০৩:৫১ পি.এম
টানা চার দিনের বৃষ্টিপাতের ফলে এবং উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এই অবস্থার কারণে নদীর তীরবর্তী জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও, রানীগঞ্জ ও আশারকান্দি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে, ফলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, পানি বেড়ে যাওয়ার ফলে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালিশ্রী-রৌয়াইল গ্রামের একমাত্র পাকা সড়কটি বালিশ্রী গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্ন স্থানে ভেঙে গিয়ে প্রবল স্রোতে কুশিয়ারা নদীর পানি প্রবাহিত হয়ে প্রায় ১০টি গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।
সড়কটি শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকালে ভেঙে যায়। বিকল্প সড়ক না থাকায় এলাকাবাসী কুশিয়ারা নদীপথে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করছেন। এদিকে কুশিয়ারা নদীর পানিতে কৃষকদের আউশধান তলিয়ে গেছে। এছাড়া, আমন ধানের বীজতলা ও চারা ধানও বানের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকেরা বিপদে পড়েছেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
রৌয়াইল গ্রামের মিটু মিয়া বলেন, নদীর পানি বেড়ে যাওয়ার কারণে হঠাৎ করে সড়কটি ভেঙে গেছে। এই একমাত্র সড়কের ওপর নির্ভর করে প্রায় ১০-১২টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। এখন লোকজনকে কয়েক কিলোমিটার ঘুরে অন্য পথে যেতে হচ্ছে, যা সময় ও খরচ উভয়ই বাড়িয়ে দিয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া কিংবা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়েছে। আমি দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ ছদরুল ইসলাম বলেন, রাস্তা ভাঙার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমি বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত বিকল্প চলাচলের ব্যবস্থা এবং স্থায়ীভাবে সড়কটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছি।
জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহরাব হোসেন বলেন, এটা আমাদের নিজেদের কাজ নয়, তবে আমরা চেষ্টা করছি।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন