বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪২ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী বিদেশি পেশাজীবীদের জন্য কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ডের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ রয়েছে। তবে, এই সুবিধা পেতে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করা আবশ্যক। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা যোগ্য আবেদনকারীরা, যারা কর্মসংস্থানভিত্তিক তৃতীয় পছন্দ বা ইবি-৩ শ্রেণির আওতায় পড়েন, তারা নির্ধারিত আবেদনপত্র জমা দিয়ে অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা অর্জনের জন্য আবেদন করতে পারেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবার নির্দেশনা অনুসারে, গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে প্রথমে সঠিকভাবে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পরিবর্তনের আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আবেদনকারীকে অভিবাসন কর্মকর্তার মাধ্যমে পরিদর্শিত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে প্রবেশের অনুমতি অথবা আইনি প্যারোলে প্রবেশের অনুমতি থাকতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে।
দ্বিতীয়ত, আবেদনকারীকে অভিবাসী ভিসা পাওয়ার জন্য যোগ্য হতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় এবং অভিবাসন কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সময়—দুই সময়েই তার জন্য অভিবাসী ভিসা পাওয়ার সুযোগ অবিলম্বে থাকতে হবে।
তৃতীয়ত, যে নিয়োগকর্তা আবেদনকারীর জন্য কর্মসংস্থানভিত্তিক আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন, তার দেওয়া চাকরির প্রস্তাব বহাল থাকতে হবে। স্থায়ী বাসিন্দার আবেদন অনুমোদিত হলে আবেদনকারীর ওই চাকরি গ্রহণ করার ইচ্ছাও থাকতে হবে।
চতুর্থত, আবেদনকারীকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আইন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হতে হবে। যদি তাকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ছাড় বা আইনি সুবিধা পাওয়ার জন্য তাকে যোগ্য হতে হবে।
পঞ্চমত, আবেদনকারীর স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার ক্ষেত্রে আইনি বাধা থাকা যাবে না। সংশ্লিষ্ট অভিবাসন আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যোগ্যতা তাকে পূরণ করতে হবে।
ষষ্ঠত, আবেদনকারীর জমা দেওয়া সব তথ্য ও নথি সঠিক হতে হবে। অভিবাসন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী এসব তথ্য যাচাই করতে পারে।
সপ্তমত, কর্মসংস্থানভিত্তিক আবেদনটির সঙ্গে যুক্ত চাকরির প্রস্তাব এবং নিয়োগকর্তার দেওয়া তথ্য আবেদনকারীর আবেদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
অষ্টমত, সব শর্ত পূরণ করার পরও আবেদন অনুমোদনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবাকে আবেদনকারীর পক্ষে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অর্থাৎ, নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হয় না।
আই-১৪০ অনুমোদনের পর চাকরি পরিবর্তন করলেও আবেদনকারী সব ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযোগ্য হয়ে যান না। স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পরিবর্তনের আবেদনপত্র অন্তত ১৮০ দিন মুলতবি থাকার পর নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে নতুন চাকরিতে যাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।
তবে, নতুন চাকরিটি আগের চাকরির মতো বা একই ধরনের পেশাগত শ্রেণির হতে হবে। চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াও অনুসরণ করতে হয়।
কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ডের ক্ষেত্রে চাকরির প্রস্তাব এবং সংশ্লিষ্ট আবেদনপত্রের শর্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং, আবেদনকারীদের স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পরিবর্তনের আবেদনপত্র, কর্মসংস্থানভিত্তিক আবেদনপত্র এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথি সঠিকভাবে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি নিজেদের পরিস্থিতি অনুযায়ী সব যোগ্যতা পূরণ হচ্ছে কি না, সেটিও যাচাই করা জরুরি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রায় দুই দশক পর আবারও একসঙ্গে দেখা মিলেছে ইমরান হাশমি ও হিমেশ রেশমিয়া। ‘আশিক বানায়া আপনে’ গানের জনপ্রিয়তার স্মৃতিকে সামনে রেখে তারা নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন। ইমরান হাশমি অভিনীত আসন্ন রোমান্টিক-অ্যাকশন সিনেমা ‘গানমাস্টার জি৯’-এর প্রথম গান ‘আফসানা বানায়া আপনে’ মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নস্টালজিয়ার আলোচনা শুরু হয়েছে।
‘আশিক বানায়া আপনে’র সুর এবং ইমরান হাশমির পর্দার উপস্থিতি একসময় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। নতুন গানটিতে সেই পুরনো আবহের ছোঁয়া থাকায় দর্শকদের মধ্যে ফিরে এসেছে দুই দশক আগের স্মৃতি।
হিমেশ রেশমিয়ার লেখা ও সুরে তৈরি ‘আফসানা বানায়া আপনে’ গানে তার সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন গায়িকা অসীস কৌর। গানটির মিউজিক ভিডিওতে ইমরান হাশমির সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন অভিনেত্রী জেনেলিয়া দেশমুখ।
গানটি সম্পর্কে ইমরান হাশমি মন্তব্য করেন, পুরনো সৃষ্টিকে হুবহু নকল করার কোনো চেষ্টা করা হয়নি। তার ভাষায়, গানটির সঙ্গে গভীর নস্টালজিয়া জড়িয়ে থাকলেও ‘আফসানা বানায়া আপনে’র নিজস্ব আবেগ রয়েছে, যা ‘গানমাস্টার জি৯’ সিনেমার পটভূমির সঙ্গে ভালোভাবে মিশে গেছে।
হিমেশ রেশমিয়াও জানিয়েছেন, সিনেমাটির অ্যালবাম তৈরিতে তারা প্রায় ৮-৯ মাস পরিশ্রম করেছেন। গল্পের আবহ বজায় রেখে নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের ভালো লাগার মতো সুর তৈরি করাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দীপক মুকুট, হুনার মুকুট ও সঙ্গীতা আহির প্রযোজিত ‘গানমাস্টার জি৯’ পরিচালনা করেছেন আদিত্য দত্ত। অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার এই সিনেমাটিতে ইমরান হাশমি ও জেনেলিয়া দেশমুখ ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপারশক্তি খুরানা ও অভিষেক সিং।
আগামী ২৭ নভেম্বর বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ‘গানমাস্টার জি৯’।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সমাজসেবা অধিদপ্তর ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করার জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, সুপারভাইজার এবং তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেছে। প্রথম পর্যায়ে ৫ হাজার ট্যাব ব্যবহার করে দেশের ২০৮টি উপজেলার ২০৮টি ওয়ার্ডে পাইলটিং তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এ নির্দেশনায় বিভাগীয় পরিচালক, জেলা উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, সদর দপ্তরের মাস্টার ট্রেইনারদের তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ট্যাব, ড্রেস, সিম সংযোগ ও অ্যাপ ইনস্টলেশনসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে তাদের এক দিনের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
এছাড়া, সদর দপ্তর থেকে ২০ জন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দেশের ৩০ থেকে ৪০টি নির্ধারিত ভেন্যুতে প্রায় ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনারকে দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেবেন। বিভাগীয় পরিচালকদের ব্যবস্থাপনায় এসব প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।
পরবর্তী সময়ে, প্রায় ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনার নিজ নিজ উপজেলায় পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে প্রথমে সুপারভাইজারদের দুই দিনের এবং পরে তথ্য সংগ্রহকারীদের দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেবেন।
মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজে যাওয়ার আগে প্রত্যেক তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারকে অনলাইন মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে।
সমাজসেবা কর্মকর্তার সংকট থাকলে স্থানীয় অন্যান্য দপ্তরের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদেরও মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা কর্মকর্তা, আইসিটি কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাচিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই তথ্য সংগ্রহ শুরু করতে হবে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোন ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাজ শুরু হবে, তা সংশ্লিষ্ট জেলা উপপরিচালক স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সভামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করবেন।
সিটি করপোরেশন এলাকায় স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে যেকোনো একটি ওয়ার্ড নির্ধারণ করতে হবে।
এদিকে, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৯১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৮১৮ জন সুপারভাইজারের প্রোফাইল আইডি অবিলম্বে যাচাই ও অনুমোদনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন কর্মকর্তাদের নিজ নিজ আইডি থেকে এ অনুমোদন সম্পন্ন করতে হবে।
কোনো নির্বাচিত প্রার্থী কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করলে তার কাছ থেকে লিখিত আবেদন নিতে হবে।
অনীহা প্রকাশকারী, অনুপস্থিত বা বৈধ কারণে নিষ্ক্রিয় হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের উপজেলা বাস্তবায়ন/নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত ও রেজুলেশনের মাধ্যমে বাদ দিয়ে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন করে কোনো পৃথক কমিটি গঠনের প্রয়োজন নেই বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারি গেজেটে প্রকাশিত বাস্তবায়ন নীতিমালার আওতাভুক্ত কমিটিই এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নির্দেশিকায় বর্ণিত সুপারিশ নিয়োগ কমিটিও বহাল থাকবে।
পার্বত্য জেলাগুলোর ক্ষেত্রে গেজেটে নির্ধারিত বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটিই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম তদারকি করবে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় ২ বছর বয়সী একটি ভাতিজিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তার আপন চাচা নীরব হোসেন (১৭) কে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার বলধরা ইউনিয়নের তেলিখোলা এলাকা থেকে নীরব হোসেনকে আটক করে সিংগাইর থানায় নিয়ে আসা হয়।
আটককৃত নীরব হোসেন সিংগাইর উপজেলার বাসিন্দা।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে অভিযুক্ত কিশোর তার ভাতিজিকে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে দুপুর ১টার দিকে শিশুটির মা তাকে গোসল করানোর সময় শিশুটি ব্যথা অনুভব করে। এ সময় শিশুটি তার চাচার দেওয়া আঘাতের কথা জানালে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে সিংগাইরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।
বুধবার শিশুটিকে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠান।
ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, "শিশুটির পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা নীরব হোসেনকে আটক করেছি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার জন্য পরিবারের সম্পর্কের ভিত্তিতে কিছু নির্দিষ্ট আত্মীয়কে যোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। দেশটির নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা জানিয়েছে যে, মার্কিন নাগরিক এবং বৈধ স্থায়ী বাসিন্দাদের কিছু নির্দিষ্ট আত্মীয় পারিবারিক পৃষ্ঠপোষকতার আওতায় গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে, এসব ক্ষেত্রে প্রতিবছর অভিবাসী ভিসার সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে।
পারিবারিক পৃষ্ঠপোষকতার আওতায় মোট পাঁচটি প্রধান শ্রেণি রয়েছে—এফ১, এফ২এ, এফ২বি, এফ৩ ও এফ৪। আবেদনকারীর শ্রেণি নির্ধারণ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যের সঙ্গে তার সম্পর্ক এবং সেই সদস্য মার্কিন নাগরিক কিনা বা গ্রিন কার্ডধারী কিনা, তার ভিত্তিতে।
এফ১ শ্রেণি
মার্কিন নাগরিকের ২১ বছর বা তার অধিক বয়সী অবিবাহিত ছেলে-মেয়ে এফ১ শ্রেণির আওতায় পড়েন।
এফ২এ শ্রেণি
যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা বা গ্রিন কার্ডধারীর স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা এফ২এ শ্রেণির জন্য বিবেচিত হন।
এফ২বি শ্রেণি
গ্রিন কার্ডধারীর ২১ বছর বা তার বেশি বয়সী অবিবাহিত ছেলে-মেয়ে এফ২বি শ্রেণির আওতায় পড়েন।
এফ৩ শ্রেণি
মার্কিন নাগরিকের বিবাহিত ছেলে-মেয়ে এফ৩ শ্রেণিতে আবেদন করতে পারেন। তাদের স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানরাও সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতে পারিবারিক অভিবাসনের সুবিধা পেতে পারেন।
এফ৪ শ্রেণি
কমপক্ষে ২১ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিকের ভাই-বোনেরা এফ৪ শ্রেণির আওতায় পড়েন। নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ হলে সংশ্লিষ্ট ভাই বা বোনের স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানরাও এই আবেদনের সঙ্গে পারিবারিক সুবিধা পেতে পারেন।
তবে, এসব শ্রেণির মধ্যে পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে গ্রিন কার্ড পাওয়া যায় না। পারিবারিক পৃষ্ঠপোষকতার এসব শ্রেণিতে অভিবাসী ভিসার সংখ্যা সীমিত থাকায় আবেদনকারীকে ভিসা নম্বর পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।
কোন আবেদনকারী কখন ভিসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন, তা তার পারিবারিক শ্রেণি ও অগ্রাধিকার তারিখের ওপর নির্ভর করে। ভিসা নম্বর পাওয়া গেলে যোগ্য আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী আই-৪৮৫ আবেদনপত্র জমা দিয়ে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার প্রক্রিয়ায় যেতে পারেন।
অতএব, পারিবারিক সম্পর্ক অনুযায়ী সঠিক শ্রেণি নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এফ১, এফ২এ, এফ২বি, এফ৩ ও এফ৪—প্রতিটি শ্রেণির জন্য আলাদা যোগ্যতা এবং ভিসার জন্য অপেক্ষার নিয়ম রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ