বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৭ পি.এম
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠানটি তিনটি ভিন্ন পদে মোট ৩৫ জনকে নিয়োগ দেবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ৯ম বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এই প্রজ্ঞাপনের আলোকে বেতন স্কেল উল্লেখ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবেন।
পদের নাম ও বিবরণ
১. সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ৫
বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৩) ২৪,০০০-৫৮,০০০/-
যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। প্রার্থীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হতে হবে।
অন্যান্য দক্ষতা: সাঁটলিপিতে বাংলায় প্রতি মিনিটে ৪৫ এবং ইংরেজিতে ৭০ শব্দের সর্বনিম্ন গতি থাকতে হবে। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে বাংলায় প্রতি মিনিটে ২৫ এবং ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি প্রয়োজন। কম্পিউটারে ওয়ার্ড প্রসেসিং এবং ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।
২. অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ১২
বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ২১,৯০০-৫২,৯০০/-
যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। প্রার্থীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হতে হবে।
অন্যান্য দক্ষতা: কম্পিউটারে ওয়ার্ড প্রসেসিং এবং ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে বাংলায় প্রতি মিনিটে ২০ এবং ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে।
৩. অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ১৮
বেতন স্কেল: (গ্রেড-২০) ২০,০০০-৪৮,৪০০/-
যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
শর্তাবলি
যেকোনো ধরনের তদবির প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করা হবে। প্রার্থীদের শেষ তারিখ ও সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে যথেষ্ট সময় নিয়ে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ ও আবেদন ফি জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবেদনের প্রক্রিয়া
আগ্রহী প্রার্থীরা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং নির্ধারিত পোর্টালে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।
সময়সীমা
আবেদন শুরু: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (সকাল ১০টা)
আবেদনের শেষ সময়: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ (বিকেল ৪টা)
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় পাঁচ লাখের বেশি মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ব্লাড ব্যাংক না থাকার কারণে চরম ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। উপজেলায় সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক কোনো স্থায়ী ব্লাড ব্যাংক বা আধুনিক রক্ত সংরক্ষণাগার না থাকার ফলে জরুরি মুহূর্তে রোগীদের স্বজনদের দিশেহারা হয়ে ছুটতে হয়। অনেক সময় সময়মতো রক্ত না পেয়ে সংকটাপন্ন রোগীদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত ও মুমূর্ষু রোগী, প্রসূতি মা এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তদের জন্য নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন হলেও মঠবাড়িয়ায় সরকারিভাবে আধুনিক কোনো রক্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। জরুরি সময়ে রক্তের প্রয়োজন মেটাতে রোগীদের মূলত বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন, ফেসবুকভিত্তিক ব্লাড ডোনার গ্রুপ এবং ব্যক্তিগত দাতা বা ব্লাড ডোনারদের ওপর নির্ভর করতে হয়। যদিও স্বেচ্ছাসেবী যুবকরা জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এলেও, চাহিদার তুলনায় এই ব্যক্তিগত বা স্বেচ্ছাসেবী নির্ভরতা অনেক সময় পর্যাপ্ত হয় না।
ব্লাড ডোনার সজীব মিত্রের অভিযোগ, উপজেলায় সময়মতো রক্তের ডোনার পাওয়া যায় না। তিনি উল্লেখ করেন, এখানে দ্রুত একটি আধুনিক ও স্থায়ী ব্লাড ব্যাংক স্থাপন করা সময়ের দাবি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা রায় জানান, সরকারিভাবে মঠবাড়িয়ায় কোনো ব্লাড ব্যাংক নেই। বিশেষ করে নেগেটিভ গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন হলে রোগী ও স্বজনদের সমস্যায় পড়তে হয়। তিনি বলেন, এ কারণে উপজেলায় দ্রুত সরকারি বা বেসরকারিভাবে একটি ব্লাড ব্যাংক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় আইসক্রিমের সঙ্গে পেরেক ও ধাতব টুকরো গিলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া এক নারীর জন্য ১ কোটি ৪১ লাখ ৪৭ হাজার ৫২৫ দশমিক ৩৯ ডলার বা ১৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জুরি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৪১ কোটি টাকার বেশি।
ব্র্যান্ডি বাকলি নামের ওই নারী ২০১৮ সালে পাম বে শহরের একটি ব্রাস্টার্স আইসক্রিমের দোকান থেকে বাটার পেকান আইসক্রিম কিনেছিলেন। আইসক্রিম খাওয়ার পর তার গলায় কিছু আটকে যাওয়ার মতো অনুভূতি হয়। চিকিৎসকেরা পরে তার শরীর থেকে একটি পেরেক ও একাধিক ধাতব টুকরো বের করেন।
ঘটনাটি নিয়ে ২০১৯ সালে মালাবার ক্রিমারিজের বিরুদ্ধে মামলা করেন বাকলি। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা বিচার শেষে ২০২৬ সালের মার্চে ব্রেভার্ড কাউন্টির ছয় সদস্যের জুরি স্থানীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ও জাতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজার—দুই পক্ষকেই দায়ী করেন।
ঘটনার দিন ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে আইসক্রিমের দোকানে গিয়েছিলেন বাকলি। বাটার পেকান আইসক্রিম খাওয়ার পর তার গলায় কিছু আটকে যাওয়ার মতো অনুভূতি হয়। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন, এটি হয়তো বাদামের টুকরো।
পরে আরও আইসক্রিম নেওয়ার সময় তিনি আইসক্রিমের মধ্যে একটি ধাতব পেরেক দেখতে পান। হাসপাতালে গেলে এক্স-রে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি ধাতব একটি বস্তু গিলে ফেলেছেন।
বাকলির আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অস্ত্রোপচারের সময় তার শরীর থেকে একটি পেরেক ও একাধিক ধাতব টুকরো বের করা হয়। এরপরও তার চিকিৎসা চলতে থাকে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, বাকলি পরে পোর্টাল শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার জটিলতায় আক্রান্ত হন। এর ফলে তার শরীরে উল্লেখযোগ্য অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়। পরবর্তীতে তাকে আরও একটি চিকিৎসা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
আইনজীবীদের দাবি, এসব চিকিৎসাজনিত জটিলতার কারণে তিনি স্থায়ীভাবে সন্তান ধারণের সক্ষমতা হারান।
আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, ব্রাস্টার্স আইসক্রিমের পণ্যে পেরেক ও অন্যান্য ধাতব টুকরো থাকার কারণে বাকলি গুরুতর আহত হন।
মামলার জবাবে মালাবার ক্রিমারিজ একাধিক অভিযোগ অস্বীকার করে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি ছিল, ঘটনার জন্য বাকলির নিজের অবহেলাও দায়ী বা আংশিকভাবে দায়ী হতে পারে। তারা আরও দাবি করে, বিক্রি করা আইসক্রিম ত্রুটিপূর্ণ ছিল না।
তবে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বিচার চলার পর জুরি স্থানীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ও জাতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজার—উভয় পক্ষকেই দায়ী করেন। এরপর বাকলির জন্য মোট ১ কোটি ৪১ লাখ ৪৭ হাজার ৫২৫ দশমিক ৩৯ ডলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়।
মামলার আইনজীবী প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসা ব্যয়, শারীরিক ক্ষতি ও ভোগান্তিসহ বিভিন্ন ক্ষতির জন্য এই অর্থ নির্ধারণ করা হয়েছে।
জুরির রায়ের পরও মামলার আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। বাকলির আইনজীবী জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ওয়েশ জানিয়েছে, মামলায় অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশের সময় তাদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফলে জুরির নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের অর্থ বাকলি কবে হাতে পাবেন, তা পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।
সূত্র: ওয়েশ, কেসিসিআই, ফক্স ৩৫ অরল্যান্ডো, ব্রেভার্ড কাউন্টি আদালতের নথি, আলপিজার ল
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।
শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানটি বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ২১ সেপ্টেম্বর দেবাশীষ রায় চৌধুরীকে হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন।
দেবাশীষ রায় চৌধুরী ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেছিলেন।
তিনি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর পুত্র। ব্রিটেন থেকে আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের পর ২০০৫ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
এরপর ২০০৭ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের অর্থের উৎস ও সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করেছে। এ তদন্তে দেশ-বিদেশে তার সম্ভাব্য অবৈধ বিনিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে।
সিআইডির তদন্তের ফলস্বরূপ, ফয়সাল, তার স্ত্রী শাহেদা পারভিন সামিয়া এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ৫৩টি ব্যাংক হিসাবের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব ব্যাংক হিসাব ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদাবর থানায় ফয়সাল ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার স্ত্রী শাহেদা পারভিন সামিয়া এবং আরও দুই-তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মামলা দায়ের করেছে সিআইডি।
মামলার নথি অনুযায়ী, ফয়সালের কয়েকটি ব্যাংক হিসাব ও সেসব হিসাবের মাধ্যমে পরিচালিত লেনদেন পর্যালোচনা করার সময় তার সম্ভাব্য অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিট বিদেশে অর্থ স্থানান্তর ও বিনিয়োগের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে।
সিআইডির তদন্তে ফয়সালের একটি ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বিশেষভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর একটি বেসরকারি ব্যাংকের রূপনগর শাখায় হিসাবটি খোলেন তিনি।
হিসাব খোলার সময় ব্যবসার ধরন হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি, পরামর্শসেবা ও প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করা হয়। বছরে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেন হবে বলে ঘোষণা দিলেও পরবর্তী দুই মাসে ওই হিসাবে ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা লেনদেন হয়।
তদন্তকারীদের মতে, ওই হিসাবে নগদ উত্তোলন তুলনামূলক কম হলেও অর্থ পরিশোধ ও স্থানান্তরের পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্য। ব্যবসার ধরন, লেনদেনের ধরন এবং ব্যবসার অনুমতিপত্রে দেওয়া তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাল দরপত্রের অভিযোগ
তদন্তে ফয়সালের মালিকানাধীন অ্যাপল সফট আইটি ও পিনাকল সলিউশন ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে একটি চুক্তির তথ্যও পাওয়া গেছে সিআইডির কাছে।
নথি অনুযায়ী, সরকারি তিনটি প্রকল্প যৌথভাবে বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছিল প্রতিষ্ঠান দুটি। পরবর্তী তদন্তে ওই প্রকল্পগুলোর দরপত্রের প্রস্তাব জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল বলে তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে সিআইডি।
তবে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের কথা বলে ফয়সালের ব্যাংক হিসাবে ৫৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
এ ছাড়া ঠিকাদারি ব্যবসার আড়ালে জাল দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেওয়ার সুযোগ দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দুবাইয়ে বিনিয়োগের তথ্য
সিআইডি জানিয়েছে, ফয়সালের সংযুক্ত আরব আমিরাতে একাধিকবার যাতায়াতের সুযোগসংবলিত পর্যটন ভিসা ছিল। ২০২৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে ফেরেন।
এখন তার দুবাইয়ে কোনো সম্পদ বা বিনিয়োগ রয়েছে কি না, তা যাচাই করছে সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিট। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তর বা বিনিয়োগ করা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর ফয়সাল তার স্ত্রীর নামে ৬৫ লাখ টাকার একটি এফডিআর করেন।
হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি
২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি। ছয় দিন পর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
পরে হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে ফয়সাল করিম মাসুদের নাম আসে। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
বর্তমানে ফয়সাল ভারতে পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ