মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০১ পি.এম
মিশরের রাজধানী কায়রোয় বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলার মরমি সাধক, মানবতাবাদী দার্শনিক ও কালজয়ী বাউল সংগীতসাধক ফকির লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লালনের জীবন, দর্শন ও সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে মানবতা, সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা ও সম্প্রীতির চিরন্তন বার্তা তুলে ধরা হয়।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দূতাবাসের হলরুমে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিশরে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জি এম মেহেদী হাসান, যেখানে বক্তব্য রাখেন রেজাউল করিম, মাসুদ করিম চৌধুরী, নোমান করিম আজহারী এবং দূতাবাসের শ্রম সচিব মো. জাকির হোসেন।
বক্তারা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে লালন সাঁইয়ের অবিস্মরণীয় অবদান তুলে ধরেন। বক্তাদের মতে, লালনের গান ও দর্শন জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও সামাজিক পরিচয়ের বিভেদ অতিক্রম করে মানবতা, সাম্য, ভালোবাসা ও সামাজিক সম্প্রীতির শিক্ষা প্রদান করে। তার কালজয়ী সৃষ্টি আজও মানুষকে উদারতা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে।
সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানান এবং বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক ও মানবতাবাদী চিন্তাবিদ লালন সাঁইয়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ফকির লালন সাঁইয়ের গান ও দর্শন জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও সামাজিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সাম্য, মৈত্রী, প্রেম, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির চিরন্তন বাণী বহন করে। ধর্মীয় সংকীর্ণতা ও সামাজিক বৈষম্যের বিপরীতে মানবতার জয়গান গাওয়া তাঁর দর্শন আজও বিশ্বজুড়ে শান্তিকামী মানুষ, মানবতাবাদী চিন্তাবিদ ও মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাসীদের অনুপ্রাণিত করে।
গৌতম কুমার দে লালন সাঁইয়ের কালজয়ী দর্শনের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, তার সৃষ্টি বাঙালির সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। ভৌগোলিক ও ধর্মীয় সীমানা অতিক্রম করে লালনের গান প্রচলিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গোঁড়ামিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে এবং মানবধর্মের চেতনাকে সমুন্নত করেছে। ধর্ম, বর্ণ ও সামাজিক পরিচয়ের বিভেদ পেরিয়ে অভিন্ন মানবসত্তাকে উপলব্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহিষ্ণু, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে লালনের শিক্ষা আজও গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা জোগায়।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত বাউল সম্প্রদায়ের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক সাধনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাউল সংস্কৃতি বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার মতে, সহনশীলতা, মানবিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ক্ষেত্রে লালন সাঁইয়ের দর্শন বর্তমানের অনিশ্চিত ও জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতেও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। লালনের সৃষ্টি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ লোকজ ঐতিহ্য এবং অসাম্প্রদায়িক, উদার ও মানবতাবাদী পরিচয়ের উজ্জ্বল প্রতিফলন।
নতুন প্রজন্মের মধ্যে লালন সাঁইয়ের মানবতাবাদী ও অসাম্প্রদায়িক দর্শন ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার সংরক্ষণ ও চর্চার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে লালনের জীবনদর্শন পৌঁছে দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি শিল্পীরা লালনগীতি ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। শিশুদের মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনও উপস্থিত অতিথিদের মুগ্ধ করে। এসব সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে অতিথিরা বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক স্বতন্ত্র ধারার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে লালন সাঁইয়ের জীবন, দর্শন এবং বাঙালি সমাজ, সংস্কৃতি ও সাহিত্যে তার অবদান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মিশরে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য, দেশটির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, পেশাজীবী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি একটি বিশাল সমারোহ যা সম্প্রীতি ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির মেলবন্ধনকে তুলে ধরে। এই উপলক্ষে রাঙামাটির শ্রীশ্রী গীতাশ্রম মন্দিরে নেওয়া হয়েছে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, যার মাধ্যমে শতাধিক প্রতিমার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ধর্ম, জীবনধারা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
শ্রীশ্রী গীতাশ্রম মন্দিরের পূজামণ্ডপে প্রবেশ করলে দেখা যায় উৎসবের আনন্দময় পরিবেশ। এখানে সারি সারি প্রতিমায় পাহাড়ের মানুষের দৈনন্দিন জীবন, ঐতিহ্যবাহী পোশাক, উৎসব এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। এবারের এই আয়োজন অন্যান্য পূজামণ্ডপের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। সমতলের সনাতনী সংস্কৃতির পাশাপাশি পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক পরিচয় একই স্থানে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করেছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ প্রতিদিন এই ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী দেখতে মণ্ডপে ভিড় করছেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্বতবেষ্টিত এই অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে নতুনভাবে সবার সামনে তুলে ধরাই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য।
শ্রীশ্রী গীতাশ্রম মন্দির পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি শংকর হোড় মন্তব্য করেন, এবারের আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি পাহাড়ি সংস্কৃতির এই রূপ তুলে ধরার চেষ্টা আমাদের অন্যতম আকর্ষণ ছিল। এই মণ্ডপটি মূলত বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সেতু হিসেবে কাজ করছে।
দর্শনার্থীদের মতে, দুর্গাপূজার আনন্দের সঙ্গে পাহাড়ের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য দেখার এই সুযোগ সত্যিই অনন্য। এটি রাঙামাটির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সংস্কৃতির বহুমাত্রিক রূপকে ফুটিয়ে তুলেছে।
এ বছর রাঙামাটি জেলাজুড়ে সম্প্রীতির আবহ ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে মোট ৪৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াত ১৮ কোটি মানুষের জন্য কাজ করে না। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত ধারণা হলো, জামায়াতের কর্মী ছাড়া জামায়াত অন্য কাউকে ভিক্ষাও দেয় না। জামায়াত আসলে কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং একটি সমিতি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জামায়াতের কর্মকাণ্ড মূলত তাদের নিজস্ব কর্মী ও সমর্থকদের কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়। সাধারণ মানুষের জন্য তাদের কার্যক্রমের পরিধি নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে।
পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে সংসদ সদস্য বলেন, স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত সুন্দরভাবে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। কালকিনি উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে গিয়ে তারা খোঁজখবর নিচ্ছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের পাশে পেয়ে আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সি, মাদারীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গাউছ উর রহমানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে একটি ভাড়া বাসা থেকে রোকন কর্মকার (৩২) নামের এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৩টার সময় বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেট এলাকায় অবস্থিত ফাইজা কটেজ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রোকন কর্মকার বেগমগঞ্জ উপজেলার রফিকপুর গ্রামের শংকর কর্মকারের পুত্র। তিনি বসুরহাট পৌরসভার হাসপাতাল গেট এলাকায় একটি স্টেইনলেস স্টিলের (এসএস) দোকান পরিচালনা করতেন।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোকন কর্মকার তার স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতাল গেট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ঘটনার দিন তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে ছিলেন, ফলে তিনি একা ছিলেন বাসায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুপুরের দিকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। স্থানীয়রা তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দেনার চাপ অথবা আর্থিক সংকটজনিত হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুনভাবে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩৬৬ জন রোগী।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
এখন পর্যন্ত চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৩৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ৬১৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪১৫ জন ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে)। এছাড়া, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১৩ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
একই সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৯১ জন, খুলনা বিভাগে ১৪১ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮০ জন এবং রংপুর বিভাগে ৭২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সিলেট বিভাগে নতুন করে ১১ জন ডেঙ্গু রোগীও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ