ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের গঠন করা হল মেডিকেল টিম


ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের গঠন করা হল মেডিকেল টিম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি একটি মেডিকেল টিম গঠন করেছে, যা জেলা ও মহানগর এবং অধীনস্থ ইউনিটসমূহে ঘোষিত সাত দিনের কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জরুরি স্বাস্থ্য নির্দেশিকা প্রদান করবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই টিম গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী মেডিকেল টিমটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

মেডিকেল টিমের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

টিমের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. গালিব হাসান, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম, সহস্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন, সহস্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল এবং ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল।

যুবদলের স্বাস্থ্য সম্পাদক ও নবগঠিত মেডিকেল টিমের সদস্য ডা. বেলাল হোসেন নাজিম জানান, "দেশবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সচেতন করতে আমাদের এই মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এই টিম কাজ করা শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে যুবদলের কর্মী হিসেবে আমরা সবসময়ই প্রস্তুত।"

ডেঙ্গু সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে এই চিকিৎসক বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হলো সচেতনতা। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে, জমা পানি দূর করতে হবে এবং এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে হবে। পাশাপাশি মশারি ব্যবহার করতে হবে এবং জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।"

আরও পড়ুন: জামায়াত নেতার কথা শুনে ব্যথিত হয়েছি: ইশরাক হোসেন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় কর অঞ্চলে এসএসসি-এইচএসসি পাসে ৩৯ জনের চাকরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


ঢাকায় কর অঞ্চলে এসএসসি-এইচএসসি পাসে ৩৯ জনের চাকরি

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর অঞ্চল-১৬ (ঢাকা) একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ছয় ক্যাটাগরির পদে মোট ৩৯ জনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আবেদন করতে আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। তবে, আবেদন করার জন্য শুধুমাত্র ঢাকা জেলার স্থায়ী নাগরিকদের জন্য এই সুযোগ রয়েছে।

যেসব পদে নিয়োগ

কর অঞ্চল-১৬-এ বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা হলো: কম্পিউটার অপারেটর পদে একজন, প্রধান সহকারী পদে আটজন, উচ্চমান সহকারী পদে সাতজন, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে ১০ জন, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে পাঁচজন এবং অফিস সহায়ক পদে আটজন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

কম্পিউটার অপারেটর পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী ও সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে যেকোনো বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি প্রয়োজন। অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে এইচএসসি বা সমমান এবং অফিস সহায়ক পদে এসএসসি বা সমমান পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

কম্পিউটার ও টাইপিং দক্ষতা

প্রধান সহকারী ও উচ্চমান সহকারী পদে ইংরেজিতে প্রতি মিনিটে ৩০ এবং বাংলায় ২৫ শব্দ টাইপ করার গতি থাকতে হবে। সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে ইংরেজি ও বাংলায় যথাক্রমে ৩০ ও ২৫ শব্দ টাইপ করার পাশাপাশি সাঁটলিপিতে ইংরেজিতে ৭০ এবং বাংলায় ৪৫ শব্দের গতি থাকতে হবে।

বেতন

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী পদভেদে বেতন প্রদান করা হবে। কম্পিউটার অপারেটর ও প্রধান সহকারী পদে বেতন হবে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা, উচ্চমান সহকারী ও সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে ১০ হাজার ২০০ থেকে ২৪ হাজার ৬৮০ টাকা, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা এবং অফিস সহায়ক পদে ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা বেতন দেওয়া হবে।

বয়স ও আবেদনের যোগ্যতা

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদন করার জন্য শুধুমাত্র ঢাকা জেলার উপযুক্ত ও স্থায়ী নাগরিকরা আবেদন করতে পারবেন। একজন প্রার্থী কেবল একটি পদে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন শুরু

অনলাইনে আবেদন শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টায়।

আবেদন ফি

প্রথম থেকে পঞ্চম পদে আবেদন ফি ও সার্ভিস চার্জসহ মোট ১১২ টাকা এবং ষষ্ঠ পদে ৫৬ টাকা। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সব গ্রেডে মোট ফি ৫৬ টাকা।

যেভাবে আবেদন

আগ্রহী প্রার্থীদের tax16.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Application Form’ অপশনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করতে হবে। ফরম সাবমিটের পর Applicant’s Copy ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে।

আবেদন ফি টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। অনলাইনে আবেদন সাবমিটের পর পাওয়া User ID ব্যবহার করে নির্ধারিত নিয়মে দুইটি এসএমএস পাঠিয়ে ফি জমা দিতে হবে।

আবেদন শেষ

আবেদন করা যাবে ১০ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেমোথেরাপি নেওয়ার ১১ বছর পর জানা গেল, বেকি জোন্সের শরীরে ক্যানসার ছিল না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


কেমোথেরাপি নেওয়ার ১১ বছর পর জানা গেল, বেকি জোন্সের শরীরে ক্যানসার ছিল না

যুক্তরাজ্যের বেকি জোন্স ১১ বছর ধরে ক্যানসারের চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন, কিন্তু ৩৪ বছর বয়সে এসে তিনি জানতে পারেন যে, তার শরীরে কখনোই ক্যানসার ছিল না। ভুল রোগ নির্ণয়ের কারণে তাকে বছরের পর বছর অপ্রয়োজনীয় কেমোথেরাপি নিতে হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। খবরটি প্রকাশ করেছে বিবিসি।

বেকি ২০১২ সালে, যখন তার বয়স মাত্র ২১ বছর, তখন তীব্র মাইগ্রেনের কারণে চিকিৎসকের কাছে যান। চিকিৎসকরা তাকে জানান, তার মস্তিষ্কে প্রাণঘাতী গ্রেড-৪ গ্লিওব্লাস্টোমা টিউমার রয়েছে। বলা হয়েছিল, চিকিৎসা না নিলে তার মৃত্যু হতে পারে কয়েক মাসের মধ্যে।

এরপর বেকিকে টেমোজোলোমাইড (টিএমজেড) নামের কেমোথেরাপির ওষুধ দেওয়া শুরু হয়। তিনি দাবি করেন, চিকিৎসক তাকে বলেছিলেন, জীবনের বাকি সময় এই ওষুধ নিতে হবে। অথচ সাধারণ চিকিৎসা নির্দেশিকায় এ ধরনের কেমোথেরাপি সাধারণত ছয় মাসে ছয়টি সাইকেলের মতো দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

বেকি জানান, একাধিক স্ক্যানে মস্তিষ্কে টিউমারের স্পষ্ট কোনো প্রমাণ না পাওয়ার পর তিনি চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে তাকে বলা হয়েছিল, টিউমারটি স্ক্যানে দৃশ্যমান নাও হতে পারে।

বছরের পর বছর কেমোথেরাপির কারণে বেকি ভুগেছেন বমি বমি ভাব, পেটব্যথা, মুখে ঘা ও চরম ক্লান্তিতে। তাকে সামাজিক অনুষ্ঠান ও পারিবারিক জমায়েত এড়িয়ে চলতে হয়েছে সংক্রমণের আশঙ্কায়। চিকিৎসার কারণে তার কর্মজীবনও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে জানিয়েছিলেন, তিনি সন্তান ধারণ করতে পারবেন না, তবে পরে তার দুটি সন্তান হয়েছে।

২০২৪ সালে হঠাৎ করে তার কেমোথেরাপি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন তাকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক অবসরে গেছেন। এরপর নতুন করে বিষয়টি পর্যালোচনা শুরু হলে ২০২৫ সালে বেকি জানতে পারেন, তার মূল রোগ নির্ণয়ই ভুল ছিল।

স্বাধীন নিউরোসার্জন ও রেডিওলজিস্টদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেকির কখনোই মস্তিষ্কে ক্যানসার ছিল না। তিনি আসলে ‘টিউমেফ্যাকটিভ ডিমাইলিনেশন’ নামের এক ধরনের প্রদাহজনিত রোগে আক্রান্ত ছিলেন, যা সাধারণত নিউরোলজিস্টরা চিকিৎসা করেন এবং শক্তিশালী স্টেরয়েড দিয়ে এর চিকিৎসা করা যায়।

বেকির অভিযোগ, ভুল রোগ নির্ণয়ের কারণে তার প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ১১ বছর অপ্রয়োজনীয় ক্যানসার চিকিৎসার মধ্যে কেটেছে। তিনি বলেন, তাকে বারবার বলা হয়েছিল কেমোথেরাপি না নিলে তিনি মারা যাবেন।

বেকির মতো ৪০ জনের বেশি রোগী ইউনিভার্সিটি হসপিটালস কভেন্ট্রি অ্যান্ড ওয়ারউইকশায়ার (ইউএইচডব্লিউ) এনএইচএস ট্রাস্টের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, প্রয়োজনের তুলনায় দীর্ঘ সময় বা অপ্রয়োজনীয়ভাবে তাদের ক্যানসারের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানসের প্রাথমিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ওই হাসপাতালে কিছু রোগীকে দীর্ঘ সময় টিএমজেড দেওয়া হয়েছে, অথচ এর উপকারিতার পক্ষে সামান্য বা কোনো প্রমাণ ছিল না। পর্যালোচনা করা ২০টি মামলার মধ্যে ১৫টিকে সামগ্রিকভাবে ‘অসন্তোষজনক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে রোগীদের টিএমজেড ব্যবহারের ঝুঁকি যথাযথভাবে বোঝানো ও নথিভুক্ত না করা, চিকিৎসকদের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি এবং কিছু ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ‘ক্লিনিক্যাল কৌতূহলের’ অভাবের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে ইউনিভার্সিটি হসপিটালস কভেন্ট্রি অ্যান্ড ওয়ারউইকশায়ার এনএইচএস ট্রাস্ট জানিয়েছে, তারা ব্যক্তিগত রোগীর বিষয়ে মন্তব্য করবে না। তবে টিএমজেড প্রেসক্রিপশন ও ব্যবহারের ওপর আরও শক্তিশালী তদারকি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আক্রান্ত রোগীদের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের মাধ্যমে পুনর্মূল্যায়ন করে উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনাও করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রাস্ট।

বেকির ভাষায়, ঘটনাটি শুধু একজন চিকিৎসকের ভুলের বিষয় নয়; বরং এত দীর্ঘ সময় ধরে সেই ভুল কীভাবে নজরদারির বাইরে থাকল, সেটিও বড় প্রশ্ন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সেজে ফেক আইডিতে একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম, আটক শহীদুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সেজে ফেক আইডিতে একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম, আটক শহীদুল ইসলাম

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী পরিচয়ে একাধিক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী না হয়েও তিনি নিজেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন এবং এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিলেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) যখন বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে, তখন শিক্ষার্থীরা ওই যুবককে ক্যাম্পাস থেকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে নিয়ে যান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আটক যুবকের নাম শহীদুল ইসলাম। তার বাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী কর্ণাই গ্রামে। তিনি ফেসবুকে ‘বাবু আহমেদ’ নামে একটি ভুয়া আইডি ব্যবহার করতেন। ওই আইডিতে তিনি নিজেকে হাবিপ্রবির ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিতেন। এই পরিচয়ের মাধ্যমে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ ও কথোপকথন চালিয়ে আসছিলেন।

সম্প্রতি, তার পরিচয় নিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সন্দেহ তৈরি হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, শহীদুল ইসলাম হাবিপ্রবির কোনো অনুষদ বা বিভাগের শিক্ষার্থী নন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হলে শিক্ষার্থীদের সহায়তায় তাকে ক্যাম্পাস থেকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শহীদুল ইসলাম নিজের পরিচয় ও ফেসবুক আইডি ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি একাধিক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনলাইনে কথা বলতেন এবং তাদের কাছে নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিতেন বলেও জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একই সঙ্গে তার অভিভাবককে বিষয়টি জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তার ব্যবহৃত সব সিম জব্দ করা হয়েছে এবং ফেসবুক আইডিগুলো ডিলিট করা হয়েছে।

সহকারী প্রক্টর আরও জানান, ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে পুনরায় জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বর্ণের কারিগররা সাধারণ মানুষের চেয়ে ১৩ বছর কম বাঁচেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৪ পি.এম


স্বর্ণের কারিগররা সাধারণ মানুষের চেয়ে ১৩ বছর কম বাঁচেন

স্বর্ণকারদের গড় আয়ু সাধারণ মানুষের তুলনায় প্রায় ১২ বছর ৩ মাস কম বলে জানা গেছে। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্বর্ণালংকার তৈরির এলাকা তাঁতীবাজারের স্বর্ণ কারিগরদের নিয়ে পরিচালিত একটি গবেষণায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণাটি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে করা হয়েছে, যেখানে দেখা গেছে, তাঁতীবাজারের চারজন কর্মকারের মধ্যে প্রায় তিনজনই কোনো না কোনো অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, ৬৫ শতাংশ স্বর্ণকার উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। ৫০ শতাংশের রয়েছে ডায়াবেটিস। পাশাপাশি, ৩৫ শতাংশ কারিগর হৃদ্‌রোগে এবং ২০ শতাংশ কিডনিজনিত জটিলতায় আক্রান্ত।

গবেষকদের মতে, এসব কারিগরের গড় আয়ু সাধারণ মানুষের তুলনায় প্রায় ১২ বছর ৩ মাস কম। পেশাগত কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে থাকার বিষয়টিকে এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশেষ করে স্বর্ণালংকার তৈরির সময় সালফিউরিক অ্যাসিডের ধোঁয়ার সংস্পর্শে দীর্ঘ সময় থাকতে হয় কারিগরদের। এ অবস্থায় নিজেদের রক্ষা করার তেমন সুযোগ নেই তাদের।

এছাড়া, সূক্ষ্ম কাজের সময় অসুবিধা হওয়ার আশঙ্কায় অনেক ক্ষেত্রে ফ্যান চালানো সম্ভব হয় না। ফলে গরমের মধ্যে কাজ করতে হয়। এতে নিয়মিত ঠান্ডাজনিত সমস্যা ও জ্বরে ভোগেন অনেক কারিগর।

কর্মস্থলের ধুলাবালিও তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন। দীর্ঘ সময় এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করার কারণে স্বর্ণকারেরা একদিকে বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে তাদের কর্মক্ষমতা ও আয়ুও কমে যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা এবং সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহারে বাধ্যতামূলক নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%