বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪১ পি.এম
বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত, স্ত্রী মান্যতা দত্তকে নিয়ে মুম্বাইয়ের জনপ্রিয় লালবাগচা রাজা মণ্ডপে হাজির হয়ে আলোচনায় আসেন। দর্শনের সময়, তিনি মান্যতাকে আগলে রাখেন এবং গণেশের পায়ের কাছ থেকে সিঁদুর নিয়ে মান্যতার কপালে পরিয়ে দেন। এই বিশেষ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সঞ্জয় দত্ত ও মান্যতা লালবাগচা রাজায় দর্শন করতে যান। সঞ্জয়ের পরনে ছিল উজ্জ্বল কমলা রঙের পাঞ্জাবি, আর মান্যতাকে দেখা যায় উজ্জ্বল গোলাপি রঙের সালোয়ার-কামিজে।
মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় ছিল। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে সঞ্জয় মণ্ডপে প্রবেশ করেন। পুরো সময়জুড়ে তিনি মান্যতার কাছে ছিলেন এবং ভিড়ের মধ্যে তাকে নিরাপদে রাখার চেষ্টা করেন।
দর্শনের সময় আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে একটি বিশেষ মুহূর্ত। গণেশের পায়ের কাছ থেকে সিঁদুর নিয়ে মান্যতার কপালে পরিয়ে দেওয়ার সময়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
সঞ্জয় দত্ত প্রতিবছর লালবাগচা রাজায় আসার ইচ্ছার কথাও জানান। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, আবারও লালবাগচা রাজার দর্শন করতে পারা তার সৌভাগ্য। গণেশ তাকে ডেকেছেন বলেই তিনি এখানে এসেছেন এবং প্রতি বছর যেন তিনি এখানে আসতে পারেন, সেই প্রার্থনাও করেন।
এদিন লালবাগচা রাজায় সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে দেখা হয় অভিনেতা চাঙ্কি পান্ডের। চাঙ্কি, তার মেয়ে অনন্যা পান্ডেকে সঙ্গে নিয়ে মণ্ডপে এসেছিলেন। সেখানে দুই পুরোনো সহকর্মী একে অপরকে জড়িয়ে ধরে শুভেচ্ছা জানান।
সাম্প্রতিক সময়ে সঞ্জয় দত্ত একাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন। ২০২৫ সালে তিনি ‘হাউসফুল ৫’, ‘বাগি ৪’ এবং ‘ধুরন্ধর’-এ অভিনয় করবেন। ২০২৬ সালে তার অভিনীত সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘দ্য রাজা সাব’, ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’, ‘রাজা শিবাজি’, ‘আখরি সাওয়াল’ এবং কন্নড় সিনেমা ‘কেডি: দ্য ডেভিল’।
সঞ্জয়ের পরবর্তী সিনেমার তালিকায় ‘রেঞ্জার’ রয়েছে। জগন শক্তি পরিচালিত এই সিনেমাটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর থেকে পিছিয়ে ২০২৭ সালে মুক্তির কথা রয়েছে। এতে অজয় দেবগনকে বন কর্মকর্তার চরিত্রে এবং সঞ্জয় দত্তকে খলনায়কের ভূমিকায় দেখা যাবে। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করছেন তামান্না ভাটিয়া।
এ ছাড়া ‘খলনায়ক রিটার্নস’ সিনেমাতেও সঞ্জয় দত্তকে দেখা যাবে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে দীর্ঘ সময় ধরে সংস্কার না হওয়ায় একটি সেতুর মাঝের অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। একটি পিলারও দেবে গেছে। প্রতিদিন ১৬ গ্রামের হাজারো মানুষ ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সেতু দিয়ে চলাচল করছেন। স্থানীয়রা শঙ্কিত, যেকোনো সময় সেতুটি ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
১৯৯০ সালে দাউদকান্দি উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের হরিনাবাজার, ভবানীপুর ও বাজারখোলা গ্রামের মধ্যবর্তী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণ করে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ। প্রায় পাঁচ বছর আগে সেতুটির মাঝের অংশের একটি পিলার দেবে গিয়ে ফাটল দেখা দেয়। এরপর থেকে সেতুর সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে পাঁচগাছিয়া ও পাশের আরেকটি ইউনিয়নের ১৬ গ্রামের মানুষ চলাচল করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করছে। অনেকেই হেঁটে সেতুটি পার হচ্ছেন। পার হওয়ার সময় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন অনেকে।
দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় শিক্ষার্থী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন।
স্থানীয় স্কুলশিক্ষক নূরে আলম জানান, "প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যে সেতুটি পার হয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের।"
স্থানীয় বাসিন্দা সিফাত বলেন, "এই সেতুতে উঠলে মনে হয় এই বুঝি প্রাণটা গেল। এটা সেতু নয় পুলসিরাত।"
পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের মতো তারাও ঝুঁকি নিয়ে সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করছেন।
বাজারখোলা গ্রামের বাসিন্দা হারুনুর রশিদ জানান, "প্রায় পাঁচ বছর ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এটি পুনর্নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তাদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।"
দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, "সেতুটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিবেচনাধীন।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাতে বিছানায় শুয়ে থাকার সময় পায়ে অস্বস্তির অনুভূতি হতে পারে। কখনো জ্বালাপোড়া, কখনো চুলকানি, আবার কখনো মনে হয় পায়ের ভেতর দিয়ে কিছু একটা হামাগুড়ি দিয়ে যাচ্ছে। স্থির থাকতে পারছেন না, বারবার পা নাড়াতে হচ্ছে। পা নড়াচড়া করলেই কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে।
এমন পরিস্থিতি নিয়মিত হলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। এর পেছনে অস্থির পা সিনড্রোম থাকতে পারে।
আজ ২৩ সেপ্টেম্বর, অস্থির পা সচেতনতা দিবস। প্রতিবছর দিনটি পালন করা হয় যাতে মানুষ এই সমস্যা সম্পর্কে সচেতন হয়। রাতে বিশ্রামের সময় পায়ে অস্বস্তি এবং পা নাড়ানোর তীব্র ইচ্ছা এই সমস্যার প্রধান লক্ষণ। অনেকের ক্ষেত্রে এর কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।
অস্থির পা সিনড্রোম কী
এটি স্নায়ুতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি নড়াচড়াজনিত সমস্যা। সাধারণত বিশ্রামে থাকা অবস্থায় পায়ে অস্বস্তিকর অনুভূতি তৈরি হয়। সেই অস্বস্তি কমানোর জন্য পা নাড়ানোর প্রবল ইচ্ছা হয়।
সন্ধ্যা ও রাতে উপসর্গ বেশি দেখা দেওয়ায় অনেকের ঘুমের সমস্যা হতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে আনুমানিক ৭ থেকে ১০ শতাংশ মানুষের মধ্যে এ ধরনের সমস্যা দেখা যায়।
অতএব, এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাই অস্থির পা সচেতনতা দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য।
২৩ সেপ্টেম্বর কেন সচেতনতা দিবস
অস্থির পা সচেতনতা দিবস পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১২ সালে। দিনটি সুইডেনের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক কার্ল-অ্যাক্সেল একবর্নের জন্মদিনের সঙ্গে মিল রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৯০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া এই চিকিৎসক ১৯৪৫ সালে প্রথম অস্থির পা সিনড্রোমের বৈশিষ্ট্য ও উপসর্গ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন।
২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যে দিনটি পালনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়। এরপর থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা চলছে।
কেন হয় এই সমস্যা
অস্থির পা সিনড্রোমের মূল কারণ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে মস্তিষ্কে ডোপামিনের কার্যক্রম, শরীরে আয়রনের মাত্রা এবং শিরাসংক্রান্ত কিছু সমস্যার সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে বলে গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে।
কিছু ওষুধ ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যার সঙ্গেও এই রোগের সম্পর্ক থাকতে পারে।
যে লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না
অস্থির পা সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তিরা পায়ে জ্বালাপোড়া, চুলকানি, ঝিমঝিম করা কিংবা পোকা হাঁটার মতো অনুভূতির কথা বলতে পারেন।
কারও ক্ষেত্রে পায়ে বারবার ঝাঁকুনি বা অনিচ্ছাকৃত নড়াচড়াও দেখা দিতে পারে। সাধারণত দীর্ঘ সময় বসে থাকা কিংবা শুয়ে থাকার সময় অস্বস্তি বাড়ে। পা নড়াচড়া করলে কিছু সময়ের জন্য স্বস্তি পাওয়া যায়।
খুব কম ক্ষেত্রে পায়ের পাশাপাশি হাতেও একই ধরনের অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
কারা বেশি ঝুঁকিতে
কিছু নির্দিষ্ট অবস্থায় অস্থির পা সিনড্রোমের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হতে পারে। নিয়মিত ডায়ালাইসিস করান এমন ব্যক্তি এবং গর্ভবতী নারীদের মধ্যে এ সমস্যা বেশি দেখা যেতে পারে।
বংশগতিরও ভূমিকা থাকতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের একটি বড় অংশের নিকটাত্মীয়দের মধ্যেও একই ধরনের সমস্যার ইতিহাস রয়েছে। তবে পরিবারের কারও এই রোগ থাকলেই অন্য সদস্যেরও রোগটি হবে, এমনটা নিশ্চিত নয়।
হালকা শরীরচর্চায় মিলতে পারে স্বস্তি
অস্থির পা সিনড্রোমের কিছু উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে হালকা শরীরচর্চা সহায়ক হতে পারে। চিকিৎসক বা শারীরিক পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী হালকা টান দেওয়ার ব্যায়াম, যোগব্যায়াম, সাঁতার কিংবা সাইকেল চালানোর মতো পরিমিত শরীরচর্চা করা যেতে পারে।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
রাতে নিয়মিত পা নাড়ানোর তীব্র ইচ্ছা, পায়ে অস্বস্তি, জ্বালাপোড়া বা ঝিমঝিম ভাবের কারণে ঘুমের সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
প্রয়োজনে চিকিৎসক উপসর্গের কারণ খুঁজে দেখবেন এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে পারেন। এই রোগের স্থায়ী নিরাময়ের উপায় নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। তবে উপসর্গ কমানোর বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে।
তাহলে সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
সমস্যাটি নিয়ে সচেতন হওয়া জরুরি
অস্থির পা সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক সময় নিজের সমস্যাটি ঠিকভাবে বোঝাতে পারেন না। পরিবারের সদস্য বা বন্ধুর মধ্যে এমন লক্ষণ দেখা গেলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে উৎসাহিত করা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের কাছে যেতে সহায়তা করা উচিত।
সচেতনতা বাড়লে এই অস্বস্তিকর সমস্যাটি দ্রুত শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ইলিশ মাছ ১০ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে শাহজাহান ব্যাপারীর আড়তে নিলামে মাছটি বিক্রি হয়।
নিলামের সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মাছটি কিনে নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী বিষু ব্যাপারী। বড় আকারের এই ইলিশটি কিনতে নিলামে অংশ নেন অন্তত ১৭ জন ব্যবসায়ী।
হাতিয়ার হরণী ইউনিয়নের জেলে জাহেদ মাঝির জালে ধরা পড়া এই ইলিশটি রোববার সকালে ১২ জন জেলেকে নিয়ে সাঙ্গু গ্যাসফিল্ডের কাছে নদীতে মাছ ধরতে যান তিনি। সোমবার রাতে জাল ফেলার পর মঙ্গলবার জাল তুলতে গিয়ে বড় ইলিশটি পাওয়া যায়। পরে মাছটি চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে এনে আড়তে বিক্রি করা হয়।
মাছটির ক্রেতা বিষু ব্যাপারী জানান, ১০ হাজার ৯০০ টাকায় ইলিশটি কিনেছেন তিনি। মাছটি ঢাকার মোকামে পাঠানো হবে এবং সেখানে ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করা যাবে বলে আশা করছেন তিনি। রাজধানীতে বড় আকারের ইলিশের বিশেষ চাহিদা রয়েছে বলেও জানান এই ব্যবসায়ী।
জেলে জাহেদ মাঝি বলেন, জালে বড় ইলিশ পাওয়ার পর তারা খুবই খুশি হয়েছেন। ওই মাছ ছাড়াও আরও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরেছেন তারা। সব মিলিয়ে চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছেন।
আড়তদার শাহজাহান ব্যাপারী জানান, জাহেদ মাঝি সাগর থেকে বড় ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিয়ে তাঁর আড়তে আসেন। এর মধ্যে ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশটির নিলাম মূল্য ওঠে ১০ হাজার ৯০০ টাকা। পরে সর্বোচ্চ দরদাতা বিষু ব্যাপারীর কাছে মাছটি বিক্রি করা হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাঈন উদ্দিন বলেন, এবার তুলনামূলক কম ইলিশ পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে হতাশা রয়েছে। তবে মাঝেমধ্যে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ছে। বড় ইলিশ দেখতে ভালো লাগলেও দাম বেশি হওয়ায় অনেকের পক্ষেই তা কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. ফয়জুর রহমান বলেন, এবার তুলনামূলকভাবে কম মাছ ধরা পড়ছে। এর মধ্যে দু-একটি বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেরা কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। ভরা পূর্ণিমায় আরও বেশি মাছ ধরা পড়বে বলে আশা করছেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের আওতায় সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের জন্য গ্যাস অয়েল (ডিজেল) ও জেট এ-১ আমদানির কার্যক্রম বাতিলের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বিদ্যমান চুক্তিমূল্যের চেয়ে ভিন্ন মূল্যে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রস্তাবেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের আহ্বান করা আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের আওতায় গ্যাস অয়েল (ডিজেল) ও জেট এ-১ আমদানির কার্যক্রম বাতিলের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ের জন্য আহ্বান করা ওই দরপত্রের প্যাকেজ-১, প্যাকেজ-২, প্যাকেজ-৩ ও প্যাকেজ-৪-এর আওতায় এসব জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবে ওই আমদানি কার্যক্রম বাতিলের সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে কমিটি প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে।
এদিকে বৈঠকের বিবিধ আলোচনায় জিটুজি ভিত্তিতে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস কেনার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ৬ নভেম্বর ও ২২ নভেম্বর ২০২৬ সময়ে এই দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা হবে। এ ক্ষেত্রে চুক্তিতে বিদ্যমান মূল্যের পরিবর্তে নতুন মূল্যে গ্যাস কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের একক দর নির্ধারণ করা হয়েছে জেএমকে থেকে শূন্য দশমিক শূন্য দুই মার্কিন ডলার কম। এ প্রস্তাবে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বৈঠকে কাতার থেকে অতিরিক্ত দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ