শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৪ পি.এম
রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি সম্পৃক্ততার সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। অন্য ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষে ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১২ জনকে সিটিটিসির হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
এর আগে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের মসজিদে গোপন বৈঠক করার সময় পুলিশ ২৩ জনকে আটক করে। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার সন্দেহে এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ বিষয়ে জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, নিষিদ্ধ একটি জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে তেজগাঁও কলেজের মসজিদে একত্রিত হতে পারেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতেই মসজিদটিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ২৩ জনকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিরা একই সংগঠনের সদস্য কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের পরিচয়, কর্মকাণ্ড এবং সম্ভাব্য সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই মূলত তাদের আটক করা হয়েছে। আটকদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার নতুনভাবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতার প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ বিভাগ ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ শিরোনামে এই প্রজ্ঞাপন জারি করে।
নতুন এই প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকা ও গ্রেড অনুযায়ী বাড়িভাতার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
এছাড়া, গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ, গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া সিটি করপোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকায় বাড়িভাতার হার ঢাকার তুলনায় কম নির্ধারণ করা হয়েছে।
এইসব এলাকায় গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত ৪০ শতাংশ, গ্রেড-৯ থেকে গ্রেড-৫ পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৩০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
দেশের অন্যান্য এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, গ্রেড-১৫ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ, গ্রেড-৯ থেকে গ্রেড-৫ পর্যন্ত ৩০ শতাংশ এবং গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
বর্তমান বেতন কাঠামো অনুযায়ী, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতন ৯ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৬৫ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৫ হাজার ৬০০ টাকা বাড়িভাড়া দেওয়া হয়।
মূল বেতন ৯ হাজার ৭০১ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে ৬০ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৬ হাজার ৪০০ টাকা বাড়িভাড়া পাওয়া যায়।
১৬ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে বাড়িভাতার হার ৫৫ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম বাড়িভাতা ৯ হাজার ৬০০ টাকা।
আর মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০১ টাকার বেশি হলে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম বাড়িভাতা ১৯ হাজার ৫০০ টাকা।
নতুন প্রজ্ঞাপনে বাড়িভাতার হার মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য এলাকার বর্তমান বাড়িভাতার হার ও ন্যূনতম অঙ্কও নতুন কাঠামোর সঙ্গে পরিবর্তিত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এ প্রথমবারের মতো সরকারি কর্মচারীদের জন্য ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতিটি সন্তানের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীরা মাসে ৩ হাজার টাকা ভাতা পাবেন।
একজন সরকারি চাকরিজীবী সর্বাধিক দুই সন্তানের জন্য এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। দুইটির বেশি সন্তান থাকলে ভাতা প্রদান করা হবে না। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তানের মা অথবা বাবার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই অর্থ স্থানান্তরিত হবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণের পে স্কেলের গেজেটে এই সুবিধার উল্লেখ রয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গেজেটটি প্রকাশ করা হয়।
গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরিজীবীরা অনধিক দুই সন্তানের জন্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান ভাতা পাবেন। তবে, দুইয়ের বেশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলেও সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্যই ভাতা প্রদান করা হবে। এই ভাতা গ্রহণের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভাতা গ্রহণের সুযোগ নেই। অর্থাৎ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য একাধিক সরকারি ভাতা একসঙ্গে গ্রহণ করা যাবে না।
নবম পে স্কেলের আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ পেনশনভোগী এই সুবিধার আওতায় আসবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের কতজনের সন্তান প্রতিবন্ধী সে সম্পর্কিত তথ্য নেই। তবে, এই তথ্য অর্থ বিভাগের সমন্বিত বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার বা আইবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
প্রতিবন্ধী সন্তানের যাচাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারী যে মন্ত্রণালয়ে কর্মরত, তারা যাচাই-বাছাই করবেন। সরকারি চাকরিজীবীর মা বা বাবা যতদিন চাকরিতে থাকবেন, ততদিন এই ভাতা প্রদান করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এই সুবিধা নির্ধারণের ফলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকা পরিবারগুলো তাদের সন্তানের চিকিৎসা, শিক্ষা, থেরাপি ও পরিচর্যায় এই অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। এতে তারা কিছুটা স্বস্তি অনুভব করবেন। এই ভাতা সেই ব্যয়ের একটি অংশ পূরণে সহায়তা করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতীম (১৩) নিখোঁজ হওয়ার পর তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তুহিন নামের একজনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম নিখোঁজ হয়। পরে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজ হওয়ার পর অপ্রতীমের মুঠোফোনের সর্বশেষ অবস্থান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সামাজিক বনায়ন এলাকায় শনাক্ত হয়। ওই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করেন।
একপর্যায়ে ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পেছনের একটি টিলা থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, অপ্রতীমের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্তের অংশ হিসেবে তুহিন নামের একজনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়েছে।
তবে আটক তুহিনের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ বা সন্দেহ রয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বিস্তারিত কিছু জানায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা স্পষ্ট হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এক কন্যাশিশুর জন্ম হয়েছে, যার দুই হাত ও দুই পায়ে মোট ২৮টি আঙুল রয়েছে। প্রতিটি হাত ও পায়ে সাতটি করে আঙুল রয়েছে। তবে জন্মের দুই দিন পর বাম হাতের একটি অতিরিক্ত আঙুল ঝরে পড়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিশুটির ঠোঁটেও ত্রুটি রয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ফুলবাড়ী পৌরশহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়। উপজেলার ৭ নম্বর শিবনগর ইউনিয়নের দাদপুর মালিপাড়া গ্রামের আরিফ ও লিজা দম্পতির এটি প্রথম সন্তান।
শিশুটির বাবা আসাদুল ইসলাম আরিফ জানিয়েছেন, রোববার দুপুরে তার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিকেলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে লিজা সন্তানের জন্ম দেন। জন্মের পর দেখা যায়, শিশুটির দুই হাত ও দুই পায়ে সাতটি করে আঙুল রয়েছে এবং প্রতিটি আঙুলেই নখ রয়েছে।
আরিফ জানান, জন্মের দুই দিন পর বাম হাতের একটি আঙুল ঝরে পড়ে। এছাড়া শিশুটির ঠোঁটেও ত্রুটি রয়েছে। মেয়ের চিকিৎসা নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় আছেন। ভ্যান চালিয়ে সীমিত আয়ে সংসার চালানোয় চিকিৎসার খরচ বহন করা তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে তিনি জানান, সামর্থ্য অনুযায়ী মেয়েকে সুস্থ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শিশুটির দাদা মো. আমজাদ হোসেন ও দাদি মোছা. আয়েশা আক্তারও নাতনির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। পরিবারের সদস্যরা জানান, জন্মের পর শিশুটির হাত-পায়ের অতিরিক্ত আঙুল দেখে তারা বিস্মিত হন। এলাকায় আগে এ ধরনের শিশুর জন্ম না হওয়ায় তাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
শিশুটির জন্মের সময় অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক মো. এ এন নূরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শিশুটির হাত-পায়ের অতিরিক্ত আঙুলে আপাতত তেমন কোনো সমস্যা নেই। তবে মুখের ওপরের তালুর একটি অংশে ত্রুটি রয়েছে, যা চিকিৎসার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। এ জন্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এসকে সাদেক আলী জানান, চিকিৎসাবিজ্ঞানে অতিরিক্ত আঙুল নিয়ে জন্মগ্রহণের অবস্থাকে ‘পলিড্যাক্টিলি’ বলা হয়। এটি জন্মগত একটি শারীরিক বৈশিষ্ট্য, যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। শিশুটির অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা রয়েছে কি না, তা জানতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ