েছেন, "বেশি মানুষ দেখে ভয় পেয়ে ব্রেকের পরিবর্তে অ্যাকসিলারেটরে চাপ দেওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।"
দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের। তিনি সাদমানের বাবা।
সাদমান সাকিব বলেন, ‘আমি আগে তেমন গাড়ি চালাইনি। আজকে শখের বসে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিলাম। সঙ্গে ড্রাইভারও ছিল। চালাতে চালাতে আমি কলাভবনে একটা রাউন্ড দিয়ে আসি। ওই মুহূর্তে বেশি মানুষ দেখে আমি ভয় পেয়ে যাই। এফবিএসের সামনে এসে ব্রেক দিতে গিয়ে আমি অ্যাকসিলারেটরে চাপ দিয়ে দিই। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি দ্রুতগতিতে ছুটতে থাকে। সামনে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থীকে প্রথমে গাড়ি ধাক্কা দেয়। পরে ড্রাইভারের সহায়তায় গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’
আহত সাত শিক্ষার্থীর মধ্যে ছয়জন মার্কেটিং বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এবং একজন ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাদের হাত, পা, হাঁটুসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে ও ছিলে যাওয়ার ক্ষত হয়েছে। আহতদের প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তবে দুর্ঘটনার আগে গাড়িটি অস্বাভাবিক গতিতে চালানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী সিনহা মল্লিক। তিনি বলেন, "সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাইকেল নিয়ে এফবিএস সড়কে ওঠার সময় গাড়িটি তাকে অস্বাভাবিকভাবে ওভারটেক করে। এ সময় সামনে থাকা রিকশা ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে গাড়িটি জোরে হর্ন দিচ্ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।"
দুর্ঘটনার পর উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সাদমানকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যান। এ সময় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গাড়িটি ভাঙচুর করেন। পরে আহত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাদী হয়ে মামলা করার দাবি জানানো হয়। এ দাবিতে লিখিত আবেদন তৈরি করে স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. শান্টু বড়ুয়া বলেন, ‘আহত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শাহবাগ থানায় মামলা করার জন্য লিখিতভাবে আমাদের কাছে দাবি জানানো হয়েছে। প্রক্টর অফিসও এ বিষয়ে ইতিবাচক।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রক্টর অফিসের উদ্যোগে এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাদী হয়ে মামলা করবে বলে আমরা শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করছি।’
এ বিষয়ে সাদমানের বাবা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটা আমি মেনে নেব।’
অন্যদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাসানী হলের সামনে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় আহত তাহিয়া আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী বেলা সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। তার বাম পায়ে আঘাত ছিল। জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে নাফ নদীর পানির নিচ দিয়ে ইয়াবা পাচারের অভিনব কৌশলের সন্ধান পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ইয়াবা পাচারের জন্য কাঠের তৈরি ডুবন্ত ক্যারিয়ারকে বৈদ্যুতিক মোটর, স্টিলের তার ও কপিকলের সাহায্যে টেনে আনা হতো। এই ক্যারিয়ার একসঙ্গে প্রায় ৩০ লাখ ইয়াবা পরিবহনে সক্ষম ছিল এবং পাচারের সময় চক্রের সদস্যরা মাছ ধরার ভান করতেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। বিজিবি জানায়, গত ১২ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে উখিয়ার আঞ্জুমানপাড়ার মনিরের ঘেরে একটি মাচাংঘরের পাশে চার থেকে পাঁচজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখতে পায় পালংখালী বিওপির টহল দল। তাদের চ্যালেঞ্জ করার পর পালানোর চেষ্টা করেন তারা। এ সময় বালুখালীর বাসিন্দা বেলাল উদ্দিন (৩৫) ও খোরশেদ আলম (২৬) নামে দুজনকে আটক করা হয়।
ঘটনাস্থল ও ঘেরের একটি ঘরে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ১১ রাউন্ড গুলি ও একটি মোবাইল ফোন। এছাড়া উদ্ধার করা হয় নয়টি কপিকল, কাঠের তৈরি একটি ডুবন্ত ক্যারিয়ার, ক্যারিয়ার টানার জন্য প্রায় দুই কিলোমিটার স্টিলের তার, একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি ও একটি বৈদ্যুতিক মোটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।
সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, এই ক্যারিয়ার ব্যবহার করে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে পালংখালীর ফাইস্যা খাল দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইয়াবা আনা হতো। বৈদ্যুতিক মোটর, স্টিলের তার ও কপিকলের সমন্বয়ে পানির নিচ দিয়ে ক্যারিয়ারটি টেনে আনা সম্ভব ছিল।
তিনি জানান, খালটি আঁকাবাঁকা হওয়ায় পাচারকারীরা কৌশলে একাধিক অংশে ভাগ করে ক্যারিয়ারটি এগিয়ে নিত। কপিকল ও স্টিলের তার ব্যবহার করে খালের প্রতিটি বাঁক অতিক্রমের সময় ছোট কপিকলগুলো বড় স্থায়ী কপিকল থেকে খুলে দেওয়া হতো। এভাবে ক্যারিয়ারের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করে সামনে এগিয়ে নেওয়া হতো।
বিজিবির দাবি, ক্যারিয়ারটির সঙ্গে একজন ব্যক্তি পানিতে হাত দিয়ে মাছ ধরার ভান করে এগিয়ে আসতেন। এই কৌশলে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এক থেকে দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত ইয়াবা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে চক্রটি। কাঠের তৈরি ডুবন্ত ক্যারিয়ারটিতে আনুমানিক ৩০ লাখ ইয়াবা পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে।
এর আগে, গত ৯ সেপ্টেম্বর টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় নৌকার মাধ্যমে রশি ব্যবহার করে একই ধরনের কাঠের ক্যারিয়ারে আনা ১৪ লাখ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছিল বলে জানান বিজিবির অধিনায়ক।
এদিকে, ১৩ অক্টোবর রাত ৩টার দিকে বালুখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিএসপি পোস্টসংলগ্ন সোহেলের ঘের এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টাকালে মো. রকি আহমেদ (২৬) নামে একজনকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে দুই লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই দিনে পালংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা থেকে মালিকবিহীন আরও ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, চলতি বছর উখিয়া ব্যাটালিয়ন মাদকবিরোধী অভিযানে আনুমানিক ১ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে। এসব অভিযানে আটক করা হয়েছে ২২৮ জনকে।
তিনি বলেন, বিজিবির তৎপরতা ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের ব্যবহার বাড়ায় চোরাকারবারিরা প্রচলিত পদ্ধতি ছেড়ে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। তবে সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জার্মানির কোলন শহরে একটি কিশোরীকে রোবটের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করার অভিযোগে ১৬ ও ১৯ বছর বয়সী দুই তরুণের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) জার্মান পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাতে পশ্চিম জার্মানির কোলন শহরে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরী তার দুই বন্ধুর সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিল। এ সময় একটি প্রায় ১ দশমিক ২ মিটার উচ্চতার রোবট তার কাছে এসে উপস্থিত হয়।
পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, লাল ও সোনালি রঙের রোবটটি কিশোরীর নিতম্বে স্পর্শ করে এবং যৌন হয়রানিমূলক ভঙ্গিতে নড়াচড়া করতে থাকে। কিশোরী তখন চিৎকার করে সরে যেতে দেখা যায়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রোবটটির মালিক হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকে। তার সঙ্গে থাকা ১৯ বছর বয়সী আরেক তরুণের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা দুজন মিলে ঘটনার ভিডিও ধারণ করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করেন। এ সময় তারা ঘটনাটি নিয়ে মন্তব্যও করেন।
টিকটকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মানুষের মতো দেখতে লাল ও সোনালি রঙের রোবটটি দুই তরুণের সঙ্গে রয়েছে। একপর্যায়ে রোবটটি এক কিশোরীর শরীরের সঙ্গে ঘেঁষে যায়।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরে একটি গাড়ির পেছনের মালপত্র রাখার জায়গা থেকে রোবটটি উদ্ধার করে। পুলিশের ধারণা, রোবটটির মালিক সেটি সেখানে লুকিয়ে রেখেছিল।
এ ঘটনায় রোবটটি এবং দুই সন্দেহভাজনের ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন জব্দ করেছে পুলিশ। অভিযোগের বিষয়ে দুই তরুণের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
তবে, তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
সূত্র: এএফপি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ