বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৪৪ পি.এম
খামার থেকে পণ্য পরিবহন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের প্রতিটি ধাপে মূল্য বৃদ্ধির কারণ চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে অপ্রয়োজনীয় ব্যয়, চাঁদাবাজি ও বাজার ব্যবস্থার অদক্ষতা কমানোর লক্ষ্যে ট্রেসেবিলিটি (পণ্য অনুসরণ) ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে ‘বাংলাদেশের খাদ্য মূল্য শৃঙ্খল : বাজার, মুনাফার হার (লাভের মার্জিন) এবং মধ্যস্বত্বভোগী (দালাল বা ফড়িয়া)’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি জানান, বাংলাদেশে লজিস্টিক ব্যয় জিডিপির প্রায় ১৬ শতাংশ, যেখানে বিশ্ব গড় প্রায় ১০ শতাংশ। এই অতিরিক্ত ব্যয় খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে দীর্ঘদিন ধরে উঁচু পর্যায়ে ধরে রেখেছে। সুতরাং, লজিস্টিক ব্যয়, ইনপুট খরচ এবং পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি কমাতে সরকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্যে ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থা চালু করবে।
মন্ত্রী বলেন, ট্রেসেবিলিটি চালু হলে উৎপত্তি থেকে শেষ পর্যন্ত কোন পর্যায়ে সমস্যা হচ্ছে, কোথায় অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়ছে এবং কোথায় অদক্ষতা রয়েছে, তা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
তিনি আরো বলেন, কৃষক বাজার সম্পর্কে সঠিক তথ্য না পাওয়ায় একই ধরনের ফসল উৎপাদন করে বারবার ক্ষতির মুখে পড়ছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ টানা দুই বছর এক কোটি টনের বেশি আলু উৎপাদন করেছে। কিন্তু কৃষক ন্যায্য দাম না পেলেও তৃতীয় বছরেও একই মাত্রায় আলু উৎপাদন করছেন। এ থেকে বোঝা যায়, কৃষকের কাছে সঠিক বাজার তথ্য বা বিকল্প ফসল চাষের পরামর্শ পৌঁছাচ্ছে না।
মন্ত্রী বলেন, কৃষি বাংলাদেশে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাই খাদ্য নিরাপত্তাকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে কৃষি খাতে সরকারের ধারাবাহিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারলে কৃষকের আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি যেকোনো অর্থনীতির জন্য কষ্টের বিষয়। তবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে এর প্রভাব আরও বেশি। কোভিড-পরবর্তী সময়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়নি, যা মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে।
সংলাপে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, গত চার বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় উদ্বেগ। বিশেষ করে খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা, পুষ্টি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সঞ্চয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বলেন, শুধু কর কমিয়ে বাজারে পণ্যের দাম কমানো যায় না। এর জন্য সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। বাজার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা দূর না হলে কর ছাড়ের সুফলও ভোক্তারা পাবেন না।
কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেন, কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সরকারি প্রণোদনা ও কৃষিঋণের সুবিধা অনেক প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছায় না।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী ফখরুদ্দিন আল কবীর বলেন, বাংলাদেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতির পেছনে শুধু উৎপাদন খরচ নয়, বাজার কাঠামো, মধ্যস্বত্বভোগী, মজুতদারি, সরবরাহ ঘাটতি ও বাজারে আধিপত্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ এখনও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। মূল্যস্ফীতির কারণে প্রকৃত মজুরি বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। কেবল উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়ছে না। এর পেছনে কাজ করছে শক্তিশালী মধ্যস্বত্বভোগী ও অসাধু সিন্ডিকেট। উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্যের যে দীর্ঘ সাপ্লাই চেইন, সেখানে কমিশন এজেন্ট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একচেটিয়া দৌরাত্ম্য বিদ্যমান।
সংলাপে মতামত আরো জানান গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি তাসলিমা আক্তার লিমা, সাবেক সচিব সিদ্দিকুর রহমান এবং কৃষি অর্থনীতিবিদ এম এ সাত্তার মণ্ডল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অপরাধীচক্রের প্রভাব এড়িয়ে না গিয়ে মানবপাচারকারীদের দমন করাই মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত, এ নিয়ে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।
তিনি বলেন, মানবপাচার বন্ধে সরকারকে শক্ত আইন প্রণয়ন করা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সমাজে যদি আইনের শাসন থাকতো, তাহলে অপরাধীচক্র গড়ে উঠতে পারতো না।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার ভবনের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে এক আলোচনাসভায় এ কথা বলেন তিনি।
রুহুল কবীর রিজভী আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষের নাগরিক অধিকার হিসেবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দাসত্বের বন্ধনে গরিব ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষ বিভিন্নভাবে জড়িয়ে পড়বে। আইনের শাসন না থাকার ফলে তৃণমূলে নানা ধরনের অবিচার ও নিপীড়ন ঘটে। অর্ধশিক্ষিত বা নিরক্ষর মানুষ স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন না এবং নিজেদের দাবি জানাতে সক্ষম হন না। এই কারণে তারা নিগৃহীত ও ক্ষতিগ্রস্ত হন।
রিজভী বলেন, মানুষ অনেক কিছু না বুঝে ফড়িয়া ও প্রতারকচক্রের কাছে সামান্য জমি-জায়গা বিক্রি করে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন তাদের মানবপাচারের শিকার হতে হয়। প্রতারকচক্রের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারানোর পর তারা বিদেশে গেলে আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে দেশে ফেরত পাঠানো হয়, এবং তখন তাদের আর কোনো সহায়-সম্বল থাকে না।
মানবপাচারকে দাসপ্রথার একটি অংশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক এই উপদেষ্টা বলেন, মানবপাচারের রাজনৈতিক ও সামাজিক কারণ রয়েছে। এর অন্যতম মূল কারণ রাষ্ট্রহীনতা। আরেকটি কারণ সীমিত সুযোগ। বাস্তুচ্যুতিও মানবপাচারের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা যায়।
বাল্যবিবাহ ও শিক্ষার অভাবের সাথে মানবপাচারকে যুক্ত করে রিজভী বলেন, বাল্যবিবাহের শিকার হয়ে সন্তান জন্ম দেয়ার পর অনেকেই স্কুলে যেতে পারে না। ফলে, নিজের উন্নয়ন, আত্মনির্ভরশীলতা ও স্বয়ংসম্পূর্ণতার বোধ তৈরি হয় না। শিক্ষার আলো থেকে দূরে থাকার কারণে এসব মানুষ মানবপাচারের শিকার হয়।
তিনি আরও বলেন, সমাজের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা থাকতে হবে। বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের বা উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ মানবপাচারের শিকার হচ্ছে। মানবপাচার বন্ধে সরকারের শক্ত আইন এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের দুই শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইআইটি কানপুর ও আইআইটি মাদ্রাজের ওয়েবসাইট হ্যাক করার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে। তিনি ভর্তির সুযোগ না পাওয়ার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে এই কাজটি করেছেন, খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির।
সাইবার সিকিউরিটিতে নতুন চালু হওয়া ব্যাচেলর কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন ওই তরুণ। কিন্তু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও তাকে ভর্তি পরীক্ষার হ্যাকাথন ধাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তরুণটি প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ পড়ার পরে ক্ষুব্ধ হয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করে সেখানে একটি বার্তা ঝুলিয়ে দেন।
ওয়েবসাইটে লেখা বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই সাইট হ্যাক করা হয়েছে। আমার শুধুই একটি ন্যায্য সুযোগের প্রয়োজন।’
পরবর্তীতে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ওয়েবসাইটগুলোর হ্যাকিংয়ের স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন। সেখানে তরুণটি দাবি করেন, কারও ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তিনি এ কাজ করেননি। ভর্তি প্রক্রিয়ায় সুযোগ না পেয়ে কেবল নিজের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা প্রমাণ করতেই তিনি হ্যাকিংয়ের পন্থা গ্রহণ করেছেন।
আইআইটি কানপুরের পরিচালক মণীন্দ্র আগরওয়াল জানান, আবেদনকারীর পূর্ব অভিজ্ঞতা নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ না করায় তাকে শুরুতে নির্বাচিত করা যায়নি। তবে কানপুর আইআইটি এই হ্যাকিংয়ের ঘটনাটিকে কেবল অপরাধ হিসেবে না দেখে তরুণটির প্রযুক্তিগত আগ্রহকে ভিন্নভাবে বিবেচনা করছে।
আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে তরুণটিকে ক্যাম্পাসে ডেকে একটি বিশেষ দক্ষতা মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হলে তাকে আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তির বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে বেতনের টাকা তুলতে ব্যাংকে যাওয়ার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় একটি শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টার সময় নগরের মিরের ময়দান এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মুরাদ আহমদ (৫৯) নগরের মাছিমপুর এলাকার মৃত নুরদ্দিনের ছেলে এবং ব্লু বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বিদ্যালয়ে পাঠদান শেষে বেতনের চেক নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন মুরাদ আহমদ। বিদ্যালয়ের পাশে বাংলাদেশ বেতারের সামনে সড়ক পার হওয়ার সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্লু-বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান বলেন, মাত্র তিন মাস পর তিনি অবসরে যাওয়ার কথা ছিল। হঠাৎ এই মৃত্যুর ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। আমরা তার পরিবারকে সমবেদনা জানাই।
তিনি আরও জানান, মরদেহ বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হবে, যাতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাঈনুল জাকির বলেন, দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষকের ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একইসঙ্গে দুর্ঘটনায় জড়িত অটোরিকশার চালককে গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে আরও ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোরের দিকে ওমনি এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে তারা ঢাকা মহানগরের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে যে, দেশে ফিরে আসা এসব বাংলাদেশি নাগরিক ২০১৪ সালের বিভিন্ন সময়ে উন্নত কর্মসংস্থানের আশায় ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় বাংলাদেশ ত্যাগ করেছিলেন। পরে তারা অবস্থান করেন দুবাই, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল এবং পেরুসহ বিভিন্ন দেশে। এদেশগুলো থেকে তারা পর্যায়ক্রমে সীমান্ত অতিক্রম করে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন।
উল্লেখ্য, সেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তারা কাজ করলেও বৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় এবং মার্কিন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। প্রয়োজনীয় আইন প্রক্রিয়া পরিবর্তনের পর তাদের বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক প্রত্যেক ডিপোর্টি যাত্রীকে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। তাদের জন্য খাবারও ব্যবস্থা করা হয়। ইমিগ্রেশন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে তারা বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।
এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য যে, সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের কারণে বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফেরত পাঠানোর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বৈধ পথ অনুসরণ এবং অভিবাসন আইন কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ