বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:১৪ পি.এম
চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের আসরে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের একটি ঘটনা বিশ্বজুড়ে ক্রীড়ামোদী এবং মুসলিম উম্মাহর মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় ফুটবল দলের তারকা ফরোয়ার্ড টেটে ইয়ঙ্গি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তিনি ইসলাম ধর্মের দীক্ষা নিয়েছেন বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে ডাক পাওয়ার ঠিক আগে, নিজের শহর এডিলেইডের একটি মসজিদে জুম’আর নামাজ শেষে। সেখানে আকস্মিকভাবে উপস্থিত বিশ্বখ্যাত ইসলামিক স্কলার মুফতি মেঙ্কের হাত ধরে কালিমা শাহাদাহ পাঠ করেন এই উদীয়মান ফুটবলার।
টেটে ইয়ঙ্গি পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে জানান, ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি তার জীবনে কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত ছিল না। বরং, বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছিলেন। মসজিদে মুফতি মেঙ্কের সাথে হ্যান্ডশেক করার পর, যখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন যে শাহাদাহ পাঠ করা হয়েছে কি না, তখন ইয়ঙ্গি আর না করতে পারেননি। এভাবেই সেখানেই তিনি জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু করেন।
বর্তমানে ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে খেলছেন। বিশ্বকাপের মূল আসরে নামার আগে, সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে তার অভিষেক ম্যাচেই একটি দুর্দান্ত গোল করেন, যা দলের ড্র নিশ্চিত করে। তাকে ১.৯৭ মিটার উচ্চতার ফরোয়ার্ড হিসেবে জানানো হয়েছে।
মূল পর্বেও জাতীয় দলের কোচ টনি পপোভিকের আস্থার প্রতিদান দিয়ে চলেছেন তিনি। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তুর্কীর বিপক্ষে ২৪ মিনিট এবং প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৭ মিনিট মাঠে থেকে দলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এই ফুটবলার জাপানি ক্লাব মাচিদা জেলভিয়াতে খেলছেন।
নিজের নতুন ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে গর্বিত টেটে ইয়ঙ্গি জানিয়েছেন যে, তিনি তার আচরণের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ইসলামের প্রকৃত এবং সুন্দর রূপ সবার সামনে ফুটিয়ে তুলতে চান। সূত্র: উইকিপিডিয়া আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার প্রোফাইল ২০২৬, নুজুম স্পোর্টস ও কালবি স্টুডিওস ইন্টারভিউ, ফক্স স্পোর্টস অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ ডেটা, কাশমির নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভকে নিজের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
রুশ প্রতিনিধিদলে আরও থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা, রাশিয়ান অর্থোডক্স চার্চ-এর ধর্মযাজক, সুন্নি মুফতি এবং শিয়া ধর্মীয় আলেমরা। রাশিয়ার এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল জানাজার এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ইরানের প্রতি সমবেদনা জানাবে এবং দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে উপস্থিত থাকবে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলার প্রথম দিন নিহত হন। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তার রাষ্ট্রীয় দাফনানুষ্ঠান কয়েক দফা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ৬ জুলাই খামেনির আনুষ্ঠানিক জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এসব কর্মসূচির ফলে তেহরান প্রদেশে তিন দিন সরকারি ছুটি কার্যকর থাকবে। এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। দেশ-বিদেশের কয়েক লাখ মানুষ এই দাফনানুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বিষয়ক উপমন্ত্রী এবং আয়োজক কমিটির প্রধান আলী আকবর পুরজামশিদিয়ান জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে ৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও গবেষক এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও জানান, অন্তত ৩০টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল পাঠানোর আবেদন করেছে। আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কিত কারণে অনুষ্ঠানটি কয়েকদিনব্যাপী আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৮ জুলাই খামেনির মরদেহ ইরাকের বাগদাদ বা নাজাফে নেওয়া হবে। সেখানে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হবে। এরপর নাজাফ ও কারবালায় শোকমিছিল ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারের কাছে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, পুরো আয়োজনটি জাতীয় পর্যায়ের একটি কেন্দ্রীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরিফ এর নেতৃত্বে একটি জাতীয় সদর দফতর এ কার্যক্রম সমন্বয় করছে।
অনুষ্ঠান ঘিরে ইরানে কয়েক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তেহরান, কোম ও খোরাসান রাজাভি প্রদেশসহ বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে ছুটি থাকবে। জনসাধারণের যাতায়াত সহজ করতে তেহরানের মেট্রো ও বাস সেবা ২৪ ঘণ্টা বিনামূল্যে চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিদেশি সাংবাদিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে ৩০০ জনেরও বেশি গণমাধ্যমকর্মী নিবন্ধন করেছেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, পুরো আয়োজন চলাকালে ইন্টারনেট নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই বিদায়ী অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ও আঞ্চলিক সংহতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদর্শনী হয়ে উঠবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনার সাঁথিয়ায় এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোরে উপজেলার আতাইকুলা থানার আর, আতাইকুলা ইউনিয়নের বিলকুলা গ্রামে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল।
মামলার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিলকুলা গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে প্রায় রাতেই উকি দিতেন প্রতিবেশী মামুন (৩৪) ও জুয়েল (৩৫)। মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে প্রবাসী পরিবারের অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া মেয়ে যখন ঘরের বাইরে বের হন, তখন পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা মামুন ও জুয়েল তাকে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাড়ির পাশে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় তারা মোবাইলে সেই অবস্থার ছবি ধারণ করে এবং ভুক্তভোগীকে ভয় দেখিয়ে বলেন যদি কাউকে বলো, তাহলে মেরে ফেলবেন। পরে ওই ছাত্রী এই ঘটনা তার মাকে জানালে তিনি বাদী হয়ে মামুন ও জুয়েলের বিরুদ্ধে আতাইকুলা থানায় মামলা করেন।
এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বুধবার (১ জুলাই) রাত ১০টার দিকে মামুনের বাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে জুয়েলের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মামুন ও জুয়েল উভয়েই বিলকুলা গ্রামের বাসিন্দা। মামুন দুই সন্তানের জনক এবং জুয়েল তিন সন্তানের বাবা।
এ ব্যাপারে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। বর্তমানে আসামিরা পলাতক রয়েছে। ভিকটিমকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুই থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের কাঁদলে ওয়াশিং মেশিনের ভিতরে বসিয়ে রাখা হতো। মুখ বন্ধ করতে জেট স্প্রে দিয়ে তীব্র গতিতে মুখে পানি ছিটানো হচ্ছিলো। ভারতের বেঙ্গালুরুতে তথ্যপ্রযুক্তি ও বৈশ্বিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘ক্যাপজেমিনির’ ডে-কেয়ার বা শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে শিশুদের ওপর এমন ভয়াবহ নির্যাতনের একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলা শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা তিলকেশ কুমার এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
ছোট্ট শিশুরা কাঁদছে বলেই তো কিছুটা কান্না হবেই। তারা মা-বাবার জন্য মন খারাপ করে। কিন্তু এই কান্না থামানোর জন্য যে আক্রমণাত্মক নির্যাতন করা হচ্ছে, তা কোনো সুস্থ মানুষের কাজ হতে পারে না।
জানা গেছে, ডে কেয়ার সেন্টারটিতে কান্না থামানোর উদ্দেশ্যে একটি ফ্রন্ট-লোডিং ওয়াশিং মেশিনের ড্রামের ভেতর দুই-তিন বছরের অবুঝ শিশুদের পুরে রাখা হচ্ছিল। সেখানেই শেষ নয়, বাথরুমের টয়লেটের জেট স্প্রে দিয়ে সরাসরি তাদের মুখে পানি ছিটানো হচ্ছিল, যাতে তারা চিৎকার করতে না পারে। দম বন্ধ হয়ে যায় এমনভাবে বাথরুমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হতো ওই শিশুদের।
এই ভয়ংকর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে উল্লিখিত ডে কেয়ারের পাঁচ নারী কেয়ারগিভার বা শিশু পরিচর্যাকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ ঘটনাটি আড়ালের মধ্যে থেকে যেতো, যদি না নির্যাতনের সেই গোপন ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হতো। ভিডিওগুলো ভাইরাল হওয়ার পর নেটদুনিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছে।
নিজেদের সন্তানের ওপর এমন অমানুষিক অত্যাচারের দৃশ্য দেখে আইটি কোম্পানির চাকরিজীবী মা-বাবারা স্তম্ভিত এবং বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
ভিডিওগুলো সামনে আসার পর শুধু পুলিশে নয়, কর্ণাটক রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনেও একটি পৃথক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। কর্পোরেট অফিসগুলোর ভিতরে থাকা এ ধরনের চাইল্ড কেয়ার বা শিশু যত্ন কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা এবং নজরদারি নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জার্মানির উত্তরাঞ্চলের লুডভিগসলুस्ट শহরের একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে দুই রোগী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত একজন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। জার্মানির সংবাদ সংস্থা ডিপিএ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে উদ্ধৃত করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আঞ্চলিক সম্প্রচারমাধ্যম এনডিআর-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমে হাসপাতালের রোগীদের একটি কক্ষে আগুন লাগে। পরে সেই আগুন দ্রুত রেডিওলজি বিভাগের ছাদে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ ভোরে হাসপাতালটির ছাদের কাঠামোয় আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে। তবে বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আগুন লাগার পরপরই ১৬০ শয্যার এই হাসপাতালটি থেকে রোগী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এটিই ওই শহরের একমাত্র হাসপাতাল।
প্রাথমিক খবরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে পরে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, আগুনের বিষাক্ত ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশের ফলে মাত্র একজন আহত হয়েছেন।
শুরুতে মূলত ঘটনাস্থলে চিকিৎসকেরা তাৎক্ষণিকভাবে যাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছিলেন, তাদের সবাইকে হিসেবে ধরে কয়েক ডজন মানুষ আহত হওয়ার তথ্য ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে পরে নিবিড় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দেখা যায়, তাদের অধিকাংশই সম্পূর্ণ অক্ষত আছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ