ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুরান ঢাকার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি, নিয়ন্ত্রণে ১০ ইউনিট


পুরান ঢাকার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি, নিয়ন্ত্রণে ১০ ইউনিট

পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় সাততলা একটি ভবনের ষষ্ঠ তলায় অবস্থিত মার্কেটে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের দশটি ইউনিট বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তবে চার ঘণ্টা অতিক্রম হওয়ার পরেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর ফায়ার সার্ভিসে পৌঁছায়।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ আগুনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানান, "আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের ১০টি ইউনিট কাজ করছে। ভেতরে তেমন আগুন না থাকলেও প্রচণ্ড ধোঁয়া রয়েছে। সরু রাস্তা হওয়ায় আগুন নেভাতে অনেকটা বেগ পেতে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ভেতরে কেউ আটকে থাকার সংবাদ পাওয়া যায়নি।"

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

তিনি আরও বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে আমাদের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। তবে আগুনের কারণে প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে ফায়ার ফাইটারদের কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ, ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুবির বিজয়-২৪ হলে সিসিটিভি ভাঙচুরের অভিযোগে শিক্ষার্থীকে শোকজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


কুবির বিজয়-২৪ হলে সিসিটিভি ভাঙচুরের অভিযোগে শিক্ষার্থীকে শোকজ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিজয়-২৪ হলে দুটি সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুরের অভিযোগে হল প্রশাসন অলি আহমেদ দয়ালশাহ নামক এক শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করেছে। তার বিরুদ্ধে হলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও হল প্রভোস্টের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) তারিখে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষার্থীকে আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে।

নোটিশে বলা হয়েছে, ১১ অক্টোবর হলে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে, যা হলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া, এই বিষয়ে হল প্রভোস্টের সঙ্গে মুঠোফোনে কথোপকথনের সময় অসদাচরণ করেছেন তিনি। শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন করা হয়েছে কেন তাকে হল থেকে বহিষ্কার করা হবে না এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। অন্যথায়, হল প্রশাসন তার বিরুদ্ধে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

অলি আহমেদ দয়ালশাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিজয়-২৪ হলের ৪০৫ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী। ১১ অক্টোবর হলের চারতলার নতুন ব্লকে দুটি সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরে হলের অন্য সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে হল প্রভোস্ট জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা যখন সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুরের খবর পাই, তখন অন্য ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এই শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করি। এরপর তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার কক্ষে গিয়ে কথা বলতে বলেন। আমরা হল প্রশাসনের সদস্যরা তার কক্ষে গিয়ে তাকে পাইনি। পরে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি। আমরা তাকে শোকজ নোটিশ দিয়েছি। ১৪ তারিখের মধ্যে নোটিশের জবাব এলে বা না এলে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গোৎসবের নির্দেশনা: প্রধানমন্ত্রীর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


দুর্গোৎসবের নির্দেশনা: প্রধানমন্ত্রীর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের আহ্বান

শারদীয় দুর্গোৎসবের উদযাপনকে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকার জন্য সরকার ও দলের পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ নির্দেশনা সংসদীয় কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী প্রদান করেছেন, যা জানিয়েছেন তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এমপি।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী কালীমন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় উপজেলার সব পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সম্পাদক এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন উল্লেখ করেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য শারদীয় দুর্গোৎসব হচ্ছে সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবের আনন্দ শুধুমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষও এতে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ সনাতন ধর্মাবলম্বী হওয়ায়, এই উৎসব দেশের সকলের জন্যই আনন্দের বিষয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার গঠনের পর এই প্রথমবার পূজাপার্বণের আয়োজনের দেখভালের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে সরকার। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিনিধিরা যখন তাদের ধর্মীয় উৎসব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে যান, তখন তিনি তাদের প্রত্যাশার চেয়েও অধিক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রেমানন্দ ঘরামী। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ।

সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তাপস বণিক, সাবেক সভাপতি মনোজ গোমস্তা, বার্থী মন্দির ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি শান্তুনু ঘোষসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নেতারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোবাইল অপারেটরদের ইমার্জেন্সি ব্যালান্স ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকায় বৃদ্ধির প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


মোবাইল অপারেটরদের ইমার্জেন্সি ব্যালান্স ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকায় বৃদ্ধির প্রস্তাব

দেশের মোবাইল অপারেটরগুলো জরুরি প্রয়োজনে মোবাইল ফোনে নেওয়া ইমার্জেন্সি ব্যালান্সের সর্বোচ্চ সীমা ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে।

সম্প্রতি অপারেটরগুলো এ সীমা বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব করেছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০০ টাকার বেশি থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ব্যালান্স নিলে সর্বোচ্চ ১০ টাকা সেবা ফি দিতে হতে পারে। এ ফিতে প্রযোজ্য কর যুক্ত হবে। ফলে করসহ ফি দাঁড়াতে পারে ১৩ টাকা ৯০ পয়সা।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ কমিশন সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অপারেটরদের যুক্তি হলো, বর্তমান সীমায় অনেক সময় গ্রাহকেরা প্রয়োজনীয় ডেটা বা মিনিটের প্যাকেজ কিনতে পারেন না। সীমা বাড়ানো হলে বেশি দামের প্যাকেজ কেনার সুযোগ তৈরি হবে।

বিটিআরসির নথি অনুযায়ী, বর্তমানে ২০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্স নিলে সেবা ফি ২ টাকা। করসহ এই ফি দাঁড়ায় ২ টাকা ৭৮ পয়সা।

এ বিষয়ে রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ গণমাধ্যমকে বলেন, "অনেক সময় গ্রাহকের নেওয়া ইমার্জেন্সি ব্যালান্স দিয়ে প্রয়োজনীয় প্যাকেজ কেনা সম্ভব হয় না।" উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, "কোনো প্যাকেজের দাম ৩১০ টাকা হলে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা ব্যালান্স দিয়ে সেটি কেনা যাবে না।" সীমা ৫০০ টাকা করা হলে গ্রাহকেরা প্রয়োজন অনুযায়ী বেশি দামের প্যাকেজও কিনতে পারবেন।

দেশে মোবাইল সেবা দিচ্ছে চারটি অপারেটর—গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটক। বিটিআরসির হিসাবে, চার অপারেটরের মোট গ্রাহকসংখ্যা ১৯ কোটির বেশি।

জরুরি প্রয়োজনে গ্রাহকদের সামান্য পরিমাণ ব্যালান্স দেওয়ার উদ্দেশ্যে এ সেবা চালু করা হয়েছিল। ২০১৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি নির্দেশ দিয়েছিল, গ্রাহকদের অন্তত ১০ টাকা ইমার্জেন্সি ব্যালান্স দিতে হবে এবং এ জন্য কোনো চার্জ নেওয়া যাবে না। একই বছরের ২ জুলাই অপারেটরদের সঙ্গে এক সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ১০ টাকা পর্যন্ত ব্যালান্স চার্জমুক্ত থাকবে। এর বেশি অঙ্কের ক্ষেত্রে সেবা ফি নেওয়া যাবে।

বর্তমানে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্স দেয়। এতে করসহ ফি ২ টাকা ৭৮ পয়সা। অন্যদিকে, টেলিটক সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত ব্যালান্স দেয়, যার সেবা ফি করসহ ৬ টাকা ৯৫ পয়সা।

অপারেটরগুলোর দাবি, ইমার্জেন্সি ব্যালান্স এখন শুধু টাকা ধার দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর আওতায় মিনিট লোন, ডেটা লোন, ‘বাই নাও পে লেটার’ এবং বিভিন্ন প্যাকেজ কেনার সুবিধাও যুক্ত হয়েছে। এসব সেবায় গ্রাহক আগে ব্যবহার করেন, পরে টাকা পরিশোধ করেন। পরবর্তী রিচার্জ থেকে বকেয়া টাকা ও প্রযোজ্য ফি কেটে নেওয়া হয়।

মোবাইল অপারেটর সূত্রের দাবি, চার অপারেটর মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৩৫ লাখ গ্রাহক ইমার্জেন্সি ব্যালান্স নেন। তবে এই ঋণের অর্থ সরাসরি অপারেটরগুলো দেয় না; তাদের সঙ্গে অংশীদারত্বে থাকা অনুমোদিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এ অর্থ সরবরাহ করে। ফলে ব্যালেন্সের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব গ্রাহকদের সুবিধার পাশাপাশি ঋণসেবার পরিধি বাড়ানোর বিষয় হিসেবেও আলোচনায় এসেছে।

প্রথমে গ্রামীণফোনই ইমার্জেন্সি ব্যালান্সের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। ২০২৬ সালের ৩ মার্চ বিটিআরসিকে চিঠি দিয়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যালান্স দেওয়ার অনুমতি চায় অপারেটরটি। এ জন্য সর্বোচ্চ ২০ টাকা ফি রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। গ্রামীণফোনের যুক্তি ছিল, বেশি দামের প্যাকেজ কেনা এবং জরুরি সময়ে যোগাযোগসেবা চালু রাখতে গ্রাহকদের আরও বেশি ব্যালান্স প্রয়োজন।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ গণমাধ্যমকে বলেন, "বর্তমানে ডেটা ব্যবহার ও ডিজিটাল সেবার চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।" স্মার্টফোন ব্যবহারকারী এবং তুলনামূলক বেশি ডেটা ব্যবহার করা গ্রাহকদের জন্য বিদ্যমান ইমার্জেন্সি ব্যালান্সের সীমা অনেক ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত নয়। সীমা বাড়ানো হলে তা গ্রাহকদের বর্তমান ব্যবহারধারা ও যোগাযোগের প্রয়োজনের সঙ্গে আরও ভালোভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

তবে গ্রামীণফোনের এই প্রস্তাবে অন্য অপারেটরগুলো আপত্তি জানায়। গত ২১ জুন বিটিআরসির সঙ্গে এক সভায় তারা জানায়, একক অপারেটরের জন্য এ ধরনের সুবিধা অনুমোদন করা হলে প্রতিযোগিতায় অসমতা তৈরি হতে পারে এবং অনাদায়ি অর্থের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরে বিটিআরসি সব অপারেটরের জন্য অভিন্ন প্রস্তাব তৈরি করতে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটবকে দায়িত্ব দেয়।

চলতি বছরের ২৩ জুলাই অ্যামটব বিটিআরসির কাছে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্স দেওয়ার প্রস্তাব জমা দেয়। প্রস্তাবে ১০ টাকা পর্যন্ত ব্যালান্সে কোনো ফি না রাখা, ১০ থেকে ২০০ টাকায় ২ টাকা এবং ২০০ থেকে ৫০০ টাকায় সর্বোচ্চ ১৫ টাকা ফি নির্ধারণের কথা বলা হয়।

পরে ২০ আগস্ট বিটিআরসি ও অ্যামটবের সভায় ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ব্যালান্সের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ টাকা ফি রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

অ্যামটব সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গ্রামীণফোন, রবি ও টেলিটক এ প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে। তবে বাংলালিংক ব্যালান্সের পরিমাণ অনুযায়ী ধাপে ধাপে ফি নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে।

বাংলালিংকের প্রস্তাব অনুযায়ী, ১১ থেকে ২০ টাকা ব্যালান্স নিলে ২ টাকা, ২১ থেকে ৫০ টাকায় ৩ টাকা এবং ১৫১ থেকে ২০০ টাকায় ৬ টাকা ফি নেওয়া হবে। আর ৪০১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ব্যালান্স নিলে ফি হবে ১০ টাকা।

এই প্রস্তাব কার্যকর হলে ২০০ টাকার কম ব্যালান্স নেওয়ার ক্ষেত্রেও কিছু গ্রাহককে বর্তমানের তুলনায় বেশি ফি দিতে হতে পারে। কারণ, বর্তমানে ২০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্সের জন্য সেবা ফি মাত্র ২ টাকা।

বর্তমান ব্যবস্থায় ২০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্স নিলে করসহ ২ টাকা ৭৮ পয়সা ফি দিতে হয়। একই হারে কর যোগ করে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ব্যালান্সের জন্য ১০ টাকা সেবা ফির সঙ্গে কর যুক্ত হলে মোট ফি দাঁড়াতে পারে ১৩ টাকা ৯০ পয়সা।

তবে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্স চালুর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হলেও এটি এখনও চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়নি। বিটিআরসির অনুমোদন ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই নতুন সীমা ও ফি কাঠামো সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ ঢাকার যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


আজ ঢাকার যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে

ঢাকাতে প্রতিদিনই কেনাকাটার প্রয়োজন হতে পারে, এবং সেই কারণে কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি জানা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তারিখে দেখে নিন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

বসুন্ধরা সিটি, ইস্টার্ন প্লাজা, মোতালেব প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমন্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমন্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিংমল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার, ডিআইটি মার্কেট এবং অর্কিড প্লাজা।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ

কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা এবং লালমাটিয়া।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%