ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বর্ষা আসলেই মালোপাড়ার জনজীবন অবরুদ্ধ হয়ে যায়


বর্ষা আসলেই মালোপাড়ার জনজীবন অবরুদ্ধ হয়ে যায়

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মালোপাড়া গ্রামে সামান্য বৃষ্টির কারণে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।

যেহেতু পানি নিষ্কাশনের কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেই, ফলে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বৃষ্টির পানি কারণে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতির ফলে চরম দুর্ভোগের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যও চরম হুমকির মুখে চলে এসেছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই বাড়ির উঠান পানিতে তলিয়ে যায়। তারা ঘর থেকে বের হওয়ার পর হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে রাস্তায় যেতে বাধ্য হন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছে শিশু, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

অনেকে অভিযোগ করেন, অনেক বাড়ির আঙিনা, রান্নাঘর এমনকি বসতঘরের চারপাশও পানিতে ডুবে থাকে, ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। মালোপাড়ার বাসিন্দা বিধান মালো (২৭) বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এটি অনেক জায়গাকে ভাগাড়ের মতো পরিবেশে পরিণত করেছে।

স্থির ও নোংরা পানিতে মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ডায়রিয়া, চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও বয়স্কদের প্রতিদিনের জীবনে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

আরেক বাসিন্দা তরুণ কুমার মৃধা (৪০) বলেন, প্রতি বর্ষা মৌসুমে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী সমাধানের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তিনি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ এবং খাল-নালা সংস্কারের দাবি করেছেন।

কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান তিতাস বলেন, মালোপাড়া গ্রামের জলাবদ্ধতা একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারণে প্রতি বর্ষা মৌসুমে এলাকাবাসী দুর্ভোগে পড়ছেন। তিনি সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি ড্রেনেজ প্রকল্পের প্রস্তাব ইতোমধ্যে ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন ও বরাদ্দ পাওয়া গেলে চলতি অর্থবছরেই বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা আরও তীব্রভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং জনদুর্ভোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক রাষ্ট্রপতির গুলশানের বাড়িতে পরিচ্ছন্নতা ও রঙের কাজ চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


সাবেক রাষ্ট্রপতির গুলশানের বাড়িতে পরিচ্ছন্নতা ও রঙের কাজ চলছে

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর গুলশানের তার ব্যক্তিগত বাসভবনে পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। বর্তমানে বাড়ির নিচতলার বসার জায়গাটি নতুন করে রং করা হচ্ছে, এবং আসবাবপত্র পরিষ্কার করা হচ্ছে।

বাড়ির ব্যবস্থাপনা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি বাসায় ফিরতে পারেন—এমন প্রস্তুতি নিয়েই কাজ চলমান রয়েছে। সকলের অবগতির জন্য জানানো যায়, বাড়িটির পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটটিতে মো. সাহাবুদ্দিন থাকতেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে ১২৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত বাড়িটিতে গিয়ে যে দৃশ্য দেখা যায়, তাতে বাড়ির সামনে কিছু গণমাধ্যমকর্মী অবস্থান করছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যকে সেখানে পাওয়া যায়নি। ভিতরে ভাড়াটিয়াদের গাড়ির চালকেরা গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছেন।

বাড়ির ব্যবস্থাপক কবির হোসেন বলেন, ‘স্যার কবে আসবেন, আমরা নিশ্চিতভাবে জানি না। তবে আমাদের সবকিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখতে বলা হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ করছি। স্যার কয়েক দিনের মধ্যেই বাসায় আসতে পারেন।’

সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির নিচতলায় গাড়ি পার্কিংয়ের পাশেই একটি বসার কক্ষ রয়েছে। সেখানে বেশ কিছু সোফা ও একটি টেবিল রাখা আছে এবং আসবাবগুলো পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। কক্ষের এক পাশে রঙের কৌটা রয়েছে এবং দেয়ালের পুরোনো রং ঘষে তুলে নতুন করে রং করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

কবির হোসেন আরো বলেন, প্রথমে রং করা হবে, তারপর সোফাগুলো পরিষ্কার করা হবে। লোকজন আসবেন, বসবেন—সেজন্যই জায়গাটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। শুক্রবার মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পর তিনি গুলশানের ব্যক্তিগত বাসভবনে ফিরবেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ধারণা আছে। তবে তিনি কবে ফিরবেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

যদিও বাড়িতে চলমান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কার কাজ দেখে বোঝা যায়, তার ফিরে আসার সম্ভাবনা সামনে রেখেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বাড়ির নিচতলার বসার জায়গাটিকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় পৌনে দুই বছর পূর্বে রাষ্ট্রপতির পদ ছেড়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন, এবং অসুস্থতাকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি

সাম্প্রতিক বন্যার ফলে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ ২ হাজার ২৪০ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি চট্টগ্রাম জেলায় হয়েছে। চট্টগ্রামে প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ টাকা।

বন্যার কারণে মারা গেছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৪টি গবাদিপশু এবং হাঁস-মুরগি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২টি গবাদিপশু এবং ১০ হাজার ৯৯১টি খামার। চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি জেলার ৪৫টি উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়নে এই ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে। জেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, কক্সবাজারে ক্ষতির পরিমাণ ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৯১ হাজার ১১০ টাকা, রাঙামাটিতে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা, খাগড়াছড়িতে ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা এবং বান্দরবানে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার ৯৯১টি খামারের মধ্যে ৪ হাজার ৭৫৬টি গবাদিপশুর খামারে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকার এবং ৬ হাজার ২৩৫টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া, ৯১০ টন দানাদার পশুখাদ্যে ৫ কোটি ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১৪ হাজার ২৬৫ টন খড়ে ২১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার ১২৯ টন ঘাসে ৮ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। মৃত্যু ঘটেছে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির কারণে ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৭৪০ টাকার।

শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই ১৫টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২১৮টি গবাদিপশুর খামারে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ৫ হাজার ৬৭৪টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৭ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর পাশাপাশি ১৬২ টন পশুখাদ্যে ৯২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৬ হাজার ৯৬০ টন ঘাসে ৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগিকে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার ১৪০ টাকার ক্ষতি বেড়েছে।

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামে ১ হাজার ১ একর, কক্সবাজারে ৭ হাজার ৮৪০ একর, বান্দরবানে ৫১০ একর এবং রাঙামাটিতে ১ হাজার ১২৯ একর চারণভূমি প্লাবিত হয়েছে। এর ফলে মারা গেছে ৭১টি গরু, ১৬৫টি ছাগল, ৫০টি ভেড়া, ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০টি মুরগি এবং ২ হাজার ৫০৮টি হাঁস। এর মধ্যে চট্টগ্রামে মারা গেছে ৩৯টি গরু, ৯৫টি ছাগল, ৪২টি ভেড়া, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৭টি মুরগি এবং ১ হাজার ৩০০টি হাঁস।

বন্যার কারণে চিকিৎসা পেয়েছে ১১ হাজার ৮৯৭টি পশু এবং ৮৪ হাজার ৬৫০টি হাঁস-মুরগি। পাশাপাশি ১০ হাজার ৬৮৯টি পশু ও ১৯ হাজার ২৭টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের তিনটি, কক্সবাজারের একটি এবং বান্দরবানের চারটি প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সম্পর্কিত কথা বলেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপপরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. মুহাম্মদ ইজমাল হাসান। তিনি জানান, মাঠ পর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির হিসাব তৈরি করা হয়েছে। তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাত শিক্ষক বদলির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাত শিক্ষক বদলির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষসহ সাত শিক্ষককে একযোগে বদলির প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করেছেন।

শিক্ষার্থীরা শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে 'কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ শিক্ষার্থীবৃন্দ' ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ বাতিলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সাত শিক্ষককে পুনর্বহালের দাবি জানান।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন যে, কলেজে আগে থেকেই শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ কারণে নতুন শিক্ষক নিয়োগ বা পদায়ন না করেই একযোগে সাত শিক্ষককে বদলি করায় শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা এই সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী ও আত্মঘাতী উল্লেখ করে অবিলম্বে বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, কলেজের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে দ্রুত ওই সাত শিক্ষককে পুনর্বহাল করা এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক শিক্ষক পদায়নের জন্য উদ্যোগ নিতে হবে।

উল্লেখ্য, চলমান এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র হওয়ায় গত ১৩ জুলাই টানা ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। হাঁটুরও বেশি পানি মাড়িয়ে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয় এবং পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপসচিব মো. আ. কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষসহ সাত শিক্ষককে দেশের বিভিন্ন জেলায় বদলির আদেশ জারি করা হয়। এরপর থেকেই ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পাইডার-ম্যান সাজে ফিরছিলেন, পথেই সুপারহিরো হয়ে উঠলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৫ পি.এম


স্পাইডার-ম্যান সাজে ফিরছিলেন, পথেই সুপারহিরো হয়ে উঠলেন

যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস রাজ্যের জোনসবোরো শহরের অত্যন্ত ব্যস্ত একটি ছয় লেনের রাস্তার ঘটনা এটি। সেখানে হুইলচেয়ারে বসা একজন ব্যক্তি সড়ক পার হওয়ার সময় প্রচণ্ড বিপদের মধ্যে পড়েছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে, অবিশ্বাস্য এবং অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে, এক সুপারহিরো তার কাছে এসে দাঁড়ালেন। লাল রঙের একটি জিপ গাড়ি যখন ট্রাফিক সিগনালে থামল, তখন ভেতর থেকে লাফিয়ে নামলেন স্বয়ং ‘স্পাইডার-ম্যান’!

পোশাক পরিহিত ২০ বছর বয়সী তরুণটির নাম ক্রিস্টোফার হেলেনথাল। তিনি স্থানীয় একটি ট্রাম্পোলিন পার্কে কর্মরত, যেখানে একটি সুপারহিরো-থিমভিত্তিক ইভেন্ট শেষে তিনি নিজের গাড়িতে ফিরছিলেন। মধ্যাহ্নের ব্যস্ত ট্রাফিকে হুইলচেয়ারে থাকা ওই লোকটিকে বিপদে দেখার পর, তিনি দ্রুত ছুটে যান এবং বলেন, "আমি আপনাকে সাহায্য করছি।"

ট্রাফিক সিগন্যালের বাতি সবুজ হওয়ার মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগে ও সারি সারি গাড়ি চালু হওয়ার আগেই, তিনি লোকটিকে নিরাপদে রাস্তা পার করাতে সক্ষম হন।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্তটি শহরের রাস্তার সিকিউরিটি ক্যামেরায় ধারণ করা হয়। পরে, স্থানীয় পুলিশ তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি শেয়ার করে, হেলেনথালকে ধন্যবাদ জানায় লোকটিকে নিরাপদে রাস্তা পার করতে সাহায্য করার জন্য।

ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট হওয়ার সাথে সাথে ভাইরাল হয়ে যায় এবং হাজারো লাইক অর্জন করে। এক নেটিজেন আফসোস করে লিখেছেন, সাহায্য করার পর ঐতিহ্যবাহী স্পাইডি পোজ দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেল!

জোনসবোরো পুলিশ ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র স্যালি স্মিথ জানান, "ডিপার্টমেন্টে আমার সাত বছরের কাজের অভিজ্ঞতায় আমি কখনও এমন ঘটনা দেখিনি।" পুলিশ হুইলচেয়ারে থাকা ওই ব্যক্তির নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি।

হেলেনথাল বলেন, "আমার শরীরে তখন প্রচুর অ্যাড্রেনালিন রসায়ন বইছিল। আমাকে দ্রুত ট্রাফিকের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। আমি শুধু ভাবছিলাম, আমি তো স্পাইডার-ম্যানের পোশাক পরে আছি, দৃশ্যটা দেখতে বেশ মজার হবে!"

লোকটিকে নিরাপদে পৌঁছানোর পর, তিনি আবার দৌড়ে নিজের গাড়িতে চলে যান কারণ সিগন্যাল খুব দ্রুতই সবুজ হয়ে গিয়েছিল।

লেকে সিটির বাসিন্দা হেলেনথাল ছোটবেলা থেকেই স্পাইডার-ম্যানের ভক্ত। তিনি এমনকি প্রয়াত ক্যারেক্টার স্রষ্টা স্ট্যান লি-র সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগও পেয়েছিলেন।

হেলেনথালের সহকর্মী ও আলটিমেট এয়ার ট্রাম্পোলিন পার্কের ম্যানেজার পাকি ম্যাগেল বলেন, "সুপারহিরোর মুখোশ থাকা সত্ত্বেও, আমি হেলেনথালকে চিনতে পেরেছি।" তিনি আরও যোগ করেন, "পোশাক পরে থাকা অবস্থায় এমন একটি কাজ করা পুরোপুরি ওর স্বভাবসুলভ।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%