বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৮ পি.এম
এক মাদক কারবারির গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। তিনি নিজের বাড়ির আলমারিতে লুকিয়ে ছিলেন, কিন্তু প্রযুক্তির সাহায্যে পুলিশ তার অবস্থান চিহ্নিত করে তাকে গ্রেপ্তার করে।
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য মেট্রো-এর প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া মাদক কারবারির নাম জোয়েল লুইস।
৩৪ বছর বয়সী লুইস উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের ওয়েম্বলিতে বসবাস করতেন। তার বিরুদ্ধে ‘ববি’ নামে একটি মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। নর্থ কিলবার্ন এলাকায় তার চক্র কোকেন ও হেরোইন সরবরাহ করত।
মাদক সরবরাহের সন্দেহে কয়েকজন শিশুকে আটক করে তাদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করার পর লুইসের চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ। এরপর তদন্তের অংশ হিসেবে গত ৭ জুলাই ওয়েম্বলিতে লুইসের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের অভিযান টের পেয়ে লুইস একটি আলমারির ভেতর লুকিয়ে পড়েন। তবে পুলিশ তাকে দ্রুত খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর বিস্মিত লুইস পুলিশকে প্রশ্ন করেন, "আপনারা আমাকে কীভাবে খুঁজে পেলেন?"
তদন্তকারীরা জানান, লুইস তার ডিভাইসে ভিপিএন ব্যবহার করে নিজের অবস্থান গোপন রাখতে চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু যে ঠিকানায় তিনি অবস্থান করছিলেন, সেখানে একটি পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সঙ্গে তার ডিভাইস সংযুক্ত হয়ে যায়। সেই সংযোগের সূত্র ধরেই পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
অভিযানের সময় লুইসের বাড়ি থেকে আনুমানিক ৮ হাজার ৮০০ পাউন্ড মূল্যের ‘এ’ শ্রেণির মাদক কোকেন ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া প্রায় ৮ হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ, ছয়টি মোবাইল ফোন, একটি গুলিসহ আগ্নেয়াস্ত্র, ১৩ রাউন্ড ৯ মিমি গুলি, একটি মাচেতে ও একটি ফ্লিপ নাইফ জব্দ করা হয়।
জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলোর একটি সরাসরি ‘ববি’ মাদক সিন্ডিকেটের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিল। লুইসের ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রায় ২৫০ জন মাদকসেবীর একটি কন্টাক্ট তালিকা পাওয়া যায়। এসব নম্বর থেকে প্রতিদিন তার ফোনে শতাধিক কল আসত বলে তদন্তে জানা গেছে।
তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা কনস্টেবল লরেন গ্রেস্টি বলেন, "নর্থ কিলবার্ন এলাকায় মাদক সরবরাহের কাজে তরুণদের ব্যবহার করতেন লুইস। এর ফলে তারা সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ত।"
কোকেন ও হেরোইন সরবরাহের অপরাধে হ্যারো ক্রাউন কোর্ট জোয়েল লুইসকে ১২ বছর ৯ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পান্থকুঞ্জ পার্কের সংলগ্ন আপ-র্যাম্পের নির্মাণকাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশনা দিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সেতু ভবনে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে, যেখানে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের অগ্রগতি, অর্থায়ন এবং চলমান নির্মাণকাজের দ্রুত সমাপ্তির লক্ষ্যে ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোম্পানি লিমিটেডের চীনা প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিল, তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
এ সময় প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। প্রকল্পের নতুন অর্থায়ন, নির্মাণকাজের বর্তমান অবস্থা এবং অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সেতু সচিব পান্থকুঞ্জ পার্কের আপ-র্যাম্পের নির্মাণকাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে চীনা প্রতিনিধিদলসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আবদুর রউফ প্রকল্পের অন্যান্য অবশিষ্ট কাজও দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেন। তিনি উল্লেখ করেন, "প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ সুফল ঢাকাবাসীর কাছে দ্রুত পৌঁছে দিতে হলে নির্মাণকাজের গতি আরও বাড়াতে হবে।" এ লক্ষ্যে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েনের নির্দেশও দেন তিনি।
বৈঠকে প্রকল্পের অর্থায়ন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। চীনা প্রতিনিধিদল জানায়, তারা অর্থায়ন কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ প্রক্রিয়া বেগবান করতে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তারা আরও জানায়, বিকল্প ঋণদাতা হিসেবে চীনের শ্যানডং প্রদেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি ব্যাংক ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
এদিকে, এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজাগুলোতে যানবাহনের নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আরএফআইডি-ভিত্তিক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়টি বৈঠকে উঠে আসে। চীনা প্রতিনিধিদলকে এ ব্যবস্থা দ্রুত চালু করতে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের জন্য অনুরোধ করা হয়।
সেতু সচিব প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সব ধরনের নীতিগত ও পরিচালনাগত সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে একটি সুস্পষ্ট ও সময়ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন।
নির্মাণকাজ চলাকালে প্রকল্প এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার তাগিদও দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত পিপিপি প্রকল্প। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কাওলা) থেকে শুরু হয়ে কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
মূল উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার এবং ওঠানামার সংযোগকারী র্যাম্পসহ প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। রাজধানীর সড়কপথের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও এফডিইইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ভেকিনগরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রয়েল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে গিয়ে অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ভেকিনগর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকাগামী রয়েল পরিবহনের বাসটি একটি আটোরিকশাকে বাঁচাতে ব্রেক করলে সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কের মাঝখানে উল্টে গিয়ে বাসে থাকা ৪৮ জন যাত্রী আটকে যায়। যাত্রীদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে হাইওয়ে পুলিশ ও দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আটকে পড়া যাত্রীদের গাড়ির ভেতর থেকে বের করে নিয়ে আসে।
এতে আহত ২৫ জন যাত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গৌরীপুর হাসপাতাল নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে মারাত্মকভাবে আহত তিনজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া থেকে রায়পুর পর্যন্ত দীর্ঘ আট কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে বাসটি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রেমদাস রায় জানান, বাসটি সড়কের মাঝপথে উল্টে গেলেও যাত্রীদের তেমন ক্ষতি হয়নি।
আহতদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনজন গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। বাসটি উদ্ধার করে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আইপিএলে ম্যাচ ফিক্সিং এবং জুয়াড়িদের কাছে দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে রঞ্জি ট্রফির এক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে। নাগাল্যান্ডের হয়ে খেলা রাচিত ভাটিয়া দাবি করেছেন যে, ২০২৫ সালের আইপিএলে তিনি পাঁচটি ম্যাচ ফিক্সিং করেছিলেন।
এছাড়া, ২০২৬ সালের আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের এক ক্রিকেটারের সঙ্গে সমঝোতা করে দলের প্রথম একাদশের গোপন তথ্য জুয়াড়িদের কাছে পাচার করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে এসব দাবির সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক স্টিং অপারেশনে রাচিতের এমন বক্তব্য সামনে এসেছে বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা। তার দাবি, ২০২৫ সালের আইপিএলে পাঁচটি ম্যাচ ফিক্সিং করে প্রতিটি ম্যাচের জন্য ৬০ লাখ রুপি করে মোট ৩ কোটি রুপি পেয়েছিলেন তিনি।
রাচিতের ভাষ্য অনুযায়ী, স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে লন্ডনভিত্তিক জুয়াড়িদের কাছে চেন্নাইয়ের অভ্যন্তরীণ তথ্য পাঠাতেন তিনি। টসের আগে দলের সম্ভাব্য একাদশের তথ্য সরবরাহ করা এবং ম্যাচের নির্দিষ্ট মুহূর্ত প্রভাবিত করার মতো স্পট ফিক্সিংয়ে অর্থ লেনদেনের কথাও তিনি দাবি করেছেন।
এছাড়া, ২০১৮-১৯ মৌসুমের সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে স্পট ফিক্সিংয়ের কথাও স্বীকার করেছেন রাচিত। তার দাবি, ওই ম্যাচে ইচ্ছাকৃতভাবে দুটি ওয়াইড বল করার বিনিময়ে প্রতি বলের জন্য ৮ লাখ রুপি করে মোট ১৬ লাখ রুপি পেয়েছিলেন তিনি।
শুধু আইপিএল নয়, দিল্লি প্রিমিয়ার লিগেও জুয়াড়িদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার দাবি করেছেন রাচিত। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সেখানে প্রথম একাদশের তথ্য সরবরাহ কিংবা স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য ৪০ লাখ রুপি পর্যন্ত দেওয়া হয়।
নাগাল্যান্ডের রঞ্জি দলে জায়গা পাওয়ার জন্য ঘুষ দেওয়ারও দাবি করেছেন এই ক্রিকেটার। তার ভাষ্য, দলটিতে জায়গা নিশ্চিত করতে ১৫ লাখ রুপি ঘুষ দিয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০১৮-১৯ মৌসুমে রঞ্জি ট্রফিতে অভিষেক হয় তার।
২০২৬ সালের আইপিএল নিয়েও বিস্ফোরক দাবি করেছেন রাচিত। তার বক্তব্য, ম্যাচ ফিক্সিংয়ের পরিকল্পনায় চেন্নাইয়ের এক ক্রিকেটারের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল। তবে ওই ক্রিকেটার চেন্নাইয়ের হয়ে কোনো ম্যাচে প্রথম একাদশে সুযোগ না পাওয়ায় আইপিএলে পরিকল্পনা অনুযায়ী ফিক্সিং করা সম্ভব হয়নি। রাচিতের দাবি, ওই ক্রিকেটার পরে দিল্লি প্রিমিয়ার লিগে খেলেছিলেন এবং সেখানে ফিক্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা হয়েছিল।
রাচিত অবশ্য সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেননি। চোটের কারণে ২০২৬ আইপিএলে চেন্নাইয়ের হয়ে কোনো ম্যাচ খেলতে না পারা এবং পরে দিল্লি প্রিমিয়ার লিগে অংশ নেওয়া এক ক্রিকেটারকে ঘিরে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তবে কোনো ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
এদিকে অভিযোগ সামনে আসার পর তদন্তের দাবি জানিয়েছে দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (ডিডিসিএ)। সংস্থার সচিব অশোক শর্মা জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য বিসিসিআইকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তার মতে, স্টিং অপারেশনের রেকর্ডিংয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবে ঘটেছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি।
অশোক শর্মা বলেন, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে তদন্তকারী সংস্থাকে দিল্লি প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচের ভিডিও ফুটেজসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবে ডিডিসিএ।
বর্তমানে বিসিসিআই অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করছে বলে জানিয়েছে ডিডিসিএ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইপিএল ও দিল্লি প্রিমিয়ার লিগে দুর্নীতি প্রতিরোধ ব্যবস্থার আওতায় বড় ধরনের তদন্ত শুরু হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী মন্তব্য করেছেন যে, ভালো শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে জীবনে ভালো কিছু করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, উচ্চশিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি নিয়মিত পড়াশোনা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সক্ষম হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থেকে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার আহ্বান জানিয়ে নাজমুন নাহার বেবী বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কচুয়ার শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করে সুনাম অর্জন করবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. ফজলুল হক। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল খায়ের।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কলেজ গভর্নিং বডির বিদ্যুৎসাহী সদস্য মো. ইউসুফ মিয়াজী, ডা. মো. আবু তাহের, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ইউসুফ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির তালুকদার লিটন প্রমুখ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান মোল্লা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন খন্দকার, কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইকবাল উদ্দিন মিঠু, ইউনুস মোল্লা, জসিম উদ্দিন মোল্লাসহ কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কলেজের শিক্ষক ও নতুন শিক্ষার্থীরা প্রধান অতিথি নাজমুন নাহার বেবীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। নতুন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় পুরো কলেজ প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। উৎসবমুখর পরিবেশে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ