রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৬ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬-এ অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে ছয়টি গবেষণাগারের ১৬টি উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে।
ঢাকার আগারগাঁওয়ের নভোথিয়েটারে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া এই তিন দিনব্যাপী মেলায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাবির গবেষণালব্ধ উদ্ভাবন প্রদর্শন করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মো. ফরিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলায় অংশগ্রহণকারী রাবির গবেষক ও উদ্ভাবক দলের নেতৃত্ব দেন।
ফেয়ারে অংশ নেওয়া রাবির গবেষণাগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে; ফার্মেসি বিভাগের প্রফেসর মামুনুর রশীদ ও প্রফেসর এ এইচ এম খুরশীদ আলমের মলিকুলার ফার্মাকোলজি গবেষণাগার, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর মো. আবু রেজার এমবিপিএসএল আই-হাব, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর মামুনুর রশিদ তালুকদারের প্লাজমা ইঞ্জিনিয়ারিং গবেষণাগার, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর মো. হাসনাত কবীরের থ্রিডি প্রিন্টিং গবেষণাগার, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর মো. আনোয়ার হোসেনের প্ল্যান্ট মলিকুলার বায়োটেকনোলজি গবেষণাগার এবং ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের প্রফেসর মোহাম্মদ তৌফিক আলমের ফার্মাসিউটিক্যাল অ্যান্ড প্রোটিন কেমিস্ট্রি গবেষণাগার।
এই গবেষণাগারগুলো স্বাস্থ্য, জীবপ্রযুক্তি, প্লাজমা প্রযুক্তি, থ্রিডি প্রিন্টিং, উদ্ভিদ জৈবপ্রযুক্তি ও ফার্মাসিউটিক্যালসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিচালিত গবেষণার উদ্ভাবনী ফলাফল মেলায় প্রদর্শন করছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মেলায় রাবির স্টলগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা রাবির গবেষক ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং প্রদর্শিত বিভিন্ন উদ্ভাবন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন।
এই তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও উদ্ভাবকরা নিজেদের গবেষণা ও উদ্ভাবন তুলে ধরছেন। এতে নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক উদ্ভাবন সাধারণ মানুষের সামনে উপস্থাপনের পাশাপাশি গবেষক, উদ্ভাবক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
ফেয়ারে অংশ নেওয়া রাবির ছাত্র উপদেষ্টা ও ফার্মেসি বিভাগের মলিকুলার ফার্মাকোলজি গবেষণাগারের প্রফেসর ড. এ এইচ এম খুরশীদ আলম বলেন, ‘আধুনিক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও উচ্চমূল্যের বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা দৈনন্দিন খাদ্য উপাদানের মধ্যে রোগ প্রতিরোধে সম্ভাবনাময় উপাদান খুঁজে বের করার উদ্যোগ নিই। প্রথম পর্যায়ে দেশের বাজার থেকে ৬৮টি শাকসবজি, ফলমূল ও মসলাজাতীয় খাদ্য উপাদান সংগ্রহ করে সেগুলোর নির্যাস তৈরি করা হয়। পরে ক্যানসার সেল লাইনের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে পালং শাক, লেবুর খোসা, ধনিয়ার পাতা ও টমেটো—এই চারটি উপাদান নিয়ে আরও গবেষণা করা হয়। এসব নির্যাস ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ও বিস্তার রোধ এবং অ্যাপোপটোসিস বা কোষমৃত্যু প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য কার্যকারিতা যাচাই করা হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে মাউস মডেলেও সম্মিলিত নির্যাসের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ও রাবি গবেষণা টিমের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মামুনুর রশীদ এ বিষয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি স্টলে ছয়টি গবেষণাগারের উদ্ভাবন প্রদর্শন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আমি এর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে ই-মেইলের মাধ্যমে গবেষণালব্ধ ও বাজারজাতকরণের সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন সম্পর্কে তথ্য আহ্বান করা হয়।’
তিনি আরও জানান, ‘সেখান থেকে যাচাই-বাছাই করে কয়েকটি গবেষণাগারের উদ্ভাবন নির্বাচন করা হয়েছে। এসব উদ্ভাবনের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও শিক্ষকদের সৃজনশীল চিন্তা এবং বাজারমুখী গবেষণার সম্ভাবনা তুলে ধরা হচ্ছে। এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও অনেক উদ্ভাবনী গবেষণা চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত মুসলিমদের জন্য যারা সুদ এড়িয়ে চলতে চান, তাদের মাঝে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার, গাড়ি কেনা এবং বাড়ির ফাইন্যান্সিং নিয়ে দ্বিধা দেখা দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থায় কিছু ক্ষেত্রে সুদ ছাড়াই এসব সুবিধা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। ইসলামি স্কলার ও ফিকহ বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন মতামত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে কিছু বিকল্প ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়া যায়। তবে প্রতিটি আর্থিক চুক্তির শর্ত আলাদাভাবে যাচাই করা আবশ্যক।
ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথমত একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে যে সুদ দিতে হবে, এমন নয়। যেসব কার্ডে গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে, সেখানে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো স্টেটমেন্ট ব্যালেন্স পরিশোধ করলে সাধারণ কেনাকাটার ওপর সুদ না দেওয়ার সুযোগ থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার ফাইন্যান্সিয়াল প্রোটেকশন ব্যুরো জানাচ্ছে, বেশিরভাগ ক্রেডিট কার্ডে কেনাকাটার জন্য গ্রেস পিরিয়ড থাকে। তবে সব কার্ডে গ্রেস পিরিয়ড থাকা বাধ্যতামূলক নয় এবং কার্ডভেদে শর্ত আলাদা হতে পারে।
অর্থাৎ, যদি কেউ এক মাসে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ১ হাজার ডলারের কেনাকাটা করেন এবং নির্ধারিত তারিখের মধ্যে পুরো ১ হাজার ডলার পরিশোধ করেন, তাহলে গ্রেস পিরিয়ড প্রযোজ্য থাকলে ওই কেনাকাটার জন্য সুদ দিতে হবে না। কিন্তু যদি পুরো ব্যালেন্স পরিশোধ না করে শুধু ন্যূনতম পেমেন্ট করা হয়, তাহলে সুদ আরোপ হতে পারে। ক্যাশ অ্যাডভান্সের ক্ষেত্রে সাধারণ কেনাকাটার মতো নিয়ম প্রযোজ্য নয় এবং সেখানে দ্রুত সুদ শুরু হতে পারে।
এই বাস্তবতার সঙ্গে ইসলামি ফিকহের কিছু মতামতেরও মিল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাসেম্বলি অব মুসলিম জুরিস্টস অব আমেরিকা বা এএমজেএর একটি ফতোয়ায় বলা হয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোতে প্রয়োজনের বাস্তবতা বিবেচনায় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে ছাড় রয়েছে। ব্যবহারকারীকে নিশ্চিত হতে হবে যে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো পাওনা পরিশোধ করতে পারবেন এবং সুদ কার্যকর হওয়ার সুযোগ তৈরি করবেন না। এএমজেএর আরেকটি সিদ্ধান্তে গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে পুরো পাওনা পরিশোধ করার শর্তে প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের অনুমতির কথা বলা হয়েছে।
তবে এর অর্থ এই নয় যে সব ধরনের ক্রেডিট কার্ডকে ইসলামি স্কলাররা সুদমুক্ত বা শরিয়াহসম্মত বলে ঘোষণা করেছেন। বরং বিষয়টি শর্তসাপেক্ষ। বিশেষ করে যে চুক্তিতে বিলম্ব হলে সুদ দিতে হয়, সেটি গ্রহণ করা নিয়ে আলেমদের মধ্যে সতর্কতা রয়েছে। তাই কোনো কার্ড নেওয়ার আগে তার চুক্তি, সুদের শর্ত, গ্রেস পিরিয়ড, ক্যাশ অ্যাডভান্সের নিয়ম এবং বিলম্বিত পেমেন্টের শর্ত ভালোভাবে দেখা জরুরি।
গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন ক্রেতাদের জন্য কিছু বিকল্প রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা ও ডিলার নির্দিষ্ট গাড়ি, নির্দিষ্ট মেয়াদ ও নির্দিষ্ট যোগ্যতার ক্রেতাদের জন্য শূন্য শতাংশ বা ০ শতাংশ এপিআর ফাইন্যান্সিং অফার করে। তবে এ ধরনের অফার সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। ভালো ক্রেডিট স্কোর, নির্দিষ্ট গাড়ির মডেল, ডাউন পেমেন্ট, ঋণের মেয়াদ কিংবা অন্য কোনো শর্ত থাকতে পারে।
ইসলামি ফাইন্যান্স বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মঞ্জের কাহফের প্রকাশিত ফতোয়াতেও যুক্তরাষ্ট্রে ০ শতাংশ গাড়ি ফাইন্যান্সিং নিয়ে ইতিবাচক মতামত পাওয়া যায়। তিনি একটি ক্ষেত্রে এমন গাড়ি কেনার ব্যবস্থা অনুমোদনযোগ্য বলেছেন, যেখানে ক্রেতার সঙ্গে সরাসরি চুক্তিতে সুদের অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা নেই এবং ডিলার নিজস্ব খরচের অংশ হিসেবে অন্য কোনো অর্থ পরিশোধ করে। তার ব্যাখ্যায় মূল বিষয় হলো ক্রেতার সঙ্গে করা চুক্তির প্রকৃতি।
আরেকটি ফতোয়ায় ড. মঞ্জের কাহফ যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সুদভিত্তিক ফাইন্যান্সিং এড়িয়ে চলার কথা বলেন এবং উল্লেখ করেন যে বিভিন্ন গাড়ি ডিলারের কাছ থেকে ০ শতাংশ ফাইন্যান্সিংয়ের সুযোগ পাওয়া যায়। তবে বাজারের অফার এবং চুক্তির শর্ত সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে কোনো নির্দিষ্ট গাড়ির অফার শরিয়াহসম্মত কি না, তা চুক্তি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই নিরাপদ।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ০ শতাংশ এপিআর লেখা থাকলেই কোনো গাড়ির ফাইন্যান্সিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইসলামি দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না। চুক্তিতে বিলম্বের সুদ, অতিরিক্ত চার্জ, মালিকানা, লিজের কাঠামো এবং অন্যান্য শর্ত কী আছে, তা দেখতে হবে। একইভাবে কোনো ডিলার যদি গাড়ির দাম বাড়িয়ে নির্দিষ্ট কিস্তিতে বিক্রি করে, সেটি সরাসরি সুদভিত্তিক ঋণের সমান কি না, তা চুক্তির কাঠামোর ওপর নির্ভর করে।
বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন মুসলিমদের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি বিকল্প তৈরি হয়েছে। প্রচলিত মর্টগেজের পরিবর্তে ইসলামিক হোম ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানগুলো মুরাবাহা, ইজারা এবং ডিমিনিশিং মুশারাকার মতো কাঠামো ব্যবহার করে থাকে। ডিমিনিশিং মুশারাকায় সাধারণভাবে ক্রেতা এবং ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে বাড়ির মালিক হন। ক্রেতা মাসিক পেমেন্টের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানের মালিকানার অংশ কিনে নেন। শেষ পর্যন্ত বাড়ির সম্পূর্ণ মালিকানা ক্রেতার কাছে চলে আসে। মুরাবাহায় ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠান বাড়ি কিনে নির্ধারিত লাভ যোগ করে গ্রাহকের কাছে একটি নির্দিষ্ট মোট মূল্যে বিক্রি করে। আর ইজারায় লিজ বা ভাড়া ভিত্তিক কাঠামোর মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তরের ব্যবস্থা থাকতে পারে।
বাড়ির ফাইন্যান্সিং নিয়ে এএমজেএর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের ইসলামিক হোম ফাইন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর চুক্তি নিয়ে পর্যালোচনার পর এএমজেএর রেসিডেন্ট ফতোয়া কমিটি কিছু প্রতিষ্ঠানের কাঠামো নির্দিষ্ট শর্তে শরিয়াহসম্মত হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাদের পর্যালোচনায় মুরাবাহা, ডিমিনিশিং মুশারাকা এবং ইজারার মতো চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও সাম্প্রতিকভাবে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এএমজেএর রেসিডেন্ট ফতোয়া কমিটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়া কোম্পানির ডিমিনিশিং পার্টনারশিপ বা ধীরে ধীরে মালিকানা হস্তান্তরভিত্তিক হোম ফাইন্যান্সিং চুক্তি পর্যালোচনা করে সেটিকে ইসলামি আইনের অধীনে গ্রহণযোগ্য বলে মত দিয়েছে। তবে কমিটি একই সঙ্গে স্বাধীন শরিয়াহ তদারকি বোর্ড রাখার পরামর্শ দিয়েছে এবং চুক্তিতে নির্ধারিত শর্তগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
এএমজেএর আগের পর্যালোচনায় মুবরাক মর্টগেজের মুরাবাহা চুক্তিকেও শরিয়াহসম্মত হিসেবে গ্রহণযোগ্য বলা হয়েছে। তবে একই প্রতিষ্ঠান স্পষ্ট করেছে, কোনো কোম্পানির চুক্তি পরিবর্তিত হলে আগের ফতোয়ার অবস্থানও পরিবর্তিত হতে পারে। অর্থাৎ শুধু কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম ইসলামিক ফাইন্যান্সের সঙ্গে যুক্ত থাকলেই সেটির বর্তমান চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ধরে নেওয়া যাবে না।
এখানে ভোক্তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইসলামিক ফাইন্যান্স মানে শুধু প্রচলিত সুদের নাম পরিবর্তন করা নয়। প্রকৃত মালিকানা কার, সম্পদের ঝুঁকি কে বহন করছে, লাভ কীভাবে নির্ধারিত হচ্ছে, বিলম্ব হলে কী হচ্ছে, বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও ইন্স্যুরেন্সের দায়িত্ব কার এবং চুক্তি শেষ হলে সম্পদের মালিকানা কীভাবে হস্তান্তর হবে, এসব বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন মুসলিমদের জন্য বাস্তব কিছু পথ রয়েছে। ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে পুরো ব্যালেন্স পরিশোধ করে সুদ এড়ানোর সুযোগ কিছু ইসলামি ফিকহ বিশেষজ্ঞ শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন করেছেন। গাড়ির ক্ষেত্রে প্রকৃত ০ শতাংশ ফাইন্যান্সিং কিংবা চুক্তির কাঠামো অনুযায়ী শরিয়াহসম্মত বিকল্প বিবেচনা করা যেতে পারে। আর বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে মুরাবাহা, ইজারা ও ডিমিনিশিং মুশারাকার মতো ফাইন্যান্সিং ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে চালু রয়েছে।
তবে এগুলো কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পরিবারের জন্য আর্থিক কিংবা ধর্মীয় সিদ্ধান্তের নির্দেশনা নয়। একজনের জন্য যে ব্যবস্থা উপযুক্ত হতে পারে, অন্যজনের জন্য তা নাও হতে পারে। বিশেষ করে ইসলামি ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে এবং চুক্তির সামান্য পরিবর্তনেও ধর্মীয় সিদ্ধান্ত বদলে যেতে পারে।
তাহলে সুদ এড়িয়ে চলতে চান এমন কেউ ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি বা বাড়ির ফাইন্যান্সিং নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পুরো চুক্তি ভালোভাবে পড়ুন, মোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে তা হিসাব করুন, সব ধরনের ফি ও জরিমানার শর্ত দেখুন এবং প্রয়োজন হলে যোগ্য ও বিশ্বস্ত ইসলামি স্কলার বা ইসলামিক ফাইন্যান্স বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা সুরক্ষা সংস্থার তথ্যও যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার উল্লেখ করেন, কর্মপরিবেশে প্রযুক্তি এবং নতুন গবেষণার সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণার ধারাকে সমৃদ্ধ করতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পারস্পরিক প্রশিক্ষণ এবং সফরের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মূল্যবান তথ্য এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বাকৃবিতে দক্ষ গবেষক এবং বিজ্ঞানীদের একটি শক্তিশালী ভিত্তি বিদ্যমান। তাদের যৌথ যোগাযোগ এবং সহযোগিতার মাধ্যমে এই উদ্যোগ থেকে আরও ভালো ফলাফল আসবে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব মন্তব্য করেন। ‘জলবায়ু সহনশীলতার জন্য কৃষি ও কৃষিব্যবসা শিক্ষার ভবিষ্যৎ গঠন’ শীর্ষক সেমিনারে কৃষি এবং কৃষিভিত্তিক ব্যবসায় জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, কৃষি শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও কৃষিব্যবসা খাত গড়ে তুলতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আন্তর্জাতিক প্রকল্প ‘এলগনিং’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী শিক্ষাপদ্ধতি এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে কৃষি শিক্ষাকে সময়োপযোগী করা।
কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমত আরা বেগমও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাদের। পরে এলগনিং প্রকল্পের পরিচিতি এবং কার্যক্রম তুলে ধরেন প্রকল্প সমন্বয়ক ও কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এশিয়ায় কৃষি উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষি ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসাকে আরও টেকসই এবং জলবায়ু সহনশীল করার লক্ষ্যই এলগনিং প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এর আওতায় বাংলাদেশ এবং কম্বোডিয়ার পাঁচটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃষি এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে উদ্ভাবনী ক্লাস্টার গড়ে তোলা হবে। গ্রিন ডিল, ডিজিটাল রূপান্তর এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে অনলাইন ও ব্লেন্ডেড লার্নিং কোর্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’ শুরু হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর নভোথিয়েটারে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘Innovate to Market’ বা ‘উদ্ভাবন থেকে বাজার’।
মেলায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ‘Shaping the Future with Jute Fiber: Development and Commercialization of Innovative Materials’ শীর্ষক একটি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করছে।
প্রকল্পটির উদ্দেশ্য হচ্ছে পাট ও পাটজাত অবশিষ্টাংশকে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে উচ্চমূল্যের এবং পরিবেশবান্ধব উপাদানে রূপান্তর করা। এর অংশ হিসেবে পাটকাঠিকে পাইরোলাইসিস প্রক্রিয়ায় বায়োচার ও অ্যাক্টিভেটেড কার্বনে রূপান্তরের প্রযুক্তি প্রদর্শিত হয়েছে। এই অ্যাক্টিভেটেড কার্বন ব্যবহার করে ইলেকট্রোড উপাদান ও সুপারক্যাপাসিটর তৈরির সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও Jute Polymer Nanotechnology Research Group-এর প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল বাশার মন্তব্য করেন, পাটের মধ্যে থাকা মূল্যবান পলিমার আহরণ করে উচ্চপ্রযুক্তির বিভিন্ন উপাদান তৈরি করা সম্ভব। পাটে ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ সেলুলোজ এবং ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ লিগনিন বিদ্যমান। এসব উপাদান ব্যবহার করে নতুন ধরনের মূল্য সংযোজিত পণ্য তৈরি করা যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে পাট থেকে ন্যানো সেলুলোজ তৈরি করেছি এবং তা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পাটের লিগনিন আহরণ ও প্রক্রিয়াকরণের কাজও চলছে। পাটকাঠি থেকে উচ্চ শোষণক্ষমতাসম্পন্ন কার্বন তৈরি করেছি, যা শক্তি সংরক্ষণ ও গ্রিন এনার্জির গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।’
অধ্যাপক বাশার উল্লেখ করেন, পাটের সেলুলোজ থেকে চিকিৎসা খাতেও বিভিন্ন ধরনের পলিমার তৈরি করা সম্ভব। পাটভিত্তিক এসব উপাদানের বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে নতুন শিল্প গড়ে তোলা এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা সম্ভব।
প্রকল্প টিমের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন প্রভাষক মো. শাহাবুল হোসেন, সহকারী ব্যবস্থাপক মো. খাইরুল ইসলাম এবং মো. আব্দুর রহমান। সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী যে, কৃষিজ অবশিষ্ট পাটকাঠিকে শক্তি সংরক্ষণে ব্যবহারযোগ্য উপাদানে রূপান্তরের এই উদ্যোগ দেশের সবুজ ও টেকসই প্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহবান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যেন দেশে আর অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে।
তিনি উল্লেখ করেন, এক সময় বিএনপির লাখো নেতাকর্মীকে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মধ্যে জীবন কাটাতে হয়েছে। ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মতের লোকজনের বিরুদ্ধে রক্তের হলি খেলেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার ভোরবাজার ফরহাদনগর ওমরিয়া ফারুকিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রিজভী।
ফরহাদ নগর ইউনিয়নের জগৎ জীবনপুর গ্রামের পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেয়া উপহারের বাড়ির চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠান এবং স্মরণসভার আয়োজন করে আমরা বিএনপি পরিবার।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আমরা বিএনপি পরিবারের প্রধান উপদেষ্টা রিজভী বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে গুম খুনের শিকার বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর পরিবারে এখনও অপেক্ষার শেষ নেই।
বিএনপি গণতন্ত্র এবং অসহায় মানুষের জন্য রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে।
রিজভী আরও বলেন, দুর্শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই গুম খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে মানুষ। পুলিশের গুলিতে নিহত হারুনরা মেট্রোরেল, পদ্মাসেতু নির্মাণের নামে অর্থ আত্মসাৎ করেনি। তাদের স্বপ্ন ছিলো একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রতিষ্ঠা করা।
২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনীতে সরকারবিরোধী হরতালের সমর্থনে মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ। এরপর থেকে হারুনের পরিবারের পাশে দাঁড়ান বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ১২ এপ্রিল আমরা বিএনপি পরিবারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সংগঠনের আয়োজনে বাড়ির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল। মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে নিহত হারুনের স্ত্রী জোহরা বেগম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে তার পরিবারে দু:খ ঘুচেছে।
হারুনের দুই মেয়ে এবং এক ছেলে রয়েছে। ২০১৭ সালে বিএনপি চেয়ারম্যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ খরচে হারুনের বড় মেয়েকে বিয়ে দেন। আরেক মেয়েও বিয়ের উপযুক্ত। তাকেও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত খরচে বিয়ে দেয়া হবে বলে জানান বিএনপি নেতারা। হারুনের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া একমাত্র ছেলের সব খরচও বহন করছে আমরা বিএনপি পরিবার।
ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠান ও স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, আমরা বিএনপি পরিবারের উপদেষ্টা নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফেনী-১ আসনের এমপি মুন্সি রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত আসনের এমপি রেহানা আক্তার রানু, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব।
জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন, সদর উপজেলা আহবায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা, জেলা যুবদলের আহবায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার, সদস্য সচিব নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাত।
অনুষ্ঠান শেষে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত করেন রুহুল কবির রিজভী আহমেদের নেতৃত্বে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এরপর হারুনের পরিবারকে দেয়া নতুন ঘর উদ্বোধন করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথেও কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
এছাড়া বিকেলে পৃথক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুর্বৃত্তদের আগুনে বসতবাড়ি হারানো এক অসহায় পরিবারকেও নতুন বাড়ির চাবি তুলে দিবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিজস্ব উদ্যোগে অসহায় ওই পরিবারটিকে এ ঘর উপহার দেয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ