০৪:৪৩ পি.এম
জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত দুই বছর বয়সী শিশু আনিফা আক্তারের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অসহায় পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব না হওয়ায় যখন বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, তখন তা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়ে যায়। এরপর মন্ত্রীর প্রতি নির্দেশনা আসে শিশুটির প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এবং পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার জন্য।
তিনি নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক এবং বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন ডা. শাহ মোহাম্মদ আমানুল্লাহ আমানের পরিকল্পনায় ও 'আমরা বিএনপি পরিবার'-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে, আজ সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) একটি প্রতিনিধি দল জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যায়। সেখানে তারা শিশু আনিফা আক্তারের চিকিৎসা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম সমন্বয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের শিশু কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ড আনিফা আক্তারের সার্বিক শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি এবং বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে। পর্যালোচনায় দেখা যায়, শিশুটির রোগের অবস্থা অত্যন্ত জটিল ও সংকটাপন্ন (ক্রিটিক্যাল) বলা হচ্ছে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম চীন থেকে বাংলাদেশে পৌঁছালে, আনিফা আক্তারের জটিল রোগের বিষয়টি তাদের সামনে উপস্থাপন করার জন্য প্রস্তুত থাকবে। দেশীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে চীনা দলের যৌথ পরামর্শের ভিত্তিতে পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এ সময় আনিফার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের আশ্বস্ত করেন যে, শিশুটির প্রয়োজনীয় চিকিৎসার বিষয়ে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। তারা একই সঙ্গে পরিবারের কাছে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা ও শুভকামনার বার্তা পৌঁছে দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন