ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাতেই প্রতিষ্ঠিত হবে আইনের শাসন: ডেপুটি স্পিকার


ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাতেই প্রতিষ্ঠিত হবে আইনের শাসন: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, ‘শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিশ্বাস বা চেতনার কারণে অনেককে হয়রানি করা হয়েছে। অনেক মানুষ সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। অনেক রাজনৈতিক কর্মী মিথ্যা মামলাকে আলিঙ্গন করে যখন সংগ্রাম করেছিলেন, তাদেরকে নাজেহাল করা হয়েছে। তাদের যেন আইনী সুবিধা না পায়, সেজন্য বিধি ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইনজীবী সমাজ সব সময় ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমরা মনে করি দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের সাথে সমিতি মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্যে ডেপুটি স্পিকার এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

বিচার বিভাগ ও আইনজীবীদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘বিগত দিনে অনেকেই আইনজীবী সমিতি ও আইনি কাঠামোকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছে। আমরা যেন সেসব বিষয় বাংলাদেশে পুনরাবৃত্তি না করি।’

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, ‘আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছিলাম। সেই আমরা যেন আইনি প্রথা নিজেরা ভঙ্গ না করি। আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বার ও বেঞ্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বার এবং বেঞ্চ যখন শোল্ডার টু শোল্ডার কাজ করবে, তখনই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে। আপনার আমার ও আমাদের যেসব মৌলিক অধিকার আছে, সেগুলো আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারব।’

জুলাই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘চব্বিশের মহান গনঅভ্যুত্থান, রক্তক্ষয়ী যে গনঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্র পেয়েছি। যে প্রত্যাশা নিয়ে আমার ভাই, আপনার ভাই রক্ত দিয়েছেন, অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, আমরা যাতে সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারি সেজন্য সকলকে কাজ করার আহবান জানাই।’

বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. মাহফুজুর রহমান লাহুর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিষ্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, সদস্য সচিব অ্যাড. মোশাররফ হোসেন মন্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাড. মাহবুব মোরশেদ লালন প্রমুখ।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এর আগে বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিপরীতে স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (স্কিল আইটি) নামক একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার। এ সময় দেশের প্রয়োজনে দক্ষ জনশক্তি তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯ জনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯ জনে

দেশের সাত জেলায় চলমান বন্যা, অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯ জনে পৌঁছেছে।

বর্তমানে ৫৬টি উপজেলা এবং ৩৭৪টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে ২৯৮ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের শনিবার (১৮ জুলাই) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

এতে বলা হয়েছে, দুর্যোগে এখন পর্যন্ত রাঙামাটিতে তিনজন, বান্দরবানে সাতজন, কক্সবাজারে ৩২ জন (স্থানীয় ১৯ ও রোহিঙ্গা ১৩), চট্টগ্রামে ১৬ জন এবং মৌলভীবাজারে একজন মারা গেছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন মোট ৪০ জন। এর মধ্যে খাগড়াছড়িতে একজন, বান্দরবানে দুজন, কক্সবাজারে ২৫ জন (স্থানীয় ২০ ও রোহিঙ্গা পাঁচ) এবং চট্টগ্রামে ১২ জন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে নগদ অর্থ, চাল, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গোখাদ্য, ঢেউটিন ও গৃহ নির্মাণ অনুদানসহ ব্যাপক ত্রাণ সহায়তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব ত্রাণের উল্লেখযোগ্য অংশ ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণও করা হয়েছে।

কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা নগদ, ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, এক হাজার বান্ডিল টিন, শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭৫ লাখ টাকা নগদ, এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল, এক হাজার বান্ডিল টিন, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য। বান্দরবানে ২০ লাখ টাকা নগদ, ৪০০ মেট্রিক টন চাল, শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য এবং প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জেও নগদ অর্থ, চাল, শুকনো খাবার, ঢেউটিন এবং গৃহ নির্মাণ অনুদান বরাদ্দ ও বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিংবদন্তি গ্যারি সোবার্স মারা গেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


কিংবদন্তি গ্যারি সোবার্স মারা গেলেন

ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০২৬ : ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার এবং ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় স্যার গ্যারি সোবার্স মারা গেলেন। তিনি বার্বাডোজে নিজ বাসভবনে ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা পোস্টে খবরটি নিশ্চিত করেছে।

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ এক্সে করা এক পোস্টে জানায়, ‘একটি মহাকাব্যিক ইনিংসের অবসান হলো। আমাদের হৃদয়ে চিরকাল থাকবে, স্যার গারফিল্ড সোবার্সের নাম।’

সোবার্স ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার এবং সবচেয়ে প্রতিভাবান ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত। তার ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং তিন বিভাগেই দক্ষতার কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ক্রিকেটার হিসেবে তকমা পেয়েছেন।

১৯৫৩ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে বার্বাডোজের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটার হিসেবে এক ওভারে ছয়টি ছয় মারার কৃতিত্বও তার।

দুর্দান্ত পারফরমেন্সের কারণে ১৯৫৪ সালে তার টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ১৯৫৪ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে ৯৩টি টেস্ট খেলেন সোবার্স। ব্যাট হাতে ২৬ সেঞ্চুরি এবং ৩০ হাফ-সেঞ্চুরির মাধ্যমে ৫৭.৭৮ গড়ে ৮০৩২ রান সংগ্রহ করেন তিনি। বোলিংয়ে ৩৪.০৩ গড়ে ২৩৫টি উইকেট শিকার করেন।

টেস্ট অভিষেকের পর ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি অর্জন করেন। কিংস্টনের প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংসে ৩৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

তিনি টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন। ১৯৯৪ সালে সেন্ট জোন্সে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩৭৫ রান করে সোবার্সের বিশ্ব রেকর্ড ভাঙেন ব্রায়ান লারা।

১৯৬৪ সালে উইজডেনের বর্ষসেরা পাঁচ ক্রিকেটারের একজন এবং ২০০০ সালে শতাব্দীর সেরা পাঁচ ক্রিকেটার হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৯ সালে আইসিসি হল অব ফেম চালু হলে সেখানে সোবার্সের নাম অর্ন্তুভুক্ত করা হয়।

আইসিসি বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কারের নামকরণ করা সোবার্সের নামেই হয়েছে। সেটির নাম ‘স্যার গারফিল্ড সোবার্স ট্রফি।’

আইসিসি সভাপতি জয় শাহ এই বিষয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব ক্রিকেটের মহীরুহ এবং সত্যিকারের ক্রীড়া কিংবদন্তি স্যার গারফিল্ড ‘গ্যারি’ সোবার্সের প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তার অসাধারণ সাফল্য এবং খেলার প্রতি দুর্দান্ত ও অবিস্মরণীয় অবদান সারা বিশ্ব জুড়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সমস্ত ক্রিকেটারকে অনুপ্রাণিত করেছে। তার পরিবার, বার্বাডোজের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।’

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের সভাপতি ড. কিশোর শ্যালো সোবার্সকে স্মরণ করে বলেন, ‘সোবার্স শুধু সর্বকালের সেরা ক্রিকেটারই নন। তিনি ক্যারিবিয়ান জনগণের আত্মবিশ্বাস ও গর্বের প্রতীক ছিলেন। মাঠের বাইরেও কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা ছিলেন তিনি।’

সোবার্সের প্রয়াণে সারা বিশ্বের ক্রিকেট অনুরাগীরা শোকে মূহ্যমান। ব্রায়ান লারা সোবার্সকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমাদের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই।’

টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রানের মালিক শচীন টেন্ডুলকার আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘স্যার গ্যারি আর আমাদের মধ্যে নেই এটা মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। আমি গত কয়েক বছরের স্মৃতি বারবার মনে পড়ছে। তিনি সবসময়ই ছিলেন বিনয়ী, আন্তরিক ও উদার মনের মানুষ।’

সোবার্সের সাথে শেষ সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করে টেন্ডুলকার লিখেছেন, ‘কয়েক বছর আগে লন্ডনে আমাদের দেখা হয়েছিল। আমরা দীর্ঘক্ষণ ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করেছিলাম।’

প্রথম শ্রেণিতে সোবার্স ৩৮৩ ম্যাচ খেলে ৫৪.৮৭ গড়ে ২৮,৩১৪ রান করেছেন এবং ২৭.৭৪ গড়ে ১০৪৩টি উইকেট নিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে বিজিবি মহাপরিচালকের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


কক্সবাজারে বিজিবি মহাপরিচালকের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ

কক্সবাজারের বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। সফরের সময়ে তিনি সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ব্যবস্থাপনা, বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

মহাপরিচালক ১৭ ও ১৮ জুলাই কক্সবাজার ও সংলগ্ন এলাকায় এই পরিদর্শনে যান।

পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক বিজিবির চলমান সীমান্ত নিরাপত্তা কার্যক্রমের ব্যাপারে পর্যালোচনা করেন। তিনি কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হয়ে ওঠেন। দুর্গম ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ পরিবেশে তাদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা এবং সতর্কতার প্রশংসা করে অপারেশনাল কার্যক্রমের আরও উন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় কক্সবাজার অঞ্চলের বন্যাকবলিত মানুষের সহায়তার জন্য সরকারের মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে বিজিবি। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে চকরিয়া পৌরসভা, লক্ষ্যচর ইউনিয়ন এবং কাকারা ইউনিয়নে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য একটি চিকিৎসা সেবামূলক মেডিকেল ক্যাম্পেইনও পরিচালনা করা হয়েছে।

দেশের সীমান্ত সুরক্ষা এবং জনগণের সেবায় বিজিবির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে মহাপরিচালক সকল সদস্যকে সর্বদা সতর্ক, পেশাদার এবং দায়িত্বশীল থেকে উদ্ভূত কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার নির্দেশনাও দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানিকগঞ্জে সম্পর্কের টানাপোড়েনে প্রতিদিন ভেঙে যাচ্ছে ৬টি সংসার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


মানিকগঞ্জে সম্পর্কের টানাপোড়েনে প্রতিদিন ভেঙে যাচ্ছে ৬টি সংসার

মানিকগঞ্জে উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে বিয়ে বিচ্ছেদের ঘটনা।

মানিকগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে জেলায় মোট ৪ হাজার ৯৬৭টি বিয়ে নিবন্ধিত হয়েছিল।

এবং একই বছরে তালাকের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮৬০টি। ২০২৫ সালে বিয়ের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়ে যায় ৫ হাজার ২০৩টিতে।

এক্ষেত্রে তালাকের সংখ্যাও বেড়ে গিয়ে হয় ২ হাজার ৫৮টি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলায় গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৬টি করে সংসার ভেঙে যাচ্ছে।

এটি কেবল একটি সংখ্যার হিসাব নয়, বরং এটি একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে, যা পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের নির্দেশ করছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পারিবারিক জীবনে সহনশীলতা, পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ববোধ ও কার্যকর যোগাযোগের অভাব বিবাহ বিচ্ছেদের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে।

এছাড়া, অর্থনৈতিক সংকট, পারিবারিক কলহ, সামাজিক পরিবর্তন এবং অল্প বয়সে বিয়েও এই প্রবণতা আরও বাড়িয়ে তুলছে।

হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুল বাছেদ জানিয়েছেন, মানুষের মধ্যে আগের তুলনায় ধৈর্য কমে গেছে।

তার মতে, ভারতীয় বাংলা সিরিয়াল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার পারিবারিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সামান্য সমস্যাতেই অনেক দম্পতি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, তাদের ইউনিয়ন পরিষদে প্রতি মাসে গড়ে ২৫ থেকে ৩০টি তালাকের আবেদন জমা পড়ে।

মানিকগঞ্জ জেলা কাজী সমিতির সভাপতি মো. ফজলুর রহমান জানাচ্ছেন, জেলার সব বিয়ে ও তালাকের তথ্য জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমা পড়ে না।

অনেকে বিকল্প নিবন্ধন বই ব্যবহার করছে, ফলে প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে।

তার দাবি, সরকারি তথ্যের তুলনায় প্রকৃত বিয়ে ও তালাকের সংখ্যা প্রায় তিন গুণ হতে পারে।

তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীরাই তালাকের উদ্যোগ নিচ্ছেন।

এর অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি স্বামীদের মাদকাসক্তিকে দায়ী করছেন।

মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) শাহিনুর রহমান বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের ফলে পরকীয়ার সুযোগ আগের তুলনায় বেড়েছে।

এছাড়া, মাদকাসক্তি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসের অভাব, সন্দেহ, ভুল বোঝাবুঝি এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতাও বিয়ে বিচ্ছেদের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি মন্তব্য করেছেন, পারিবারিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহনশীলতা বৃদ্ধি পেলে বিয়ে বিচ্ছেদের হার অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%