ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভুয়া অ্যাডমিট কার্ডে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে আটক দুজন


ভুয়া অ্যাডমিট কার্ডে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে আটক দুজন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভুয়া প্রবেশপত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে এক নারী শিক্ষার্থী এবং তার সহযোগী আটক হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে, সকাল পৌনে ১০টার দিকে কসবা তফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে তদন্তকালে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন কসবা মহিলা কলেজের অকৃতকার্য শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান (১৮) এবং তার ফুফাতো ভাই ইনজামুল হক (১৯)।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পরীক্ষা কেন্দ্রের সূত্রে জানা যায়, তাসফিয়া রহমান তার ফুফাতো ভাইয়ের সহযোগিতায় একটি ভুয়া প্রবেশপত্র তৈরি করে পরীক্ষায় অংশ নিতে যান। পরীক্ষা শুরুর পূর্বে প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময়, কার্ডে উল্লিখিত কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয়ের সঙ্গে মিলে না যাওয়ার ফলে কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রবেশপত্রটি ভুয়া বলে নিশ্চিত হন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ।

অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয় মিলে না যাওয়ার ফলে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়।

ঘটনার পর আটক দুইজনকে কেন্দ্রের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে রাখা হয়। এরপর উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছামিউল ইসলাম বলেন, ভুয়া প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে তারা আটক হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাইকগাছায় ২০০-এর বেশি রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ পি.এম


পাইকগাছায় ২০০-এর বেশি রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন

পাইকগাছায় আজ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। রোটারি ক্লাবের সহযোগিতায় খুলনার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক টিম এবং ফ্রেড হলোস ফাউন্ডেশন এই চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করে। ক্যাম্পে শ khoảng দুই হাজার রোগীর চোখ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ২ শতাধিক রোগীকে ছানী অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়। বাকী রোগীদের ব্যাবস্থাপত্র, প্রয়োজনীয় ঔষধ ও চশমা দেওয়া হয়।

সকাল বেলা অনুষ্ঠিত বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও ছানি অপারেশন চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রোটারী ক্লাব অব মিডটাউনের সভাপতি সোহাগ মিনা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

তিনি বলেন, অত্যাধুনিক চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত অসহায়, স্বল্প আয়ের মানুষ, যারা টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারেন না, তাদের জন্যেই এই সেবার আয়োজন করা হয়েছে। এটি মানবতার সেবা। এই চিকিৎসা ক্যাম্পে অংশ নেয়া রোটারী ক্লাব ও ডাক্তাররা নিজেদের মেধাকে মানবতার কল্যাণে কাজে লাগাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি মা, মাটি ও মানুষের দল। মানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। অত্যাধুনিক চিকিৎসার সুবিধাবঞ্চিত অবহেলিত ও দুর্গম প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে এই ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ডা. আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হক, জেলা বিএনপি’র সদস্য শাহাদাৎ হোসেন ডাবলু, জিএম রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপি’র সদস্য বদরুদ্দোজা বাবলু, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম ইমদাদুল হক, ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব নাদিমুজ্জামান জনি।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এড. আবু সাঈদ, যুগ্ন আহবায়ক আবুল হোসেন, সাজ্জাদ আহমেদ মানিক, তুষার কান্তি মন্ডল, মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, বেনজির আহমেদ লাল, যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, রুবেল মীর, মমিনুর রহমান সাগর, ইয়ারুল ইসলাম রিপন, জেলা যুবদলের সদস্য পীর আলী, সোহেল রানা তুহিন, জেলা জাসাস যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, কৃষক দলের সভাপতি মেসের আলী সানা, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমরান সরদার, শেখ রুহুল কুদ্দুস, পৌর যুবদলের আহবায়ক জি এম রুস্তম, সদস্য সচিব আনারুল ইসলাম, আবু মুসা, কলিঙ্গরাজ মন্ডল, মো. মন্টু, হুরায়রা বাদশা, সাত্তার মোড়ল, আবু মুসা সরদার, আবু সুফিয়ান গোলদার, মো. মনিরুজ্জামান, রাজ, মিঠু প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ৯৫ হাজার শিক্ষার্থীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫০ পি.এম


কুমিল্লা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ৯৫ হাজার শিক্ষার্থীর

সারা দেশের মতো কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। প্রথম দিনের পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। তবে, এই বছর বোর্ডের অধীনে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর ঝরে পড়া নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষার মাধ্যমে কুমিল্লাসহ ছয় জেলার একযোগে এ পরীক্ষা শুরু হয়।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, এই বছর বোর্ডের অধীন কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার ৪৬৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১৯৩টি পরীক্ষা কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করছে। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫ হাজার ৬৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৩৭ হাজার ৭০৫ জন এবং ছাত্রী ৫৭ হাজার ৩৬৩ জন। অর্থাৎ, ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৫৮ জন বেশি।

বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ১ লাখ ২২ হাজার ৪১১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন ও ফরম পূরণ করলেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৯৫ হাজার ৬৮ জন। ফলে, বিভিন্ন কারণে পরীক্ষার আগেই ২৭ হাজার ৩৪৩ জন শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে।

এ বিপুল পরিমাণ ঝরে পড়া শিক্ষার্থী শিক্ষাবিদদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানান, অর্থনৈতিক সংকট, পারিবারিক সমস্যা, অল্প বয়সে বিয়ে, কর্মসংস্থানে যুক্ত হওয়া, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতি এবং পরীক্ষার উপযুক্ত প্রস্তুতির অভাব—এসবসহ বিভিন্ন কারণে শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ছে।

এদিকে, পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, কেন্দ্র পরিচালনা, পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক তদারকিতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আহসান পারভেজ জানান, ‘এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিসহ প্রতিটি বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের যথাযথ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে আইপিএসের ব্যবস্থা রাখা এবং ডিজিটাল মনিটরিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিকল্প প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।’

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কেন্দ্র সচিব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রের আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। একই সাথে, পরীক্ষার সময় যানজট এড়াতে জেলা পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বোর্ড কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে, প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ পরিবেশে সম্পন্ন হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অফিস সহকারীর প্রতারণার কারণে ১০ শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


অফিস সহকারীর প্রতারণার কারণে ১০ শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না

বগুড়ার মহাস্থান মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজে অফিস সহকারীর প্রতারণার কারণে প্রবেশপত্র না পাওয়ার ফলে মানবিক বিভাগের ১০ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে না। এই ঘটনায় পরীক্ষায় অংশ নিতে না পেরে শিক্ষার্থীরা এবং তাদের স্বজনরা কলেজে এসে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে, পরীক্ষায় অংশ না নিতে পারার কারণে তারা ক্ষোভ জানায়। এ বছর মহাস্থান মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজ থেকে তিনটি বিভাগের মোট ৬০০ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর, অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে তাদের ফরম পূরণ করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন কলেজের অফিস সহকারী (কম্পিউটার অপারেটর) সাব্বির হোসেন শাওন। এই সময় তিনি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে চার হাজার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা করে আদায় করেন।

গত ২৪ জুন কলেজের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ করা হলেও, ওই ১০ শিক্ষার্থীকে জানানো হয় যে দেরিতে ফরম পূরণ করার কারণে তাদের প্রবেশপত্র পেতে কিছুটা সময় লাগবে। এরপর বুধবার (১ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত কলেজে অপেক্ষা করলেও তারা প্রবেশপত্র পাননি। ফলে প্রবেশপত্র এবং রেজিস্ট্রেশন কার্ড না থাকায় তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, বুধবার থেকেই অভিযুক্ত কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে এবং ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।

এ বিষয়ে মহস্থন মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মতিউর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘বিষয়টি দুঃখজনক। ঘটনার তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীসা পোড়ানোর ৩টি অবৈধ খোলা ভাট্টি উচ্ছেদ সাভারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


সীসা পোড়ানোর ৩টি অবৈধ খোলা ভাট্টি উচ্ছেদ সাভারে

সাভারের ভাকুর্তা এলাকায় অবৈধভাবে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা উৎপাদনের অভিযোগে তিনটি খোলা ভাট্টির ছয়টি চুল্লি গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। এসময় কাউকে আটক করা না গেলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (১ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখা এবং ঢাকা জেলা কার্যালয়ের যৌথ মোবাইল কোর্ট এ অভিযান চালিয়েছে।

সাভারের ভাকুর্তা এলাকার নির্জন স্থানে পরিচালিত অভিযানটিতে তিনটি নামবিহীন খোলা ভাট্টির ছয়টি চুল্লি এক্সকাভেটরের মাধ্যমে ভেঙে ফেলা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান। এ সময় সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দিয়েছে সাভার থানা পুলিশ।

ঢাকা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, ‘অভিযান চলাকালে সেখানে কাউকে উপস্থিত পাইনি। ফলে কাউকে আটক করা যায়নি। ফলে জরিমানা করার সুযোগ হয়নি। এরপর আমরা ভাট্টিগুলো উচ্ছেদ করি।’

তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘আবারো অবৈধভাবে এমন কাজ করলে পরিবেশ অধিদফতর দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবে। তবে এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে কেউ তথ্য দিতে চায় না।’

অনুসন্ধানে অবৈধ সীসা উৎপাদনের সঙ্গে কয়েকটি সিন্ডিকেটের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রাজধানীর ধোলাইপাড়ের নাসির ও গাইবান্ধার সাজুর নেতৃত্বাধীন চক্রের নাম উঠে এসেছে।

অভিযোগ রয়েছে, তারা পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করে খোলা স্থানে পুড়িয়ে উৎপাদিত সীসা কালোবাজারে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা আয় করছে। সরকারকে কোনো ভ্যাট বা কর না দেওয়ায় তাদের লাভও বেশি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নাসির বলেন, ‘দেশে অনেকেই এভাবে কাজ করে, শুধু আমরাই না।’ বেআইনি কি না জানতে চাইলে তিনি বললেন, ‘বেআইনি বলেই তো সরকারি লোকজন এসে উচ্ছেদ করেছে।’

অন্যদিকে গাইবান্ধার সাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, উচ্ছেদকৃত ভাট্টিগুলো ধোলাইপাড়ের নাসিরের।

চিকিৎসকদের মতে, খোলা স্থানে পুরোনো ব্যাটারি বা সীসা পোড়ানোর ফলে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এতে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি।

বর্তমানে সরকার অনুমোদিত কয়েকটি ব্যাটারি রিসাইক্লিং শিল্প-কারখানায় পরিবেশসম্মত প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরোনো ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব পায় এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হয়। তবে অবৈধ সীসা পোড়ানো চক্রের কারণে একদিকে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

পরিবেশ অধিদফতর জানিয়েছে, অবৈধ সীসা পোড়ানোর খোলা ভাট্টি নির্মূলে অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মোবাইল কোর্টের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%