শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৮ পি.এম
জিনেদিন জিদানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল ফ্রান্স জাতীয় দলের কোচ হওয়া। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তির সেই স্বপ্ন ২০২৬ বিশ্বকাপের পর দিদিয়ের দেশমের বিদায়ের পর পূরণ হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর জিদান তার প্রথম ম্যাচে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।
উয়েফা নেশন্স লিগের প্রথম রাউন্ডে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে তুরস্ককে তাদের মাঠে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে ফ্রান্স। এই জয়ের মাধ্যমে ৩২ বছর পর ফ্রান্সের কোনো কোচ হিসেবে অভিষেক ম্যাচে জয় লাভ করলেন জিদান।
এর আগে সর্বশেষ ১৯৯৪ সালে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে আইমে জ্যাকে নিজের প্রথম ম্যাচে জয় লাভ করেছিলেন। ওই বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি নেপলসে ইতালিকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছিল ফ্রান্স। ম্যাচটির একমাত্র গোলটি করেছিলেন জিদানের সাবেক সতীর্থ ইউরি জর্কেফ।
জ্যাকে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে জিদানের আগমন পর্যন্ত ফ্রান্সের জাতীয় দলের দায়িত্বে ছিলেন আরও পাঁচ কোচ। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লেকিপে’র তথ্য অনুযায়ী, তাদের কেউই প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু করতে পারেননি।
১৯৯৮ সালে রজার লেমেরের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রিয়ার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে ফ্রান্স। ২০০২ সালে জ্যাক সান্তিনির অভিষেক ম্যাচেও তিউনিসিয়ার বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে দলটি। ২০০৪ সালে রেমন্ড ডোমেনেখের প্রথম ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনিয়ার সঙ্গে একই ব্যবধানে ড্র করে ফ্রান্স।
এরপর ২০১০ সালে লরাঁ ব্লাঁর অধীনে প্রথম ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে পরাজিত হয় ফ্রান্স। ২০১২ সালে দিদিয়ের দেশমের অভিষেকও জয় দিয়ে হয়নি, উরুগুয়ের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করে ফ্রান্স।
জিদানের জন্য এই অভিষেকের সঙ্গে রয়েছে একটি বিশেষ ঐতিহাসিক যোগসূত্র। ১৯৯৪ সালের আগস্টে চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফ্রান্সের জার্সিতে প্রথমবার মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে জাতীয় দলের কোচ ছিলেন আইমে জ্যাকে, যিনি এর আগে ফ্রান্সের কোচ হিসেবে অভিষেকে জয় পেয়েছিলেন।
নিজের অভিষেক নিয়ে ম্যাচ শেষে আবেগের কথা জানিয়েছেন জিদান। তবে তিনি খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা ও মাঠের পারফরম্যান্স ধরে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
টিএফ১-কে জিদান বলেন, "অনেক আবেগ কাজ করছে। এটি প্রথম ম্যাচ, আর জয় দিয়ে শুরু করা কখনোই সহজ নয়, বিশেষ করে তুরস্কের মাঠে। আমার মনে হয়, আমাদের যে ধরনের ম্যাচ খেলা দরকার ছিল, আমরা সেটাই খেলেছি। আমরা প্রতিপক্ষকে খেলতে দিইনি।"
তিনি আরও বলেন, "বেশ উঁচু জায়গা থেকে তাদের প্রেস করেছি এবং বল পুনরুদ্ধারের সময় ছিলাম খুবই আগ্রাসী। বল পায়ে থাকলে কী করতে হবে, সেটিও আমরা ঠিকভাবে করতে পেরেছি।"
মাত্র সাড়ে তিনটি অনুশীলন সেশন একসঙ্গে করার পরও দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট জিদান। তার ভাষায়, "আমরা মাত্র সাড়ে তিনটি অনুশীলন সেশন একসঙ্গে করেছি। তারপরও আমি অনেক ইতিবাচক দিক দেখেছি। এটি খুবই উৎসাহব্যঞ্জক। খেলোয়াড়রা যা করেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট। আর এই অভিষেকটা এভাবে হওয়ায় আমি খুশি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জরুরি মেরামত কাজের জন্য শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে ডেমরা, শনির আখড়া, জুরাইন, মাতুয়াইল, পোস্তগোলা ও ধোলাইপারসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাসের অভাব দেখা দেবে।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানায়, গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের কারণে নির্ধারিত ৬ ঘণ্টা এসব এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকের সংযোগ বন্ধ রাখা হবে।
তিতাসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সারুলিয়া, পূর্ব বক্সনগর, হাজি নগর, বড়ভাঙ্গা, কোনাপাড়া, ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, আমুলিয়া, রানীমহল, নিমাই কাসারি, রসূলনগর, সুকুসি এবং কাঁচপুর ব্রিজের পূর্ব পাশ থেকে সুলতানা কামাল ব্রিজ পর্যন্ত এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এছাড়া, শনির আখড়া, মাতুয়াইল, পোস্তগোলা, জুরাইন, হাজী খোরশেদ আলী সড়ক, জিয়া সরণী, ধনিয়া, পাটের বাগ, জাপানি বাজার, খুদের বাজার, ধোলাইপার মোড়, মাদ্রাসা রোড, পাইপ রোড, কাজলার মোড়, মীরের বাগিচা ও বাঘমারা এলাকাতেও একই সময়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উল্লিখিত এলাকার পাশাপাশি তৎসংলগ্ন এলাকাগুলোতেও গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সন্ধ্যা নামার পর নওগাঁর মান্দা উপজেলার কশব ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে আতঙ্ক বৃদ্ধি পায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটার পাশাপাশি চুরির ঘটনা জ্যামিতিক হারে বেড়ে গেছে। গত এক মাসে ইউনিয়নের চকসিদ্ধেশ্বরী, পাঁজরভাঙ্গা, তালপাতিলা ও চকবালু এই চারটি গ্রামে অন্তত ২৬টি বাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরির এসব ঘটনায় এলাকাবাসী চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয়দের দাবি, কশব ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গাঁজা, চোলাই মদ, ট্যাপেন্টাডল বড়িসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। মাদকাসক্তদের একটি অংশ মাদকের টাকা জোগাড় করতে চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত এক মাসে ওই চার গ্রামের অন্তত ২৬টি বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। তালপাতিলা গ্রামের নাজিমের বাড়ি থেকে ১ লাখ টাকা ও সাড়ে ৫ ভরি সোনা চুরির অভিযোগ রয়েছে। মতিউরের বাড়ি থেকে ডাব, লিয়াকতের বাড়ি থেকে সুপারি ও ডাব, আবুদ্দিনের বাগান থেকে নেট এবং রইছের বাড়ি থেকে পানির ফিতা চুরি হয়েছে।
চকসিদ্ধেশ্বরী গ্রামের মজিবুর, এনামুল ও আবদুর রউফের বাড়ি থেকে স্মার্টফোন, প্রবাসী জাফরের বাড়ি থেকে সোনার কানের দুল, মমিনুল ইসলামের ভ্যান, জাহাঙ্গীরের বাগান থেকে বাতাবি লেবু, কইরের বাড়ি থেকে কলস ও গামলা, মাহমুদার বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও ব্যাগ এবং আনোয়ারের প্রায় ২০ হাজার টাকা মূল্যের ১০টি বোরিং পাইপ চুরি হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় একটি মসজিদ থেকে দুটি ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটেছে।
পাঁজরভাঙ্গা গ্রামের এমদাদের বাড়ি থেকে মোবাইল ফোন, নাজিমের বাড়ির টিউবওয়েলের হ্যান্ডেল ও বাগান থেকে কলা-সুপারি, জিন্নাতুনের চার্জার ভ্যানের যন্ত্রাংশ চুরি এবং শম্ভু লালের নদী পারাপারের নৌকার মেশিনের তেল চুরি হয়। কয়েক মাস আগে কালামের বাড়ি থেকে এক ভরি ওজনের সোনার চেইন চুরি হয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানান।
অন্যদিকে চকবালু গ্রামের জলিলের দোকান থেকে প্রায় ৫ হাজার টাকার মাছ, নুরুদ্দিনের বাড়ি থেকে রান্নার সরঞ্জাম, আনসেনের বাড়ি থেকে স্মার্টফোন, নাসিরের বাড়ি থেকে মোবাইল, শরীফের বাড়ি থেকে ডাব-সুপারি এবং মোকছেদের বাড়ি থেকে মোবাইলসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চুরি গেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকা থেকে সাইকেল, পানির পাম্প, টিউবওয়েলের মাথা ও বৈদ্যুতিক মিটার চুরির ঘটনা ঘটছে।
এলাকাবাসীর জোর দাবি, মাদকের মূল আস্তানা ও কারবারিদের দ্রুত চিহ্নিত করে নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার করা হোক, যাতে তারা স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরে পান।
এদিকে মাদক ও চুরির উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে সম্প্রতি চকসিদ্ধেশ্বরী মধ্যপাড়া মসজিদে জুমার নামাজের পর এলাকাবাসী মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। সেখানে মাদক কেনাবেচা বন্ধ ও চুরি প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
পরবর্তীতে ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে চকসিদ্ধেশ্বরী গ্রামের পুকুরপাড় এলাকায় স্থানীয়রা মাদকসেবী ও কারবারিদের চিহ্নিত করে ধরার চেষ্টা চালান। এ সময় মাদকদ্রব্য ফেলে কয়েকজন পালিয়ে যায়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে পরিত্যক্ত অবস্থায় নেশাজাতীয় ট্যাবলেটগুলো উদ্ধার করে।
তালপাতিলা গ্রামের ভুক্তভোগী মো. নাজিম জানান, ফজরের নামাজের পর ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো দেখে তারা চুরির বিষয়টি টের পান। চোরচক্র ছাদের গেটের গ্রিলের ভেতর দিয়ে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে। এই ঘটনায় আনুমানিক সাড়ে ৫ ভরি সোনা এবং প্রায় ১ লাখ টাকা চুরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এই এলাকায় প্রায় প্রতিনিয়ত বাড়িতে চুরি হচ্ছে। আমাদের ধারণা এরা মাদকের সঙ্গে জড়িত। মাদকের টাকা জোগাড় করার জন্যই এরা এসব করছে। সুযোগ পেলেই চুরি করছে।
পাঁজরভাঙ্গা গ্রামের ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার নাজিম আহম্মেদ বলেন, ঘরে কী আছে আর কখন চুরি হয়ে যায় এ নিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকি। কিছুদিন আগে টিউবওয়েলের হ্যান্ডেল, বাগানের কলা, সুপারি এবং আমার নাতির সাইকেল চুরি হয়েছে। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারি না। এ নিয়ে পুলিশ যেন দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।
কশব ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য রমজান আলী বলেন, এলাকায় মাদক ও চুরির বিষয়ে নিয়মিত অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। জনসচেতনতার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, এ ধরনের কোনো সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ এখনও তাদের কাছে আসেনি। তবে অভিযোগ পেলে বা ভুক্তভোগীরা সরাসরি যোগাযোগ করলে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দুষ্কৃতিকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।
তিনি শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে এই দাবি জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে লুটপাট চালানোর পর সেটি গুঁড়িয়ে দেয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর পড়েছে। রাতের অন্ধকারে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে রহস্যজনক একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জামায়াত আমির প্রশ্ন তোলেন, কোথায় প্রশাসন, কোথায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী? তিনি বলেন, এর পেছনে কারা রয়েছে তা আর মোটেই অস্পষ্ট নয়। তাদের পেটের ক্ষুধা কোনোভাবেই নিবারণ হচ্ছে না। তারা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার এই সুযোগটিকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে।
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করছে। অন্যদিকে চলছে এই খেলা।
দুষ্কৃতিকারীদের শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, আর কত দিন এ ধরনের খেলা চলবে? দুষ্কৃতিকারীদের অবশ্যই খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে একসময় জনগণের হাতেই তাদের শাস্তি পেতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধে আবারও ভয়াবহ ধসের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্থানীয়রা জানান, ধসে যাওয়া অংশের পাশ দিয়ে তীব্র স্রোতে নদী আছড়ে পড়ছে। বড় বড় ফাটল তৈরি হওয়ায় যে-কোনো সময় আরও অংশ ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বারবার এভাবে ধসে যাওয়া অংশ ভেঙে যাওয়ায় এলাকাবাসীরা আতংকিত হয়ে পড়ছেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় ৪০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও স্থানীয় সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল করিম বলেন, রাতেই বিকট শব্দে বাঁধ ভেঙে নদীতে চলে যায়। যেহেতু বাঁধের পাশেই আমাদের বাড়ি, এখন আমাদের বাড়িঘর নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি অধ্যাপক ফজলুল হক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকার ৪ দশমিক ১ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ তীর সংরক্ষণের জন্য একটি ডিপিপি দাখিল করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘমেয়াদে এই ভাঙন সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ