বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৫ পি.এম
রাজশাহী সফরের ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাজে মন্তব্য করার অভিযোগে আবু বক্কর সিদ্দিক নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের ছবি নিয়ে এই মন্তব্য করা হয়।
আরো পড়ুন
চালু হচ্ছে এনইআইআর, নেটওয়ার্ক সচল হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে
গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজশাহীর পবা থানার পারিলা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আবু বক্করকে আটক করা হয়। আবু বক্করের বাড়ি রাজশাহীর কচুয়াতৈল গ্রামে, এবং তার বাবার নাম আয়নাল হক।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৫ এর পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রাজশাহী সফর করেন এবং সফরের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হয়। এই পোস্টে বাজে মন্তব্য করেন আবু বক্কর। তার পরিচয় শনাক্ত করার জন্য রাজশাহী মহানগরের চন্দ্রিমা থানা পুলিশ, এসআরবি, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), সিটিএসবি ও সিআরটি যৌথভাবে কাজ শুরু করে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর এসআরবির সদস্যরা আবু বক্করের বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে বাবা জানান, আবু বক্কর তার মামার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
এরপর এসআরবি-৫ রাজশাহী ব্যাটালিয়নের একটি দল পবা থানার পারিলা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর এলাকায় আবু বক্করের মামার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় পুলিশ তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সদস্য। বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান (৫৫), পৌর যুবলীগ নেতা মো. হোসেন (২৪) এবং পোপাদিয়া ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমন (১৯)।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) শাকপুরা এলাকায় আরকান সড়কে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হাসানের নেতৃত্বে একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সভাপতি মো. দিদারুল ইসলাম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম জহুরের ছবিসংবলিত ব্যানার ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ঘটনার পর বোয়ালখালী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরো পড়ুন
চালু হচ্ছে ডিভি লটারি, আবেদন চলবে যত দিন
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আব্দুস সোবহান পোপাদিয়া ইউনিয়নের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আলী দফাদারের বাড়ির মৃত মো. মোহাম্মদ আলী দফাদারের পুত্র। মো. হোসেন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজুর ইসলাম মেম্বারের বাড়ির মৃত নুরুল আলমের সন্তান। আর ইমন পোপাদিয়া ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের কোরবান আলীর বাড়ির মো. তৈয়বের ছেলে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় আব্দুস সোবহানকে আসামি করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ৭ মার্চ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
বোয়ালখালী থানার ওসি মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ‘তিনদিন আগে হওয়া মিছিলের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়া এবং ভবন মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করার।
গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয় নয়নকে।
অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, আদাবর এলাকায় সিটি করপোরেশনের পয়োনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়া এবং ভবন মালিকদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করা। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবি ছাত্রদল নেতা নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর গুলিচালনার ঘটনার পর, বর্তমানে অভিনেতা রণবীর কাপুরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, টাইগার শ্রফের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা মুম্বাইয়ের খার এলাকায় রণবীরের বাড়ির ওপর নজরদারি চালাচ্ছিলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানা গেছে, রণবীরের বাড়িতে নজরদারির অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুরাগীরা উদ্বেগ প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
রণবীরের নিরাপত্তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ভক্তরা সরব হয়েছেন। ভক্তদের মতে, ‘রামায়ণ’ ছবির প্রচারসহ অন্যান্য পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যে, অভিনেতার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
এক অনুরাগী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন, এই মুহূর্তে প্রচার কিংবা জনসমক্ষে উপস্থিতির চেয়ে রণবীরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তার সুরক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।
অন্য এক অনুরাগী রণবীরের সাম্প্রতিক একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও শেয়ার করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার দাবি, গত কয়েক দিনে অভিনেতাকে কিছুটা চিন্তিত ও অস্বস্তিতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে রণবীরের পারিবারিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ওই অনুরাগী। তবে অভিনেতার মানসিক অবস্থা বা উদ্বেগের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
রণবীরের স্ত্রী আলিয়া ভাট, মেয়ে রাহা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে তার ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই অনুরাগীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। ফলে তার বাড়িতে নজরদারির অভিযোগ সামনে আসতেই ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়ে গেছে।
অনুরাগীদের একটি অংশ মনে করছেন, অভিনেতা ও তার পরিবারের নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। যদিও এ বিষয়ে রণবীর কাপুর কিংবা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, রণবীর কাপুর পেশাগত জীবনেও ব্যস্ত সময় পার করছেন। নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত ‘রামায়ণ’ ছবিতে তিনি রামের চরিত্রে অভিনয় করবেন। ছবিটিতে তার সঙ্গে অভিনয় করছেন যশ ও সাই পল্লবী। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সিনেমাটির প্রথম পর্ব চলতি বছরের ৫ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
তবে টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনা এবং রণবীরের বাড়িতে নজরদারির অভিযোগের কারণে বলিউড তারকাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। এখন এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর সবার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে ‘সমমনা ইসলামী দল’ নামে সাতটি কওমিভিত্তিক দলের একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে অবস্থিত মাখযানুল উলূম মাদরাসায় দলগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
নতুন এই জোটে অন্তর্ভুক্ত সাতটি দল হলো- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।
হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান সময় সংবাদকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এখন থেকে এই সাতটি ইসলামি দল একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে।
তিনি অন্য জোটে থাকা দলগুলোর বিষয়ে উল্লেখ করে বলেন, ‘এর মধ্যে যেসব দল অন্য জোটে আছে, তারা সেই জোট ছেড়ে ‘সমমনা ইসলামী দল’ রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে আসার ব্যাপারে একমত হয়েছে।’
হেফাজতে ইসলামের এই মহাসচিব আগামী ৫ ডিসেম্বর সাত দলের পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান।
মূলত আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের লক্ষ্যেই গত কয়েক মাস ধরে এই জোট গঠনের প্রক্রিয়া চলছিল। সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে কওমি ধারার দলগুলো বিএনপি ও জামায়াতের জোটে যুক্ত হলেও, এবার দলীয় প্রতীকবিহীন স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত একক প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এরপরই স্থানীয় নির্বাচনে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য হেফাজতে ইসলামের মধ্যস্থতায় নতুন এই প্ল্যাটফর্ম গঠন করল কওমিপন্থি দলগুলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ