বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:২৫ পি.এম
রাজধানীর মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মুগদা থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতদের তালিকা হলো- ১। ইমরান (৩৪) ২। মোঃ রাব্বি (১৯) ৩। মোঃ আরিফ হোসেন (২০) ৪। শেখ ফরিদ (৩৮) ৫। মোঃ নিজাম উদ্দিন (৩০) ৬। মোঃ জুয়েল অনিক (৩৭) ৭। মোঃ রাজিব (৪৫) ৮। মোঃ সাকিব (১৯) ৯। মোঃ পারভেজ (৩৩) ও ১০। মোঃ সেলিম ভূঁইয়া (৪০)।
মুগদা থানার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মুগদা থানা পুলিশ অত্র থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের সিংড়ায় টানা বর্ষণের ফলে আত্রাই নদীর শহর রক্ষা বাঁধের ওয়াকওয়ে ধসে পড়েছে। এর ফলে নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে সিংড়া পৌর এলাকার গোডাউনপাড়া মহল্লার আত্রাই নদীর শহর রক্ষা বাঁধের ওয়াকওয়ের নিচের মাটি সরে অন্তত ১৫ ফিট রাস্তা ধসে পড়েছে।
যার কারণে ওই পথে চলাচলকারী নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।
নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাত করিম জানিয়েছেন, নদীর গাইড ওয়াল অক্ষত রয়েছে, কিন্তু ওয়াকওয়ে ধসে গেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এক কিশোর কুমিল্লায় অধ্যবসায়, একাগ্রতা ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি গভীর ভালোবাসার অসাধারণ উদাহরণ স্থাপন করেছেন। মাত্র ২০ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্ত করে ১৩ বছর বয়সী মুহাম্মদ আরাফাত হোসেন হাফেজ হওয়ার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তার এ সাফল্যে এখন পরিবার, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ বিরাজমান।
আরাফাত কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পুকুরপাড় গ্রামের বাসিন্দা মো. আকতার হোসেন ও শিখা আক্তার দম্পতির সন্তান। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চট্টগ্রাম বারীয়া দরবার শরীফের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত সদর ইউনিয়নের মুহিব্বানে রহমাতুল্লিল আলামিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ মুহাম্মদ রবিউল্লাহ সিকদার নিশ্চিত করেছেন তার হাফেজ হওয়ার বিষয়টি।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আরাফাতের জন্মের পর থেকেই তার বাবা-মা তাকে কোরআনের হাফেজ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখতেন। সেই লক্ষ্য প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে ২০২৩ সালের ১ মার্চ তাকে মাদ্রাসার নূরানী বিভাগে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে সে হিফজ বিভাগে ভর্তি হয়। অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে, নিয়মিত অনুশীলন ও শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে, মাত্র ২০ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা সম্পূর্ণ মুখস্ত করার গৌরব অর্জন করে।
শিশু হাফেজ মুহাম্মদ আরাফাত হোসেন জানান, "আমি সবসময় হুজুরদের দেয়া পড়ার চেয়ে বেশি পড়ার চেষ্টা করেছি। আল্লাহর অশেষ রহমত, মা-বাবার দোয়া এবং ওস্তাদদের আন্তরিক সহযোগিতায় আমি ৩০ পারা কোরআন মুখস্ত করতে পেরেছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন বড় আলেম হয়ে ইসলাম ও মানুষের খেদমত করতে পারি।"
আরাফাতের বাবা মো. আকতার হোসেন বলেন, "ছেলেকে হাফেজ বানানো আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। আল্লাহ আমাদের সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন। আমি সকলের কাছে দোয়া চাই, সে যেন দ্বীনি শিক্ষায় আরও সমৃদ্ধ হয়ে ইসলাম ও মানবতার কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে পারে।"
আরাফাতের হিফজ শিক্ষক হাফেজ মুহাম্মদ রবিউল্লাহ সিকদার বলেন, "শুরুর থেকেই আরাফাত অন্য শিক্ষার্থীদের তুলনায় পড়াশোনায় অনেক বেশি আগ্রহী ছিল। সে অত্যন্ত পরিশ্রমী, মনোযোগী এবং মেধাবী। নিয়মিত অনুশীলন এবং দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির কারণে সে এত অল্প সময়ে এই অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জন করেছে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২টি শিশুর মৃত্যু হল। একই সময়ে ৯৪৬ শিশু হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ ছিল। তবে, এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৪৭ শিশুর মৃত্যু ঘটে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, হামের উপসর্গ নিয়ে এখনও পর্যন্ত দেশের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছে ৯২ হাজার ৩১ শিশু। তাদের মধ্যে ৮৮ হাজার ৪১৯ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়ে গেছে।
অধিদফতরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ জন। এর মধ্যে ল্যাব টেস্টে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ১৯৮ শিশুর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর, ভ্রমণ (ট্যুরিস্ট) ভিসায় ভারতে যাত্রী পারাপার আবার শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারতের দ্বার পর্যটকদের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত হলো।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রথম বাংলাদেশি এক ভ্রমণ ভিসা নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন।
বন্দর সূত্র জানায়, দীর্ঘ বিরতির পর ভ্রমণ ভিসা নিয়ে ভারতে যাওয়া প্রথম এই যাত্রীর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ফুলবাড়িয়ায়। তিনি গত ২৮ জুন ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন এবং ৮ জুলাই (বুধবার) ছয় মাসের মাল্টিপল ভিসা পান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে আখাউড়া বন্দর দিয়ে ভারতীয় যাত্রীরাই বাংলাদেশে বেশি আসছেন এবং তাদের অধিকাংশই মূলত ভ্রমণ ভিসা নিয়ে আসছেন। অন্যদিকে, যেসব বাংলাদেশি ভারতে যাচ্ছেন, তাদের অধিকাংশই চিকিৎসা ভিসায় (মেডিকেল ভিসা) যাচ্ছেন। ভারত সরকার নতুন করে ভ্রমণ ভিসা দেয়া শুরু করায়, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশি যাত্রী পারাপার আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রহিম বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একজন বাংলাদেশি ভ্রমণ ভিসায় ভারতে গেছেন। আগামী দিনগুলোতে হয়তো ভারতীয় ভিসা পাওয়া যাত্রী সংখ্যা আরও বাড়বে।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখে ভারত। প্রায় দুই বছরের মাথায় সম্প্রতি আবারও ভ্রমণ ভিসা চালু করা হয়েছে। গত ২৮ জুন থেকে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনায় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলোতে একযোগে কার্যক্রম শুরু হয় এবং ৮ জুলাই থেকে যাত্রীরা ভিসা পেতে শুরু করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ