ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে সাতজনকে পুশইনের ভিডিও ফেসবুকে, খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না


চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে সাতজনকে পুশইনের ভিডিও ফেসবুকে, খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে সাতজনকে ঠেলে পাঠানো হয়েছে—এমন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই সাতজনের মধ্যে কারও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, জীবনের নগর উপজেলার নারায়ণপুর এলাকায় দুই ব্যক্তিকে দেখা গেলেও পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজিবির মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে।

সকাল ছয়টার দিকে ওই দুজনের বক্তব্য ভিডিও করে ফেসবুকে আপলোড করেন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিক। পরে সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তির ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুজনের ঠিকানা জানতে চাইলে তারা খুলনার ডুমুরিয়ার একটি গ্রামে বলে জানান। তাদের ভাষ্যমতে, একই সময়ে আরও পাঁচজনকে ঠেলে পাঠানো হয়েছিল। তবে তাদের সর্বশেষ অবস্থান কেউ জানাতে পারেনি।

ভিডিওতে দেখা যায়, জিনসের প্যান্ট, সাদা ছাপা শার্ট ও কেডস পরা আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি এবং লাল পাঞ্জাবি, কালো প্যান্ট ও কেডস পরা আরেক ব্যক্তি মাথায় নীল রঙের ব্যাগ নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। পরে তাঁদের একটি ভ্যানে উঠে চলে যেতে দেখা যায়।

দুই ব্যক্তির ভাষ্যমতে, পাটোয়ারী সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ৫৮ বিজিবি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ভারতীয় অংশে পাটোয়ারী নামে কোনো গ্রাম নেই। তা ছাড়া ওই দুজনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ওই দুজন নিজেদের আপন ভাই বলে দাবি করেন। তাদের একজন আমিনুর রহমান, অন্যজন খলিলুর রহমান। তাদের বাবার নাম মোহাম্মদ আলী সানা।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

আমিনুর রহমানের ভাষ্যমতে, ভোর চারটা থেকে সাড়ে চারটার দিকে তাদের দুই ভাইসহ মোট সাতজনকে ভারতের পাটোয়ারী সীমান্তপথ দিয়ে জীবননগর সীমান্তে ঠেলে পাঠায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বাকি পাঁচজন কোথায় আছেন বা কোথায় গেছেন, তা তারা জানাতে পারেননি। সীমান্ত পার হওয়ার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাথে তাদের দেখা হয়নি।

খলিলুর রহমান জানান, দুই-আড়াই বছর আগে তারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়েছিলেন। এখন তাদের গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি দেখেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম। তিনি বলেন, ওই দুই ব্যক্তির ভাষ্যমতে পাটোয়ারী সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ৫৮ বিজিবি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ভারতীয় অংশে পাটোয়ারী নামে কোনো গ্রাম নেই। তা ছাড়া ওই দুজনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান জানান, এ বিষয়ে কোনো তার তথ্য জানা নেই। তবে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যাসের অভাবে সিএনজি পাম্পে দীর্ঘ লাইন, দুর্ভোগে চালকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


গ্যাসের অভাবে সিএনজি পাম্পে দীর্ঘ লাইন, দুর্ভোগে চালকরা

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায়, হঠাৎ করে রাজধানীতে গ্যাসের জন্য হাহাকার বেড়ে গেছে। ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তারা অপেক্ষা করছেন। দিনের একটি বড় অংশ কেটে যাচ্ছে গ্যাস সংগ্রহ করতে গিয়ে। চরম ভোগান্তিতে রয়েছে সাধারণ চালক থেকে শুরু করে গণপরিবহন খাতের কর্মীরা। নগরবাসী জীবিকার সংকটে ভোগছেন।

সিএনজি চালিত গাড়ির কয়েকজন চালক জানিয়েছেন, পাম্পগুলোতে রাতভর গ্যাস নিতে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তারা গ্যাস পাচ্ছেন না।

গ্যাসের এই সংকটে সবচেয়ে বড় ধাক্কা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চালকদের ওপর পড়েছে। আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রাইড শেয়ারিং অ্যাপের চালকরা।

তারা জানাচ্ছেন, গ্যাস নিতে না পারার কারণে তাদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সারাদিন কাটছে পাম্পে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে।

চালকদের মধ্যে কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পর্দার আড়ালে আবারো গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। তারা বলছেন, এর আগে জ্বালানি তেলের সময়েও কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এবার গ্যাসের দামও বৃদ্ধি করতে এমন নাটক করছে।

গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় পাম্প মালিকরাও লোকসানের মুখে রয়েছেন। তারা এই অবস্থার থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমিরে ঘেরা খাল খনন শুরু করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ পি.এম


ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমিরে ঘেরা খাল খনন শুরু করেছে

ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের একটি কারাগারে ফিলিস্তিনের হামাস সদস্যদের জন্য রাখা বিশেষ জেলখানার চারপাশে কুমির রাখার উদ্দেশ্যে পরিখা বা খাল খননের কাজ শুরু করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) এই প্রতিবেদনে এমন খবর দিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।

কারাগারটি যে স্থানে অবস্থিত সে এলাকাটি রামাত নেগেভ আঞ্চলিক কাউন্সিলের এক স্থানীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১৭০ মিটার বিস্তৃত এই পরিখার খননের কাজ কেতজিওত কারাগারের ভেতরের একটি উইংয়ে করা হচ্ছে, যা বাইরে থেকে দেখা যায় না। ইসরায়েলের পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রী ইদিত সিলমান নীল নদীর কুমিরকে গৃহপালিত বন্যপ্রাণী হিসেবে নতুন শ্রেণীভুক্ত করার পরেই এই উদ্যোগের পথ উন্মুক্ত হয়েছে।

উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে এটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়েছে এবং যারা এটিকে সস্তা স্টান্ট মনে করেছিল, তারাই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। পরিখা ও কুমিরের যত্ন নেওয়ার জন্য ২১ মিলিয়ন শেকেল বা প্রায় ৬ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে, এবং কারা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তবে, ইসরায়েলের প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষ এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আইনি উপদেষ্টারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কঠোর বিরোধিতা করেছেন এবং এই বিষয়টি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। কেতজিওত কারাগারটি নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্দিশালা, যেখানে গাজা ও পশ্চিম তীর থেকে আটক ফিলিস্তিনিদের রাখা হয়।

ফিলিস্তিনি কারাবন্দি বিষয়ক সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দির সংখ্যা ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ হাজার ৬০০ অতিক্রম করেছে।

একই সঙ্গে জানা গেছে যে বন্দীদের ওপর কম্বল ও খাবার না দেওয়া এবং লোহার পাতে ঘুমাতে বাধ্য করার মতো কঠোর নির্যাতন চালানো হচ্ছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু ঝুমুর ধর্ষণ-হত্যা: একমাত্র আসামির ফাঁসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৭ পি.এম


শিশু ঝুমুর ধর্ষণ-হত্যা: একমাত্র আসামির ফাঁসি

কুমিল্লায় ৯ বছর বয়সী শিশু তানজিম সুলতানা ঝুমুরকে ধর্ষণের পর হত্যা করার ঘটনায় বহুল আলোচিত মামলায় আদালত মফিজুল ইসলাম মফুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১, মাত্র ১৯ কার্যদিবসে বিচারকাজ সম্পন্ন করে এ রায় ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ট্রাইবুনালের বিচারক মো. ইয়াছিন আরাফাত এ রায় দেন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা ইউনিয়নের খেয়াইশ গ্রামের সোনালী শিশু বিদ্যানিকেতনের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তানজিম সুলতানা ঝুমুর (৯) স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার সময় নিখোঁজ হয়। নির্ধারিত সময় এলাকায় নেই বলেই পরিবারের সদস্যরা সামাজিকভাবে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে খেয়াইশ ঠাকুরবাড়ি এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে ঝুমুরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্তের বিষয়ে জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার স্কুলব্যাগ, স্কুলড্রেস ও জুতা উদ্ধার করে।

নিহত ঝুমুর খেয়াইশ গ্রামের প্রবাসী জাকির হোসেনের একমাত্র সন্তান ছিল।

জানা গেছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষী মফিজুল ইসলাম মফুকে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত চলে যেতে দেখেছিলেন। এ ঘটনার পরদিন নিহত শিশুর মা রাজিয়া আক্তার বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ উপজেলার খিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম মফুকে একমাত্র আসামি করে সদর দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনার তিন দিন পর র‍্যাব চাঁদপুরে অভিযান চালিয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম মফুকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে তিনি শিশুকন্যা ঝুমুরকে ধর্ষণ ও হত্যা করার কথা স্বীকার করেন।

রায় ঘোষণার পর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর বদিউল আলম সুজন বলেন, মাত্র ১৯ কার্যদিবসে বিচার যথাযথভাবে সম্পন্ন করে আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। এটি সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মোদিকে পালাতে হতে পারে, মনে হচ্ছে শেখ হাসিনাকে নিয়েই দেশে ফিরবেন তিনি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


‘মোদিকে পালাতে হতে পারে, মনে হচ্ছে শেখ হাসিনাকে নিয়েই দেশে ফিরবেন তিনি’

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ভারতের দিল্লীতে বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মোদিকেও পালাতে হতে পারে এবং মনে হয় শেখ হাসিনা তাকে নিয়েই বাংলাদেশে ফিরবেন।

তিনি বুধবার (২২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাগেরহাটের মোংলায় অনুষ্ঠিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, তারেক রহমান ক্ষমতা গ্রহণের পর মোংলায় শেখ হাসিনা আমলের মতো গুমের ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটেছে, যা অদূর ভবিষ্যতে একটি ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে ইতিহাসে সরাসরি জায়গা পাবে।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, গুম কমিশন গঠনের সুপারিশ করা হলেও যে রাজনৈতিক দলের সবচেয়ে বেশি নেতা-কর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, সেই দলটি এখন কমিশনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তার মতে, দেশে এখনো ‘হাসিনা কাঠামো’ সক্রিয় রয়েছে।

ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, “আমরা দেখেছি, শেখ হাসিনা যে দেশে যান, সেই দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। এখন এমন অবস্থায় এসেছে যে তিনি বাংলাদেশে ফিরলে মনে হয় মোদিকেও সঙ্গে নিয়ে ফিরতে হবে। ভারতে এই সময়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে মোদিকেও পালাতে হতে পারে।”

পথসভা শেষে, মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য যুগ্ম সংগঠক মোল্যা রহমাতুল্লাহর নাম ঘোষণা ও পরিচয় করিয়ে দেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

এ সময় অনুষ্ঠানটিতে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%