১২:০১ এম
মালয়েশিয়ার তেরেঙ্গানু রাজ্যে বিদেশি কর্মীদের সুরক্ষার বিষয় নিয়ে নিয়োগকর্তাদের দায়িত্ব এবং আইনি বাধ্যবাধকতা নিয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগের এক পডকাস্টে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি শুক্রবার (৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে সঞ্চালক ফাজিলা রিজওয়ানের সাথে আলাপচারিতায় তেরেঙ্গানু রাজ্যের ইমিগ্রেশন পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি বিন মোহাম্মদ নর এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং সতর্কবার্তা তুলে ধরেন।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অনেক নিয়োগকর্তা মনে করেন যে বিদেশি কর্মীদের জন্য কাজের অনুমতিপত্র (ওয়ার্ক পারমিট) পেয়ে গেলেই তাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা। মূলত পারমিট পাওয়ার পর থেকেই নিয়োগকর্তাদের আসল দায়িত্ব শুরু হয়।
পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি যে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছেন, তা হলো বিদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের সব নিয়ম ও শর্তাবলী সঠিকভাবে মেনে চলছেন কি না, তা নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব হল সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তার। ইমিগ্রেশন বিভাগের বিভিন্ন অভিযানে দেখা গেছে যে, অনেক নিয়োগকর্তা তাদের নিবন্ধিত কর্মীদের অন্য কোথাও খণ্ডকালীন (পার্ট-টাইম) কাজ করার অনুমতি দিচ্ছেন। উদাহরণস্বরূপ, দিনে নির্মাণ খাতে কাজ করা এবং রাতে অন্য পেশায় নিয়োজিত হওয়া, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
একইভাবে, এক কোম্পানির নামে আনা কর্মী অন্য বন্ধুর কোম্পানিতে ধার দেয়া বা কাজ করতে পাঠানোর মতো বেআইনি কর্মকাণ্ডও ধরা পড়ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আলোচনায় পরিচালক আরও উল্লেখ করেন, যদি কোনো বিদেশি কর্মী কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যান বা নিখোঁজ হন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ইমিগ্রেশন বিভাগকে জানানো নিয়োগকর্তার আইনি কর্তব্য। অনেক সময় নিয়োগকর্তারা এই রিপোর্ট করেন না, যা পরবর্তীতে অভিযানে সেই কর্মী ধরা পড়লে নিয়োগকর্তাকে বড় ধরনের আইনি শাস্তির মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। মালয়েশিয়ার আইন ও শর্ত লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনায় নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুতরাং, বিদেশি কর্মীদের দেখভালের বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

