ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিরাপদ পানির জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার


নিরাপদ পানির জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার

সরকার দেশের মানুষের কাছে নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য একটি সমন্বিত প্রকল্পের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, যা প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইউনিসেফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে এই তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, "আমরা আজকে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ইউনিসেফের সঙ্গে কথা বলেছি। সেটা হচ্ছে কীভাবে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের কাছে আমরা নিরাপদ পানি পৌঁছে দিতে পারি। আপনারা জানেন যে, পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। কিন্তু এই পানি যদি দূষিত হয়, যদি জীবাণুপূর্ণ হয়, তাহলে এই পানি মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।"

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

তিনি আরও বলেন, "আজকের দুনিয়ায় একদিকে পানি মানুষের জীবনের জন্য অপরিহার্য, অন্যদিকে এই পানি আবার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। এ চ্যালেঞ্জ নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।"

ড. আবদুল মঈন খান জানান, "আমাদের নদীতে অনেক পানি আছে, কিন্তু সেই নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। আমাদের যে উজান, নদীর উজানগুলোতে পানি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলশ্রুতিতে একদিকে যেমন আমাদের উত্তরের জেলাগুলোতে ডেজার্টিফিকেশন হচ্ছে, অর্থাৎ মরুভূমিজনিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে, আবার এর দ্বিতীয় একটি প্রভাব রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলে।"

মন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের নদীগুলো দিয়ে পানি বঙ্গোপসাগরে যায়। এই পানির পরিমাণ কমে গেলে সমুদ্রের পানির লবণাক্ততা ওপরের দিকে উঠতে থাকে। এ কারণে দক্ষিণাঞ্চলে বিগত কয়েক দশক ধরে উজানে পানি প্রত্যাহারের কারণে পানীয় জলের বিরাট সমস্যা দেখা দিয়েছে। যারা দক্ষিণাঞ্চলের অধিবাসী অথবা আপনারা যদি তাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে জানতে পারবেন যে সুপেয় পানি কীভাবে মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের।"

মন্ত্রী বলেন, "সমস্ত বিষয় বিবেচনা করে আমাদের দায়িত্ব মানুষের কাছে সুপেয় পানি পৌঁছে দেওয়া। সেই উদ্দেশ্যে আমরা কীভাবে জাতিসংঘের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারি, তার অর্থায়ন কীভাবে হবে, সেটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।"

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সুপেয় পানির জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পে ব্যয়ের পরিমাণ জানতে চাইলে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, "আজকে আমরা সম্মিলিতভাবে যে প্রকল্প নিয়ে আলাপ করেছি, সেখানে শুধু ইউনিসেফ নয়; বিভিন্ন সংস্থা রয়েছে। সবাইকে মিলিয়ে যোগ করলে প্রায় এটা ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলারের দাঁড়াবে। তার অর্থ হচ্ছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার মতো।"

মন্ত্রী জানান, বৈঠকে ইউনিসেফ ছাড়াও বিশ্বব্যাংক ও ওয়াটারএইডের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, "এসব সংস্থাকে নিয়ে সমন্বিতভাবে পরিকল্পনা করার চেষ্টা চলছে।"

মন্ত্রী বলেন, "আমাদের যে লিড মিনিস্ট্রি, যেটাকে আপনারা এলজিআরডি বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের প্রধান একটি প্রধান কাজ হচ্ছে মানুষের যে জীবন, যে পানি, সেই নিরাপদ পানি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।"

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় দাতা সংস্থার কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পেয়ে আসছে। তবে সেই সহায়তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। ফরচুনেটলি বাংলাদেশ কিন্তু বাইলেটারাল এবং মাল্টিলেটারাল ডোনার উভয়পক্ষ থেকে যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা সহায়তা আমরা পেয়েছি। তবে, আমি কিন্তু খোলাখুলি একটা কথা বলবো, সেই সহায়তা কিন্তু আমরা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি নাই। বর্তমানে বিদেশি অর্থায়নের পরিমাণও কমে আসছে। ধনী দেশগুলো নিজেরাও অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাওয়ায় দরিদ্র দেশগুলোর জন্য সহায়তার পরিমাণ কমছে।"

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, "আজকে বাংলাদেশে দীর্ঘ ১৭ বছর পরে যখন একটি গণতান্ত্রিক সরকার ফিরে এসেছে, আমরা যেভাবে জবাবদিহিমূলক একটি সরকার গঠন করে মানুষের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি, সেই পরিস্থিতিতে বিগত ১৭ বছরে যে অপচয় হয়েছে, যে দুর্নীতি হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের, যারা তাদের গায়ের রক্ত জল করে, যারা পরিশ্রম করে এই দেশকে তারা গড়ে তুলেছে, তাদের সেই সম্পদ যে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল বিগত ১৭ বছরে, আমরা সেটা বন্ধ করেছি ইতিমধ্যেই, আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে।"

তিনি বলেন, "ভবিষ্যতে আমি বিশ্বাস করি এই দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করে আমরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে, জনগণের সেবায় সঠিকভাবে নিয়োজিত করবো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাসপোর্ট করতে গিয়ে অকল্পনীয় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি মাদরাসাছাত্র আবু সাঈদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


পাসপোর্ট করতে গিয়ে অকল্পনীয় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি মাদরাসাছাত্র আবু সাঈদ

জন্ম নিবন্ধন নম্বর জালিয়াতি ও গরমিলের কারণে পাসপোর্টের আবেদন করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার ওসমানপুর ব্রাহ্মণশাসন ইউনিয়নের আলিম পড়ুয়া মাদরাসাছাত্র মো. আবু সাঈদ।

নিয়ম অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর আঙুলের ছাপ ও ছবি তুলতে গিয়ে আবু সাঈদ জানতে পারেন, তার জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে ‘মো. মাকনুন’ নামের এক প্রবাসী দুবাইয়ে অবস্থান করে ইতিমধ্যে দুইবার পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছেন।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ অনুসারে, আবু সাঈদ তার বৈধ জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করেন এবং ২৭ সেপ্টেম্বর সিলেট পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে তা জমা দেন। কিন্তু ছবি ও আঙুলের ছাপ দেওয়ার সময় তাকে জানানো হয় যে, ওই জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে মো. মাকনুন নামের একজন ব্যক্তি ২০১৮ সালে প্রথমবার এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২৩ সালে দ্বিতীয় দফায় পাসপোর্ট নিয়েছেন।

এদিকে, আবু সাঈদের জন্ম নিবন্ধনটি ২০০৯ সালের ৪ মার্চ রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছিল এবং এতে তার পিতা মো. শফিকুর রহমান ও মাতার নাম সঠিকভাবে উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত মো. মাকনুনের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও বাবা-মায়ের নাম আবু সাঈদ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও পাসপোর্টের ডেটাবেজে কীভাবে আবু সাঈদের নম্বরটি যুক্ত হলো, তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। দুই প্রার্থীর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন কপি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আবু সাঈদের জন্ম নিবন্ধন নম্বরের শেষ পাঁচ সংখ্যা ২৬৩৮৫ এবং এটি ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৪ মার্চ ২০০৯ তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত।

অপরদিকে, একই ইউনিয়ন থেকে ইস্যু করা মো. মাকনুনের জন্ম নিবন্ধনের শেষ পাঁচ সংখ্যা ১লাইনি বা ১১৪৯০ এবং তার বাবা-মায়ের নাম যথাক্রমে মো. শুয়াইবুর রহমান ও মোছাম্মৎ আবিদা খাতুন। নথিপত্রের এই স্পষ্ট ব্যবধান সত্ত্বেও মাকনুন আবু সাঈদের নম্বর ব্যবহার করে সিলেট বিভাগীয় অফিস থেকে ১৯৩ ও ৪২৭ শেষ তিন সংখ্যার দুটি পাসপোর্ট নিয়েছেন।

এমন অপ্রত্যাশিত বিড়ম্বনায় পড়ে আবু সাঈদের বাবা মো. শফিকুর রহমান গত এক সপ্তাহ ধরে সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তার দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি। কার্যালয়ের উপপরিচালকের কাছে গেলে তাকে জানানো হয় এটি পাসপোর্ট অফিসের কোনো ভুল নয় এবং তাকে জন্ম নিবন্ধন পরিবর্তন বা সংশোধন করার পাশাপাশি থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তবে ভুক্তভোগী পরিবার প্রশ্ন তুলেছে, সঠিক ও মূল নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও তারা কেন বিনা কারণে নিজেদের জন্ম নিবন্ধন সংশোধন বা জটিলতায় জড়াবেন।

এ বিষয়ে উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোবিন্দ চন্দ্র দেব স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, তাদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোনো ভুল করা হয়নি এবং দুইজনের জন্ম নিবন্ধনের নম্বরও সম্পূর্ণ আলাদা।

তার মতে, এই গরমিল কীভাবে হলো তার সঠিক জবাব কেবল পাসপোর্ট অফিসই দিতে পারবে। এদিকে অভিযুক্ত মো. মাকনুন বর্তমানে দুবাইয়ে অবস্থান করায় এবং তার পাসপোর্টের প্রদত্ত নম্বরে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি বিধায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল হুদা জানিয়েছেন যে, প্রথমবার যখন পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছিল তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা ছিল এবং তখনকার রিপোর্ট যাচাই করে এ বিষয়ে পরবর্তী কথা বলতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


জবির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ‘এমএ ইন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি (প্রফেশনাল)’ প্রোগ্রামের ১৩তম ব্যাচের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাদরাসার স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারীরা এই প্রোগ্রামে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চার বছর মেয়াদি অনার্স (সম্মান) সম্পন্নকারীদের জন্য এক বছর মেয়াদি এবং তিন বছর মেয়াদি ডিগ্রি (পাস) অথবা ফাজিল সম্পন্নকারীদের জন্য দুই বছর মেয়াদি মাস্টার্স করার সুযোগ রয়েছে।

আবেদন করতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা মাদরাসা থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতক (সম্মান/পাস), ফাজিল অথবা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। এছাড়া, সকল পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ২.০০ থাকতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে পেশাজীবী ও চাকরিজীবী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

ভর্তি-ইচ্ছুক প্রার্থীরা আগামী ১৭ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে এবং সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের জন্য ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৮ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে জানুয়ারি ২০২৭ থেকে, এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন ফি হিসেবে ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ফি বিকাশ অথবা নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

ভর্তি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রোগ্রামের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোছা. রূপালী খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া বিভাগের ওয়েবসাইট ihcp.jnu.ac.bd -এ অনলাইনে আবেদনসহ ভর্তি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাপাহারে ৮৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন মাস ধরে ইন্টারনেট বন্ধ, ভোগান্তিতে শিক্ষকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


সাপাহারে ৮৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন মাস ধরে ইন্টারনেট বন্ধ, ভোগান্তিতে শিক্ষকরা

নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় তিন মাস ধরে সচল থাকলেও, তা দিয়ে কোনো কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই অবস্থায় অনলাইন হাজিরা, দাপ্তরিক যোগাযোগ এবং বিদ্যালয়ের অন্যান্য অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে নিজেদের পকেট থেকে মোবাইল ডাটা কিনে বা স্থানীয়ভাবে নতুন ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের ‘ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন (ইডিসি)-১ম সংশোধিত’ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করার জন্য ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবলের মাধ্যমে এসব সংযোগ প্রদান করা হয়েছিল। এই কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মধ্যে ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী, প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘এন্ড ইউজার কানেক্টিভিটি’র মাধ্যমে উচ্চগতির ২০ এমবিপিএস ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সংযোগ স্থাপনের পর বিদ্যালয়গুলোকে মাসিক ইন্টারনেট বিল বহন করার নিয়ম রয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট দায়িত্বও নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সাপাহার উপজেলার ৮৩টি বিদ্যালয়ে সংযোগ থাকলেও, গত প্রায় তিন মাস ধরে তা কোনো কাজে আসছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা।

সাপাহার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক ও অফিসিয়াল কাজের জন্য ইন্টারনেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে সংযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রায় তিন মাস ধরে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে আমাদের বিকল্প হিসেবে স্থানীয় ইন্টারনেট সংযোগ নিতে হয়েছে।

দমদমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাকারিয়া আলম বলেন, সংযোগ চালুর পর অফিসের কাজের গতি বৃদ্ধি পেয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট অচল থাকায় কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে। রামাশ্রম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ এবং ওড়ুনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরাও একই ধরনের ক্ষোভ ও সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

সহকারী শিক্ষক শামীম আহমেদ জানান, আমাদের নিয়মিত অনলাইনে হাজিরা দিতে হয় এবং তা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠাতে হয়। ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় এখন ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে ডাটা কিনে কোনোমতে কাজ চালাতে হচ্ছে।

শিক্ষকদের মতে, শুধু অনলাইন হাজিরাই নয়, জরুরি তথ্য আদান-প্রদান এবং শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনলাইন কার্যক্রমও থমকে গেছে।

এ বিষয়ে সাপাহার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়াহেদুল্লাহ প্রামাণিক বলেন, গত প্রায় তিন মাস ধরে বিভিন্ন স্কুল থেকে ইন্টারনেট সমস্যা নিয়ে শিক্ষকরা অভিযোগ জানাচ্ছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। খুব দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে লিখিত আবেদন করা হবে, যাতে দ্রুত সংযোগ সচল করা যায়।

অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে আইটি ইঞ্জিনিয়ার শওকত হোসেন সুইট জানান, আমাদের সার্ভারে কিছুটা কারিগরি সমস্যা দেখা দেওয়ায় এই জটিলতা তৈরি হয়েছে। আমরা দ্রুত সমস্যাটি সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তবে তিন মাস ধরে সমস্যা চলছে—এমন দাবি সঠিক নয়।

উল্লেখ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা ও সেবার মান বজায় রাখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ওপর ন্যস্ত রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে তিন বছর কার্যকর থাকার কথা। দ্রুত এই জটিলতার অবসান ঘটিয়ে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক অনলাইন কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষক সমাজ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবির আজিজুর হলের প্রভোস্ট ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


ইবির আজিজুর হলের প্রভোস্ট ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি নিয়োগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শাহ আজিজুর রহমান হলের প্রভোস্ট পদে ড. আব্দুস সামাদ এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতির পদে অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানের স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

আদেশ অনুযায়ী, অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান ৭ অক্টোবর থেকে আগামী তিন বছরের জন্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিদায়ী সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. গোলাম মহিউদ্দিনকে দীর্ঘদিন ধরে সভাপতির দায়িত্ব পালনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।

অন্যদিকে, ৮ অক্টোবর থেকে শাহ আজিজুর রহমান হলের প্রভোস্ট হিসেবে ফলিত পুষ্টি এবং খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুস সামাদ দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত। বিধি অনুযায়ী তিনি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

নবনিযুক্ত হল প্রভোস্ট বলেছেন, "হলের সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় করে এবং সবার প্রত্যাশা অনুযায়ী হল ও শিক্ষার পরিবেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করব। এছাড়া হলের অ্যালটমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত জেনে যৌক্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"

ব্যবস্থাপনা বিভাগের নবনিযুক্ত সভাপতি মন্তব্য করেছেন, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব কাঁধে এসেছে। তিনি নিজের দক্ষতা ও সহকর্মীদের সহযোগিতায় বিভাগকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%