বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৪ পি.এম
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় ২ বছর বয়সী একটি ভাতিজিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তার আপন চাচা নীরব হোসেন (১৭) কে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার বলধরা ইউনিয়নের তেলিখোলা এলাকা থেকে নীরব হোসেনকে আটক করে সিংগাইর থানায় নিয়ে আসা হয়।
আটককৃত নীরব হোসেন সিংগাইর উপজেলার বাসিন্দা।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে অভিযুক্ত কিশোর তার ভাতিজিকে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে দুপুর ১টার দিকে শিশুটির মা তাকে গোসল করানোর সময় শিশুটি ব্যথা অনুভব করে। এ সময় শিশুটি তার চাচার দেওয়া আঘাতের কথা জানালে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে সিংগাইরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।
বুধবার শিশুটিকে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠান।
ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, "শিশুটির পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা নীরব হোসেনকে আটক করেছি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার জন্য পরিবারের সম্পর্কের ভিত্তিতে কিছু নির্দিষ্ট আত্মীয়কে যোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। দেশটির নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা জানিয়েছে যে, মার্কিন নাগরিক এবং বৈধ স্থায়ী বাসিন্দাদের কিছু নির্দিষ্ট আত্মীয় পারিবারিক পৃষ্ঠপোষকতার আওতায় গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে, এসব ক্ষেত্রে প্রতিবছর অভিবাসী ভিসার সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে।
পারিবারিক পৃষ্ঠপোষকতার আওতায় মোট পাঁচটি প্রধান শ্রেণি রয়েছে—এফ১, এফ২এ, এফ২বি, এফ৩ ও এফ৪। আবেদনকারীর শ্রেণি নির্ধারণ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যের সঙ্গে তার সম্পর্ক এবং সেই সদস্য মার্কিন নাগরিক কিনা বা গ্রিন কার্ডধারী কিনা, তার ভিত্তিতে।
এফ১ শ্রেণি
মার্কিন নাগরিকের ২১ বছর বা তার অধিক বয়সী অবিবাহিত ছেলে-মেয়ে এফ১ শ্রেণির আওতায় পড়েন।
এফ২এ শ্রেণি
যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা বা গ্রিন কার্ডধারীর স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা এফ২এ শ্রেণির জন্য বিবেচিত হন।
এফ২বি শ্রেণি
গ্রিন কার্ডধারীর ২১ বছর বা তার বেশি বয়সী অবিবাহিত ছেলে-মেয়ে এফ২বি শ্রেণির আওতায় পড়েন।
এফ৩ শ্রেণি
মার্কিন নাগরিকের বিবাহিত ছেলে-মেয়ে এফ৩ শ্রেণিতে আবেদন করতে পারেন। তাদের স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানরাও সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতে পারিবারিক অভিবাসনের সুবিধা পেতে পারেন।
এফ৪ শ্রেণি
কমপক্ষে ২১ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিকের ভাই-বোনেরা এফ৪ শ্রেণির আওতায় পড়েন। নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ হলে সংশ্লিষ্ট ভাই বা বোনের স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানরাও এই আবেদনের সঙ্গে পারিবারিক সুবিধা পেতে পারেন।
তবে, এসব শ্রেণির মধ্যে পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে গ্রিন কার্ড পাওয়া যায় না। পারিবারিক পৃষ্ঠপোষকতার এসব শ্রেণিতে অভিবাসী ভিসার সংখ্যা সীমিত থাকায় আবেদনকারীকে ভিসা নম্বর পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।
কোন আবেদনকারী কখন ভিসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন, তা তার পারিবারিক শ্রেণি ও অগ্রাধিকার তারিখের ওপর নির্ভর করে। ভিসা নম্বর পাওয়া গেলে যোগ্য আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী আই-৪৮৫ আবেদনপত্র জমা দিয়ে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার প্রক্রিয়ায় যেতে পারেন।
অতএব, পারিবারিক সম্পর্ক অনুযায়ী সঠিক শ্রেণি নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এফ১, এফ২এ, এফ২বি, এফ৩ ও এফ৪—প্রতিটি শ্রেণির জন্য আলাদা যোগ্যতা এবং ভিসার জন্য অপেক্ষার নিয়ম রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন গাজীপুরের কালীগঞ্জের বাসিন্দা মো. আলমগীর এবং মো. ফরহাদ।
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ বর্তমানে রিয়াদের সুমোসি হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
নিহতদের বাড়ি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানায় অবস্থিত। দুর্ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এদিকে, চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই সৌদি আরবে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আরও চার প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।
গত ৭ সেপ্টেম্বর, তায়েফ থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে আল-খুরমা এলাকায় প্রবাসীদের বহনকারী একটি গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় গাড়িটির চালকসহ চারজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
জানা গেছে, ওই দুর্ঘটনায় নিহত চারজনের সবকজনই সিলেটের বাসিন্দা ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচর সংলগ্ন সাগরে মাছ ধরার ট্রলার বিকল হয়ে পাঁচদিন ধরে ভেসে থাকার পর ১৮ জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে স্বজনদের পাঠানো একটি মাছ ধরার ট্রলারে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জের জোবায়ের এন্টারপ্রাইজের মৎস্য আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারী। তিনি জানান, ‘তাদের একটি ট্রলার পাঠিয়ে জেলেদের উদ্ধার করা হয়েছে।’
উদ্ধারকারী ট্রলারে থাকা বিকল ট্রলারের মালিক হানিফ মাঝির ভাই ফিরোজ রাঢ়ী জানান, তার ভাইসহ ট্রলারের ১৮ জন মাঝিমাল্লাকেই অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সোনারচর সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের পাচকপাট স্লুইসগেট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
এর আগে শনিবার সাগরে মাছ ধরার পর রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) হানিফ মাঝির মালিকানাধীন ট্রলারের পাখা ভেঙে যায়। এরপর থেকে সোনারচর ও রূপারচরের মাঝামাঝি এলাকায় বিকল অবস্থায় নোঙর করেছিল ট্রলারটি।
মঙ্গলবার নেটওয়ার্ক পাওয়ার পর ট্রলার মালিক হানিফ মাঝি বিষয়টি তার এলাকার আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারীকে জানান। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে উদ্ধারের সহায়তা চাওয়া হয়।
তিন নম্বর সতর্কসংকেতের মধ্যে উত্তাল সাগরে উদ্ধার অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সকালে আড়তদারের পাঠানো ট্রলারে পাঁচদিন পর ১৮ জেলেকে উদ্ধার করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা জেলার পুলিশ ১৮টি থানায় একযোগে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে, যার উদ্দেশ্য কিশোর গ্যাংবিরোধী কার্যক্রম। এই অভিযানে নগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় এ অভিযান শুরু হয়। কিশোর গ্যাং এবং উঠতি বয়সী তরুণদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া রোধ করার লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন বখাটেদের আড্ডাস্থল, অপরাধপ্রবণ এলাকা ও সন্দেহজনক স্থানে অভিযান চালানো হয়।
জেলা পুলিশ জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উঠতি বয়সী কিশোরদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ পরিস্থিতির কারণে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান পিপিএমের নির্দেশে ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। নগরীর বিভিন্ন স্থান ছাড়াও জেলার প্রতিটি থানার আওতাধীন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও বখাটেদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের পূর্বের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সেই উদ্দেশ্যে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ