০৫:২১ পি.এম
রাজবাড়ীর পাংশায় ষষ্ঠ শ্রেণীর এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে জিল্লু মণ্ডল (৫৫) নামক একজন ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া জিল্লু মণ্ডল উপজেলার চরঝিকরি গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি বুঝে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং অভিযুক্তকে আটক করে। পরে ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা মামলায় জিল্লু মণ্ডলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। বর্তমানে আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
স্থানীয় সূত্র ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৯টায় ভুক্তভোগী ছাত্রী চরঝিকরি মকবুল হোসেন দাখিল মাদরাসায় যাওয়ার সময়, চরঝিকরি দক্ষিণপাড়ায় লোকমান হোসেনের বাড়ির পাশে মাঠের কাছে পৌঁছালে অভিযুক্ত জিল্লু মণ্ডল তার পথরোধ করে এবং জোরপূর্বক আখক্ষেতের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় নিজেকে রক্ষা করতে গিয়ে ওই ছাত্রীটি অভিযুক্তের হাত কামড়ে দেয় এবং চিৎকার করতে শুরু করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে চলে আসেন। পরিস্থিতি ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়লে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে স্থানীয়রা জিল্লু মণ্ডলকে আটক করে পাংশা মডেল থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী লোকমান হোসেন বলছেন, শিশুটির চিৎকার শুনে তিনি ঘটনাস্থলের দিকে আসার পথে অভিযুক্ত পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে অভিযুক্তের বাড়িতে গেলে, প্রথমে জিল্লু মণ্ডল অভিযোগ অস্বীকার করেন, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা তদন্ত সাপেক্ষে জিল্লু মণ্ডলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। তাদের দাবি হচ্ছে, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক এবং আইন অনুযায়ী সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।
আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে, ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯ (৪) (খ) ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন