ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী


দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ফাইল ছবি

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬  : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশীয় মাছের প্রজাতির বিলুপ্তি রোধ এবং দেশের জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার সংরক্ষণ, গবেষণা ও আবাসস্থল পুনরুদ্ধারসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। আজ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকন (নরসিংদী-১)-এর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশীয় মাছ সংরক্ষণে অভয়াশ্রম স্থাপন, উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ, আইন প্রয়োগ জোরদার এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত কৌশল গ্রহণ করেছে। তিনি মন্তব্য করেন, ‘দেশীয় মাছের প্রজাতির ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন হুমকি মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদে এগুলোর সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে’।

মন্ত্রী জানান, দেশের নদ-নদী ও অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মোট ৬৬৯টি মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এসব অভয়াশ্রমের আওতায় ১ হাজার ১৯৫ দশমিক ৯১ হেক্টর এলাকা রয়েছে এবং স্থানীয় উপকারভোগী দল এগুলো পরিচালনা করছে। তিনি আরো বলেন, ‘মূল্যবান জলজ সম্পদ রক্ষায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নাজিরহাট সেতু থেকে হালদা-কর্ণফুলী মোহনা ও কালুরঘাট সেতু পর্যন্ত হালদা নদীর ৪০ কিলোমিটার এলাকাকে মাছের অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে’। এছাড়া মৌলভীবাজার জেলার তিনটি উপজেলায় ১০টি স্থায়ী মাছের অভয়াশ্রম সংরক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আমিন উর রশিদ বলেন, সংরক্ষণ কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করতে সরকার ‘অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের অভয়াশ্রম স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

তিনি জানান, মৎস্য অধিদপ্তরের নিয়মিত কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয় এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়াতে বিল নার্সারি স্থাপন করা হয়। মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাজস্ব ও উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় মোট ৯৪৭টি বিল নার্সারি স্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সরকার ‘দেশীয় মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রতিবছর ২৯ মে থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সাতটি হাওর জেলায় ৩০ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে বলেও তিনি জানান। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘মৎস্য সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বিশেষ করে কারেন্ট জালের মতো ধ্বংসাত্মক অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’। তিনি আরো বলেন, দেশীয় মাছের বিলুপ্তি রোধে গবেষণার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)। মন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত বিএফআরআই পাবদা, গুলশা, শিং, মাগুর, ভেদা, বাটা, সরপুঁটি, ভাঙ্গনা, কালিবাউশ, মহাশোল, আইড়, চিতল, ফলি, কুচিয়া, টেংরা ও খলিশাসহ ৪১টি দেশীয় মাছের প্রজনন ও চাষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি সংসদকে আরো জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে দেশীয় মাছের প্রজাতির সংখ্যা ২৬১টি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাচাই-বাছাই করে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৬ এম


যাচাই-বাছাই করে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ফাইল ছবি

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬ : আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, যেসব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথাও তিনি জানান।

আজ জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাগেরহাট-৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য (জামায়াতে ইসলামী) মো. আব্দুল আলীমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আরেকটি কমিটির কাছে আসে। সেখানে প্রতি একটি মামলা আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর বিষয়ে আইনসম্মত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে চলেছে, যাতে প্রকৃত রাজনৈতিক মামলাগুলো যাচাই করার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সরকার কোনো মামলার প্রত্যাহার করতে পারে না। যদি কোনো মামলায় আপিল বিচারাধীন থাকে তাহলে প্রথমে সেই আপিলের নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি।

আপিল নিষ্পত্তির পর ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারেন। এর পর বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইন মন্ত্রণালয়ে মতামতের জন্য পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতি আইন অনুযায়ী সাজার মওকুফ বা ক্ষমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

মন্ত্রী আরো বলেছেন, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদেও রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রেও আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রেরিত হবে এবং আইন মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করবে। ফলে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মামলা প্রত্যাহারের কোনও সুযোগ নেই; তবে আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সাজার মওকুফ বা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা লাভের সুযোগ রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি চাকরিতে কর্মরত ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০, শূন্য ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২ পদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২১ এম


সরকারি চাকরিতে কর্মরত ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০, শূন্য ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২ পদ

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬ : বর্তমানে দেশে সরকারি চাকরিতে ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন দপ্তরে ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

আজ সংসদে, গোপালগঞ্জ-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের জনবল-সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী দেশে সরকারি চাকরিতে মোট ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরে মোট ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি পদ শূন্য রয়েছে।

তিনি জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সিনিয়র সচিব/সচিবের ৬৯টি, অতিরিক্ত সচিবের ৩৬৮টি, যুগ্ম সচিবের ১ হাজার ১১৬টি এবং উপসচিবের ২ হাজার ২৪৫টিসহ মোট ৩ হাজার ৭৯৮টি অনুমোদিত পদ রয়েছে।

মন্ত্রী আরো জানান, অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে সিনিয়র সচিব/সচিব পদে ৬৭ জন, অতিরিক্ত সচিব পদে ৩৭৮ জন, যুগ্ম সচিব পদে ৮৯৩ জন এবং উপসচিব পদে ১ হাজার ৬৪৫ জনসহ মোট ২ হাজার ৯৪০ জন কর্মকর্তা কর্মরত রয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত পদের অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের কোনো সুযোগ নেই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৪ এম


দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬ : দেশে বার্ষিক তরল দুধ উৎপাদনের সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন। এছাড়া, বার্ষিক তরল দুধের চাহিদা ১ কোটি ৬২ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন (২০২৪-২৫ অর্থবছর) বলেও জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

আজ জাতীয় সংসদে, সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালাম (কুমিল্লা-৯)-এর তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের জনগণকে চাহিদা অনুযায়ী খাঁটি, নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জানান, প্রাণিজাত পণের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্বীকৃত (আইএসও সনদপ্রাপ্ত) একটি অ্যাক্রেডিটেড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভেজালমুক্ত, নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুধ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করতে ৪০টি চিলিং প্লান্ট এবং দেশের ৪৬৬টি উপজেলায় একটি করে মোট ৪৬৬টি মিল্ক অ্যানালাইজার সরবরাহ করা হয়েছে। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে তরল দুধের বিশুদ্ধতা ও গুণগত মান দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ম্যাচিং গ্রান্ট কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ১৫টি ডেইরি হাব, ৩০০টি ভিলেজ মিল্ক কালেকশন সেন্টার এবং ১৮৬টি ক্ষুদ্রাকারের মিল্ক প্রসেসিং প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসব উদ্যোগের ফলে নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের জনগণের দুধের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মামলার জট কমাতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৬ এম


মামলার জট কমাতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার: আইনমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬ : দেশের আদালতগুলোতে মামলার জট কমানো এবং বিচার কার্যক্রমকে দ্রুততর করতে সরকারের পক্ষ থেকে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে, এ তথ্য জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

আজ সংসদে যশোর-৪ আসনের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী’র সদস্য মো. গোলাম রছুলের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।

আইনমন্ত্রী ড. আসাদুজ্জামান বলেন, বিচার ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে ইতোমধ্যে ৫৩৬টি বিচারকের পদ সৃষ্টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়াও নতুন করে ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে, এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে আদালতের সহায়ক কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রমও বাস্তবায়িত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সরকার সম্প্রতি ৬৫০টি সিভিল জজ ও সিনিয়র সিভিল জজ আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে, সেই সাথে ৪০৬টি যুগ্ম জেলা জজ আদালত এবং ২০৪টি অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতও স্থাপন করা হয়েছে।

নবপ্রতিষ্ঠিত এসব আদালতের জন্য নতুন বিচারকের পদ সৃষ্টির বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনাধীন রয়েছে, এবং এ কার্যক্রম সম্পন্ন হলে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে বর্তমানে মোট ৫,৬১,৪৪৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে আপিল বিভাগে ৩৮,৭১৩টি, এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৫,২২,৩৩১টি মামলা রয়েছে। গত ২০২৫ সালে আপিল বিভাগে ৭,৫৫৩টি এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৫৫,৭৫৬টিসহ মোট ৬৩,৩০৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

মন্ত্রী আরো জানিয়েছেন, গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে মোট ৪০,৭৮,৪৩২টি মামলা বিচারাধীন ছিল, যার মধ্যে ১৬,৯০,৪৪৩টি কিন্তু ২৩,৮৭,৯৮৯টি ফৌজদারি মামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গত এক বছরে অধস্তন আদালতে মোট ২,৭৫,০৮৪টি মামলা নিষ্পত্তি সম্ভব হয়েছে, এর মধ্যে ৪৯,৭৩৩টি দেওয়ানি এবং ২,২৬,১১১টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ, বিচারক ও জনবল বৃদ্ধি এবং নতুন আদালত প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সরকারের চলমান উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে, মামলার জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং বিচারপ্রার্থীরা আরো দ্রুত ন্যায়বিচার পাবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%