ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টানা বর্ষণে বাঁশখালির কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো মানুষ


টানা বর্ষণে বাঁশখালির কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

কয়েক দিনের টানা বর্ষণের কারণে পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের বাঁশখালির বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। রোববার (১২ জুলাই) সকাল থেকে আবারও ভারি বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পানিবন্দি মানুষের মধ্যে উদ্বেগের নতুন এক ঢল দেখা দিয়েছে।

 

তবে, গত রাত থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছিল।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

বাঁশখালিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চাম্বল, ছনুয়া ও গণ্ডামারা ইউনিয়ন। বন্যার পানিতে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেইসাথে ফসলি জমি তলিয়ে গেছে এবং মাছের ঘের ভেসে গেছে।

এদিকে, প্লাবিত এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। দুর্গত মানুষের সহায়তায় মাঠে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সাথে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাত জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ ২২ হাজার মানুষ, মৃত্যু ৫১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


সাত জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ ২২ হাজার মানুষ, মৃত্যু ৫১

দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড়ধসের কারণে সাতটি জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত ৫১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৩৯ জন আহত হয়েছেন।

রোববার দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত হালনাগাদ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত সাত জেলা হলো—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ। এসব জেলার অন্তর্ভুক্ত ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন এবং ১১টি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। দুর্গত মানুষের জন্য মোট ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

চট্টগ্রাম সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। জেলার ১৬টি উপজেলার ১৫২টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় বন্যার প্রভাব পড়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ পরিবার এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ সেখানকার সংখ্যা ৫ লাখ ৯৫ হাজার। এই জেলায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ২১ হাজার ৯০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে খাদ্য, নগদ অর্থ, শুকনো ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

কক্সবাজারের ১০টি উপজেলার ৭০টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ৩৯ হাজার ৫০৬ পরিবার। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭। এই অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দা ও রোহিঙ্গা মিলিয়ে মোট ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, এর মধ্যে ১৩ জন রোহিঙ্গা। আহত হয়েছেন ২৪ জন, তাঁদের মধ্যে পাঁচজন রোহিঙ্গা। এছাড়া একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। জেলায় ২৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮০ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

বান্দরবানেও সাতটি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে পানিবন্দী হয়েছে ১২ হাজার ৫০০ পরিবার এবং সেখানের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৮৩ হাজার ৫০০। সেখানে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন দুজন। ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৬ হাজার ২৫০ জন。

রাঙামাটিতে নয়টি উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা বন্যাকবলিত হয়েছে। পানিবন্দী ১ হাজার ৪৪টি পরিবার। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৩ হাজার ৫২৪। মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। ৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৬৩৭ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

খাগড়াছড়ির নয়টি উপজেলার ৩৩টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ১ হাজার ৭৩টি পরিবার এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৪১৭। সেখানে একজন আহত হয়েছেন। জেলার ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ৮৮৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

মৌলভীবাজারের পাঁচটি উপজেলার ৩১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ৭ হাজার ৩০৮ পরিবার। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ২৬ হাজার ৫৪৪। সেখানে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলার ২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ১৭২ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

হবিগঞ্জের তিনটি উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নও বন্যাকবলিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ৬ হাজার ৪৪৪ পরিবার। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ২৮ হাজার ১৪০। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও সেখানে এখনও কেউ আশ্রয় নেননি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত সাতটি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার জন্য ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা নগদ এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের ৬৪ জেলার জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে মোট ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উদ্ধার, আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টি কবে কমবে, জানাল আবহাওয়া অফিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


বৃষ্টি কবে কমবে, জানাল আবহাওয়া অফিস

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সমুদ্রবন্দরগুলো থেকে সতর্ক সংকেত তুলে নেয়া হয়েছে। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেছেন, বৈরী আবহাওয়া আগামী দুদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এরপরটাই বৃষ্টির পরিমাণ কমবে।

রোববার (১২ জুলাই) সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েকদিন ধরে ভারি বর্ষণ হচ্ছে, যার ফলে পার্বত্য অঞ্চলে বন্যায় প্লাবিত হয়ে গেছে। কক্সবাজারও বানের জলে ভাসছে।

শনিবার (১১ জুলাই) রাত থেকে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বেশিরভাগ অলিগলি এবং সড়ক তলিয়ে গেছে। গ্রিনরোড, মিরপুর, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন জায়গায় হাঁটু সমান পানি জমে গেছে। ফলে কর্মজীবীরা চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন।

এছাড়া, রোববার ভোর থেকে চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ এবং কাতালগঞ্জ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সড়কগুলো হাঁটু থেকে কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে।

তবে আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ইতোমধ্যেই প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবেই ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হচ্ছে। যদিও ভারি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি কমতে পারে তবে উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।

তিনি জানান, গেল ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত এবং রাজধানী ঢাকায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ভারি বা অতি ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।

এছাড়া, ঢাকা, রংপুর, দিনাজপুর ও চট্টগ্রামে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা পর বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে আসবে বলে জানানো হয়েছে, তবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গোপসাগরে হঠাৎ আঘাত হেনেছে ভূমিকম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


বঙ্গোপসাগরে হঠাৎ আঘাত হেনেছে ভূমিকম্প

বঙ্গোপসাগরে হঠাৎ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রোববার (১২ জুলাই) সকালে এই কম্পনটি আঘাত হানে যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, রোববার ভারতের স্থানীয় সময় সকাল ৫টা ৫ মিনিটের দিকে উপকূলীয় শহর বিশাখাপত্তনমের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়। গাজুওয়াকা, মঙ্গলাপালেম, সাগর নগর, পেদ্দা ওয়ালটেয়ার, আরিলোভা, এমভিপি কলোনি, আপ্পুঘর এবং আরও কিছু এলাকায় এই কম্পন টের পান বাসিন্দারা।

ভারতের ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান ইনফরমেশন সার্ভিসেস (ইনকয়েস) জানায়, রোববার ভোরে বঙ্গোপসাগরে রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প ঘটেছে। এর ফলে বিশাখাপত্তনম শহরের বিভিন্ন এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে।

অন্যদিকে, ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানাচ্ছে, ভারতীয় সময় সকাল ৫টা ৫ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে ভূমিকম্পটি ১০ কিলোমিটার গভীরে ঘটে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বঙ্গোপসাগরে কাকিনাডা উপকূল থেকে প্রায় ২২৫ কিলোমিটার দূরে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি বা অন্য কোনো ধরনের ক্ষতির খবর ছড়ায়নি। এছাড়া আনাকাপল্লি, ভিজিয়ানাগারাম, কাকিনাডা ও কোনাসিমা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এটি ছিল অগভীর ভূমিকম্প। তবে ভূ-গঠনগত সাধারণ সমন্বয়ের কারণে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। এ কারণে সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তাদের মতে, এ অঞ্চলটি ভূ-তাত্ত্বিকভাবে স্থিতিশীল।

এর আগে, গত বছরের নভেম্বরে বিশাখাপত্তনম ও আলুরি সীতারামা রাজু জেলাতেও একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। তারও আগে ২০১৫ সালের ৪ নভেম্বর উত্তর উপকূলীয় অন্ধ্র প্রদেশের আলুরি জেলায় ৩ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। সে সময় বিকট শব্দ শোনার পর আতঙ্কিত হয়ে অনেক বাসিন্দা ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে ওই ঘটনায়েও কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকায় ত্রাণ সরবরাহ করছে সেনাবাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


বন্যায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকায় ত্রাণ সরবরাহ করছে সেনাবাহিনী

রাঙ্গামাটির সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি উপজেলায় বন্যায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম বঙ্গলতলী ও রূপকারী ইউনিয়নের বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে বাঘাইহাট সেনা জোন।

জোন সূত্রে এই তথ্য জানা যায়, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা হলেও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বঙ্গলতলী ও রূপকারী ইউনিয়নে ত্রাণ পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

এ পরিস্থিতির মধ্যে শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল থেকে বাঘাইহাট সেনা জোনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া শুরু হয়।

সেনাবাহিনীর সদস্যরা দুর্গম এলাকায় গিয়ে বন্যার্তদের ঘরে ঘরে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেন। একই সঙ্গে তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং দুর্যোগের এ সময়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

ত্রাণ ও খাদ্যসামগ্রী পেয়ে বন্যাকবলিত পরিবারগুলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তারা জানান, দুর্যোগের এ কঠিন সময়ে সেনাবাহিনীর দ্রুত মানবিক সহায়তা তাদের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব করেছে।

বাঘাইহাট সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের যে-কোনো দুর্যোগ ও সংকটময় পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা প্রদান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অন্যতম দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%