শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৭ পি.এম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এবং বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে একটি ব্যতিক্রমী কার্যক্রম ‘বর্জ্যের বিনিময়ে ভাসমান বাজার’, যা বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার পাশাপাশি জনগণকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতন করতে সহায়তা করবে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সোয়ারীঘাট লঞ্চ ঘাটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, "বুড়িগঙ্গা নদীর ওপরই প্রাচীন ঢাকা গড়ে উঠেছিল। ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগের মূল ভিত্তি ছিল এই নদী। কিন্তু অবৈধ দখল ও যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে বুড়িগঙ্গার অস্তিত্ব আজ বিপন্ন।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "এই নদীকে বাঁচাতে না পারলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। আজ হয়তো এক দিনে বুড়িগঙ্গার সব সমস্যার সমাধান হবে না, তবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা নদী তীরের বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে এই সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে চাই।"
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ঢাকার চারপাশের নদীগুলো— বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদীকে নৌ-চলাচলের উপযোগী করার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে ইতিমধ্যেই নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
প্রশাসক আরও জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে টানা তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ৭৫টি ওয়ার্ডেই প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি প্রতি শনিবার বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে। কর্তব্যে অবহেলা করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোথাও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
তিনি বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পরিকল্পনা ব্যক্ত করে বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় বর্জ্য রিসাইক্লিং করে দ্রুত বিদ্যুৎ, গ্যাস, কম্পোস্ট সার ও ডিজেল উৎপাদনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করা যায়, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই আমরা এর প্রাথমিক ধাপে পৌঁছাতে পারব। বর্জ্য সম্পদে পরিণত হলে তা আর যেখানে-সেখানে পড়ে থাকবে না।"
ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে প্রশাসক বলেন, "মানুষের অসাবধানতার কারণেই ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। ডাবের খোসা, এসি কিংবা ছাদ ও ড্রেনে যেন তিন দিনের বেশি পানি না জমে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।" তিনি জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কর্মসূচি না দিয়ে পরিচ্ছন্ন শহর গঠনে সহায়তার আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বুড়িগঙ্গার তীরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বর্জ্য সংগ্রহ করে ডিএসসিসির অস্থায়ী ভাসমান বাজারে জমা দেওয়ার বিনিময়ে উপহার হিসেবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য প্রদান করা হয়। একটি লঞ্চকে সাজিয়ে এই সাময়িক ভাসমান বাজার তৈরি করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান। এছাড়া ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্যস্ত জীবনযাত্রার কারণে কাজের চাপ কিংবা অন্যান্য কারণে অনেকেই নিয়মিত ঘুমের সময় কমিয়ে দেন। তবে, পর্যাপ্ত ঘুম শরীর ও মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্যই নয়, বরং প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত রাত জাগা, অপর্যাপ্ত ঘুম অথবা অতিরিক্ত ঘুম, সবকিছুই সন্তান ধারণের সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের সময় এবং সন্তান ধারণের সক্ষমতার মধ্যে একটি ‘ইউ’ আকৃতির সম্পর্ক বিদ্যমান। অর্থাৎ, খুব কম বা খুব বেশি ঘুম দুই ক্ষেত্রেই প্রজনন সক্ষমতার ফলাফল খারাপ হতে পারে। দিনে ছয় ঘণ্টার কম এবং নয় ঘণ্টার বেশি ঘুমের কারণে সন্তান ধারণে বেশি সময় লাগার বিষয়টি বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। প্রায় সাত থেকে সাড়ে আট ঘণ্টা ঘুমে ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম দেখা যায়।
শুধু ঘুমের সময় নয়, ঘুমানোর সময়ও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুমের ঘণ্টা কত তা নয়, বরং কখন ঘুমানো হচ্ছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। রাতে দেরিতে ঘুমিয়ে সকালে দেরিতে ওঠা এবং রাতে তুলনামূলক আগে ঘুমানো, দুই ক্ষেত্রেই মোট ঘুমের সময় সমান হলেও শরীরের ওপর প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।
ডিম্বস্ফোটনের সঙ্গে সম্পর্কিত লুটিনাইজিং হরমোন (এলএইচ) এবং ফলিকল-স্টিমুলেটিং হরমোন (এফএসএইচ) এর স্বাভাবিক নিঃসরণ শরীরের জৈবিক ঘড়ির সঙ্গে সম্পর্কিত। দেরিতে ও অনিয়মিত সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস এই হরমোনগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে, ডিম্বস্ফোটন ও মাসিক চক্রেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
রাতের শিফটে কাজেও বাড়তে পারে ঝুঁকি
নিয়মিত রাতের শিফটে কাজ করেন এমন নারীদের ক্ষেত্রে সন্তান ধারণে তুলনামূলক বেশি সময় লাগার, মাসিকের অনিয়ম এবং গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ার সঙ্গে রাতের কাজের সম্পর্ক পাওয়া গেছে কিছু গবেষণায়। ঘুমের ঘাটতির কারণে মাসিকের সময় ব্যথাও বৃদ্ধি পেতে পারে।
পুরুষদের প্রজনন স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের সময় শরীরে টেস্টোস্টেরনসহ বিভিন্ন হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় থাকে। নিয়মিত ঘুমের ঘাটতি টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমাতে এবং শুক্রাণুর মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এছাড়া, পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে নারী ও পুরুষ উভয়ের প্রজনন-সম্পর্কিত হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সন্তান নিতে চাইলে ঘুমে নজর দিন
সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে প্রতিদিন প্রায় সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। সম্ভব হলে প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করা উচিত। রাত ১১টার আগেই ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাসও উপকারী হতে পারে।
শুধু ঘুমের সময় নয়, ঘুমের মানও গুরুত্বপূর্ণ। বারবার ঘুম ভেঙে গেলে দীর্ঘ সময় বিছানায় থাকার পরও পর্যাপ্ত বিশ্রাম নাও হতে পারে। রাতের শিফটে কাজ করা বাধ্যতামূলক হলে নির্দিষ্ট ঘুমের সময়সূচি বজায় রাখা এবং ঘুমের সময় ঘর অন্ধকার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি থাকলে ম্যাগনেশিয়াম গ্লাইসিনেট কিছু মানুষের ঘুমে সামান্য সহায়তা করতে পারে। তবে, কোনো সাপ্লিমেন্ট শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ঘুম ও প্রজনন স্বাস্থ্যের সঙ্গে মেলাটোনিনের সম্পর্ক নিয়েও গবেষণা রয়েছে। ঘুম নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ডিম্বাশয়ের ফলিকলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে মেলাটোনিনের ভূমিকা থাকতে পারে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে ডিম্বাণুর মান রক্ষায় এটি ভূমিকা রাখে কি না, তা নিয়েও গবেষণা চলছে।
তবে, ঘুমের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে থাকলে অথবা সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করেও সফল না হলে, শুধুমাত্র ঘুমের ওপর দায় না দিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ, বন্ধ্যাত্বের পেছনে নারী ও পুরুষ উভয়ের বিভিন্ন শারীরিক, হরমোনজনিত ও অন্যান্য কারণ থাকতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়ার ঘন মেঘাচ্ছন্ন বনে একটি নতুন প্রজাতির খুদে বুনো বিড়ালের সন্ধান পাওয়া গেছে। এই বিড়ালটি স্থানীয়ভাবে ‘তিলকায়ো’ নামে পরিচিত, এবং বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া হয়েছে Leopardus tilcayo।
গবেষকদের দাবি, এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর জীবিত একটি নতুন বিড়াল প্রজাতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত ও বৈজ্ঞানিকভাবে বর্ণনা করা হলো।
বলিভিয়ার পাহাড়ি ইউঙ্গাস অঞ্চলের আর্দ্র ও কুয়াশাচ্ছন্ন বন এই বিড়ালের আবাসস্থল। আকারে এটি বেশ ছোট, দৈর্ঘ্যে প্রায় ৪৬ সেন্টিমিটার এবং ওজন আনুমানিক ১ দশমিক ৪ কেজি। অর্থাৎ, এটি সাধারণ পোষা বিড়ালের তুলনায় ছোট।
হালকা বাদামি রঙের শরীরে অনিয়মিত গোলাকার ছোপ বা রোসেট রয়েছে প্রাণীটির। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এক্সপ্লোরার ও গবেষণাটির সহ-লেখক পাওলা নোগালেস-আসকারুঞ্জ জানান, বিড়ালটির বাহ্যিক সৌন্দর্য গবেষকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে।
তবে প্রাণীটির জীবনযাপন সম্পর্কে এখনও খুব বেশি তথ্য জানা যায়নি। গবেষকেরা এর বিষ্ঠা পরীক্ষা করে ছোট ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর অবশিষ্টাংশ পেয়েছেন। এতে ধারণা করা হচ্ছে, এ ধরনের ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীই এর প্রধান খাদ্য। ক্যামেরা ট্র্যাপের তথ্যও বলছে, এটি মূলত নিশাচর এবং রাতের বেলায় শিকারে বের হয়।
গবেষকেরা প্রথমে বিড়ালটির বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে ব্রাজিলের টাইগার ক্যাটদের পার্থক্য লক্ষ্য করেন। এরপর বিষয়টি নিশ্চিত করতে বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্প বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানী জোনাস লেসক্রোয়ার্ট ও পাওলা নোগালেস-আসকারুঞ্জের নেতৃত্বে একটি গবেষক দল দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ৩৮টি বিড়ালের ডিএনএ বিশ্লেষণ করেন।
জেনেটিক বিশ্লেষণে উঠে আসে আরও বড় চমক। গবেষকদের মতে, এতদিন একক গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত টাইগার ক্যাট আসলে জিনগতভাবে স্বতন্ত্র পাঁচটি প্রজাতির সমন্বয়ে গঠিত।
গবেষণায় আরও দেখা যায়, বলিভিয়ার ‘তিলকায়ো’ প্রায় ১৪ লাখ বছর আগে অন্যান্য টাইগার ক্যাট থেকে আলাদা হয়ে স্বতন্ত্র বিবর্তনীয় ধারায় এগিয়েছে। একই গবেষণায় পেরুর ইউঙ্গাস অঞ্চলে টাইগার ক্যাটের একটি নতুন উপ-প্রজাতিও শনাক্ত করা হয়েছে। এর বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া হয়েছে Leopardus tigrinus antisyuyo।
গবেষকদের এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের বিস্তারিত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী Current Biology-তে প্রকাশিত হয়েছে। নতুন এই প্রজাতির সন্ধান দক্ষিণ আমেরিকার জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণীর বিবর্তন নিয়ে গবেষণায় নতুন তথ্য যোগ করেছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, "স্বৈরশাসক থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই জনগণের জন্য, ১৮ কোটি মানুষের জন্য।"
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা টু রংপুর লং মার্চের অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, "জনগণের প্রয়োজনে আট দফা থেকে এক দফা ঘোষণা করা প্রয়োজন হতে পারে। বর্তমান সরকার জাতির সঙ্গে ধোঁকাবাজি করেছে এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি।"
পথসভায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক মন্তব্য করেন, "৭০ শতাংশ মানুষ গণরায় দিয়েছে, সংস্কারের দাবি পাশ কাটিয়ে ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করলে পরিণাম অতীতের মতোই হবে।"
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবীব মাসুদ।
এ সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু করবেন তার নিজ বাসভবনে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, একই সময়ে আগামী ৬ মাসের মধ্যে সকল ইউনিয়ন পরিষদে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এলজিইডি ভবনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর আলোচনা সভায় তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন।
মীর শাহে আলম উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছাড়াও, পর্যায়ক্রমে সচিবালয়, জাতীয় সংসদ এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের প্রস্তুত থাকা ৩ হাজার ৪১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কমপ্লেক্সে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য মোট ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করা হবে, জানান প্রতিমন্ত্রী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ