ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাকিস্তানের লাহোরে টিউশন সেন্টারে ছাদ ধস, প্রাণ গেল ১৪ শিশুর


পাকিস্তানের লাহোরে টিউশন সেন্টারে ছাদ ধস, প্রাণ গেল ১৪ শিশুর

পাকিস্তানের লাহোরের কাহনা এলাকায় অবস্থিত একটি টিউশন সেন্টারের ছাদ ধসে অন্তত ১৪ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও জানা গেছে। পুলিশের বরাতে দ্য ডন এ সংবাদটি নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। লাহোর পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) অপারেশনস ফয়সাল কামরান জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

লাহোর জেনারেল হাসপাতাল বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করে নিহতদের প্রাথমিক তালিকা প্রদান করেছে, যেখানে অন্তত আটজনের বয়স ৫ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে রয়েছে। সন্ধ্যা ৭টায় লাহোর পুলিশ এক বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তের প্রেক্ষিতে বাড়ির মালিকসহ দুজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করে ডিআইজিকে উদ্ধৃত করা হয়, দুর্ঘটনার প্রমাণ সংগৃহীত হচ্ছে এবং অবহেলার জন্য দায়ী প্রমাণিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিআইজি কামরান আরও জানিয়েছেন, সম্প্রতি বাড়িটি নির্মাণকারী ঠিকাদারও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাড়িটির একটি অংশ তখন নির্মাণাধীন ছিল এবং ছাদ ধসে পড়ার সময় শ্রমিকরা কাজে ব্যস্ত ছিলেন বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

এর আগে রেসক্যু ১১২২-এর মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, ঘটনাস্থলে তাদের দলের সদস্যরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় আটকে পড়া শিশুদের বিষয়ে তথ্য প্রদান করেছেন। রেসক্যু ১১২২-এর মুখপাত্র ফারুক আহমেদ ডন নিউজকে বলেন, ‘শিশুদের বয়স খুব কম এবং দুটি ঘর ব্যবহার করা হচ্ছিল। তাই ছাদ ধসে পড়ায় শিশুরা আটকা পড়ে’।

উদ্ধার অভিযানে অংশগ্রহণকারী একটি রেসক্যু সার্ভিসের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে একটি বাড়ির ঘরের ছাদ ‘হঠাৎ ধসে পড়েছে’। এতে আরও বলা হয়েছে, প্রাথমিক তথ্যে অবগত হয়েছে যে ধসে পড়া ছাদটি টিআর গার্ডার ব্যবহার করে নির্মাণ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ দুর্ঘটনা জানার সাথে সাথে পুলিশ ও জেলা সরকারি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন, ছাদ ধসে মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের ভূমিকা নির্ধারণ করে ফৌজদারি মামলা দায়ের করার।

লাহোর জেলা শিক্ষা কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারিক মাহমুদ জানিয়েছেন, ভবনটিতে একটি বেসরকারি টিউশন কেন্দ্র ছিল এবং এটি এলাকার এক নারী পরিচালনা করতেন।

স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিকটবর্তী লাহোর জেনারেল হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের, ডাক্তার, নার্স ও প্যারামেডিক্যাল কর্মীদের সেখানে আহত শিশুদের অবিলম্বে চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন শিশু উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাদাম খেতে গিয়ে শ্বাসরোধে প্রাণ গেল শিশু মানহা মনির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


বাদাম খেতে গিয়ে শ্বাসরোধে প্রাণ গেল শিশু মানহা মনির

শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকায় গলায় বাদাম আটকে মানহা মনি (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরের দিকে ঘটে এই দুঃখজনক ঘটনা। পরিবারের সঙ্গে গতকাল নানা বাড়িতে অবস্থানরত অবস্থায়, নানার বিদ্যালয়ে বেড়াতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয় সে।

নিহত মানহা মনি সিলেটের বাসিন্দা, কর্মজীবী ব্যাংক কর্মকর্তা মো. রুবেলের মেয়ে। তার নানা নালিতাবাড়ী পৌর শহরের আড়াইআনী বাজার ব্যাপারীপাড়ার বাসিন্দা মোস্তফা আহমেদ, যিনি মোস্তফা তন্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে তার নানা সঙ্গে বিদ্যালয়ে যায় মানহা মনি। দুপুরের দিকে সেখানে আদর করে তাকে বাদাম খেতে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে একটি বাদাম তার শ্বাসনালীতে আটকে যায়। এতে শিশুটি শ্বাসকষ্টে ছটফট করতে শুরু করে। এরপর দ্রুত তাকে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে, পথিমধ্যে তার মৃত্যু ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তানভীর ইবনে কাদের বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই শ্বাসনালীতে বাদাম আটকে মৃত্যু হয়েছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটবল খেলা সম্পর্কে ড. জাকির নায়েক–এর বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


ফুটবল খেলা সম্পর্কে ড. জাকির নায়েক–এর বক্তব্য

ড. জাকির নায়েক বলেন, "ফুটবল নিজে হারাম কোনো খেলা নয়। বরং এটি শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে সহায়ক।" তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে খেলাটি শরিয়তের সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং নামাজসহ ফরজ ইবাদতে বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি বক্তা ড. জাকির নায়েক এ কথা জানিয়েছেন।

তার মতে, সাধারণভাবে শরিয়তের বিধান মেনে ফুটবল খেলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে পেশা হিসেবে ফুটবল খেলে জীবিকা অর্জন করা জায়েজ। কিন্তু খেলোয়াড়কে সতর রক্ষা, সময়মতো নামাজ আদায় এবং হারাম কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

ড. জাকির নায়েক আরও বলেন, "জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পেশাদার ফুটবলে ঝুঁকি অনেক বেশি। কারণ সেখানে অনেক সময় হারাম স্পন্সরশিপ, অশালীন পরিবেশ, অতিরিক্ত খ্যাতি ও অর্থের প্রলোভন একজন মুসলিমকে ইসলামের বিধান থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে।" তাই তিনি উচ্চপর্যায়ের ফুটবলে একজন মুসলিমকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলছেন।

তিনি এই বিষয়ে মন্তব্য করেন যে, "কোনো পেশার কারণে কেউ নামাজ না পড়লে তার দায় সেই পেশার নয়, বরং ব্যক্তির।" অতএব, ফুটবলকে ঢালাওভাবে হারাম বলা ঠিক নয়; বরং একজন খেলোয়াড় ইসলামের বিধান কতটুকু মেনে চলছেন, সেটিই মূল বিবেচ্য বিষয়।

ড. জাকির নায়েকের মতে, ফুটবল একটি উপকারী খেলাধুলা। কিন্তু পেশা হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে দ্বীনের বিধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। যদি খেলাধুলা আল্লাহর আনুগত্যে বাধা না হয়ে বরং শরিয়তের সীমার মধ্যে পরিচালিত হয়, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

সূত্র: ড. জাকির নায়েকের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণই এখন সবচেয়ে জরুরি: ডিসি ফরিদা খানম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


ঢাকার পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণই এখন সবচেয়ে জরুরি: ডিসি ফরিদা খানম

 ঢাকাকে আরো বাসযোগ্য, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সহনশীল নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

তিনি বলেছেন, ‘ঢাকাকে বাঁচাতে এখনই বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি বিশুদ্ধ বাতাস, জীববৈচিত্র্য এবং আগামী প্রজন্মের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে।’

আজ রাজধানীর বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সবুজ ঢাকার অঙ্গীকার : আজকের বৃক্ষ আগামীর নিঃশ্বাস’।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।

তিনি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। রোপণ করা প্রতিটি গাছের পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। একটি গাছ বাঁচানো মানে একটি জীবন, একটি পরিবার এবং একটি সুস্থ পরিবেশকে বাঁচিয়ে রাখা।’

ফরিদা খানম আরো বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা এবং খালি জায়গাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, একটি গবেষণায় দেখা গেছে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫০ লিটার অক্সিজেন গ্রহণ করেন।

ডিসি বলেন,  গড় আয়ু ৭০ বছর ধরা হলে, একজন মানুষের সারা জীবনে প্রয়োজন হয় প্রায় ১৪ লাখ লিটার অক্সিজেন। অন্যদিকে, একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ বছরে গড়ে ৮২ হাজার ৬০০ লিটার অক্সিজেন উৎপাদন করে। সেই হিসেবে একজন মানুষের জীবনভর অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে প্রয়োজন হয় প্রায় ১৭টি পূর্ণবয়স্ক গাছ।

তবে বাস্তবতা হলো, রোপণ করা সব গাছ পরিণত বয়সে পৌঁছায় না। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত জীবনে অন্তত ১০০টি গাছ রোপণ করা, যাতে অন্তত ১৭টি গাছ পূর্ণবয়স্ক হয়ে মানুষ ও পরিবেশের কল্যাণে অবদান রাখতে পারে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, বাংলাদেশে একটি আইসিইউ বেডে অক্সিজেন ও অন্যান্য চিকিৎসাসহ প্রতিদিনের ব্যয় প্রায় ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা, কখনো কখনো এরও বেশি। অথচ আমরা সুস্থ অবস্থায় প্রতিদিন যে বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহণ করি, তার বিশাল অংশের যোগান প্রকৃতি এবং আমাদের চারপাশের গাছপালা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিয়ে থাকে।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, অর্থ দিয়ে আইসিইউর অক্সিজেন কেনা সম্ভব, কিন্তু একটি পরিণত গাছ যে অক্সিজেন, ছায়া, শীতলতা, জীববৈচিত্র্যের আশ্রয় এবং পরিবেশগত সুরক্ষা প্রদান করে, তার প্রকৃত মূল্য কোনো অর্থেই নির্ধারণ করা যায় না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ব্যয় সংকোচনের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবার বাজেট পরবর্তী নৈশ ভোজও বাতিল করা হয়েছে। এতে সরকারের প্রায় ৫০ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

প্রতিবছর বাজেট পাসের দিন রাতে সংসদ ভবনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে নৈশ ভোজ হয়ে থাকে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতাসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নিয়ে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন খাতে প্রতিবছর ব্যয় হয়েছিল গড়ে  ৩০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা। এই ব্যয়ের বাইরেও দেখা গেছে প্রতি বছর ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ করা হয়েছে। যেমন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই খাতে খরচ হয়েছিল ৩০ কোটি ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৫ টাকা।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খাবার সরবরাহ করতো। বিগত সরকারের সময়ে এই বিশাল অঙ্কের টাকা এখনো বাকি রয়ে গেছে, যা বর্তমান সরকারকেই পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করতে হচ্ছে।’

গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন।

আজ সংসদে বিভিন্ন মঞ্জুরি দাবি নিষ্পত্তি করে বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় বাজেট সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরে আপ্যায়ন ভাতা কাটছাঁট করেছেন। চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন ব্যয় হয়েছে ১১ লাখ ৬৯ টাকা।’

‘এ ছাড়াও দুই ঈদে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯০ লাখ টাকা।’

এদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেছেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা তারেক রহমান সকাল পৌনে ১০ টায় সংসদে আসেন। প্রথম থেকে তিনি অধিবেশন কক্ষে অবস্থান করেন। বাজেটের মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়াসহ  আইন প্রণয়ন কার্যাবলিতে অংশ নিয়েছেন।’

‘শুধু তাই নয়, বিরতির সময় প্রধানমন্ত্রী দাপ্তরিক কাজ সেরেছেন এবং জরুরি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সই করেছেন।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%