ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিধবাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা করলেন ভুক্তভোগী


বিধবাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা করলেন ভুক্তভোগী

বগুড়ার সোনাতলায় এক বিধবাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী নারী মঙ্গলবার এ ব্যাপারে তিনজনের বিরুদ্ধে বগুড়ার প্রথম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন।

বিচারক আনোয়ারুল ইসলাম বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে মামলাটি গ্রহণ করতে সোনাতলা থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

বুধবার (২২ জুলাই) বিকালে বাদীপক্ষের আইনজীবী নাহিদ পারভেজ জনি এ তথ্য দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার সাতবেকী গ্রামের সাজ্জাদ বেপারীর ছেলে সাদিক বেপারী (২৫), একই গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে ঋাতু মিয়া (২৩) এবং উপজেলার হাঁসরাজ গ্রামের খোরশেদ মিয়ার ছেলে হিরু মিয়া (৩০)।

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, প্রায় ১০ বছর আগে তার বিয়ে হয়। তার সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। ২০২৩ সালের ১৩ মে স্বামী হৃদরোগে মারা যান। এরপর তিনি দুই সন্তান নিয়ে বগুড়া সদরে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন।

সোনাতলায় বোনের বাড়িতে যাতায়াতের সময় প্রধান আসামি সাদিক বেপারী তাকে বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দেন। প্রথমে তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করলেও পরে মোবাইল ফোন ও ইমো অ্যাপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে সাদিক তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন এবং বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

এজাহারে আরও উল্লেখ করেছেন, ১৬ জুলাই সাদিক বেপারী তাকে ফোন করে সোনাতলা উপজেলার চরপাড়া বাসস্ট্যান্ডে যেতে বলেন। সেদিনই তাকে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন। সেখানে যাওয়ার পর অপর দুই আসামি ঋাতু মিয়া ও হিরু মিয়াসহ একটি সিএনজিচালিত রিকশায় তাকে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন। পরে কাজী আনার কথা বলে তাকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

গভীর রাতে কাজী না এলে আসামি ঋাতু ও হিরু চলে যান। এরপর সাদিক বেপারী তাকে ধারাল অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে যান। তখন অন্য আসামিরা প্রধান আসামি সাদিক বেপারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।

পরে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনাটি পুলিশ কেস হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে (ভিকটিম) সোনাতলা থাকায় যাওয়ার পরামর্শ দেন। এ ব্যাপারে থানায় গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। বাধ্য হয়ে তিনি বগুড়ার প্রথম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী নাহিদ পারভেজ জনি জানান, আদালত মঙ্গলবার শুনানি শেষে মামলাটি গ্রহণ করতে সোনাতলা থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

বুধবার বিকালে সোনাতলা থানার ওসি কবির হোসেন জানান, আদালতের কোনো নির্দেশনা হাতে পাননি। পেলে মামলাটি রেকর্ড করে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রায় ৫০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ, পুড়িয়ে নষ্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


প্রায় ৫০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ, পুড়িয়ে নষ্ট

বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকা মূল্যমানের নিষিদ্ধ মাছ ধরার জাল জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ।

বুধবার তিন ঘণ্টাব্যাপী যে অভিযান পরিচালিত হয়, সেই অভিযানে ১৯২টি চায়না দুয়ারি জাল, ১ লাখ ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ৮৯টি বোডা জাল জব্দ করা হয়।

মৎস্য বিভাগ জানায়, জব্দ হওয়া নিষিদ্ধ জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজার নির্দেশে জব্দ করা জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, মাছের প্রজনন এবং জলজ সম্পদ সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সড়কের বেহাল অবস্থায় সিসিক প্রশাসকের ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সড়কের বেহাল অবস্থায় সিসিক প্রশাসকের ক্ষোভ

সিলেট নগরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় সড়কের বেহাল অবস্থা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী। তিনি বার বার আবেদন জানানোর পরও এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর না করা এবং সংস্কার কাজে গাফিলতির জন্য সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রতি ক্ষোভ ঝাড়েন।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে নগরীর কদমতলীতে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা পরিদর্শন করেন সিসিক প্রশাসক। পরিদর্শনের সময় তিনি টার্মিনালের প্রধান প্রবেশপথের সড়কে বড় বড় গর্ত দেখেন এবং সেগুলোতে পানি জমে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

জানা গেছে, বুধবার দুপুরে কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকা পরিদর্শনে যান সিসিক প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী। এসময় পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বাস টার্মিনালের সামনের ভাঙাচোরা সড়ক নিয়ে তাদের ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন।

তারা উল্লেখ করেন, সড়কে বড় বড় গর্ত এবং খানাখন্দের কারণে চালক, শ্রমিক ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পোহাতে হচ্ছে। সিসিক প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী জবাবে জানান, টার্মিনালের সামনের সড়কটির মালিক সওজ। সড়কটি সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের জন্য কিছুবার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু তারা সড়কটি হস্তান্তরও করছে না, আবার নিয়মিত সংস্কারও করছে না। এর ফলে ভোগান্তি বাড়ছে।

সড়কের মালিক অন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এখানে কাজ করা যাচ্ছে না। তিনি সওজ কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা কোনোভাবেই জনগণের দুর্ভোগ সহ্য করব না। সওজকে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে পদ্মার চরে স্বাস্থ্যসেবার অবস্থা দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


মাদারীপুরে পদ্মার চরে স্বাস্থ্যসেবার অবস্থা দুর্ভোগ

পদ্মার বুকে জেগে ওঠা মাদারীপুরের শিবচরের চরজানাজাত ইউনিয়নে বর্তমানে কোনো ধরনের চিকিৎসাসেবা নেই। স্থায়ী হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক কিংবা চিকিৎসক না থাকায় প্রায় দুই হাজার দুর্গম চরাঞ্চলের বাসিন্দা চরম ভোগান্তিতে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে নদীপথে দুই ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বিশেষ করে প্রসূতি, শিশু ও বৃদ্ধরা প্রতিনিয়ত জীবন-মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়ছেন।

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, চরজানাজাত ইউনিয়নের দুটি দুর্গম চরে নদীপথই একমাত্র যোগাযোগব্যবস্থা। সাধারণ জ্বর, সর্দি বা ডায়রিয়ার মতো রোগের চিকিৎসার জন্যও সেখানে কোনো সরকারি বা বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। অনেকেই বাধ্য হয়ে ঝাড়ফুঁক বা অনভিজ্ঞ গ্রাম্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরজানাজাত ইউনিয়নের ভূমিহীন এলাকায় ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ ভূখণ্ড পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। পরে ২০২১ সালে নতুন চর জেগে ওঠে এবং ২০২২ সাল থেকে সেখানে আবার বসতি গড়ে ওঠে। বর্তমানে প্রায় দুই হাজার মানুষের বসবাস হলেও স্বাস্থ্যসেবার কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

চর থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছাতে নদীপথে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগে। বৈরী আবহাওয়া, তীব্র স্রোত এবং পর্যাপ্ত নৌযানের অভাবে অনেক সময় জরুরি রোগী পরিবহন করাও সম্ভব হয় না।

চরের বাসিন্দা জুলেখা বেগম জানান, ‘গত মাসে আমার প্রসববেদনা উঠলেও রাতে কোনো নৌকা পাওয়া যায়নি। ভোর পর্যন্ত অপেক্ষা করে নদী পার হয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। মাঝরাতে যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটত, তাহলে হয়তো আমি বা আমার সন্তান কেউই বাঁচতাম না। সরকার যেন দ্রুত একটি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করে।’

ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোতালেব বেপারী বলেন, ‘সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে আমরা সম্পূর্ণ বঞ্চিত। গুরুতর রোগীকে সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া যায় না। দ্রুত কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন, প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ এবং নৌ-অ্যাম্বুলেন্স চালুর ব্যবস্থা করা জরুরি।’

এ বিষয়ে মাদারীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মতিউর রহমান জানান, ‘উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জনবল সংকটের কারণে দুর্গম চরাঞ্চলে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে বর্তমানে উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার সপ্তাহে দুই দিন সেবা দিচ্ছেন। এছাড়া নতুন চরে মাসে অন্তত একদিন চিকিৎসাসেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, প্রসূতি মায়েদের নিরাপদ মাতৃত্ব বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি স্থায়ী কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ৩০ শতাংশ জমি ইউএনও কমিটির মাধ্যমে পাওয়া গেলে দ্রুত প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ আমাকে নিয়ে যাওয়ার সময় ফিসফিস করে বলছিল, এই সরকারকে হটান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


পুলিশ আমাকে নিয়ে যাওয়ার সময় ফিসফিস করে বলছিল, এই সরকারকে হটান

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে কংগ্রেসের আকস্মিক বিক্ষোভ চলাকালীন যখন পুলিশ রাহুল গান্ধীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন বিরোধী দলনেতা একটি অপ্রত্যাশিত বার্তা তিনি পুলিশের কাছ থেকে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। রাহুল জানান, আটকের সময় পুলিশ কর্মীরা তার কানে ফিসফিস করে বলেছিলেন, ‘এই সরকারকে হটান’।

বুধবার একটি সাংবাদিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে ভারতের শিক্ষাব্যবস্থায় ঘটে চলা ‘কারচুপি’ সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল এই ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। গত মঙ্গলবার, প্রধানমন্ত্রী মোদির ৭ নম্বর লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনের বাইরে নজিরবিহীন একটি দৃশ্য সৃষ্টি হয়। সেই সময়ে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের প্রবীণ নেতারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন, যা নিরাপত্তাকর্মীদেরও অপ্রস্তুত করে দেয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও, কারণ রাহুল সেখান থেকে সরতে রাজি হননি, দিল্লি পুলিশ এলাকা খালি করতে তৎপর হয়।

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কিছু নাটকীয় ভিডিওতে দেখা যায়, নাক থেকে রক্ত ঝরতে থাকা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে পুলিশ হাত ও পা ধরে জোর করে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। রাহুলের দাবি, এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই পুলিশ কর্মীরা তাদের মোদি সরকারের প্রতি ব্যক্তিগত অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, পুলিশ আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু তারা আমার কানে ফিসফিস করে বলছিল, এই সরকারকে হটান। তিনি জানান, আমি রাজস্থান থেকে এসেছি। আমি হরিয়ানা থেকে এসেছি। আমাদের তো শুধু উর্দি পরে থাকতে হয়।

বিরোধী দলনেতা বলেন, তাদের ওপর নির্দেশ আছে, তাই তারা সেই নির্দেশ পালন করছে। এমনকি পুলিশও বর্তমান পরিস্থিতিতে খুশি নয়। তারা জানে যে এখানে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে এবং তারা এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজেদের সন্তানদের দেখতে পায়।

উত্তর-পশ্চিম দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে আটক থাকা এই কংগ্রেস সাংসদকে মঙ্গলবার রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়। বুধবার রাহুল তার বিরুদ্ধে পুলিশের এই পদক্ষেপকে বৃহত্তর স্বার্থের কাছে এক ‘সামান্য মূল্য’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি জোর দেন যে, তার মূল লক্ষ্য হলো ‘শিক্ষার্থী ও তরুণদের ইচ্ছা প্রকাশ করা’ এবং তিনি এই বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

জাপানি মার্শাল আর্ট আইকিডোতে ব্ল্যাক বেল্ট অধিকারী রাহুল জানান, আমি এসব ঘুষি-টুষি খাওয়ার অভ্যাস করেছি এবং এটি কোনো ব্যাপার না।

তিনি আরো বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে এটাই আমার কর্তব্য... যেখানে কষ্ট আছে, সেখানে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা আমার দায়িত্ব। এগুলো খুবই সামান্য মূল্য... তাই দু-একটা ঘুষি খাওয়া, এটি আমার জন্য বিষয় নয়। আমি আরও অনেক আঘাত সানন্দে নিতে প্রস্তুত।

বুধবার সংসদে বিরোধীদের উচ্ছৃঙ্খল কালো পোশাক পরিধানের সাথে নির্ভর করে, প্রতিবাদস্বরূপ একটি কালো আর্মব্যান্ড পরে রাহুল গান্ধী মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তার আক্রমণের পরিধি আরও বিস্তৃত করেছেন। ২০ জুলাই সংসদের দিকে পদযাত্রা করা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্মম দমন-পীড়ন ঘটনার মধ্যেই তার এই প্রতিবাদ সীমাবদ্ধ ছিল না। রাহুলের আক্রমণের মূল লক্ষ্য হল এনডিএ শাসনামলের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা, যা তার মতে সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাহুল দাবি করেন, গত এক দশকে ‘১৫২টি প্রশ্নপত্র ফাঁস’ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, অথচ ‘কারও শাস্তি হয়নি’ এবং এর ফলে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার মানে প্রতি মাসে একটি করে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সরকার পুরো শিক্ষা বাজেটে যা ব্যয় করে, পরিবারগুলো একটি পরীক্ষার পেছনে তার চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করে।

নিজের বক্তব্যের শেষে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে আক্রমণ করে তাকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ এবং ‘অযোগ্য’ বলেন। রাহুল দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সম্পূর্ণ যৌক্তিক। প্রধান একজন দুর্নীতিগ্রস্ত এবং অযোগ্য মানুষ। তাকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%