মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২০ পি.এম
স্থাপনের প্রায় আট বছর অতিক্রম করলেও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ (সামেক) হাসপাতালের এস্কেলেটর লিফটটি এখনও চালু করা সম্ভব হয়নি, যার জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ টাকা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকার কারণে এই ইলেকট্রিক সিঁড়িটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া হাসপাতালের ১০টি প্যাসেঞ্জার লিফটের মধ্যে তিনটি বিভিন্ন ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে, ফলে রোগী, তাদের স্বজন, চিকিৎসক ও নার্সদের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এস্কেলেটর লিফটটি চালু করার পাশাপাশি বন্ধ থাকা তিনটি প্যাসেঞ্জার লিফট মেরামতের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে একাধিকবার লিখিতভাবে অবহিত করেছেন। কিন্তু এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কুদরত-ই খোদা গণমাধ্যমকে জানান, ২০১৮ সালের দিকে হাসপাতালের চিকিৎসক ও দর্শনার্থীদের ব্যবহারের জন্য একটি এস্কেলেটর লিফট এবং ১০টি প্যাসেঞ্জার লিফট স্থাপন করা হয়েছিল। নির্মাণের পর থেকে এস্কেলেটরটি চালু করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, ১০টি প্যাসেঞ্জার লিফটের মধ্যে তিনটি বর্তমানে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এস্কেলেটরটি চালু, তিনটি প্যাসেঞ্জার লিফট মেরামত এবং ১১টি মেইনটেন্যান্স কাজের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত ৫ জুলাই ২০২৬ তারিখেও বিষয়টি জানিয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি উল্লেখ করেন, ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগ ও ভর্তি রোগীসহ দেড় থেকে দুই হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। তাদের মধ্যে অনেকেই লিফট ব্যবহার করেন। তিনটি লিফট বন্ধ থাকায় রোগী ও সাধারণ মানুষের পাশাপাশি চিকিৎসক-নার্সদেরও হাসপাতালে ওঠানামায় সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালে ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রোপাটিস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের মাধ্যমে প্রায় ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটিতে একটি এস্কেলেটর লিফট স্থাপন করা হয়। তবে অজ্ঞাত ত্রুটির কারণে স্থাপনের পর থেকে এটি আর চালু করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ার কারণে মূল্যবান এই বৈদ্যুতিক যন্ত্রটি নষ্ট হওয়ার পথে রয়েছে।
এ বিষয়ে খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এ. কে. হাসানুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, তিনি প্রায় পাঁচ মাস আগে খুলনায় যোগদান করেছেন। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এস্কেলেটর লিফটের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পেরেছেন যে, সেখানে ১০টি প্যাসেঞ্জার লিফট থাকার পরও প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে এস্কেলেটর স্থাপন করা হয়েছিল। তার মতে, এতগুলো লিফট থাকার পর আলাদাভাবে এস্কেলেটর নির্মাণ কতটা যুক্তিসংগত ছিল, সেটিও প্রশ্নের বিষয়।
তবে তিনি জানান, এস্কেলেটরটির বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরীক্ষা করতে টেকনিশিয়ান পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বন্ধ থাকা তিনটি প্যাসেঞ্জার লিফট ও অন্যান্য মেইনটেন্যান্সের কাজও দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন, হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি উল্লেখ করেন, হৃদয়ের কোনো সতর্কসংকেত বা লক্ষণকে অবহেলা করা উচিত নয়। অসংক্রামক রোগের মধ্যে হৃদরোগেই অধিকাংশ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। সুতরাং, হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সচেতনতা অপরিহার্য।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সকলেই সচেতন এবং সচেতনতার গুরুত্ব উপলব্ধি করি। তবে অনেক সময় সেই সচেতনতাকে বাস্তব জীবনে কার্যকর করা হয় না। হৃদরোগের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হৃদয়ের কোনো সংকেত বা সতর্কবার্তাকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, শুধু হৃদরোগ নয়, সংক্রামক ও অসংক্রামক সকল রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. আ ফ খবির উদ্দিন আহমেদ।
এর আগে সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল বিএমইউ প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব হার্ট দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে অংশ নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচএম হারুনুর রশিদ (৫০), যিনি আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা, তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃত হারুনুর রশিদকে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদি চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয়।
তিনি ফরিদগঞ্জের বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি, চাঁদপুর জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। তিনি জি.আর মামলা নং-৩৬২, তারিখ ১৩ আগস্ট ২০২৬ ইং-এর সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯-এর অভিযুক্ত আসামি।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হারুনুর রশিদ গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাগাদি চৌরাস্তা এলাকায় তাকে আটক করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) নগরবাসীর জন্য সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণের উদ্দেশ্যে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় নগর ভবনে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
সভায় নগরবাসীকে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি পানি ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণের বিভিন্ন কারিগরি দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আলোচনায় আধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন, নগরবাসীর জন্য স্বল্পমূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে ওয়াটার এটিএম প্ল্যান্ট চালু এবং পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী সোলার সিস্টেম নির্ভর পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
এ সময় পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার সম্ভাব্য বিভিন্ন দিক নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।
সভায় বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদার, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির, পানি সরবরাহ বিভাগের প্রধান ও নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সংশ্লিষ্টরা জানান, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবেশবান্ধব পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে নগরবাসীর জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ আরও সহজ ও টেকসই করার সুযোগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য কারিগরি ও বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগগুলো নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে আরও আলোচনা করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ৬৮ জন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে সরকার। তাদের পরবর্তী পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে ন্যস্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের এসব কর্মকর্তাদের সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ থেকে প্রত্যাহার করে সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে পরবর্তী পদায়নের জন্য ন্যস্ত করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বরিশাল, সিলেট, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, ঢাকা এবং রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এই আদেশের আওতায় রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রত্যাহারের পর তাদের সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে পরবর্তী পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে কর্মকর্তাদের নাম, পরিচিতি নম্বর, বর্তমান কর্মস্থল এবং যে বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে হালনাগাদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ