ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ মেয়ের ‘বাবা’ হলেন মামুন


৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ মেয়ের ‘বাবা’ হলেন মামুন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী ও সমাজকর্মী মামুন বিশ্বাস ৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ জন অসহায় ও দরিদ্র মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে মানবিকতার এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন।

নিজের উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা নিয়ে তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও অভিভাবকহীন মেয়েদের বিয়ে দিয়ে ১৫৬ মেয়ের ‘বাবা’ হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন মামুন বিশ্বাস। অর্থের অভাবে যেসব পরিবার মেয়ের বিয়ে দিতে পারছিল না, তাদের জন্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সহযোগিতা সংগ্রহ করে বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। প্রতিটি বিয়ের আয়োজন সাধ্যমতো করে মেয়েদের নতুন জীবন শুরুর সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

সম্প্রতি মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে কামারখন্দ উপজেলার দুই অসহায় মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে তিনি আবারও আলোচনায় আসেন।

কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের তেঘরি গ্রামের আবু তালেব ও সামিদা দম্পতির মেয়ে আতিয়া খাতুনের বিয়ের জন্য ফেসবুকের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টাকা সহযোগিতা সংগ্রহ করা হয়। গত ২৫ সেপ্টেম্বর সেই অর্থে আতিয়ার বিয়ের আয়োজন করা হয়।

এর মাত্র ছয় দিন পর, ১ অক্টোবর কামারখন্দের জামতৈল গ্রামের সুচিত্রা রানি দাসের বিয়ের দায়িত্ব নেন মামুন বিশ্বাস। সুচিত্রার বিয়েতে প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়। আর্থিক সংকটের কারণে একাধিকবার বিয়ে ভেঙে যাওয়া সুচিত্রার জন্যও জমকালো বিয়ের আয়োজন করা হয়।

এভাবে একের পর এক অসহায় মেয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মামুন বিশ্বাস এখন ১৫৬ মেয়ের অভিভাবক হিসেবে পরিচিত। মাত্র ৩৮ বছর বয়সে ১৫৬টি মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নেওয়ার এই উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

মামুন বিশ্বাসের উদ্যোগে বিয়ে হওয়া মেয়েরা এখন নতুন সংসার শুরু করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন। বিয়ের পরও তিনি তাদের নিজের মেয়ের মতোই মনে করেন। তাই ১৫৬ জন মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মামুন বিশ্বাস এখন শুধু একজন স্বেচ্ছাসেবী নন, বরং ১৫৬ মেয়ের ‘বাবা’।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জাহ্নবী কাপুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জাহ্নবী কাপুর

বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর, যিনি ‘দেবারা’ সিনেমায় জুনিয়র এনটিআরের সাথে অভিনয় করে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, সম্প্রতি একটি আপত্তিকর ভিডিওর কারণে আলোচনায় এসেছেন। সিনেমাটির ‘চুট্টামাল্লে’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তবে, সেই গানের দৃশ্য ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের বেশ কয়েকজন তারকা ইতোমধ্যে ওই ভিডিওর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে জাহ্নবী তার অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক লিখিত বার্তায় তিনি বলেন, "প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নারীদের সম্মতি ছাড়া বিকৃত বা আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়া যৌন নিপীড়নেরই আরেকটি রূপ।"

জাহ্নবী আরও বলেন, "প্রযুক্তির অপরাধমূলক অপব্যবহার করে নারীদের পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা, সম্মতি ছাড়া বিকৃত কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া এসব যৌন নিপীড়নেরই আরেক রূপ। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির প্রায় প্রতিটি নারীই এরকম কোনো না কোনো অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন। আর সবখানেই নারীরা এমন আচরণের শিকার হচ্ছেন।"

নারীর শরীর, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও সম্মতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, "একজন নারী কোনো বিষয়ে সম্মতি দিলেও পরবর্তী সময়ে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের অধিকার রয়েছে। তার ‘না’কে যেকোনো পরিস্থিতিতে সম্মান করতে হবে।"

জাহ্নবী বলেন, "একজন নারী ছোট পোশাক পরেছেন বলেই তার শরীরের ব্যক্তিগত পরিসরে প্রবেশ বা আপত্তিকরভাবে ছবি ধারণের অনুমতি কেউ পেয়ে যান না। একজন নারী কী পরবেন, কোন বিষয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন এবং নিজের শরীর নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন এসব একান্তই তার ব্যক্তিগত অধিকার।"

সাম্প্রতিক এআই-নির্মিত ভিডিওর ঘটনাকে বৃহত্তর একটি সমস্যার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে জাহ্নবী বলেন, "ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীদের প্রতি হুমকি ও হয়রানি বাড়লেও বাস্তব জীবনেও নারীদের নিরাপত্তা এখনো বড় উদ্বেগের বিষয়।"

তিনি পুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। জাহ্নবী বলেন, "শুধু নারীদের বা মেয়েদের নিরাপদ থাকার পরামর্শ দিলেই হবে না; একই সঙ্গে যে মানসিকতা অন্যের সীমারেখা লঙ্ঘনকে বৈধ মনে করে, সেটিও বদলাতে হবে।"

এ সময় এআই-নির্মিত ওই আপত্তিকর ভিডিওর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য জুনিয়র এনটিআর ও চিরঞ্জীবীকে ধন্যবাদ জানান জাহ্নবী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানো তারকাদের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বার্তার শেষদিকে নারীর প্রতি সম্মান ও ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রশ্ন তুলে জাহ্নবী বলেন, "একজন নারী শুধু একজন মানুষ হিসেবে সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখেন। তার শরীর যখন তার নিজের, তখন তার ছবি, সীমারেখা ও সিদ্ধান্তও তার নিজের।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লটারিতে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রারের বদলি তালিকা প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


লটারিতে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রারের বদলি তালিকা প্রকাশ

ঢাকার বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে লটারির মাধ্যমে বদলি করা হয়েছে ১৮ জন সাব-রেজিস্ট্রারকে, যারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। সারাদেশের ১৩১ জন সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্যে লটারির মাধ্যমে তাদের বাছাই করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাব-রেজিস্ট্রার বদলির কার্যক্রমটি অনুষ্ঠিত হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, নির্বাচিতদের দক্ষতা ও কাজের চাপের ভিত্তিতে ঢাকার বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে তাদের পদায়ন করা হবে।

লটারিতে নির্বাচিত ১৮ জনের মধ্যে রয়েছেন, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির সাব-রেজিস্ট্রার রিপন চাকমা, যশোর সদরের সাব-রেজিস্ট্রার আমিনা বেগম, মানিকগঞ্জের ঘিওরের সাব-রেজিস্ট্রার শর্মিলা আহমেদ সম্পা, মুন্সীগঞ্জ সদরের সাব-রেজিস্ট্রার আলী আজগর, টাঙ্গাইলের গোপালপুরের সাব-রেজিস্ট্রার রাজীব মজুমদার, চট্টগ্রামের বাঁশবাড়িয়ার সাব-রেজিস্ট্রার শিংমং থোয়াই এবং ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার মনিষা রায়।

এছাড়া, কুমিল্লার দাউদকান্দির সাব-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ হানিফ, সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সাব-রেজিস্ট্রার নাজনীন জাহান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের সাব-রেজিস্ট্রার এস এম আবু মুসা, পিরোজপুরের নাজিরপুরের সাব-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মাসুম, নরসিংদীর মনোহরদীর সাব-রেজিস্ট্রার গোবিন্দ সাহা, কুষ্টিয়া সদরের সাব-রেজিস্ট্রার রাশেদ মল্লিক, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার সাব-রেজিস্ট্রার অমিত মঙ্গল চাকমা এবং চুয়াডাঙ্গা সদরের সাব-রেজিস্ট্রার অজয় কুমার সাহা লটারির মাধ্যমে ঢাকায় বদলির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্য দুজন হলেন, চাঁদপুরের চিতলমারীর সাব-রেজিস্ট্রার ফরিদা আক্তার, সাতক্ষীরা সদরের সাব-রেজিস্ট্রার অমাইক বাবু এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকার জন্য নির্বাচিত ১৮ জনের মধ্যে দক্ষতা ও কাজের চাপের ভিত্তিতে বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে তাদের পদায়ন করা হবে। ঢাকার সব কার্যালয়ে কাজের চাপের পরিমাণ এক নয়। তাই যে কর্মকর্তা যে পরিমাণ কাজের চাপ নিতে সক্ষম, তাকে সেই অনুযায়ী দায়িত্ব দেওয়া হবে।

সাব-রেজিস্ট্রারদের প্রাইজ পোস্টিংয়ে বদলির উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, পাবলিক পারসেপশনে যেসব জায়গাকে দুর্নীতির আখড়া মনে করা হয়, সেসব জায়গায় গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট ভাঙার উদ্দেশ্যে এ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাতারাতি সব পরিবর্তন সম্ভব নয়। এই উদ্যোগ একটি শুরুর প্রক্রিয়া এবং এটি চলমান থাকবে। লটারিতে নির্বাচিতদের সাধারণভাবে সার্ভিস রুল অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে দায়িত্ব নিয়ে দুর্নীতিতে জড়ালে তাদের রাখা হবে না।

বর্তমানে সারাদেশে ২৩২ জন সাব-রেজিস্ট্রার কর্মরত আছেন এবং ১৩৯টি পদ খালি রয়েছে। আইনমন্ত্রী জানান, খালি পদগুলোতে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সাব-রেজিস্ট্রারদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ছয় মাসে এ ধরনের অভিযোগে প্রায় ১০ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইলিশ উৎপাদন কমায় বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির নতুন উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


ইলিশ উৎপাদন কমায় বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির নতুন উদ্যোগ

দেশে ইলিশের উৎপাদন গত দুই বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে কমে আসছে। এই পরিস্থিতিতে মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকারি সংস্থাগুলোর পাশাপাশি জেলে, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, এনজিও এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে একটি সমন্বয় সেল গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় মাছঘাটে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা, স্থানীয় তথ্যদাতা নেটওয়ার্ক তৈরি এবং সরকারি সহায়তা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ প্রজননক্ষেত্রের নজরদারি জোরদার করার কাজ করবে সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর মেঘনা ভবনে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির কনফারেন্স রুমে ‘ব্রুড ইলিশ কনজারভেশন ইনিশিয়েটিভ’ নিয়ে অংশীজনদের পরামর্শ সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. নিয়ামত এলাহি।

আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

সভায় জানানো হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে ইলিশের উৎপাদন ছিল ৫ দশমিক ৭১ লাখ মেট্রিক টন। পরবর্তী অর্থবছরে তা কমে ৫ দশমিক ২৯ লাখ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৫ লাখ মেট্রিক টনে নেমে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, অতিরিক্ত আহরণ, নিষিদ্ধ ও সূক্ষ্ম ফাঁসের জাল, মা ইলিশ ও জাটকা নিধন, তলদেশীয় ট্রলিং, নদীদূষণ, পলি জমা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে।

তবে শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করলেই ইলিশ রক্ষা সম্ভব নয় বলে মত দেন সভায় অংশগ্রহণকারী গবেষক ও মৎস্যজীবী প্রতিনিধিরা। তাদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার সময় দুর্গম নদী ও অভয়াশ্রম এলাকায় অবৈধ মাছ শিকার বন্ধে নজরদারি আরও বাড়াতে হবে।

জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি ও সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজের প্রতিনিধিরা জানান, পদ্মার জাজিরা, সুরেশ্বর ও চরভৈরবীসহ বিভিন্ন এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় সংঘাতের ঘটনা ঘটে। কখনও কখনও অবৈধ শিকারিরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

সভায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে নিষেধাজ্ঞার সময়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রজননক্ষেত্রে আরও সক্রিয় নজরদারির ওপর জোর দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. নিয়ামত এলাহি বলেন, ইলিশ রক্ষায় সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক, জেলে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও এনজিওগুলোর মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। গুরুত্বপূর্ণ প্রজননক্ষেত্রে মা ইলিশ নির্বিঘ্নে পৌঁছাতে কোস্ট গার্ডের নজরদারি আরও শক্তিশালী করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করতে পারে।

সম্প্রতি ভারতের গুজরাট থেকে বাংলাদেশে ইলিশ প্রবেশের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের চাহিদা পূরণে নিজেদের ইলিশের মজুত রক্ষা করতে হবে।

নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে ৮ ও ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনে মাছঘাটে সচেতনতামূলক প্রচারণা, স্থানীয় তথ্যদাতা নেটওয়ার্ক পরিচালনা এবং বরিশালের একটি ইলিশ ঘাটে গণজমায়েত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি জেলেদের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তা সঠিকভাবে পৌঁছাচ্ছে কিনা, সেটিও পর্যবেক্ষণ করা হবে।

সভায় জাতীয় পর্যায়ে সেমিনার আয়োজন, মন্ত্রী পর্যায়ে ‘হিলসা থিংক ট্যাংক’ গঠন এবং ইলিশের সংখ্যা, প্রজননক্ষেত্র ও নদীদূষণ নিয়ে যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন সম্ভাব্য গবেষণা অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

সভায় বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, সার্ক কৃষি কেন্দ্র, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন, সিএনআরএস, কোস্ট ফাউন্ডেশন, শুশীলন এবং জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেষের পথে চাকসুর মেয়াদ, শপথ নিলেন আকাশ দাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


শেষের পথে চাকসুর মেয়াদ, শপথ নিলেন আকাশ দাস

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে প্রার্থী হয়ে আলোচনায় আসেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থী আকাশ দাস। তিনি নির্বাহী সদস্য পদে জয়লাভ করেন নির্বাচনে।

তবে নির্বাচনের পর ধর্ষণের জন্য নারীদের দায়ী করে ফেসবুকে মন্তব্য করার কারণে তিনি তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হন। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের একাংশের আপত্তির কারণে তিনি অন্যদের সঙ্গে শপথ নিতে পারেননি।

সেই আকাশ দাসকে চাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র ১৭ দিন আগে শপথ পড়ানো হলো।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আকাশ দাসকে শপথবাক্য পাঠ করান চাকসুর সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আল ফোরকান। বর্তমান চাকসুর মেয়াদ আগামী ২২ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা।

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত চাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী ছিলেন আকাশ দাস। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থী হিসেবে তার প্রার্থিতা নির্বাচনের সময় ক্যাম্পাসে আলোচনার সৃষ্টি করে। তিনি নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হন।

তবে নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। ধর্ষণের একটি ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেন আকাশ। সেখানে তিনি মন্তব্য করেন, ধর্ষণের জন্য নারীদেরও দায় রয়েছে।

মন্তব্যটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। শিক্ষার্থীরা তার মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এদিকে চাকসু ও হল সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ২৩ অক্টোবর শপথ নেন। চাকসু ও হল সংসদের নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের একাংশ তখন জানান, আকাশ দাস শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলে তারা অনুষ্ঠান বয়কট করবেন। ফলে শেষ পর্যন্ত শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি আকাশ।

সে সময় আকাশ দাস বলেছিলেন, "আমার জন্য যেহেতু সবার শপথ নিতে সমস্যা হচ্ছে, তাই আমি অনুষ্ঠানে যাইনি। তবে আমাকে অনেকেই কটু ভাষায় কথা বলেছে, যেটা আসলে ঠিক হয়নি। এখন পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি কোনো কারণ দর্শানো নোটিশ দেয়, তাহলে আমি সেটার জবাব দেব। এর বেশি কিছু আমি বলতে পারছি না।"

এরপর চাকসুর প্রায় পুরো মেয়াদই শপথ না নিয়ে কাটে তার। অবশেষে বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র ১৭ দিন আগে তাকে শপথ পড়ানো হলো।

এতদিন পর এবং মেয়াদের একেবারে শেষ পর্যায়ে আকাশ দাসকে কেন শপথ পড়ানো হলো এ বিষয়ে চাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আল ফোরকান বলেন, "সিদ্ধান্তটি হঠাৎ নেওয়া হয়নি। আকাশের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তকমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি চাকসুর কার্যনির্বাহী সভায় তোলা হয়।"

উপাচার্য বলেন, "তাকে হঠাৎ করে শপথ পড়ানো হয়নি। এতদিন তার বিরুদ্ধে তদন্তকমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত কমিটি সার্বিক দিক বিবেচনা করে তার ব্যাপারে রিপোর্ট প্রদান করে। এরপর আমরা কার্যনির্বাহী সভায় জিনিসটি উপস্থাপন করি।"

কার্যনির্বাহী সভায় চাকসুর অন্য সদস্যরাও কেন আকাশকে শপথ পড়ানো হয়নি, তার ভিত্তি জানতে চেয়েছিলেন বলে জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, "তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তাকে শপথ পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।"

তদন্ত কমিটির কাছে আকাশ দাস নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন কিনা—এমন প্রশ্নে উপাচার্য বলেন, "তিনি যে দোষ করেছেন, এর প্রেক্ষিতে তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তদন্ত কমিটি বলেছে, সে যেহেতু ক্ষমা চেয়েছে, তার ব্যাপারটা একটু পজিটিভলি দেখা যেতে পারে। সেই প্রেক্ষিতেই আমরা শপথ পড়িয়েছি।"

আকাশ দাসের শপথের বিষয়ে চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ভিসি স্যার তাকে শপথ পড়িয়েছেন। এটি প্রশাসনিক ব্যাপার। এ ব্যাপারে ভিসি স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সঠিক তথ্য পাবেন।"

আকাশ দাসকে শপথ পড়ানোর বিরোধিতা করেছেন ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিত চাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) আইয়ুবুর রহমান তৌফিক। তিনি বলেন, "চাকসুতে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন আকাশ। বিশেষ করে ধর্ষণের জন্য নারীকে দায়ী করে পোস্ট দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ করেন। আকাশ শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলে অনেকেই শপথ নেবেন না বলেও তখন ঘোষণা দিয়েছিলেন।"

তৌফিকের ভাষ্য, "পরবর্তী সময়ে তদন্ত কমিটির কাছে ক্ষমা চান আকাশ। গত ফেব্রুয়ারিতে তার বিষয়ে ক্ষমার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি শপথ নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত চাকসুর মেয়াদের একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে তার শপথ হলো।"

তৌফিক বলেন, "আমি আকাশ দাসের শপথ নেওয়ার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের অবগত করার কথা বলেছিলাম। আইনগতভাবে সে শপথ নিতে পারলেও, চাকসুর সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার নৈতিক ভিত্তি তার নেই।"

শিবিরের ‘ইনক্লুসিভ রাজনীতি’ ও আকাশ দাসকে ছাত্রশিবিরের প্যানেলে রাখার উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তৌফিক। তার অভিযোগ, সনাতন ধর্মাবলম্বী একজন শিক্ষার্থীকে প্যানেলে রেখে নির্বাচনের সময় নিজেদের ‘ইনক্লুসিভ রাজনীতি’ তুলে ধরতে চেয়েছিল ছাত্রশিবির।

তৌফিক বলেন, "আকাশ দাস শিবির প্যানেলের তথাকথিত “ইনক্লুসিভ রাজনীতির” শিকার। সনাতন ধর্মাবলম্বী এই ছেলেকে শিবির কেবল রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। চাকসু নির্বাচনের আগে তারা বোঝাতে চেয়েছে, সনাতন ধর্মাবলম্বী একজন শিক্ষার্থীকেও আমরা প্যানেলে রাখতে পারি।"

আকাশ দাসের শপথ নেওয়ার বিরোধিতা করেছিলেন নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) পারমিতা চাকমা। তিনি মেয়াদের শেষ সময়ে আকাশ দাসকে শপথ পড়ানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

তিনি বলেন, "সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে কিছুটা দূরে থাকায় আকাশের শপথের সর্বশেষ বিষয়টি সম্পর্কে শুরুতে বিস্তারিত জানতে পারেননি। তবে চাকসুর মেয়াদ যখন প্রায় শেষ, তখন তাকে নতুন করে শপথ পড়ানোর উদ্দেশ্য কী—সে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।"

পারমিতা চাকমা বলেন, "চাকসুর মেয়াদ যেখানে শেষ, সেখানে হঠাৎ করে নতুন করে শপথ পড়ানোর মানে আমি খুঁজে পাচ্ছি না। তাদের উদ্দেশ্যটা কী, সেটাই বুঝতে পারছি না।"

তিনি আরও বলেন, "যার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তাকে শপথ গ্রহণ থেকে দূরে রাখা হলো, পুরো চাকসুর সময়টাই সে কোনো কাজে সম্পৃক্ত ছিল না। এখন কী উদ্দেশ্যে তাকে নতুন করে শপথ পড়ানো হলো এই প্রশ্ন রাখছি।"

মঙ্গলবার শপথ নেওয়ার পর আকাশ দাসের বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে কথা বলতে চান উপস্থিত সাংবাদিকেরা। তবে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

আগামী ২২ অক্টোবর বর্তমান চাকসুর মেয়াদ শেষ হবে। মঙ্গলবার শপথ নেওয়ার সময় বর্তমান সংসদের মেয়াদ বাকি ছিল মাত্র ১৭ দিন। যে বিতর্কের কারণে নির্বাচিত হয়েও শুরুতে অন্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে শপথ নিতে পারেননি আকাশ দাস, চাকসুর প্রায় পুরো মেয়াদ পার হওয়ার পর শেষ ১৭ দিনের জন্য শপথ নিলেন তিনি।

আরতিভি/এসএস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%