রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৪ পি.এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যৌন নিপীড়ন ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে অভিযুক্ত তিন শিক্ষক আলী রেজওয়ান তালুকদার, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এবং কাজী এম আনিছুল ইসলামকে পুনর্বহালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত তিন শিক্ষকের শাস্তি পুনর্বহালের দাবি জানান।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
মানববন্ধনে ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রাহিম মন্তব্য করেন, "বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাজনৈতিকভাবে নিজেদের দল ভারি করার উদ্দেশ্যে তিন যৌন নির্যাতনের অভিযুক্ত তিন নিপীড়ককে স্বপদে বহাল করেছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের ইজ্জতের দায়ভার কি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নেবে?"
তিনি আরও বলেন, "যতটুকু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আবার তাকে ক্ষমা করে দিয়েছে, যাতে পুনরায় সে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈষম্য করতে পারে এবং নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করতে পারে। প্রশাসনের প্রতি বিনীত আহ্বান থাকবে, অচিরেই আপনাদের ঘৃণ্য সিদ্ধান্ত থেকে আপনারা সরে আসুন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের জানমালের নিরাপত্তা আপনারা দিন।"
মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি দাওয়াগুলো উপস্থাপন করেন।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ইংরেজি বিভাগের তৎকালীন বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী রেজওয়ান তালুকদারের বিরুদ্ধে সান্ধ্যকালীন কোর্সের এক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন এবং বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে। পরে তাকে বিভাগীয় প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এবং ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন এবং তিন শিক্ষার্থীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে নম্বর দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে তদন্তের স্বার্থে ১ অক্টোবর তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১০৪তম সিন্ডিকেট সভায় তাদের পদাবনতি দেওয়া হয়। পরে ২০২৬ সালের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় তাদের অভিযোগ পুনর্বিবেচনার জন্য একটি রিভিউ কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির বিষয়টি বিবেচনা করে এবার তাদের আগের পদে বহাল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, ২০২৫ সালের মার্চে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী এম আনিছুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্তরসহ প্রশ্নপত্র সরবরাহের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিভাগের একটি সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত চলাকালে কাজী এম আনিছুল ইসলামকে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত রেখে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে তাকে ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
সবশেষ ২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভায় মোহাম্মদ আলী রেজওয়ান তালুকদার এবং মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে পূর্বে দেওয়া পদাবনতি বাতিল করে তাদেরকে পুনরায় স্বপদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আলী রেজওয়ান তালুকদারকে সতর্ক করা হয়েছে এবং জসিম উদ্দিনকে আগামী দুই বছর কোনো পদোন্নতি দেওয়া হবে না, এই সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে।
অন্যদিকে কাজী এম আনিছুল ইসলামকে ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে তাকে ক্লাসে ফেরার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে তার বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানান উপাচার্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা আরও গতিশীল ও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব আর্মি মেজর জেনারেল ক্রিস স্মিথ।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে দুই দেশের স্থলবাহিনীর পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপাক্ষিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বিনিময়, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও কৌশলগত যোগাযোগ বৃদ্ধির নানাদিক নিয়ে আলোচনা হয়।
উভয় পক্ষই আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উচ্চতর সামরিক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে পারস্পরিক অংশগ্রহণ বাড়াতে সম্মত হন।
সাক্ষাৎকালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি চিফ অব আর্মি। বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় অভিজ্ঞ শান্তিরক্ষীদের যৌথ প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি বিনিময়ের ক্ষেত্র প্রসারে আগ্রহ দেখায় অস্ট্রেলিয়া।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগত বছরগুলোতে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতির জন্য মেজর জেনারেল ক্রিস স্মিথকে ধন্যবাদ জানান। এই সফরের মাধ্যমে উভয় দেশের সেনাবাহিনীর পেশাগত বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়ার বঙ্গোপসাগরে ২ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় রুপালি ইলিশ জেলেদের জালে ধরা পড়েছে।
মাছটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের নামার বাজার ঘাটে নিলামে ১০ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. আলতাফ হোসেন মাছটি ক্রয় করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের জেলে মো. রাজিব হোসেন ছয়জন মাঝিমাল্লা নিয়ে একটি ছোট ট্রলারে কবিরার চরের কাছে বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারে যান। অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে তাঁদের জালে ধরা পড়ে বড় আকারের এই মাছটি।
রোববার সকালে মাছটি নামার বাজার ঘাটে আনা হলে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমে যায়। বড় আকারের ইলিশটি নিলামে তোলা হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দর হাঁকাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে মাছটির দাম ১০ হাজার ৪৫০ টাকায় ওঠে। এরপর ব্যবসায়ী মো. আলতাফ হোসেন সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি কিনে নেন।
এনায়েত মৎস্য আড়তের মালিক এনায়েত হোসেন বলেন, সকালে জেলেরা মাছটি ঘাটে নিয়ে আসেন। এত বড় ইলিশ দেখে আড়তে থাকা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। নিলামে মাছটির দাম ১০ হাজার ৪৫০ টাকা ওঠে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন মাছটি কিনে নেন।
স্থানীয় এক জেলে জানান, আমরা ছয়জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যাই। অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে জালে বড় এই মাছটি ধরা পড়ে। এত বড় ইলিশ পাওয়ায় আমরা সবাই আনন্দিত। ভালো দাম পাওয়ায় আমাদেরও ভালো লেগেছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। সাগরে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া স্বাভাবিক। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে সরকার নির্ধারিত সময়ে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা এবং জাটকা সংরক্ষণ করা জরুরি। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিবহন পুলের ভাড়া করা বাসের দুর্ঘটনায় আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বাবা নিহত হওয়ার পর ক্ষতিপূরণসহ ৬ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে। তারা উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানববন্ধন কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করে এবং পরে স্মারকলিপি জমা দেয়। এর আগে, মীর মোশাররফ হোসেন ভবন থেকে স্লোগান দিয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিলে, প্রক্টরিয়াল বডি তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের কাছে তাদের নিয়ে যায়।
শিক্ষার্থীদের হাতে ‘নিরাপদ সড়ক চাই, ভাড়ায় চালিত গাড়ি বন্ধ চাই, সেফ রোড সেফ জার্নি, ফিটনেস বিহীন গাড়ি বন্ধ করতে হবে, উপযুক্ত শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লেখা প্লেকার্ড দেখা যায়।
শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— অভিযুক্ত চালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা, নিহতের পরিবারকে কমপক্ষে ৬০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর যাবতীয় দায়িত্ব প্রশাসনের গ্রহণ করা।
এছাড়া, নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাস সংলগ্ন মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ট্র্যাফিক ব্যবস্থা জোরদার ও স্পিড ব্রেকার স্থাপন, বাসের ফিটনেস ও চালকদের লাইসেন্স যাচাইয়ের জন্য স্থায়ী কমিটি গঠন, নিজস্ব বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি, চালকদের ডোপ টেস্ট করানো এবং ভাড়ায় চালিত বাসের গতিসীমা লঙ্ঘন বা উল্টোপথে গাড়ি চালানোর অভিযোগ প্রমাণিত হলে চুক্তি বাতিলসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, শনিবার আনুমানিক দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের ভাড়া করা বাসের মাধ্যমে ১১ মাইল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বাবা নিহত হন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের জন্য ‘৫৬?’ প্রতীকী প্রশ্নযাত্রা কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে এই কর্মসূচির সূচনা হয়।
কর্মসূচিতে অংশ নিতে চুয়েটের ৯টি আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হতে শুরু করেন। সেখানে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা হাতে ‘৫৬?’ লেখা লাল কাগজের প্ল্যাকার্ড উঁচিয়ে ধরেন। এ সময় তারা ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’, ‘একটি নাম, একটি সুর—সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা লাল কাগজের ‘৫৬?’ যেন তাদের একটিই প্রশ্নকে সামনে আনছিল—মাত্র ৫৬ দিনের দায়িত্ব পালনের পর কেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পরিবর্তন করা হলো। তাকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ছয় দিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।
পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে প্রতীকী প্রশ্নযাত্রা শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে অবস্থান নেন। প্রশ্নযাত্রায় অংশ নেওয়া কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আয়েশা করিম সোহা বলেন, "মাত্র ৫৬ দিনের মধ্যে আমাদের ভিসিকে পরিবর্তন করা হয়েছে। আজ ছয় দিন ধরে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছি। আমাদের প্রশ্ন—এটা আর কত দিন চলবে? আমরা চাই, যত দ্রুত সম্ভব আমাদের দাবি মেনে নেওয়া হোক। সায়েম স্যার ৫৬ দিন দায়িত্বে ছিলেন। এই সময়ে তিনি কী কী করেছেন, সেগুলো আমরা স্মরণ করছি। তার কাজ দেখে আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা চাই, তাকে আবার আমাদের ভিসি হিসেবে দেখতে।"
প্রশ্নযাত্রা শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় ‘৫৬ কর্ণার’ কর্মসূচি। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তফা খালিদ বিন শামস সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের সময়ে চুয়েটের আধুনিকায়নে নেওয়া ১২টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
পরে দুপুর ৩টায় শুরু হয় পথনাট্য। এতে মাত্র ৫৬ দিনের মধ্যে অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্যের পদ থেকে পরিবর্তন এবং নতুন উপাচার্যের অনলাইনে যোগদানের ঘটনাকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি গত ছয় দিনের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহও পথনাট্যের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ