০৮:৪৫ পি.এম
ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ অর্থাৎ সর্বাত্মক অর্থনৈতিক যুদ্ধের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই পদক্ষেপে চীনের সমর্থন ছাড়া ট্রাম্পের সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশ ক্ষীণ। কারণ, বেইজিংয়ের সঙ্গে ইরানের বিরাট অঙ্কের বাণিজ্য রয়েছে। আর চীনের ওপর প্রভাব খাটানোর মতো যথেষ্ট সুযোগ এখন আর ট্রাম্পের হাতে নেই।
বুধবার ট্রাম্প একটি সতর্কবাণী দিয়ে বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে যারা বাণিজ্য করবে, তাদের বিশাল অর্থনৈতিক খেসারত দিতে হবে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও বেইজিংকে এই মার্কিন নীতি মেনে চলার আহ্বান জানান। তবে রয়টার্সের তথ্য বলছে, ইরানের অপরিশোধিত তেলের ৯০ শতাংশই কিনছে চীন। ফলে তেহরানের সবচেয়ে বড় এই ভরসাস্থল খুব সহজেই মার্কিন সতর্কবার্তা এড়িয়ে যেতে পারে।
আগামী মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরিকল্পনা করছেন। মে মাসে ট্রাম্পের বেইজিং সফরের পর দুই দেশের শুল্ক-উত্তেজনা কিছুটা কমে আসে। তাই বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতির মধ্যে নতুন করে ট্রাম্প কোনো বিরোধ চাপাতে চাইবেন না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন চাপের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ানও স্পষ্ট জানিয়েছেন, কেবল নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; বরং কূটনৈতিক পথেই এর সমাধান প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
বেইজিংয়ের ওপর চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের বিকল্প এখন বেশ সীমিত। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পরেও চীনের শোধনাগারগুলো তেহরানের তেল ক্রয় করছে। উল্টো যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো কঠোর পদক্ষেপের পাল্টা জবাব দেওয়ার ক্ষমতা চীনের রয়েছে। বিশেষ করে স্মার্টফোন থেকে শুরু করে যুদ্ধবিমান তৈরিতে ব্যবহৃত ‘রেয়ার আর্থ’ বা বিরল খনিজ সম্পদের ৯০ শতাংশই চীনের দখলে। তাই বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরির আগপর্যন্ত ট্রাম্পকে বেশ সতর্কতার সঙ্গেই পা ফেলতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন