ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে আর্জেন্টিনার ফ্যানদের বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা


বরিশালে আর্জেন্টিনার ফ্যানদের বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা

ফুটবল বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ দখিনের জেলা বরিশালকে ছুঁয়ে গেছে। সেমিফাইনালে আলবিসেলেস্তেদের দারুণ জয়ে বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতে উঠেছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা। ফাইনালে ওঠার আনন্দ উদযাপন উপলক্ষে পুরো নগরী এখন নীল-সাদার উৎসবে রূপ নিয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে নগরীতে অনুষ্ঠিত হয় একটি বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা। শত শত ফুটবলপ্রেমী নীল-সাদা জার্সি গায়ে জড়িয়ে, প্রিয় দলের পতাকা উড়িয়ে রাজপথে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন। মোটরসাইকেলের হর্ন আর আর্জেন্টিনার সমর্থনে 'মেসি-মেসি' স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো নগরী।

বিকেলে নগরীর ঐতিহাসিক বেলস পার্ক মাঠ থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। এরপর এটি শহরের সদর রোড, হাসপাতাল রোড, নতুন বাজার, বিএম কলেজ রোড, সিএন্ডবি রোড এবং আমতলার মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বেলস পার্ক মাঠে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা চলাকালীন রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষকেও হাত নেড়ে সমর্থকদের অভিবাদন জানানোর জন্য দেখা যায়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া আর্জেন্টাইন সমর্থকরা দাবি করেন, এবারের আসরেও শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট মাথায় তোলার সক্ষমতা রয়েছে তাদের প্রিয় দলের। তারা টানা দ্বিতীয়বারের মতো কোপার ট্রফি ঘরে তোলার ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী।

নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা আর্জেন্টাইন সমর্থক রিচার্ড দিগন্ত বলেন, ‘মেসিদের খেলা মানেই আলাদা জাদু। সেমিফাইনালের পারফরম্যান্স দেখার পর আমাদের আত্মবিশ্বাস দ্বিগুণ হয়ে গেছে। আর্জেন্টিনা এখন যে ফর্মে আছে, ফাইনালে তাদের আটকানো অসম্ভব। আমরা ট্রফি নিয়েই ঘরে ফিরব।’

বিএম কলেজের শিক্ষার্থী তাশফিয়া রহমান বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থক। এবারের কোপা আমেরিকা আমাদের জন্য ভীষণ আবেগের।’

শোভাযাত্রার অন্যতম সমন্বয়ক সাইদুল ইসলাম মিলন মন্তব্য করেন, ‘বরিশালে আর্জেন্টিনার ভক্ত-সমর্থকদের সংখ্যা বরাবরই আকাশচুম্বী। প্রিয় দলের ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পর আমরা ঘরে বসে থাকতে পারিনি। বেলস পার্ক থেকে শুরু করে পুরো শহরের প্রধান সড়কগুলো আমরা নীল-সাদায় রাঙিয়ে দিয়েছি।’

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

তিনি আরো বলেন, ‘শুক্রবারের এই শোভাযাত্রা কেবল শুরু, আসল উদযাপন হবে ফাইনাল জয়ের পর।’

আরেক প্রবীণ সমর্থক নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এই দলটার মধ্যে একটা বিজয়ী মনোভাব রয়েছে। পুরো টুর্নামেন্টে তারা যেভাবে খেলেছে, তাতে কাপ আমাদেরই থাকবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘গণহত্যার বিচার করে শেখ হাসিনার ফাঁসি কার্যকর করা হবে’: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


‘গণহত্যার বিচার করে শেখ হাসিনার ফাঁসি কার্যকর করা হবে’: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, জাতিসংঘ স্বীকৃত ‘গণহত্যার’ বিচার করা হবে এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করা হবে। তিনি একই সঙ্গে বলেন, বাংলাদেশে আর কখনও ফ্যাসিবাদের প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগরীর কাজির দেউরি চটেশ্বরী রোডে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ পালন উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে এবং অন্য কোনো দেশের ‘সেবাদাসে’ পরিণত হবে না। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ যেমন পাকিস্তানের শাসনের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছিল, তেমনি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম উপাদান ছিল বাংলাদেশকে ভারতের ‘সেবাদাসে’ পরিণত করার বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ।

তিনি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শেখ হাসিনা আবার দেশে ফিরবেন— এমন প্রচার চালানো হচ্ছে। শেখ হাসিনার সহযোগী দলটি দেশের ভেতরে বিভিন্নভাবে সক্রিয় হয়ে ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে রাজনীতিতে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।

ইশরাক বলেন, ‘বাংলাদেশে আর কোনো দিনও ফ্যাসিবাদের প্রতিষ্ঠা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’ অতীতেও শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় তারা ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’ স্লোগান দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কারামুক্ত হয়ে রাজপথে ফেরা পরেও তারা একই ধরনের স্লোগান দিয়েছেন বলে ইশরাক উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে জাতিসংঘ স্বীকৃত ‘গণহত্যার’ বিচার করা হবে এবং সেই বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি কার্যকর করা হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন মন্তব্য করেন, গেজেটভুক্ত ৮৪৩ জন শহীদের পাশাপাশি আরও অনেকে এখনো তালিকাভুক্ত হননি বলে তাদের ধারণা। তথ্যের অভাব বা অন্য যেকোনো কারণে বাদ পড়া ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করতে সরকার কাজ করবে।

তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি নির্ভুল শহীদের তালিকা প্রণয়ন করা হবে। শহীদদের জীবনবৃত্তান্ত, আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের ভূমিকা এবং যেসব তথ্যচিত্র পাওয়া যাবে, সেগুলো সংরক্ষণ করবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

আলোচনার সময় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, হাসিনার ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের ক্রোধের বিস্ফোরণ হলো জুলাই গণআন্দোলন। জুলাই নিয়ে কোনো ছল-চাতুরী করার প্রয়োজন নেই। অনেকে বলেন, রাজপথে নামবেন। রাজপথের ভয় আমাদের দেখাবেন না। দেশে অস্থিতিশীল তৈরি থেকে বিরত থাকুন।

আলোচকরা ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের বিচার নিশ্চিত করার কথাও বলেন। জুলাই চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, সাঈদ আল নোমান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরসহ অনেকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফটিকছড়িতে শাহ্ এমদাদীয়ার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‘ঔষধি গ্রাম’ গড়ার প্রত্যয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ পি.এম


ফটিকছড়িতে শাহ্ এমদাদীয়ার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‘ঔষধি গ্রাম’ গড়ার প্রত্যয়ে

'সুস্থ জীবন, সমৃদ্ধ দেশ; ঔষধি গাছেই বাংলাদেশ’—এই সময়োপযোগী স্লোগানকে ধারণ করে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ‘বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণ কর্মসূচি ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে, ফটিকছড়ির নানুপুরস্থ গামরীতলায় অবস্থিত মাইজভাণ্ডার আহমদিয়া এমদাদীয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচিটি পালিত হয়। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি, এদিন এলাকার ৩০০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে নিম, তুলসী, বাসক, অর্জুন, হরিতকী, আমলকী এবং অ্যালোভেরা মতো বিভিন্ন উপকারী ঔষধি গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ্ এমদাদীয়া) চট্টগ্রাম জেলা কার্যকরী সংসদের বাস্তবায়নে গত তিন বছর ধরে এই এলাকায় ঔষধি গাছের চারা রোপণের এই মহতী উদ্যোগ চলমান রয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে গামরীতলা গ্রামকে একটি বিশেষায়িত ‘ঔষধি গ্রাম’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে; যার মূল উদ্দেশ্য হলো ঐ এলাকার প্রতিটি বাড়িতে যেন অন্তত একটি করে ঔষধি গাছ থাকে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জনস্বাস্থ্যে ভেষজ চিকিৎসার প্রসার ঘটানোর এই উদ্যোগটি মূলত সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)-এর প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতা ও উৎসাহে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি উক্ত অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন এবং উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সহ-সভাপতি ও নায়েব সাজ্জাদানশীন এবং মোন্তাজেমে দরবার আলহাজ্ব শাহ সুফি সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী। তিনিও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তার মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ্ এমদাদীয়া) চট্টগ্রাম জেলা কার্যকরী সংসদের সভাপতি হুমায়ুন কবির চৌধুরী, সহ-সভাপতি মওলানা মুহাম্মদ আবুল মনসুর, সাধারণ সম্পাদক শেখ শাকিল মাহমুদ, কোষাধ্যক্ষ এ.এম. কামাল উদ্দীন, দারুত-তায়ালীম সম্পাদক মওলানা মুহাম্মদ আবুল মনছুর, জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ নুরুল কবির, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক মুহাম্মদ আবদুল করিম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবুল কাশেম এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক খায়রুল ইসলাম সুজন।

এছাড়াও, আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ্ এমদাদীয়া) কক্সবাজার জেলা কার্যকরী সংসদের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মওলানা আবু মুসা, মাইজভাণ্ডার আহমদিয়া এমদাদীয়া মাদ্রাসার শিক্ষক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোরে ভৈরব নদে গোসল করতে যাওয়ার পর গৃহবধূ নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


যশোরে ভৈরব নদে গোসল করতে যাওয়ার পর গৃহবধূ নিখোঁজ

যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয়েছেন ফাতেমা আক্তার বর্ণা (২৮) নামে একজন গৃহবধূ।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরের সময় নওয়াপাড়ার সরদার মিলসংলগ্ন মালোপাড়া মহিলা ঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজ ফাতেমা আক্তার বর্ণা অভয়নগর উপজেলার মশরহাটি গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং বর্ণার ছোট ভাই মেহেদী হাসান জানান, দুই দিন আগে তার বোন স্বামীর বাড়ি থেকে তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শুক্রবার দুপুরে আনুমানিক ২টার দিকে তারা একসঙ্গে ভৈরব নদে গোসল করতে যায়। একপর্যায়ে বর্ণা নদীতে ঝাঁপ দেন এবং হঠাৎ পানির নিচে তলিয়ে যান। পরিবার এবং স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করেন, কিন্তু তাকে খুঁজে না পেয়ে তারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। খুলনা থেকে আসা ডুবুরিরা উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চললেও বর্ণার সন্ধান মেলেনি।

নওয়াপাড়া নৌ পুলিশের ওসি রনজিত কুমার জানান, সন্ধ্যার পর উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে আবার অভিযান শুরু হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টর্নেডোর আ-ঘাতে কক্সবাজার সৈকতে আহত ১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


টর্নেডোর আ-ঘাতে কক্সবাজার সৈকতে আহত ১৫

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে এক বিরল প্রাকৃতিক ঘটনার সাক্ষী হতে হল পর্যটকদের। গভীর সমুদ্রে প্রায় ২০ মিনিট অবস্থানের পরে একটি টর্নেডো উপকূলের দিকে ধেয়ে এসে আঘাত হানে। টর্নেডোটি সমুদ্রসৈতের সুগন্ধা ও সী-গাল পয়েন্ট এলাকায় আক্রমণ করে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২ টা ২০ মিনিটের দিকে এটি উপকূলে আঘাত হানলেও স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড।

দুর্বল প্রকৃতির এই টর্নেডোতে কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ জন আহত হন, যার মধ্যে পর্যটক, হকার এবং ছাতা-চেয়ার ব্যবসায়ী রয়েছেন, এছাড়া বেশ কিছু ছাতা ও চেয়ারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় লাইফ গার্ড সদস্যরা দ্রুত সতর্কতা জারি করে পানিতে অবস্থানরত পর্যটকদের নিরাপদে বের করে আনেন।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে দায়িত্বে থাকা সি সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র কর্মী জয়নাল আবেদীন ভূট্টো জানান, ১৭ জুলাই ২০২৬ সালে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের কলাতলী পয়েন্টের সোজা গভীর সমুদ্রে একটি টর্নেডো সৃষ্টি হয়। এটি প্রায় ২০ মিনিট গভীর সমুদ্রে অবস্থান করছিল, এই সময় সৈকতে থাকা অসংখ্য পর্যটক বিরল এই প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করেন এবং অনেকেই মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।

পরবর্তীতে টর্নেডোটি উপকূলের দিকে আসতে শুরু করায় লাইফ গার্ড সদস্যরা সতর্কতা হিসেবে বাঁশি (উইসেল) বাজিয়ে পর্যটকদের নিরাপদে উঠে আসার জন্য সতর্ক করেন। তবে অনেকে প্রথমে সেই সতর্কসূচক বার্তাগুলো গুরুত্ব দেননি।

জয়নাল আবেদীন ভূট্টো আরও বলেন, একপর্যায়ে টর্নেডোটি সুগন্ধা পয়েন্ট অতিক্রম করে সিগাল পয়েন্ট দিয়ে উপকূলে উঠে আসে। উপকূলে অবস্থানের সময় এটি প্রায় ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড ধরে রয়ে যায়। এ সময় পর্যটক, হকার ও ছাতা-চেয়ার ব্যবসায়ীসহ আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ জন আহত হন। এছাড়া সৈকতে থাকা ১০ থেকে ২০টি ছাতা ও চেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের কাছে দেখা দেওয়া ঘূর্ণিবাতাসটি একটি দুর্বল প্রকৃতির টর্নেডো। তিনি জানান, এই বিষয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে নিশ্চিত হয়েছেন।

তিনি বলেন, টর্নেডো সাধারণত অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়া উচিত। টর্নেডোর মূল ঘূর্ণি বা ফানেল অংশের সংস্পর্শে আসলে মানুষ ও বিভিন্ন বস্তু বাতাসে ১০০ ফুট উঁচুতে উঠে যেতে পারে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে। তাই এই পরিস্থিতিতে বিন্দুমাত্র কৌতূহলবশত কাছাকাছি অবস্থান করাটা উচিত নয়।

আব্দুল হান্নান আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টর্নেডোর ঘটনা দেখা গেলেও যুক্তরাষ্ট্রে এর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি ঘটে। বাংলাদেশেও অতীতে কয়েকটি শক্তিশালী ও প্রাণঘাতী টর্নেডোর ঘটনা ঘটে। সাধারণত গ্রীষ্মকালে টর্নেডোর প্রবণতা বেশি দেখা যায়, তবে অনুকূল আবহাওয়া এবং বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির সৃষ্টিতে বছরের অন্য সময়েও টর্নেডো সৃষ্টি হতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%