ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ময়মনসিংহে ১৩৩ জন শিশু শ্রম থেকে প্রত্যাহার হয়েছে : আহমাদ মাসুদ


ময়মনসিংহে ১৩৩ জন শিশু শ্রম থেকে প্রত্যাহার হয়েছে : আহমাদ মাসুদ

ময়মনসিংহ, ২৯ জুন, ২০২৬, : বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার বিভিন্ন সেক্টরের কারখানা ও প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৯০ জন শিশুকে শ্রম থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এর মধ্যে বিশেষ করে ময়মনসিংহ জেলার কারখানা ও প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩৩ জন শিশুকে শ্রম থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, এমন তথ্য তুলে ধরেছেন ময়মনসিংহ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক আহমাদ মাসুদ।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, মাঠপর্যায়ে শিশুর তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা যায় যে, এসব শিশুর মধ্যে অনেকেই দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বিগত বছরের শিশুশ্রম নিরসনে দাপ্তরিক কার্যক্রম উপস্থাপন করে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শিশুশ্রমকে না বলি, শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করি-এ প্রতিপাদ্য নিয়ে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের আইসিটি ল্যাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে শিশু শ্রমিকদের জন্য মানবিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে আহমাদ মাসুদ আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন সুবিধার আওতায় এসব শিশুর পরিবারকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে এবং কর্পোরেট সোস্যাল রেসপনসিবিলিটির আওতায় এসব শিশু ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে।

অন্যথায়, তারা পুনরায় কোন না কোনভাবে শ্রমে নিযুক্ত হবে। এ সময় তিনি শিশু শ্রমিকের পরিবারকে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত করে, শিশুকে পড়াশোনায় ফিরিয়ে এনে শিক্ষার মাধ্যমে পুনর্বাসনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

এর আগে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের সড়কে দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। এ সময় র‌্যালিটি নগরীর প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে শেষ হয়। পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান শাকিল, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ডা. দেবজানি সান্নাল, ময়মনসিংহ মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি শহীদুল ইসলাম দুলাল, মটর মেকানিক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বাবুল, ওয়ার্ল্ড ভিশনের সিনিয়র ম্যানেজার অরবিন্দ সিলভেস্টার গোমেজ, মুক্তাগাছা প্রগতি যুব উন্নয়ন সংঘের সভাপতি জনাব রেজুয়ান আল কাফি প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য: ড. মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০১ এম


বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য: ড. মাহদী আমিন

আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। ছবি: বাসস

ঢাকা, ২৯ জুন, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, দেশের তৃণমূল ও প্রান্তিক পর্যায়ের সকল শিক্ষার্থীকে সমান সুযোগ দিয়ে একটি বৈষম্যহীন, দক্ষ ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের সঠিক পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে খুদে বিজ্ঞানীদের মাঝ থেকেই বেরিয়ে আসবে আগামী দিনের বিশ্বজয়ী বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্ভাবক।’

আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জাতীয় পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ এর প্রদর্শনী ও চূড়ান্ত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার সেরা খুদে বিজ্ঞানীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং ইনোভেশন স্টলসমূহ পরিদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।

শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভাবনার কথা তুলে ধরে ড. মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চান যেখানে শুধু মুখস্থ বিদ্যা নয়, বরং দক্ষতা, যোগ্যতা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং মানবিক মূল্যবোধের সুসমন্বয় থাকবে। প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন তার মেধা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পায় এবং তারা কেবল চাকরিপ্রার্থী না হয়ে উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।’

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের বিগত বছরগুলোর সৃজনশীল কাজের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘অতীতে যখন রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগের অভাব ছিল, তখন এই ফাউন্ডেশন বছরের পর বছর ধরে তরুণদের মেধা বিকাশে ভার্চুয়াল সায়েন্স প্রজেক্টসহ নানা ধরনের কার্যক্রম চালিয়েছে। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যদি যুগের পর যুগ এমন সৃজনশীল কাজ করতে পারে, তবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থেকে আমাদের আরও বড় পরিসরে কাজ করা উচিত। আর সেই চেতনা থেকেই আজ সরকারিভাবে এই জাতীয় উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।’

নির্বাচনী ইশতেহার ও বৈষম্যহীন শিক্ষার প্রতিফলন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা ইশতেহারের ১০টি বিষয়কে শিক্ষায় কাভার করার চেষ্টা করছি। দেশের ৬৪ জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রতিনিধিত্ব এখানে নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো ভৌগোলিক, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক বৈষম্য না রেখে প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের একত্র করা হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো, যা প্রমাণ করে বাংলাদেশ নারী শিক্ষায় কতটা এগিয়ে যাচ্ছে।’

চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত প্রজেক্টগুলোর প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আজকের ফাইনালে আসা প্রজেক্টের প্রতিটি উদ্ভাবনী নিয়মিত নার্সিং করব, প্রয়োজনে অর্থনৈতিক সহযোগিতা দেব এবং প্রতি মাসে এ বিষয়ে আপডেট নেওয়া হবে, যাতে এগুলো সফল স্টার্টআপ হিসেবে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে পারে।’

শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সুসম্পর্ক ও পরিবেশ রক্ষায় পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে ড. মাহদী আমিন বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ভালোবাসার সম্পর্ক বজায় রাখার লক্ষ্যেই প্রতিটি টিমে ৩ জন শিক্ষার্থীর সাথে ২ জন শিক্ষককে রাখা হয়েছে। আজ শিক্ষকদেরও ‘সু-শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার’ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে দেশের ২৯ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের পরিবেশ সচেতনতার প্রমাণ দিয়েছে।’

তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও ভালোবাসা নিয়ে সবসময় পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মাইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আসা শিক্ষক ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে গত ১২ জুন সারা দেশে শুরু হয় ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচি উপজেলা-থানা, জেলা এবং জাতীয়- এই তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। আজ অনুষ্ঠানে প্রতিটি ধাপের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।

বিজয়ী শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক দলকে ২০ হাজার টাকার চেক, পদক ও সনদপত্র এবং বিজয়ী শিক্ষকদের ৩০ হাজার টাকার চেক ও সনদপত্র প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের আওতায় প্রথমবারের মতো এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেট ‘জীবনবান্ধব’ : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ এম


২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেট ‘জীবনবান্ধব’ :  প্রধানমন্ত্রী

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন। ছবি : পিএমও

সংসদভবন, ২৯ জুন, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘এ সেশনে আমরা যে বাজেট উপস্থাপন করছি সরকারি দলের সদস্য হিসেবে একে আমি একটি নামকরণ করতে চাই। আর সেটি হচ্ছে এ বাজেট ‘জীবনবান্ধব’। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক আলোচনা করেছি, অনেক বক্তব্য রেখেছি। অতীতে ভালোমন্দ কি হয়েছে আমি সে বিতর্কে আর যাবো না। আমাদেরকে অবশ্যই সামনে চলতে হবে।'

তিনি বলেন,  'দুঃখজনকভাবে একটি চিত্র আমরা বারবার দেখেছি। সেটি হচ্ছে আমরা যখন ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে যাই তখন অনেক বেশি  অতীত নিয়ে কথা বলি। অথচ দেশের প্রত্যেকটি মানুষ চায়, আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলি।'

সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। সমাপনী বাজেট আলোচনায় প্রথমে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং পরে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখেন।

রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাজেটকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়  উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বাস্তবতা অনেক কঠিন। তারপরেও বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে যে বাজেটটি আমরা এখানে উপস্থাপন করেছি, অবশ্যই আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের সর্বোচ্চ বুদ্ধি, বিবেক ও জ্ঞান দিয়ে এমন একটি বাজেট উপস্থাপন করতে যাতে শ্রেণী-পেশা ও সমাজের সকল মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তির শ্বাস ফেলতে পারে।'

সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বাড়েনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অতীতে লক্ষ্য করেছি যে বাজেট উপস্থাপনের আগে ও পরে অনেক নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হঠাৎ করে কোন কারণ ছাড়াই বেড়ে যেত। তবে এ বছর আমরা সেরকম কোন দৃশ্য দেখিনি।

তিনি বলেন, 'নিত্য প্রয়োজনীয় বলতে আমরা সাধারণত যা বুঝে থাকি এরকম ৬১ টি পণ্যের ওপর থেকে পূর্বের নির্ধারিত ট্যাক্স প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।'

ছবি : পিএমও
ছবি : পিএমও

তারেক রহমান বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে, রাজনৈতিক সরকার হিসেবে আমরা মনে করি আমাদের জনগণের প্রতি যে দায়িত্ব তার একটু হলেও আমরা হয়ত পূরণ করতে পেরেছি। কিছুটা হলেও আমরা জনগণকে স্বস্তি দিতে পেরেছি।'

তিনি বলেন, 'আমাদের সকলের জানা আছে গতকালকেও এখানে বিরোধী দলের চিফ হুইপ তার বক্তব্যে উল্লেখ করেছিলেন, কোন প্রেক্ষাপটে এই সংসদ, এই সরকার গঠিত হয়েছে। আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব যখন গ্রহণ করেছিলাম তখন একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছিলাম। তার ভেতরে দুর্নীতি, লোপাট, অব্যবস্থাপনা এবং ভুলনীতির কারণে দেশের অর্থনৈতিক খাত সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসস্তুপ হয়ে গিয়েছিল। এই অবস্থা থেকে আমরা অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছি।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলের নেতাও বলেছেন আগে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছিল, জাতীয়  ও আন্তর্জাতিকভাবেও যেটি স্বীকৃত। দেশের উৎপাদন এবং বিনিয়োগ প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল। মূল্যস্ফীতি কি অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল আজ থেকে দুই আড়াই বছর আগে সেটি বোধহয় আমরা সকলেই হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলাম।'

তিনি বলেন,  ‘পুঁজিবাজার অর্থনীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। এই খাত এমন অবস্থায় গিয়ে পৌঁছেছিল মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যাও করেছিল। হাজার কোটি টাকা পাচার ও অপচয়ের মাধ্যমে  বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কি ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছিল সেটি নিশ্চয়ই কারো অজানা নয়। টাকার যে এক্সচেঞ্জ এটি ৪০ শতাংশ নেমে গিয়েছিল।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেশ কিছু ভ্যানিটি প্রজেক্ট গ্রহণ করার মাধ্যমে অহেতুক দেশী বিদেশী ঋণ গ্রহণ করা হয়েছিল যা এখন জাতির ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখান থেকে রেভিনিউ কালেক্ট হয় না। ফলে বাইরে থেকে টাকা দিয়ে এই বৈদেশিক ঋণগুলোকে শোধ করতে হচ্ছে এবং শুধু অল্প সময় না লম্বা একটি সময় ধরে আগামীতে হয়তো জাতিকে এই বোঝা টানতে হবে।'

তিনি বলেন,  'সংক্ষেপে যে সংকটের কথা আমি বললাম একে অস্বীকার করতে চাই না। অস্বীকার করে আমরা থাকতেও পারবো না। এটি বোকামি হবে।  তবে একই সাথে সংকটকে আমরা অজুহাত বানাতে চাই না। সেজন্যই  বিরোধী নেতার সাথে আমি সম্পূর্ণভাবে একমত। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং কার্যকর নীতির মাধ্যমে সফলভাবে এ সংকট মোকাবিলা করতে চাই।'

ছবি : পিএমও
ছবি : পিএমও

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৮ ফেব্রুয়ারি। যাত্রা শুরু করার সাথে সাথেই আমাদেরকে রমজান সামাল দিতে হয়েছে। যাতে করে নিত্য প্রয়োজনীয় সকল কিছু মানুষের ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে অন্তত থাকে। যতটুকু সম্ভব একই সাথে ভঙ্গুর অর্থনীতির সংক্ষিপ্ত যে চিত্র আমি তুলে ধরলাম, যা সম্পর্কে আমাদের প্রত্যেকের কমবেশি ধারণা আছে তাও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। আমরা আশা করি আমাদের সম্মিলিত চেষ্টায় এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারব।'

এদিকে প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য দিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করছিলেন তখন সরকারি দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দৃঢ় অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ এম


দেশের অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দৃঢ় অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ দুপুরে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় বক্তব্য দেন। ছবি : পিএমও

সংসদ ভবন, ২৯ জুন, ২০২৬  : ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে দেশের অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বিদেশে পাচারকৃত অর্থ দ্রুত দেশে ফেরত আনার বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একই সঙ্গে প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ মানুষের করভার লাঘব, কালো টাকা সাদা করার বিতর্কিত বিধান প্রত্যাহার এবং দেশীয় শিল্প ও বেসরকারি উচ্চশিক্ষার প্রসারে একাধিক জনবান্ধব সংশোধনী প্রস্তাব এনেছেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা আরও বাড়ানোর প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ কর বছরের জন্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হলেও প্রধানমন্ত্রী তা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার অনুরোধ জানান। একইভাবে ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ কর বছরের জন্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ কর বছরের জন্য তা ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেন।

তিনি কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহার করার বিষয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 

দেশের শিক্ষা ও কর্মসংস্থান খাতের উন্নয়নেও প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পেশ করেন। বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর প্রযোজ্য ১০ শতাংশ কর হ্রাস করে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। তবে একই সঙ্গে এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদার করা, শিক্ষার্থীদের বহু ভাষায় পারদর্শী করতে ল্যাংগুয়েজ ল্যাব স্থাপন এবং গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় সংসদে সরকারি ও বিরোধীদলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবকে অভিনন্দন জানান।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক বিকাশের লক্ষ্যে পার্বত্য তিন জেলায় তাদের পরিচালিত অর্থনৈতিক কর্মকা-ের আয়ের পাশাপাশি পাহাড়ি ও সমতল উভয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত ব্যক্তিদের বেতনভোগী আয়কেও করমুক্ত করার প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। 

দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও আমদানি শুল্ক হ্রাসের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন। দেশের চিংড়ি চাষের প্রসার ও রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে একিউফিড, ফিড এডিটিভস, প্রোবায়োটিক্স, ভিটামিন ও মিনারেলস আমদানিতে সমুদয় আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। 

এছাড়া তিনি স্থানীয় শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রদান, ওষুধ ও স্থানীয় শিল্পে ব্যবহৃত মধু আমদানির ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার এবং পিভিসি ও পেট রেজিন আমদানির প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। তিনি ফায়ার ডোর উৎপাদনের কাঁচামাল কোল্ড রোল্ড শিট আমদানির ১০ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক এবং ফ্ল্যাট রোল্ড প্রোডাক্ট আমদানির ১০ শতাংশ আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান । 

বৈদ্যুতিক তার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের রিফাইন কপার আমদানির ১০ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহার এবং ক্যাশনাট প্রসেসিং শিল্পের কাঁচামাল অপ্রক্রিয়াজাত বাদাম আমদানির কাস্টমস শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

ছবি : পিএমও
ছবি : পিএমও

স্থানীয়ভাবে এলইডি ল্যাম্প এবং প্রি-ফ্যাব্রিকেটেড বিল্ডিং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল আমদানির রেয়াতি সুবিধা ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত বর্ধিত করার অনুরোধ জানান তিনি। 

ব্যবসায়ীবান্ধব ভ্যাট ব্যবস্থা প্রণয়নের লক্ষ্যে স্বর্ণ, ডায়মন্ড ও রৌপ্য অলংকারের ভ্যাটের হার পুনর্নির্ধারণ, বিটিআরসির রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও মাছ সরবরাহের জোগানদার পর্যায়ের ১০ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি। রাজনীতি ও নির্বাচনী প্রচারণায় বহুল ব্যবহৃত ডাবল কেবিন পিকআপ এবং মাইক্রোবাস স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে ফ্রিল্যান্সার এবং স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য বর্তমান সরকার একটি বিশাল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মত সরকার বাজেটে স্টার্টআপ ফান্ডিং এর জন্য ৫শ কোটি টাকার একটি বাজেট রেখেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে খুবই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই ফান্ড ব্যবহার করে আমাদের তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে যাওয়ার একটি অবারিত সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান নয়, স্টার্টআপ প্রজেক্ট সফল হলে দেশের তরুণ প্রজন্মের সামনে এক বিশাল কর্মসংস্থানের স্পেস তৈরি হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী বর্তমানে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, সার্চ ইঞ্জিন, অনলাইন মার্কেট প্লেস এবং অন্যান্য অনলাইন মিডিয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকেন। এসবের মাধ্যমে বর্তমানে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ থাকায় অনেক সময় দেখা গেছে, ব্যবসায়ীগণ আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে বিজ্ঞাপনের অর্থ পরিশোধ না করে অন্যভাবে অনানুষ্ঠানিক উপায়ে অর্থগুলো পরিশোধ করে থাকেন। ফলে ওই ব্যক্তির যেমন লাভ হচ্ছে না, একই দিকে সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে আরোপিত ১৫ শতাংশ কর কমিয়ে ৫ শতাংশ করার অনুরোধ জানান। 

ব্যবসায়ীবান্ধব ভ্যাট ব্যবস্থা প্রণয়নের লক্ষ্যে স্বর্ণ, ডায়মন্ড ও রৌপ্য অলংকারের ভ্যাটের হার পুনর্নির্ধারণ, বিটিআরসির রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও মাছ সরবরাহের জোগানদার পর্যায়ের ১০ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী। রাজনীতি ও নির্বাচনী প্রচারণায় বহুল ব্যবহৃত ডাবল কেবিন পিকআপ এবং মাইক্রোবাস স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এমনকি আদর্শহারে ভ্যাট প্রদানে সহজীকরণের লক্ষ্যে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে কো-এফিশিয়েন্ট দাখিলের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার বিষয়ে অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান সংসদ নেতা।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সাইকেলের ওপর সকল শুল্প প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
 
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  বলেন, ‘এই মাত্র বিরোধীদলের নেতা ওনাদের অবস্থান থেকে একটি প্রস্তাবনা দিয়েছেন। আমি এই প্রস্তাবটির সকল কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যতটুকু বিবেচনা করা যায়, তা করার জন্য অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এর আগে সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। বাজেট বক্তব্যের প্রথমে অংশ নেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

এরপর সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ এম


শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে: প্রধানমন্ত্রী

আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

ঢাকা, ২৯ জুন, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের সব আয়োজন তোমাদের ঘিরে। কারণ, আমরা এখন আছি, পরে থাকব না। কিন্তু তোমরা থাকবে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব তোমরা দেবে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি কাজের আউটপুট থাকতে হবে, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে। একইসঙ্গে এটি ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে অন্য সব দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিয়ে যাবে।

আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সারা দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং 'স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং' জাতীয় প্রদর্শনী উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে সব বিষয় কিন্তু তোমাদের নিয়ে। তোমাদের বন্ধু-বান্ধব যারা সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছ, আজকের আয়োজন তোমাদের ঘিরে।

তিনি বলেন, আমাদের সব কাজ তোমাদের ঘিরে। কারণ, আমরা এখন আছি, পরে আর থাকব না। কিন্তু তোমরা থাকবে। তোমরা বাংলাদেশকে সামনে নিয়ে যাবে, তোমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলবে। সেটা খেলাধুলায় হোক বা উদ্ভাবনে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব তোমরা দেবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এজন্য শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে আমরা খেলাধুলা, সংস্কৃতি, ইনোভেশন নিয়ে আসতে চাচ্ছি। এটি হঠাৎ করে আমার চিন্তা করে আনছি না। এটি আমাদের দীর্ঘ দিনের পরিকল্পনা।

পাশে বসা শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের বলেন, তোমাদের মধ্যে যে দক্ষতাগুলো রয়েছে, সেগুলো বের করে আনার পরিকল্পনা আমরা গত ১০ বছর ধরে করছি। মাহদী আমিন যখন অক্সফোর্ডে পড়তো, তখন আমরা বসে বসে ভাবতাম। যখন আমরা দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পাব, তখন এগুলো করবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎকে আমরা সাজাবো। সেজন্যই সিদ্ধান্ত নিয়েছি— ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তৃতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজিসহ আরো কিছু ভাষা আমরা সিলেক্ট করবো। যে ভাষা শিখলে দেশে বা বিদেশের যেকোনো জায়গায় গেলে যেন কোনো সমস্যায় পড়তে না হয়। তাই বিভিন্ন ভাষা আমরা তোমাদের শেখাতে চাই। এর সঙ্গে ইনোভেশন তো আছেই।

তিনি বলেন, আমরা সিলেবাসের মধ্যে বিভিন্ন খেলা অন্তর্ভুক্ত করবো। এতে যার যে খেলা ভালো লাগবে সে খেলায় আরো বেশি দক্ষ হয়ে উঠবে। একইসঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে আমরা কারিগরি শিক্ষা চালু করতে চাই। এটি একটি বাড়তি দক্ষতা হিসেবে যোগ হবে।

জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, গীতা পাঠ ও বাইবেলের অংশ বিশেষ পাঠ করা হয়। এছাড়া একটি ভিডিওচিত্র উপস্থাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। অনুষ্ঠানে সারা দেশের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। এ ধরনের আয়োজনের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে গত ১২ জুন সারা দেশে শুরু হয় ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচি উপজেলা-থানা, জেলা এবং জাতীয়— এই তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। আজ অনুষ্ঠানে প্রতিটি ধাপের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।

বিজয়ী শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক দলকে ২০ হাজার টাকার চেক, পদক ও সনদপত্র এবং বিজয়ী শিক্ষকদের ৩০ হাজার টাকার চেক ও সনদপত্র প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের আওতায় প্রথমবারের মতো এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছেন, তোমাদের জন্য অনেক সুযোগ করে দিতে চাই। এতে শুধু তোমরা না, সমগ্র বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আজ অনুষ্ঠান শুরুর আগে এখানে আমি একটি গাছ লাগিয়েছি। সারা দেশের ২৯ হাজার ৬ শতাধিক স্কুল এসময় ভার্চুয়ালি কানেক্টেড ছিল। প্রতিটি স্কুলে তিনটি করে গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। তার মানে— একদিনে ৯০ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে আজ।

সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সংস্কৃতি, উদ্ভাবনসহ নানা সুযোগ সৃষ্টির বিপরীতে একটি জিনিস প্রত্যাশা করছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা তোমাদের জন্য নানা সুযোগ সৃষ্টি করছি— যেন তোমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে গড়ে ওঠো। কারণ, তোমরা আত্মবিশ্বাসী হলে আমিও আত্মবিশ্বাসী হবো। তবে, এর বিনিময়ে একটি জিনিস চাই আমি।

কে কে দেবে প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা হাত তুললে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, তোমাদের প্রত্যেককে প্রতিবছর একটি করে গাছের চারা রোপণ করতে হবে। যেখানে থাকো বা স্কুলে বা কলেজে বছরে একটি করে গাছ লাগাতে হবে। কারণ, আমাদের এ দেশেই থাকতে হবে। এখানে বুক ভরে শ্বাস নিতে হবে।

উপস্থিত কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমার দেখেছো এ দেশে জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায়, গাড়ি বা যানবাহন বেড়েছে, অনেক গাছ কেটে ফেলতে হয়েছে। আমাদের বাতাস অনেক দূষিত হয়ে গেছে। এখনই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে এক সময় আমরা আর পরিষ্কার বা বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিতে পারবো না।

তিনি বলেন, তাই প্রতিবছর নিজের জন্য একটি করে গাছের চারা রোপণ করো। দেখবে তুমিও বড় হচ্ছো, গাছও বড় হচ্ছে। গাছ একসময় তোমার বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে যাবে।

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

তারেক রহমান বলেন, গাছের চারা যখন বড় হয়, তার সান্নিধ্যে গেলে ভালো অনুভূতি হয়। আমি গাছের দিকে তাকিয়ে থাকি, কথা বলি, অনেক পরিকল্পনা করি।

আমাদের সবাইকে শৃঙ্খল হতে হবে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা খুব জরুরি। আমাদের আরো একটি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। সেটি হলো— পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। তোমরা দেখবে বিশ্বের অনেক দেশ কিন্তু খুব পরিষ্কার। সেখানকার রাস্তাঘাট, বাগান সব পরিষ্কার। অথচ আমাদের রাস্তাঘাটে অনেক ময়লা-আবর্জনা। এগুলো তো বাইরে থেকে কেউ এসে করছে না। আমরা নিজেরাই এসব ময়লা করছি। আমরা সবাই মিলে এ দেশটা পরিষ্কার রাখতে পারি কি না?

তিনি বলেন, এখন থেকে আমরা আমাদের রাস্তাঘাট, পাবলিক প্লেস পরিষ্কার রাখবো। অন্য কেউ ময়লা ফেললে তাকে বলতে হবে— এ কাজ করাটা অন্যায়। আমরা সবাই একটি সুন্দর বাংলাদেশ চাই। কিন্তু চেষ্টা না করলে তো সেটা হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই চেষ্টা তোমাদের করতে হবে। আমাদের বয়স হয়ে গেছে। এখন সময় তোমাদের। ভবিষ্যৎ তোমাদের। দেশটা গড়ে তুলতে হবে তোমাদের। আমরা হয়তো শুরু করে দিয়ে যেতে পারি, কিন্তু চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে তোমাদের।

তিনি বলেন, দেশটা আমাদের সবার। তাই সবাই মিলে দেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। আমাদের পরিবেশটা সুন্দর রাখতে হবে। সেই সুন্দর পরিবেশে নতুন নতুন উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করা সহজ হবে।

অনুষ্ঠানে আগত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা আজকে পুরস্কার পেয়েছো বা পাওনি সবাইকে ধন্যবাদ। যারা পুরস্কার পাওনি তারা হতাশ হবে না। পরের বছরের জন্য উদ্যোমী হতে হবে।

উপস্থিত শিক্ষকদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা মানুষ গড়ার কারিগর। আপনারা যদি এই বাচ্চাদের সঠিক গাইডলাইন দেন, তাহলে দেশটাও ঠিক পথে এগোবে। আপনাদের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। জানি আপনাদের নানা সংকট রয়েছে। এ সংকটগুলো আমরা একদিনে সমাধান করতে পারবো না। পর্যায়ক্রমিকভাবে সমাধান করতে হবে।

কিন্তু একটি দেশের যারা ভবিষ্যৎ তাদের মধ্যে যদি শিক্ষা থাকে, মানবিকতা থাকে, মূল্যবোধ থাকে এর চেয়ে বড় সম্পদ আর কিছু হতে পারে না। এই সম্পদকে যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, তবেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানকে স্মারক প্রদান করা হয়। সবশেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। 

'স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’য়ে চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে পুরস্কার নেয় সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।

এর আগে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি' স্লোগানে একযোগে দেশের ২৯ হাজারের বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী এ কর্মসূচির সূচনা করেন।

এ সময় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

একই মঞ্চ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত 'স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং' জাতীয় প্রদর্শনীরও উদ্বোধন করেন তারেক রহমান।

এ সময় তিনি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিজ্ঞান প্রকল্প, স্টার্টআপ উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী আইডিয়া পরিদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার প্রশংসা করেন এবং এসব উদ্যোগকে আরো এগিয়ে নিতে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্তি প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ দেশের বিভিন্ন বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ।

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%