ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে তবে পরিবেশ নষ্ট করে ইন্ডাস্ট্রি নয়: পরিবেশমন্ত্রী


অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে তবে পরিবেশ নষ্ট করে ইন্ডাস্ট্রি নয়: পরিবেশমন্ত্রী

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্বার্থে শিল্পায়ন ও উৎপাদন বাড়ানো জরুরি হলেও, পরিবেশ ধ্বংস করে কোনো ইন্ডাস্ট্রি বা শিল্পকারখানা করা যাবে না। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এই বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট উৎপত্তিস্থল বা উৎসগুলো আগে নির্ধারণ করতে হবে। তা না হলে কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কার্যকর করা সম্ভব হবে না।

শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে, পরিবেশ অধিদফতরের ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণত জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি বা ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে বেশি আলোচনা হয়, কিন্তু এর মূল সোর্স বা উৎসগুলো কী কী, তা নিয়ে আলোচনা করা হয় না। অথচ উৎপত্তিস্থলগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারলে আমরা টেকসই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হব।’

বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এই ধাক্কা দেশের উন্নয়ন অর্থনীতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এজন্য বর্তমান সরকার পরিবেশ, বন ও জলবায়ুকে মানুষের সহনশীল পর্যায়ে আনার বিষয়টিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের দৃষ্টিতে রেখেছে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘যতদিন আমি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি, ততদিন পরিবেশ সুরক্ষাকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের মূল ধারায় রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব।’

মন্ত্রী দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার প্রসঙ্গ টেনে আরও বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হওয়া অত্যন্ত জরুরি। প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে উৎপাদন বাড়াতেই হবে, আর উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজন ইন্ডাস্ট্রি। তবে ইন্ডাস্ট্রি করার নামে আমরা পরিবেশকে নষ্ট বা বিপন্ন করব–সেটি কোনোভাবেই আমরা চাই না।’

সেমিনারে পরিবেশ অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিবেশবিদ ও সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝোপের ভেতর পড়ে ছিল ব্রাজিলিয়ান পি'স্তল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৮ পি.এম


ঝোপের ভেতর পড়ে ছিল ব্রাজিলিয়ান পি

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নে একটি ঝোপের ভেতর থেকে পুলিশ একটি ব্রাজিলে তৈরি ৯ মিলিমিটার পিস্তল উদ্ধার করেছে।

শুক্রবার (১১ জুলাই) রাত পৌনে ১টার দিকে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈন্যারটেক পুল এলাকার চার রাস্তার মোড়সংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে পিস্তলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

অস্ত্রটির হাতল প্লাস্টিকের এবং মূল কাঠামো লোহার তৈরি। এটি একটি পাশে ‘টার্স’ এবং অন্য পাশে ‘ব্রাজিলে তৈরি’ খোদাই করা রয়েছে।

এটি ব্রাজিলের টার্স কোম্পানির তৈরি ৯ মিলিমিটার ক্যালিবারের আধা-স্বয়ংক্রিয় পিস্তল বলে ধরে নেয়া হচ্ছে। অস্ত্রটি পূর্বে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে একটি হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য তদন্ত ও কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষার কার্যক্রম চলছে।

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইখতিয়ার উদ্দিন বলেছেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়েছে। এটি সেখানে কীভাবে এসেছে, কারা এটি ফেলে গেছে এবং এর সঙ্গে কোনো অপরাধচক্র জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা শেষে দেওয়া হবে সরকারি সহায়তা: মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা শেষে দেওয়া হবে সরকারি সহায়তা: মন্ত্রী

সাম্প্রতিক বন্যার ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রস্তুত করার কাজ চলছে। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, তালিকা প্রণয়নের কাজ শেষ হলে সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় দেশের বিভিন্ন জেলার কৃষিজমি সহ ফসল এবং কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র নিরূপণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা চূড়ান্ত হলে, ক্ষতির ধরন অনুযায়ী কৃষকদের বীজ, সার, কৃষি উপকরণসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে, যাতে তারা দ্রুত আবার কৃষিকাজে ফিরতে সক্ষম হন।

মন্ত্রী আরও মন্তব্য করেছেন যে, কৃষকের উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে সরকার যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, তা অত্যাবশ্যক।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়ম নিয়ে একটি প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের লুটপাটের অভ্যাস অনেকের হয়তো এখনো যায়নি। তবে সকলকে অবহিত করতে চাই যে, সরকার যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজেই নিয়মিত তদারকি করছেন। সুতরাং, এ কর্মসূচিতে অনিয়মের সুযোগ নেই।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই জানিয়ে তিনি বলছেন, সরকারের পাশাপাশি সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সাধারণ জনগণকে এ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হতে হবে।

অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারি দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একদিকে পানি কমছে বাঘাইছড়িতে, অন্যদিকে বরকল-জুরাছড়িতে বন্যা ভয়াবহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ পি.এম


একদিকে পানি কমছে বাঘাইছড়িতে, অন্যদিকে বরকল-জুরাছড়িতে বন্যা ভয়াবহ

রাঙ্গামাটিতে চলমান টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও বিভিন্ন উপজেলায় দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে। বাঘাইছড়িতে বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও বরকল এবং জুরাছড়ি উপজেলায় নতুন করে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

এছাড়াও, জেলায় গাছ উপড়ে এবং পানিতে ডুবে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বন্যাকবলিত অঞ্চলের লোকজন এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন, আর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা দীর্ঘ হতে শুরু করেছে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বাঘাইছড়ি পৌরসভার বাড়বিন্দু ঘাট এলাকায় বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড এবং আটটি ইউনিয়নের প্রায় সকল গ্রামের মানুষ এখন পানিবন্দি। অনেক এলাকায় ত্রাণও পৌঁছাচ্ছে না, ফলে দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির সংকট। বর্তমানে এই উপজেলার ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় দুই হাজার ৪০০ জন মানুষ অবস্থান করছেন।

অন্যদিকে, বরকল এবং জুরাছড়ি উপজেলায় নতুন করে পানির বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে। পাহাড়ি ঢলের ফলে বরকল উপজেলার তিনশতাধিক ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। তীব্র স্রোতের কারণে এই এলাকাগুলোতে নৌ চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

বন্যার পানি নামতে শুরু করার সাথে সাথে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্রও ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। রাঙ্গামাটি কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় মোট ৩ হাজার ৪৯৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৭১৭ হেক্টর শুধুমাত্র ধানি জমি।

মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলার ২০টি ইউনিয়নের ৭৬টি পুকুর এবং খামারের মাছ বন্যায় ভেসে গেছে। এতে মৎস্যচাষিদের এক কোটি ৭২ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের তথ্যমতে, ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে দুই কিলোমিটারেরও বেশি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আর্থিকভাবে এতে প্রায় ছয় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুসারে, জেলার ১০টি উপজেলায় মোট ১২৫ স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ৩ হাজার ৭২৩ জন মানুষ অবস্থান করছেন। আশ্রয় নেওয়া এসব মানুষকে তিনবেলা খাবার এবং সুপেয় পানি দেওয়া হচ্ছে।

তবে রাঙ্গামাটির জন্য স্বস্তির খবর হচ্ছে যে, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। গেল ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, এই তথ্য জানিয়েছে রাঙ্গামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুপার এল নিনোর হুমকি, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নতুন কৌশল বিজ্ঞানীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ পি.এম


সুপার এল নিনোর হুমকি, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নতুন কৌশল বিজ্ঞানীদের

প্রকৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী জলবায়ুগত ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে সুপার এল নিনো। এই কারণে বিজ্ঞানীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, কারণ আবারও তৈরি হচ্ছে এমন এক সুপার এল নিনো, যা গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর এই গুরুতর হুমকি মোকাবিলায় এবার বিজ্ঞানীরা সূর্যের আলো সাময়িকভাবে কমিয়ে দেয়ার মতো একটি বিতর্কিত ধারণা নিয়ে গবেষণা করছেন।

কয়েক দশকের মধ্যে এবারের সুপার এল নিনো সবচেয়ে শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। এই আশঙ্কার মধ্যেই বিতর্কিত এক ধারণা সামনে এসেছে। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করছেন যে, সূর্যের কিছু আলো সাময়িকভাবে পৃথিবীতে পৌঁছাতে না দিয়ে এল নিনোর তীব্রতা কমানো সম্ভব কি না।

সাধারণভাবে, এল নিনো তৈরি হয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতার কারণে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে খরা, দাবানল, অতিবৃষ্টি ও বন্যা এই ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা ঘটে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এল নিনোর এই প্রভাব আরও তীব্র হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা প্রকাশ করেছেন।

সায়েন্স অ্যাডভান্সেস জার্নালে প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণায় বিজ্ঞানীরা 'মেরিন ক্লাউড ব্রাইটেনিং' নামে একটি পদ্ধতির পরীক্ষা করেছেন। এই পদ্ধতিতে সমুদ্রের ওপরের মেঘে সূক্ষ্ম কণা ছড়িয়ে মেঘকে আরও বেশি সূর্যালোক প্রতিফলিত করতে সাহায্য করা হয়, যা পৃথিবীতে কম তাপ পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে।

প্রকৃতভাবে এমন পরীক্ষাও করা হয়নি, কিন্তু গবেষকরা ২০১৯-২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার ভয়াবহ দাবানলের কারণে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক পরিস্থিতির তথ্য ব্যবহার করেছেন। তাদের জলবায়ু মডেল অনুযায়ী, যদি সঠিক সময়ে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা যায়, তাহলে শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাব প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হতে পারে।

তবে গবেষকরা স্বীকার করেছেন, এটি কোনো সমাধান নয়, বরং সম্ভাবনা যাচাইয়ের একটি প্রাথমিক ধাপ হিসাবে দেখা হচ্ছে। কারণ এল নিনো দুর্বল করতে গিয়ে বিপরীতভাবে লা নিনার প্রভাব অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় অতিবৃষ্টি এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে নতুন আবহাওয়া সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়া, এই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও এখনও তৈরি হয়নি। এর সঙ্গে পরিবেশগত, রাজনৈতিক ও নৈতিক নানা প্রশ্ন অর্পিত রয়েছে। তাই বিজ্ঞানীদের মতে, সুপার এল নিনোর ক্ষতি কমানোর উপায় হিসেবে এটি আরও বিস্তারিত গবেষণার দাবি রাখে, তবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসের বিকল্প এই পদ্ধতি নয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%